- হোম
- একাডেমি
- সাধারণ
- একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি
- ইসলামি শিক্ষা ও সংস্কৃতি
পাঠ্যবিষয় ও অধ্যায়ভিত্তিক একাডেমিক প্রস্তুতির জন্য আমাদের উন্মুক্ত শিক্ষায় অংশগ্রহণ করুন।
জ্ঞান-বিজ্ঞানের অন্যান্য শাখার মতো পদার্থবিজ্ঞানেও মুসলিম মনীষীদের গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে। যেসব মুসলিম মনীষী পদার্থবিজ্ঞানে অসামান্য অবদান রেখেছেন তাদের মধ্যে হাসান ইবনে হায়সাম, আবু রাইহান আল বিরুনি, আবুল ফাতাহ আল খাজনি, মুহাম্মদ আবদুস সালাম ও জামাল নজরুল ইসলামের নাম বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য ।
হাসান ইবনে হায়সাম
হাসান ইবনে হায়সাম (৯৬৫-১০৩৯ খ্রি.) শ্রেষ্ঠ মুসলিম পদার্থবিজ্ঞানী। তিনি স্পেনের কর্ডোভা বিশ্ববিদ্যালয়ে চিকিৎসাশাস্ত্র ও পদার্থবিদ্যা শিক্ষাগ্রহণ করেন। ১০০৫ খ্রিষ্টাব্দে ফাতেমীয় শাসক আল হাকিম কায়রোতে 'দারুল হিকমা' নামে একটি বিজ্ঞান গবেষণাগার এবং একটি মানমন্দির প্রতিষ্ঠা করেন। ইবনে হায়সামকে এ গবেষণাগার ও মানমন্দিরের অধ্যক্ষ নিয়োগ করা হয়। এ দায়িত্ব পালনকালে তিনি গ্রিক ও ল্যাটিন ভাষায় পদার্থবিদ্যার গ্রন্থগুলো অনুবাদ করেন। এর পাশাপাশি আলোকবিজ্ঞানের ওপর ব্যাপক গবেষণা চালিয়ে নিজেও কয়েকটি মৌলিক গ্রন্থ রচনা করেন। 'কিতাবুল মানাযির' তার দৃষ্টিবিজ্ঞান বিষয়ক কালোত্তীর্ণ মৌলিক গ্রন্থ। এটি ছিল মধ্যযুগে আলোকবিজ্ঞানের ওপর একমাত্র গ্রন্থ।
ইবনে হায়সাম আলোর প্রতিফলন ও প্রতিসরণ বিষয়ে গ্রিকদের ভুল ধারণা খণ্ডন করেন। গ্রিকরা মনে করত, চোখ থেকে বের হওয়া আলো বাহ্য পদার্থকে দৃষ্টিগোচর করায়। ইবনে হায়সাম দেখান, বাহ্য পদার্থ থেকেই আমাদের চোখে আলোক রশ্মি প্রতিফলিত হয় এবং এভাবেই আমরা দর্শনযোগ্য বিষয়সমূহ দেখতে পাই। ইবনে হায়সাম 'ম্যাগনিফাইং গ্লাস' আবিষ্কার করেন। তিনি গতিবিজ্ঞান নিয়েও কাজ করেন। নিজ গ্রন্থে তিনি বায়ুমণ্ডলের ওজন, চাপ এবং মাধ্যাকর্ষণ শক্তি বিষয়ে আলোচনা করেন। তিনি প্রমাণ করেন যে, পদার্থের ওপর বায়ুমণ্ডলের চাপের তারতম্যের জন্য পদার্থের ওজনেও তারতম্য হয়। স্যার আইজাক নিউটনকে (১৬৪২-১৭২৭ খ্রি.) মাধ্যাকর্ষণ শক্তির আবিষ্কারক মনে করা হলেও ইবনে হায়সাম এ তত্ত্বের মূল প্রবক্তা।
আবু রাইহান আল বিরুনি
মুসলিম মনীষী আবু রাইহান আল বিরুনি (৯৭৩-১০৪৮ খ্রি.) পদার্থবিজ্ঞানের ক্ষেত্রে একটি পরিচিত নাম। তিনি শতাধিক বিভিন্ন ধরনের ধাতু ও পাথর সংগ্রহ করে সেগুলো নিয়ে গবেষণা পরিচালনা করেন। তিনি প্রায় ১৮ ধরনের মূল্যবান ধাতু ও পাথরের ঘনত্ব নির্ণয় করেন। স্থিতিবিদ্যা (Statics) ও গতিবিদ্যাকে (Dynamics) একীভূত করে বলবিদ্যা (Mechanics) নামক গবেষণার নতুন ক্ষেত্র প্রবর্তন করেন।
তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানে পাকিস্তানের বিজ্ঞানী আবদুস সালাম ও বাংলাদেশের বিজ্ঞানী ড. জামাল নজরুল ইসলামের অবদান বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য ।
মুহাম্মদ আবদুস সালাম
