- হোম
- একাডেমি
- সাধারণ
- একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি
- ব্রিটিশ ভারতে প্রতিনিধিত্বশীল
পাঠ্যবিষয় ও অধ্যায়ভিত্তিক একাডেমিক প্রস্তুতির জন্য আমাদের উন্মুক্ত শিক্ষায় অংশগ্রহণ করুন।
১৮৮৫ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকে কংগ্রেসের কার্যক্রম দুটি প্রধান নীতি অবলম্বন করে পরিচালিত হয়। একটি হচ্ছে সরকারি কর্মকাণ্ড ও নীতিমালার অত্যন্ত সংযত ভাষায় সমালোচনা করা; আর অপরটি হচ্ছে সরকারের নিকট বিভিন্ন সংস্কার দাবি বিনয়ের সাথে উত্থাপন করা। এ সংস্কার দাবিদাওয়াগুলো ছিল মূলত রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক।
রাজনৈতিক দাবিগুলো ছিল নিম্নরূপ:
১. ভারত সচিবের পরামর্শ সভার বিলোপ অথবা তিন জন ভারতীয়কে পরামর্শ সভায় সদস্য হিসেবে গ্রহণ।
২. কেন্দ্রীয় ও প্রাদেশিক শাসন পরিষদে যথাক্রমে দুই জন ও একজন ভারতীয় সদস্য অন্তর্ভুক্ত।
৩. কেন্দ্রীয় ও প্রাদেশিক শাসন পরিষদের সম্প্রসারণ এবং নির্বাচিত সদস্যের সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রতিষ্ঠাকরণ।
৪. সরকারি চাকরিতে ভারতীয়দের যথোপযুক্ত সংখ্যায় নিয়োগের ব্যবস্থা গ্রহণ।
৫. শুধু ইংল্যান্ডের পরিবর্তে একই সময় ভারত ও ইংল্যান্ডে সি. এস (Civil Service) পরীক্ষা গ্রহণ।
৬. আইনসভায় বাজেটে ভারতীয় সদস্যদের ভোটদান করার অধিকার প্রদান।
অর্থনৈতিক দাবিগুলো ছিল নিম্নরূপ:
১. ভারতে দারিদ্র্য ও দুর্ভিক্ষের কারণ অনুসন্ধানের জন্য তদন্তের দাবি উপস্থাপন করা হয়।
২. চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের প্রসার রোধ দাবি করা হয়। কেননা এ সময় কংগ্রেস নেতাদের অভিমত কৃষকরা তাদের জমি বিক্রি করে দিতে বাধ্য হতো।
৩. ভারতীয় শিল্পকে সংরক্ষণের জন্য অবাধ বাণিজ্য নীতি রদের দাবি জানানো হয়। রায়তওয়ারি এলাকায় রাজস্ব হ্রাস এবং রাজস্ব আদায়ে কঠোরতা হ্রাস করার দাবি করা হয়।
৪. কৃষিক্ষেত্রে উন্নয়নের লক্ষ্যে রায়ত ছাড়া কৃষকের জন্য চিরস্থায়ী কর ব্যবস্থার দাবি জানানো হয়।
৫. লবণ কর কমানোর দাবি করা হয়।
উল্লিখিত দাবি ছাড়াও কংগ্রেস ভারতীয়দের শিক্ষা প্রসারের ব্যবস্থা, গণতান্ত্রিক, বাকস্বাধীনতা ও নাগরিক অধিকার সংক্রান্ত দাবিদাওয়াও পেশ করে। পরবর্তীতে বালগঙ্গাধর তিলক, লালা লাজপত রায়, বিপিন চন্দ্র পাল, অরবিন্দ ঘোষ প্রমুখ নেতৃবৃন্দের প্রভাবে কংগ্রেসে হিন্দু জাতীয়তাবাদের পুনরুত্থান ঘটে। এসব চরমপন্থি কংগ্রেস নেতৃবৃন্দ আবেদন-নিবেদনের পথ ছেড়ে ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে আন্দোলনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন। ফলে শিক্ষিত ও মধ্যবিত্ত হিন্দুদের মধ্যে ব্রিটিশ বিরোধী প্রবল মনোভাব বৃদ্ধি পেতে থাকে।
সম্পর্কিত বহুনির্বচনী প্রশ্ন সমূহ
মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্য হলো-
মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্য হলো-
অন্যান্য সম্প্রদায়ের সাথে সম্প্রীতি বৃদ্ধি করা
ব্রিটিশদের সাথে আন্দোলন করা
গণসচেতনতা সৃষ্টি করা
পৃথক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করা
বঙ্গভঙ্গ রদের সঠিক মূল্যায়ন কোনটি?
