- হোম
- একাডেমি
- সাধারণ
- একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি
- ব্রিটিশ ভারতে প্রতিনিধিত্বশীল
পাঠ্যবিষয় ও অধ্যায়ভিত্তিক একাডেমিক প্রস্তুতির জন্য আমাদের উন্মুক্ত শিক্ষায় অংশগ্রহণ করুন।
১৯৪০ সালের ২২ মার্চ মুসলিম লীগের লাহোর অধিবেশনে কায়েদে আজম মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ মুসলমানদের জন্য একটি পৃথক আবাসভূমির দাবি সম্বলিত 'বিখ্যাত দ্বি-জাতি তত্ত্ব সবিস্তার ব্যাখ্যা করেন। এ দ্বি-জাতি তত্ত্বের গুরুত্ব বা তাৎপর্য ছিল অপরিসীম। নিম্নে এ তত্ত্বের তাৎপর্য তুলে ধরা হলো:
১. রাজনৈতিক চেতনার বিকাশ: মোহাম্মদ আলী জিন্নাহর দ্বি-জাতি তত্ত্বের ভিত্তিতে ভারতের বিভক্তি ও পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার দাবি উত্থাপন করলে তা ভারতীয় মুসলমানদের চেতনামূলে অগ্নিস্ফুলিঙ্গ জ্বালিয়ে দেয়। পৃথক আবাসভূমি বা স্বাধীনতার স্বপ্ন তাদেরকে জাগিয়ে তোলে। এ কারণে দ্বিধা-দ্বন্দ্ব ভুলে গিয়ে মুসলমানরা মুসলিম লীগের পতাকাতলে ঐক্যবদ্ধ হতে থাকে।
২. ধর্মীয় চেতনাকে উজ্জীবিতকরণ: মোহাম্মদ আলী জিন্নাহর দ্বি-জাতি তত্ত্ব ভারতীয় মুসলমানদেরকে ধর্মীয় চেতনায় উজ্জীবিত করে। এ কারণে ধর্মীয় চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে মুসলমানরা পৃথক আবাসভূমি প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে অবতীর্ণ হয়।
৩. সাম্প্রদায়িক ঐক্যবোধ সৃষ্টি: মুসলমানদের মধ্যে সাম্প্রদায়িক ঐক্যবোধ সৃষ্টি করতে জিন্নাহর দ্বি-জাতি তত্ত্বের ব্যাপক গুরুত্ব রয়েছে। প্রকৃতপক্ষে মুসলমানরা যে ভারতবর্ষে আলাদা জাতি এবং তাদের যে পৃথক আবাসভূমি একান্ত প্রয়োজন, এ বাস্তবতা দ্বি-জাতি তত্ত্বের মাধ্যমে মুসলমানরা বিশেষভাবে উপলব্ধি করে।
৪. মুসলিম জাতীয়তাবাদের বিকাশ মুসলিম জাতীয়তাবাদ বিকাশে কাশে জিন্নাহর দ্বি-জাতি তত্ত্বের বিশেষ ভূমিকা রয়েছে। এ তত্ত্বই মুসলমানদের মধ্যে পারস্পরিক ঐক্য, সংহতি ও ভ্রাতৃত্ববোধ জাগ্রত করে। দ্বি-জাতি তত্ত্ব ভারতীয় মুসলিম সমাজকে এক নবচেতনায় উজ্জীবিত করে তাদের মধ্যে মুসলিম জাতীয়তাবাদের বিকাশ ঘটায়।
৫. পাকিস্তান সৃষ্টি: জিন্নাহর দ্বি-জাতি তত্ত্বের ওপর ভিত্তি করেই ১৯৪০ সালে লাহোর প্রস্তাব গৃহীত হয়। এ প্রস্তাবে মুসলমানদের জন্য স্বতন্ত্র আবাসভূমি দাবি করা হয়। এর মাধ্যমে ভারতীয় মুসলমানগণ নিজেদের ধর্মীয়, সাংস্কৃতিক, অর্থনৈতিক, শাসনতান্ত্রিক, রাজনৈতিক তথা সকল ধরনের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠার আশায় মুসলিম লীগের পতাকাতলে ঐক্যবদ্ধ হয়ে পৃথক মুসলিম রাষ্ট্র গঠনের সংগ্রামকে বেগবান করে তোলে। আর এ প্রেক্ষাপটেই ভারত বিভক্ত হয়ে ১৯৪৭সালের ১৪ আগস্ট স্বাধীন পাকিস্তান রাষ্ট্রের জন্ম হয়।
সম্পর্কিত বহুনির্বচনী প্রশ্ন সমূহ
মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্য হলো-
মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্য হলো-
অন্যান্য সম্প্রদায়ের সাথে সম্প্রীতি বৃদ্ধি করা
ব্রিটিশদের সাথে আন্দোলন করা
গণসচেতনতা সৃষ্টি করা
পৃথক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করা
বঙ্গভঙ্গ রদের সঠিক মূল্যায়ন কোনটি?
