Uddoyon
  • হোম
  • একাডেমি
  • সাধারণ
  • একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি
  • ব্রিটিশ ভারতে প্রতিনিধিত্বশীল
ব্রিটিশ ভারতে প্রতিনিধিত্বশীল

পাঠ্যবিষয় ও অধ্যায়ভিত্তিক একাডেমিক প্রস্তুতির জন্য আমাদের উন্মুক্ত শিক্ষায় অংশগ্রহণ করুন।

ফিরে যান
১৯১৯ সালের ভারত শাসন আইনের বৈশিষ্ট্যসমূহ

১৯১৯ সালের ভারত শাসন আইনের প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলো নিম্নে উল্লেখ করা হলো:

১. দ্বিকক্ষবিশিষ্ট কেন্দ্রীয় আইনসভা: ১৯১৯ সালের ভারত শাসন আইনের মাধ্যমে কেন্দ্রে দ্বিকক্ষবিশিষ্ট আইনসভা প্রতিষ্ঠা করা হয়। উচ্চ কক্ষের নামকরণ করা হয় রাষ্ট্রীয় পরিষদ (Council of State) এবং নিম্নকক্ষের নামকরণ করা হয় ব্যবস্থাপক সভা (Legislative Assembly)। রাষ্ট্রীয় পরিষদের সদস্য সংখ্যা ছিল ৬০ জন এবং ব্যবস্থাপক সভার সদস্য সংখ্যা ছিল ১৪৫ জন।

২. প্রাদেশিক আইনসভা: এ আইনের মাধ্যমে প্রদেশগুলোতে এক কক্ষবিশিষ্ট (Unicameral Legislature) আইনসভার ব্যবস্থা করা হয়। এ ছাড়া প্রাদেশিক আইনসভাগুলোর সদস্য সংখ্যাও বৃদ্ধি করা হয়। নির্বাচিত, সরকারি এবং বেসরকারি এ তিন ধরনের সদস্য নিয়ে এ আইনসভা গঠিত হবে।

৩. ক্ষমতা বণ্টন: এ আইনের মাধ্যমে সরকারের কার্যাবলি দুই ভাগ করে কেন্দ্র ও প্রদেশের মধ্যে বণ্টন করা হয়। কেন্দ্রীয় বিষয়গুলোর মধ্যে ছিল- পররাষ্ট্র, প্রতিরক্ষা, মুদ্রা, ব্যাংক বাণিজ্য, ডাক, তার, রেলওয়ে, আয়কর ইত্যাদি। প্রাদেশিক বিষয়ের মধ্যে ছিল- আইন-শৃঙ্খলা, শিক্ষা, ভূমি, রাজস্ব, কৃষি, সেচ, বন, স্বাস্থ্য, বিচার ইত্যাদি।

৪. প্রদেশে সংসদীয় সরকার ও স্বায়ত্তশাসন ১৯১৯ সালের ভারত শাসন আইনে ভারতীয় উপমহাদেশের প্রদেশসমূহে। সর্বপ্রথম সীমিতভাবে সংসদীয় সরকার ব্যবস্থা চালু এবং স্বায়ত্তশাসন প্রবর্তন করা হয়।

৫. প্রদেশে দ্বৈতশাসন ১৯১৯ সালের ভারত শাসন আইনের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য হচ্ছে প্রদেশে দ্বৈতশাসন ব্যবস্থা (Dyarchy system) প্রবর্তন। প্রাদেশিক বিষয়সমূহকে 'সংরক্ষিত' (Reserved) এবং 'হস্তান্তরিত' (Transferred) এ দুই শ্রেণিতে ভাগ করা হয়। সংরক্ষিত বিষয়াদি, যেমন- আইন-শৃঙ্খলা, পুলিশ ও বিচার বিভাগ, ভূমি আইন, অর্থ ইত্যাদি গভর্নর ও তাঁর শাসন-পরিষদের হাতে সংরক্ষিত রাখা হয়। এ সকল বিষয় গভর্নর তাঁর শাসন-পরিষদের পরামর্শক্রমে পরিচালনা করেন। অপরদিকে হস্তান্তরিত বিষয়াদি, যেমন- জনস্বাস্থ্য, শিক্ষা, কৃষি, শিল্প, স্থানীয় সরকার ইত্যাদির দায়িত্ব ভারতীয় প্রাদেশিক মন্ত্রিগণের নিকট হস্তান্তর করা হয়। এ সকল বিষয়ে গভর্নর সাধারণত ভারতীয় মন্ত্রিগণের পরামর্শ অনুযায়ী কাজ করেন। এভাবে প্রাদেশিক সরকারের এখতিয়ারকে দুই ভাগে বিভক্ত করা হয় বলে একে দ্বৈতশাসন বলা হয়।