বঙ্গভঙ্গ রদের সঠিক মূল্যায়ন কোনটি?
মুসলমানদের অভিমান
হিন্দুদের বিজয়
ব্রিটিশ স্বার্থের রাজনীতি
বাঙালিদের মোহভঙ্গ
লাহোর প্রস্তাবে ভারতের কোন কোন অঞ্চলে মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ এলাকা নিয়ে স্বাধীন রাষ্ট্র গঠনের প্রস্তাব করা হয়?
লাহোর প্রস্তাবে ভারতের কোন কোন অঞ্চলে মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ এলাকা নিয়ে স্বাধীন রাষ্ট্র গঠনের প্রস্তাব করা হয়?
পূর্বাঞ্চল
দক্ষিণাঞ্চল
উত্তর-পশ্চিম ও পূর্বাঞ্চল
উত্তর-পূর্বাঞ্চল
"ভারতে মাত্র দুটি জাতি বাস করে"- উক্তিটি কার?
"ভারতে মাত্র দুটি জাতি বাস করে"- উক্তিটি কার?
মহাত্মা গান্ধী
মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ্
সুভাষ চন্দ্র বসু
জওহরলাল নেহেরু
কোন যুদ্ধের মধ্য দিয়ে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির শাসনের গোড়াপত্তন হয়?
কোন যুদ্ধের মধ্য দিয়ে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির শাসনের গোড়াপত্তন হয়?
পলাশির
বক্সারের
পানি পথের
পূর্ণিয়ার
কোন গভর্নর জেনারেল বঙ্গভঙ্গ ঘোষণা করেন?
কোন গভর্নর জেনারেল বঙ্গভঙ্গ ঘোষণা করেন?
লর্ড কার্জন
লর্ড ডালহৌসি
লর্ড মাউন্ট ব্যাটেন
লর্ড ওয়ারেন হেস্টিংস
ব্রিটিশদের 'ভাগ কর শাসন কর নীতির' উদ্দেশ্য ছিল-
ব্রিটিশদের 'ভাগ কর শাসন কর নীতির' উদ্দেশ্য ছিল-
ব্রিটিশ শাসন দীর্ঘস্থায়ী করা
মুসলমানদের স্বার্থ রক্ষা করা
হিন্দু-মুসলমানদের মধ্যে সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠা
অর্থনীতির ভিত্তি সুদৃঢ় করা
কে মন্ত্রিমিশন পরিকল্পনার সদস্য ছিলেন?
কে মন্ত্রিমিশন পরিকল্পনার সদস্য ছিলেন?
লর্ড বেন্টিঙ্ক
স্যার স্ট্যাফোর্ড ক্রিপস
লর্ড মর্লে
লর্ড মিন্টো
কার সভাপতিত্বে মুসলিম লীগ গঠিত হয়েছিল?
কার সভাপতিত্বে মুসলিম লীগ গঠিত হয়েছিল?
নবাব স্যার সলিমুল্লাহ
লর্ড কার্জন
নবাব আব্দুল লতিফ
নবাব ভিকারুল মুলক