বিশ্ববিখ্যাত মুসলিম পদার্থবিজ্ঞানী মুহাম্মদ আবদুস সালাম ১৯২৬ সালের ২৯ জানুয়ারি বর্তমান পাকিস্তানের পাঞ্জাবে জন্মগ্রহণ করেন। শিক্ষা-দীক্ষা ও ধর্মের ক্ষেত্রে তার বিশেষ পারিবারিক ঐতিহ্য ছিল। আবদুস সালাম মাত্র ১৪ বছর বয়সে পাঞ্জাব বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে ম্যাট্রিকুলেশন পরীক্ষায় সর্বোচ্চ নম্বর অর্জনের রেকর্ড করায় পুরো শহরের মানুষ তাকে স্বাগত জানায়। তিনি ১৯৪৯ সালে যুক্তরাজ্যের ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে গণিত ও পদার্থবিজ্ঞানে বি.এ (সম্মান) ডিগ্রি লাভ করেন। আবদুস সালাম প্রাক-ডক্টরেট পর্যায়ে পদার্থবিজ্ঞানে অসাধারণ অবদান রাখায় ১৯৫০ সালে ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে 'স্মিথ পুরস্কার' লাভ করেন।
তিনি ১৯৫১ সালে তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানের ওপর পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন। তার গবেষণার বিষয় ছিল 'কোয়ান্টাম ইলেকট্রোডায়নামিকসের মৌলিক কাজ' (Fundamental work in quantum electrodynamics) যার জন্য তিনি আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বিশেষ খ্যাতিলাভ করেন। তিনি তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞান ও প্রায়োগিক গণিতের উন্নয়নে বিশেষ অবদান রাখেন। কর্মজীবনের শুরুতে আবদুস সালাম পাকিস্তানের পাঞ্জাব বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিত বিভাগের অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান ছিলেন। পরবর্তীতে ১৯৫৭ সাল থেকে তিনি লন্ডনের ইমপেরিয়াল কলেজের তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানের অধ্যাপক ছিলেন।
আবদুস সালাম সেখানে প্রায় চল্লিশ বছর যাবৎ পদার্থবিজ্ঞানের মৌলিক কণাতত্ত্ব নিয়ে গবেষণা করেন। এছাড়াও পদার্থবিজ্ঞানে তার উল্লেখযোগ্য অবদান হলো- পার্টি-সালাম মডেল, ম্যাগনেটিক ফোটন, ভেক্টর মেসন, গ্র্যান্ড ইউনিফাইড তত্ত্ব ও ইলেকট্রোউইক ইউনিফিকেশন তত্ত্ব (Electroweak Unification Theory) প্রভৃতি। ইলেকট্রোউইক ইউনিফিকেশন তত্ত্বের জন্য তিনি ১৯৭৯ সালে প্রথম ও একমাত্র মুসলিম মনীষী হিসেবে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন । উন্নয়নশীল দেশগুলোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির উন্নয়নে আবদুস সালামের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। তিনি ১৯৯৬ সালের ২১ নভেম্বর যুক্তরাজ্যে মৃত্যুবরণ করেন।
অধ্যাপক জামাল নজরুল ইসলাম
বিখ্যাত গণিতবিদ ও তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানী অধ্যাপক জামাল নজরুল ইসলাম ১৯৩৯ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশের বর্তমান ঝিনাইদহ জেলায় জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ১৯৬৪ সালে যুক্তরাজ্যের ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রায়োগিক গণিত ও তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানের ওপর পিএইচডি ডিগ্রি এবং ১৯৮২ সালে 'ডক্টর অব সায়েন্স' ডিগ্রি অর্জন করেন। মহাবিশ্বের উৎপত্তি, গঠন, বিবর্তন ও পরিণতি সম্পর্কে তিনি মৌলিক গবেষণা করেন। বিজ্ঞানী আইনস্টাইন ও মুহাম্মদ আবদুস সালামের গবেষণার সূত্র ধরে তিনি তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। কর্মজীবনে তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিত বিভাগের অধ্যাপক ছিলেন।