৬. পৃথক নির্বাচন ব্যবস্থা: এ আইনের মাধ্যমে মুসলমানদের জন্য 'পৃথক নির্বাচন ব্যবস্থা' (Separate Electorate) অব্যাহত রাখা হয়। তাছাড়া পাঞ্জাবের শিখ, অ্যাংলো ইন্ডিয়ান, ইউরোপীয় সম্প্রদায় এবং ভারতীয় খ্রিষ্টানগণ পৃথক নির্বাচনের সুযোগ ও অধিকার লাভ করে এ আইনের মাধ্যমে।

৭. যুক্তরাষ্ট্রীয় ব্যবস্থার প্রবর্তন এ আইনের মাধ্যমে সর্বপ্রথম ভারতীয় উপমহাদেশে যুক্তরাষ্ট্রীয় ব্যবস্থার প্রবর্তন করা হয়। প্রথমবারের মতো সরকারি বিষয়গুলোকে কেন্দ্রীয় ও প্রাদেশিক এ দুই ভাগে বিভক্ত করা হয়। কেন্দ্রীয় বিষয়গুলোকে কেন্দ্রীয় সরকারের হাতে এবং প্রাদেশিক বিষয়গুলোকে প্রাদেশিক সরকারের হাতে ন্যস্ত করা হয়।

৮. নির্বাচন ব্যবস্থার প্রবর্তন: ১৯১৯ সালের ভারত শাসন আইনের একটি উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য হলো এ উপমহাদেশে নির্বাচন ব্যবস্থার প্রবর্তন করা। এ আইনে উল্লেখ করা হয় যে, প্রাদেশিক আইন পরিষদে অন্তত শতকরা ৭০ জন সদস্য নির্বাচিত হবেন এবং শতকরা ২০ জনের বেশি সরকারি সদস্য থাকতে পারবেন না। প্রত্যেক প্রাদেশিক আইনসভায় তিন প্রকারের সদস্য থাকবেন। যেমন- নির্বাচিত সদস্য, সরকারি সদস্য ও মনোনীত সদস্য।

৯. ভারতীয় হাইকমিশনারের পদ সৃষ্টি: এ আইনের মাধ্যমে ইংল্যান্ডে সর্বপ্রথম ভারতীয়দের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয় দেখাশুনার জন্য একটি হাইকমিশনারের পদ সৃষ্টি করা হয়। তিনি গভর্নর জেনারেল কর্তৃক ৫ বছরের জন্য নিযুক্ত হতেন।

১০. গভর্নর জেনারেলের ক্ষমতা: এই আইনে গভর্নর জেনারেলকে চূড়ান্ত ক্ষমতার অধিকারী করা হয়। তিনি আইন পরিষদ প্রণীত যেকোনো আইন বাতিল করতে পারতেন।

১১. ভারত সচিবের ক্ষমতা বৃদ্ধি: ১৯১৯ সালের ভারত শাসন আইনে ভারতীয় সচিবের ক্ষমতা ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি করা হয়। তার অত্যধিক ক্ষমতার কারণে তাকে 'হোয়াইট হলের প্রতাপশালী মুঘল সম্রাট' বলে অভিহিত করা হতো।