বঙ্গভঙ্গ রদের সঠিক মূল্যায়ন কোনটি?
মুসলমানদের অভিমান
হিন্দুদের বিজয়
ব্রিটিশ স্বার্থের রাজনীতি
বাঙালিদের মোহভঙ্গ
লাহোর প্রস্তাবে ভারতের কোন কোন অঞ্চলে মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ এলাকা নিয়ে স্বাধীন রাষ্ট্র গঠনের প্রস্তাব করা হয়?
লাহোর প্রস্তাবে ভারতের কোন কোন অঞ্চলে মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ এলাকা নিয়ে স্বাধীন রাষ্ট্র গঠনের প্রস্তাব করা হয়?
পূর্বাঞ্চল
দক্ষিণাঞ্চল
উত্তর-পশ্চিম ও পূর্বাঞ্চল
উত্তর-পূর্বাঞ্চল
"ভারতে মাত্র দুটি জাতি বাস করে"- উক্তিটি কার?
"ভারতে মাত্র দুটি জাতি বাস করে"- উক্তিটি কার?
মহাত্মা গান্ধী
মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ্
সুভাষ চন্দ্র বসু
জওহরলাল নেহেরু
কোন যুদ্ধের মধ্য দিয়ে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির শাসনের গোড়াপত্তন হয়?
কোন যুদ্ধের মধ্য দিয়ে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির শাসনের গোড়াপত্তন হয়?
পলাশির
বক্সারের
পানি পথের
পূর্ণিয়ার
কোন গভর্নর জেনারেল বঙ্গভঙ্গ ঘোষণা করেন?
কোন গভর্নর জেনারেল বঙ্গভঙ্গ ঘোষণা করেন?
লর্ড কার্জন
লর্ড ডালহৌসি
লর্ড মাউন্ট ব্যাটেন
লর্ড ওয়ারেন হেস্টিংস
ব্রিটিশদের 'ভাগ কর শাসন কর নীতির' উদ্দেশ্য ছিল-
ব্রিটিশদের 'ভাগ কর শাসন কর নীতির' উদ্দেশ্য ছিল-
ব্রিটিশ শাসন দীর্ঘস্থায়ী করা
মুসলমানদের স্বার্থ রক্ষা করা
হিন্দু-মুসলমানদের মধ্যে সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠা
অর্থনীতির ভিত্তি সুদৃঢ় করা
কে মন্ত্রিমিশন পরিকল্পনার সদস্য ছিলেন?
কে মন্ত্রিমিশন পরিকল্পনার সদস্য ছিলেন?
লর্ড বেন্টিঙ্ক
স্যার স্ট্যাফোর্ড ক্রিপস
লর্ড মর্লে
লর্ড মিন্টো
কার সভাপতিত্বে মুসলিম লীগ গঠিত হয়েছিল?
কার সভাপতিত্বে মুসলিম লীগ গঠিত হয়েছিল?
নবাব স্যার সলিমুল্লাহ
লর্ড কার্জন
নবাব আব্দুল লতিফ
নবাব ভিকারুল মুলক