প্রায়োগিক গণিত ও তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানের গবেষণার লক্ষ্যে তিনি সেখানে একটি গবেষণাকেন্দ্র প্রতিষ্ঠা করেন। মহাবিশ্বের উৎপত্তি ও পরিণতি সম্পর্কে লেখা তার দুটি বিখ্যাত গ্রন্থ হলো— "The Ultimate Fate of The Universe' (১৯৮৩) এবং ‘An Introduction to Mathematical Cosmology' (১৯৯২)। তাঁর রচিত বই জাপানি, ফরাসি ও পর্তুগিজসহ বিভিন্ন ভাষায় অনুদিত হয় এবং অক্সফোর্ড, ক্যামব্রিজসহ বিশ্বের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ানো হয়। প্রায়োগিক গণিত ও তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানে তার অসামান্য অবদানের জন্য তিনি জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বহু পুরস্কার লাভ করেন। তিনি ২০০১ সালে একুশে পদক লাভ করেন। বাংলাদেশের এ মহান মুসলিম মনীষী ২০১৩ সালের ১৬ মার্চ মৃত্যুবরণ করেন ।
একক কাজ: মুসলিম পদার্থবিজ্ঞানীদের একটি তালিকা প্রস্তুত করো ।
বাড়ির কাজ
পদার্থবিদ্যার ক্লাসে শিক্ষক এমন একজন মুসলিম বিজ্ঞানী সম্পর্কে আলোচনা করছিলেন যিনি কর্ডোভা বিশ্ববিদ্যালয়ে চিকিৎসা ও পদার্থবিদ্যায় পড়াশোনা করেছেন। যিনি কায়রোর দারুল হিকমা বিজ্ঞান গবেষণাগার এবং মানমন্দিরের অধ্যক্ষ ছিলেন। এ দায়িত্ব পালনকালে তিনি গ্রিক ও ল্যাটিন ভাষায় পদার্থবিদ্যার গ্রন্থগুলো অনুবাদ করেন। এছাড়া তিনি আলোকবিজ্ঞানের ওপর গবেষণা করে কয়েকটি মৌলিক গ্রন্থ রচনা করেন। মধ্যযুগে আলোকবিজ্ঞানের ওপর তার রচিত গ্রন্থই ছিল একমাত্র গ্রন্থ ।
ক. উদ্দীপকে যে মুসলিম বিজ্ঞানীর ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে পদার্থবিদ্যায় তার অবদান ব্যাখ্যা করো। '
খ. উক্ত মুসলিম বিজ্ঞানীই আলোর প্রতিফলন ও প্রতিসরণ বিষয়ে গ্রিকদের ভুল ধারণা খণ্ডন করেন— বিশ্লেষণ করো ।
সম্পর্কিত বহুনির্বচনী প্রশ্ন সমূহ
কোন যুগকে জ্ঞান-বিজ্ঞানের স্বর্ণযুগ বলা হয়? [জ্ঞান]
কোন যুগকে জ্ঞান-বিজ্ঞানের স্বর্ণযুগ বলা হয়? [জ্ঞান]
খোলাফায়ে রাশেদিনের যুগ
উমাইয়া যুগ
আব্বাসীয় যুগ
ফাতেমি যুগ
মানুষ সৃষ্টির মূল উদ্দেশ্য কী? [অনুধাবন]
মানুষ সৃষ্টির মূল উদ্দেশ্য কী? [অনুধাবন]
দীন প্রচার করা
ইবাদত করা
খিলাফত কায়েম করা
ইসলামি আন্দোলন করা
“দুনিয়া আখিরাতের শস্যক্ষেত্র” - এই প্রবাদটির মর্মার্থ কী? [অনুধাবন]
“দুনিয়া আখিরাতের শস্যক্ষেত্র” - এই প্রবাদটির মর্মার্থ কী? [অনুধাবন]
কৃষিকাজকে উত্তম পেশা মনে করা
দুনিয়ার জীবনকে প্রাধান্য না দেওয়া
আখিরাতমুখী জীবনযাপন করা
আখিরাতের ফলাফল বিবেচনা করে দুনিয়ায় কাজ করা
ইসলামি শিক্ষার গুরুত্বপূর্ণ উদ্দেশ্য হলো— [জ্ঞান]
i. উন্নত নৈতিকতা গড়ে তোলা
ii. মনুষ্যত্বের বিকাশ