১২. প্রাদেশিক গভর্নরের ক্ষমতা: এ আইনে প্রাদেশিক গভর্নর প্রভৃত ক্ষমতার অধিকারী হন। তিনি শাসন পরিষদ ও মন্ত্রী পরিষদের পরামর্শ অগ্রাহ্য করে শাসন কার্য পরিচালনা করতে পারতেন।

১৩. উপদেষ্টা বোর্ড গঠন: ১৯১৯ সালে ভারতীয় উপমহাদেশে ব্রিটিশ শাসন কার্যকর হবার দশ বছর পর একটি উপদেষ্টা বোর্ড ও সংবিধিবদ্ধ কমিশন (Statutory Commission) গঠনের কথা বলা হয়। উল্লিখিত সময়ের মধ্যে যে সব শাসন সংক্রান্ত ও সংস্কারমূলক কাজ সম্পন্ন করা হবে সে সম্পর্কে সুপারিশসহ প্রতিবেদন পেশ করাই ছিল এ কমিশনের মুখ্য উদ্দেশ্য।

১৪. সরকারি আয়ের শ্রেণিবিভাগ: এ আইনের দ্বারা সরকারি আয়ের শ্রেণিবিভাগ করা হয়। এর মাধ্যমে কেন্দ্রীয় ও প্রাদেশিক সরকারের আয়ের উৎসও নির্ধারিত হয়। কেন্দ্রের জন্য আয়কর ও বাণিজ্যিক কর এবং প্রদেশের জন্য ভূমি রাজস্ব এবং মাদকদ্রব্যের ওপর আবগারি শুল্ক নির্ধারণ করা হয়।

১৫. কাউন্সিল অব ইন্ডিয়া গঠন: ১৯১৯ সালের ভারত শাসন আইনে কয়েকজন ভারতীয় সদস্য নিয়ে ১২ সদস্যবিশিষ্ট একটি কাউন্সিল অব ইন্ডিয়া গঠন করা হয়।