iii. আল্লাহর সম্পর্কে জ্ঞান
ইসলামি শিক্ষার গুরুত্বপূর্ণ উদ্দেশ্য হলো— [জ্ঞান]
i. উন্নত নৈতিকতা গড়ে তোলা
ii. মনুষ্যত্বের বিকাশ
iii. আল্লাহর সম্পর্কে জ্ঞান
i ও ii
ii ও iii
i ও iii
i, ii ও iii
রাতের এক ঘণ্টা ইসলামি জ্ঞানচর্চাকে কীসের চেয়ে উত্তম বলা হয়েছে? [জ্ঞান]
রাতের এক ঘণ্টা ইসলামি জ্ঞানচর্চাকে কীসের চেয়ে উত্তম বলা হয়েছে? [জ্ঞান]
সারারাত জিহাদ করার
সারারাত সীমানা পাহারা দেওয়ার
সারারাত নফল সালাত আদায়ের
সারারাত দীনের দাওয়াত দেওয়ার
আল্লাহর ভয়ে যাবতীয় অন্যায় কাজ থেকে বিরত থাকাকে কী বলে? [অনুধাবন]
আল্লাহর ভয়ে যাবতীয় অন্যায় কাজ থেকে বিরত থাকাকে কী বলে? [অনুধাবন]
তাকওয়া
ইহসান
তাওয়াক্কুল
সবর
'প্রত্যেক মুসলিম নর-নারীর ওপর জ্ঞানার্জন করা ফরজ' - এ হাদিসে কোন ধরনের এবং কী পরিমাণ জ্ঞানার্জনের কথা বলা হয়েছে? [অনুধাবন]
'প্রত্যেক মুসলিম নর-নারীর ওপর জ্ঞানার্জন করা ফরজ' - এ হাদিসে কোন ধরনের এবং কী পরিমাণ জ্ঞানার্জনের কথা বলা হয়েছে? [অনুধাবন]
পার্থিব উচ্চ শিক্ষা
প্রয়োজনীয় ইসলামি শিক্ষা
ইসলামি উচ্চ শিক্ষা
প্রয়োজনীয় অর্থনৈতিক শিক্ষা
মক্তব শিক্ষার প্রধান উদ্দেশ্য কোনটি? [জ্ঞান]
মক্তব শিক্ষার প্রধান উদ্দেশ্য কোনটি? [জ্ঞান]
নিরক্ষরতা দূরীকরণ
প্রাথমিক শিক্ষা অর্জন
কুরআন শিক্ষা প্রদান
বিজ্ঞান চর্চা
দারুল আরকাম-এর প্রতিষ্ঠাতা কে? [জ্ঞান]
দারুল আরকাম-এর প্রতিষ্ঠাতা কে? [জ্ঞান]
হযরত মুহাম্মদ (স)
হযরত আবু বকর (রা)
হযরত মুয়াবিয়া (রা)
খলিফা আল মামুন
ইতিহাসের প্রথম ইসলামি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কোনটি? [জ্ঞান]
ইতিহাসের প্রথম ইসলামি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কোনটি? [জ্ঞান]
আল-আজহার বিশ্ববিদ্যালয়
মদিনা বিশ্ববিদ্যালয়
দারুল আরকাম
বায়তুল হিকমা
সাদেক এমন এক ধরনের প্রতিষ্ঠানের কথা বলেন যেখানে প্রতিদিন কোমলমনা শিশুদের ইসলামি শিক্ষা দেওয়া হয়। সাদেক কোন প্রতিষ্ঠানের কথা বলে? [প্রয়োগ]
সাদেক এমন এক ধরনের প্রতিষ্ঠানের কথা বলেন যেখানে প্রতিদিন কোমলমনা শিশুদের ইসলামি শিক্ষা দেওয়া হয়। সাদেক কোন প্রতিষ্ঠানের কথা বলে? [প্রয়োগ]
মসজিদ
মক্তব
কিন্ডারগার্টেন স্কুল
প্রাথমিক বিদ্যালয়
ইসলামি সংস্কৃতি কোন দুটির সমন্বিত রূপ? [জ্ঞান]
ইসলামি সংস্কৃতি কোন দুটির সমন্বিত রূপ? [জ্ঞান]
জ্ঞান ও আচরণ
দীন ও দুনিয়া
অভ্যাস ও কর্মপন্থা
ইমান ও ইসলাম
ইসলামি সংস্কৃতির মূল লক্ষ্য কী? [অনুধাবন]
ইসলামি সংস্কৃতির মূল লক্ষ্য কী? [অনুধাবন]
মানুষের কল্যাণ
অর্থনৈতিক উন্নতি
ন্যায় প্রতিষ্ঠা
ইমানকে উজ্জীবিতকরণ
আ. রহিমের সকালে কুরআন তিলাওয়াত করা কীসের অংশ? [প্রয়োগ]
আ. রহিমের সকালে কুরআন তিলাওয়াত করা কীসের অংশ? [প্রয়োগ]
ইসলামি শরিয়ত
ইসলামি সংস্কৃতি
ইসলামি নৈতিকতা
ইসলামি আচরণ
ফুরফুরায় মাওলানা আবু বকর (রা.)-এর অন্যতম ভূমিকা কী ছিল? [অনুধাবন]
ফুরফুরায় মাওলানা আবু বকর (রা.)-এর অন্যতম ভূমিকা কী ছিল? [অনুধাবন]
ইসলাম প্রচার
সমাজ সংস্কার
কুসংস্কার দূরীকরণ
সবগুলো