ব্রিটিশ ভারতে প্রতিনিধিত্বশীল - অন্যান্য প্রশ্ন
ভারতীয় উপমহাদেশে ব্রিটিশ শাসন
ভারতীয় উপমহাদেশে ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসনের পটভূমি
পলাশীর যুদ্ধ
ভারতীয় কাউন্সিল আইন, ১৮৬১
১৮৬১ সালের ভারতীয় কাউন্সিল আইনের প্রধান বৈশিষ্ট্যসমূহ
১৮৬১ সালের ভারতীয় কাউন্সিল আইনের গুরুত্ব
ভারতীয় কাউন্সিল আইন, ১৮৯২
১৮৯২ সালের ভারতীয় কাউন্সিল আইনের প্রধান বৈশিষ্ট্যসমূহ
১৮৯২ সালের ভারতীয় কাউন্সিল আইনের গুরুত্ব
ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস, ১৮৮৫
ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস প্রতিষ্ঠার প্রেক্ষাপট
ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্য
ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের বিকাশধারা
ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস কার্যক্রম
ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস প্রতিষ্ঠার গুরুত্ব
বঙ্গভঙ্গ, ১৯০৫
বঙ্গভঙ্গের কারণ
বঙ্গভঙ্গের প্রতিক্রিয়া
বঙ্গভঙ্গের ফলাফল
বঙ্গভঙ্গ রদের কারণ
রদের প্রতিক্রিয়া
মুসলিম লীগ, ১৯০৬
'মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠার প্রেক্ষাপট
মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্য
মুসলিম লীগের কার্যক্রম
মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠার গুরুত্ব
মর্লে-মিন্টো সংস্কার আইন, ১৯০৯
ভারত শাসন আইন, ১৯১৯
১৯১৯ সালের ভারত শাসন আইনের বৈশিষ্ট্যসমূহ
দ্বৈতশাসন
দ্বৈতশাসন ব্যর্থতার কারণ
খিলাফত আন্দোলন
অসহযোগ আন্দোলন
বেঙ্গল প্যাক্ট, ১৯২৩
নেহেরু রিপোর্ট
জিন্নাহর চৌদ্দ দফা
গোল টেবিল বৈঠক
ভারত শাসন আইন, ১৯৩৫
১৯৩৫ সালের ভারত শাসন আইনের বৈশিষ্ট্য
১৯৩৫ সালের ভারত শাসন আইনের গুরুত্ব
১৯৩৫ সালের ভারত শাসন আইনে প্রবর্তিত প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসনের কার্যকারিতা
গভর্নর জেনারেলের ক্ষমতা ও কার্যাবলি
প্রাদেশিক নির্বাচন, ১৯৩৭
১৯৩৭ সালের প্রাদেশিক নির্বাচনের প্রেক্ষাপট
১৯৩৭ সালের প্রাদেশিক নির্বাচনের ফলাফল
১৯৩৭ সালের প্রাদেশিক নির্বাচনের গুরুত্ব
জিন্নাহর 'দ্বিজাতিতত্ত্ব'
দ্বিজাতিতত্ত্বের তাৎপর্য
১৯৪০ সালের লাহোর প্রস্তাব
লাহোর প্রস্তাবের প্রেক্ষাপট
লাহোর প্রস্তাব
লাহোর প্রস্তাবের বৈশিষ্ট্য
মূল লাহোর প্রস্তাবের সংশোধন
লাহোর প্রস্তাবের গুরুত্ব
স্বাধীন বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে লাহোর প্রস্তাবের গুরুত্ব
মন্ত্রিমিশন পরিকল্পনা, ১৯৪৬
মন্ত্রিমিশন পরিকল্পনার প্রেক্ষাপট
মন্ত্রিমিশন পরিকল্পনার বৈশিষ্ট্যসমূহ
মন্ত্রিমিশন পরিকল্পনার ব্যর্থতার কারণ
প্রাদেশিক নির্বাচন, ১৯৪৬
১৯৪৬ সালের প্রাদেশিক নির্বাচন
১৯৪৬ সালের প্রাদেশিক নির্বাচনের ফলাফল
১৯৪৬ সালের প্রাদেশিক নির্বাচনের গুরুত্ব
স্বাধীন অখণ্ড বাংলা প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ, ১৯৪৭
স্বাধীন- অখণ্ড বাংলা প্রতিষ্ঠার উদ্যোগের প্রেক্ষাপট
স্বাধীন অখণ্ড বাংলা প্রতিষ্ঠার ব্যর্থতার কারণ
ভারত স্বাধীনতা আইন, ১৯৪৭
১৯৪৭ সালের ভারত স্বাধীনতা আইনের বৈশিষ্ট্যসমূহ
১৯৪৭ সালের ভারত স্বাধীনতা আইনের গুরুত্ব
কত সালে 'বেঙ্গল প্যাক্ট' চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়? (জ্ঞানমূলক)
মন্ত্রিমিশন পরিকল্পনার সদস্য সংখ্যা কত জন? (জ্ঞানমূলক)
সর্বভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস কখন গঠিত হয়? (জ্ঞানমূলক)
দ্বিজাতিতত্ত্বের প্রবক্তা কে? (জ্ঞানমূলক)
দ্বৈতশাসন কী? (জ্ঞানমূলক)
বঙ্গভঙ্গ কী? (জ্ঞানমূলক)
মর্লে-মিন্টো সংস্কার আইন কী? (জ্ঞানমূলক)
কত সালে সর্বভারতীয় মুসলিম লীগ গঠন করা হয়েছিল? (জ্ঞানমূলক)
প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন কাকে বলে? (জ্ঞানমূলক)
ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের প্রতিষ্ঠাতা কে? (জ্ঞানমূলক)
ব্রিটিশ ভারতের সর্বশেষ গভর্নর জেনারেল কে ছিলেন? (জ্ঞানমূলক)
লাহোর প্রস্তাব কে উত্থাপন করেন? (জ্ঞানমূলক)
ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি কত সালে ভারতবর্ষে আগমন করে? (জ্ঞানমূলক)
বঙ্গভঙ্গের সমর্থনে মুসলমানদের সংগঠিত করেন কে? (জ্ঞানমূলক)
পলাশির যুদ্ধ কখন সংঘটিত হয়? (জ্ঞানমূলক)
কোন আইনের মাধ্যমে ভারতে কোম্পানি শাসনের অবসান ঘটে? (জ্ঞানমূলক)
বঙ্গভঙ্গপূর্ব ভারতবর্ষের অবিভক্ত প্রদেশটির নাম কী ছিল? (জ্ঞানমূলক)
সিপাহি বিদ্রোহ কত সালে সংঘটিত হয়? (জ্ঞানমূলক)
বঙ্গভঙ্গ কখন হয়? (জ্ঞানমূলক)
দ্বিজাতিতত্ত্ব কী? (জ্ঞানমূলক)
বঙ্গভঙ্গ রদ কত সালে হয়েছিল? (জ্ঞানমূলক)
মন্ত্রিমিশন কত সালে ভারতবর্ষে আগমন করে? (জ্ঞানমূলক)
মর্লি-মিন্টোর সংস্কার আইন কখন প্রণীত হয়? (জ্ঞানমূলক)
ইউরোপ থেকে ভারতে আসার জলপথ আবিষ্কার করেন কে? (জ্ঞানমূলক)
Vernacular Press Act কত সালে পাশ করা হয়েছিল? (জ্ঞানমূলক)
চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত কে জারি করেন? (জ্ঞানমূলক)
Legislative Council-এর অর্থ কী? (জ্ঞানমূলক)
বঙ্গভঙ্গ রদ করেন কে? (জ্ঞানমূলক)
All India Muslim Education Conference-এর অর্থ কী? (জ্ঞানমূলক)
বেঙ্গল প্যাক্টের রূপকার কে? (জ্ঞানমূলক)
অবিভক্ত বাংলার সর্বশেষ মুখ্যমন্ত্রী কে ছিলেন? (জ্ঞানমূলক)
দ্বৈতশাসনের ইংরেজি প্রতিশব্দ কী? (জ্ঞানমূলক)
চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত প্রথার প্রবর্তন করা হয় কত সালে? (জ্ঞানমূলক)
ভাস্কো দা-গামা কোন দেশের নাগরিক ছিলেন? (জ্ঞানমূলক)
মহারানি ভিক্টোরিয়া কত সালে ভারতবর্ষের শাসনভার গ্রহণ করেন? (জ্ঞানমূলক)
১৯১৯ সালে ভারত শাসন আইন কী নামে পরিচিত ছিল? (জ্ঞানমূলক)
১৯১৯ সালের আইনের প্রধান বৈশিষ্ট্য কী ছিল? (জ্ঞানমূলক)
N. C. Roy-এর বইয়ের নাম কী? (জ্ঞানমূলক)
দ্বৈতশাসনের মূল লক্ষ্য কী ছিল? (জ্ঞানমূলক)
সাইমন কমিশন কত সালে গঠন করা হয়? (জ্ঞানমূলক)
প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসনের মূলকথা কী ছিল? (জ্ঞানমূলক)
১৯৪৬ সালের মিশনকে কোন নামে অভিহিত করা হয়? (জ্ঞানমূলক)
বঙ্গভঙ্গ বলতে কী বোঝায়? (অনুধাবনমূলক)
দ্বিজাতিতত্ত্ব বলতে কী বোঝায়? (অনুধাবনমূলক)
মুসলিম লীগ কেন প্রতিষ্ঠা করা হয়েছিল? (অনুধাবনমূলক)
কেন ব্রিটিশ সরকার ভাগ কর ও শাসন কর নীতি গ্রহণ করেছিল? (অনুধাবনমূলক)
১৯৩৫ সালে প্রবর্তিত ভারতীয় প্রাদেশিক শাসন কীরূপ ছিল? (অনুধাবনমূলক)
লাহোর প্রস্তাব বলতে কী বোঝ? (অনুধাবনমূলক)
বেঙ্গল প্যাক্ট বা বাংলা চুক্তি বলতে কী বোঝায়? (অনুধাবনমূলক)
প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন বলতে কী বোঝ? (অনুধাবনমূলক)
দ্বৈতশাসন বলতে কী বোঝায়? (অনুধাবনমূলক)
মুসলিম লীগ নামক রাজনৈতিক দলটি কেন গঠিত হয়েছিল? (অনুধাবনমূলক)
স্বদেশি আন্দোলন বলতে কী বোঝায়? (অনুধাবনমূলক)
বঙ্গভঙ্গের যেকোনো একটি কারণ ব্যাখ্যা কর। (অনুধাবনমূলক)
'ভাগ কর, শাসন কর' নীতি বলতে কী বোঝায়? (অনুধাবনমূলক)
ফরায়েজি আন্দোলন বলতে কী বোঝায়? (অনুধাবনমূলক)
সিপাহি বিদ্রোহের প্রত্যক্ষ কারণটি ব্যাখ্যা কর। (অনুধাবনমূলক)
লাহোর প্রস্তাবের মূলকথা কী ছিল? (অনুধাবনমূলক)
১৮৬১ সালের ভারতীয় পরিষদ আইনের একটি ধারা ব্যাখ্যা কর। (অনুধাবনমূলক)
লাহোর প্রস্তাবের যেকোনো একটি বৈশিষ্ট্য ব্যাখ্যা কর। (অনুধাবনমূলক)
বঙ্গভঙ্গ রদের কারণগুলো কী ছিল? (অনুধাবনমূলক)
লাহোর প্রস্তাবকে 'পাকিস্তান প্রস্তাব' নামে অভিহিত করা হয় কেন? (অনুধাবনমূলক)
সূর্যাস্ত আইন বলতে কী বোঝায়? (অনুধাবনমূলক)
চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত কী? ব্যাখ্যা কর। (অনুধাবনমূলক)
'সাইমন কমিশন' কী? ব্যাখ্যা কর। (অনুধাবনমূলক)

সম্পর্কিত বহুনির্বচনী প্রশ্ন সমূহ

পলাশীর যুদ্ধে কে পরাজিত হন?

শহীদ তিতুমীর

সম্রাট জাহাঙ্গীর

নবাব সিরাজউদ্দৌলাহ

লর্ড ক্লাইভ

মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্য হলো-

অন্যান্য সম্প্রদায়ের সাথে সম্প্রীতি বৃদ্ধি করা

ব্রিটিশদের সাথে আন্দোলন করা

গণসচেতনতা সৃষ্টি করা

পৃথক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করা

বঙ্গভঙ্গ রদের সঠিক মূল্যায়ন কোনটি?

মুসলমানদের অভিমান

হিন্দুদের বিজয়

ব্রিটিশ স্বার্থের রাজনীতি

বাঙালিদের মোহভঙ্গ

"ভারতে মাত্র দুটি জাতি বাস করে"- উক্তিটি কার?

মহাত্মা গান্ধী

মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ্

সুভাষ চন্দ্র বসু

জওহরলাল নেহেরু

কোন গভর্নর জেনারেল বঙ্গভঙ্গ ঘোষণা করেন?

লর্ড কার্জন

লর্ড ডালহৌসি

লর্ড মাউন্ট ব্যাটেন

লর্ড ওয়ারেন হেস্টিংস

ব্রিটিশদের 'ভাগ কর শাসন কর নীতির' উদ্দেশ্য ছিল-

ব্রিটিশ শাসন দীর্ঘস্থায়ী করা

মুসলমানদের স্বার্থ রক্ষা করা

হিন্দু-মুসলমানদের মধ্যে সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠা

অর্থনীতির ভিত্তি সুদৃঢ় করা

কে মন্ত্রিমিশন পরিকল্পনার সদস্য ছিলেন?

লর্ড বেন্টিঙ্ক

স্যার স্ট্যাফোর্ড ক্রিপস

লর্ড মর্লে

লর্ড মিন্টো

কার সভাপতিত্বে মুসলিম লীগ গঠিত হয়েছিল?

নবাব স্যার সলিমুল্লাহ

লর্ড কার্জন

নবাব আব্দুল লতিফ

নবাব ভিকারুল মুলক