Uddoyon
  • হোম
  • একাডেমি
  • সাধারণ
  • নবম-দশম শ্রেণি
  • মহাবিশ্ব ও আমাদের পৃথিবী
মহাবিশ্ব ও আমাদের পৃথিবী

পাঠ্যবিষয় ও অধ্যায়ভিত্তিক একাডেমিক প্রস্তুতির জন্য আমাদের উন্মুক্ত শিক্ষায় অংশগ্রহণ করুন।

ফিরে যান
ঋতু পরিবর্তন (Change of season)

তাপমাত্রার পার্থক্য অনুসারে সারাবছরকে কয়েকটি ভাগে ভাগ করা হয়। এ প্রতিটি ভাগকে এক একটি ঋতু বলে। তাপমাত্রার পার্থক্য অনুসারে সারাবছরকে চারটি ভাগে ভাগ করা হয়েছে। এগুলো হলো- গ্রীষ্মকাল, শরৎকাল, শীতকাল ও বসন্তকাল। আমরা জানি, সমগ্র পৃথিবীকে দুটো গোলার্ধে ভাগ করা হয়েছে। নিরক্ষরেখার উপরের দিকের অংশকে উত্তর গোলার্ধ এবং নিচের দিকের অংশকে দক্ষিণ গোলার্ধ ধরা হয়। উত্তর গোলার্ধে যখন গ্রীষ্মকাল, দক্ষিণ গোলার্ধে তখন শীতকাল। আবার উত্তর গোলার্ধে যখন শীতকাল, দক্ষিণ গোলার্ধে তখন গ্রীষ্মকাল। তেমনি উত্তর গোলার্ধে যখন বসন্তকাল, দক্ষিণ গোলার্ধে তখন শরৎকাল। আবার উত্তর গোলার্ধে যখন শরৎকাল, দক্ষিণ গোলার্ধে তখন বসন্তকাল। বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থান উত্তর গোলার্ধে। এখানে জুন মাসের দিকে গরম বেশি অনুভূত হয়। এই সময়ে দক্ষিণ গোলার্ধে শীতকাল।

ঋতু পরিবর্তনের কারণ (Causes of Seasonality): পৃথিবীতে ঋতু পরিবর্তনের কারণ হলো-

(১) পৃথিবীর বিভিন্ন স্থানে দিবারাত্রির তারতম্যের জন্য উত্তাপের হ্রাস-বৃদ্ধি: পৃথিবীর ঘূর্ণনের কারণে সূর্য পৃথিবীর যে গোলার্ধের নিকট অবস্থান করে, সেই গোলার্ধে দিন বড় এবং রাত ছোট। তার বিপরীত গোলার্ধে রাত বড় এবং দিন ছোট। পৃথিবী দিনের বেলায় তাপ গ্রহণ করে বলে ভূপৃষ্ঠ উত্তপ্ত হয় এবং রাতের বেলায় বিকিরণ করে শীতল হয়। তখন একটি স্থানে বড় দিনে ভূপৃষ্ঠ যে তাপ গ্রহণ করে, ছোট রাতে সে তাপ পুরোটা বিকিরণ করতে পারে না। ঐ স্থানে সঞ্চিত তাপের কারণে আবহাওয়া উষ্ণ হয় এবং তাতে গ্রীষ্মকালীন আবহাওয়া পরিলক্ষিত হয়। বিপরীত গোলার্ধে রাত বড় এবং দিন ছোট হওয়াতে দিনের বেলায় যে তাপ গ্রহণ করে, রাতের বেলায় তা বিকিরণ করে ঠান্ডা অনুভূত হয়। তখন শীতকাল পরিলক্ষিত হয়।

(২) পৃথিবীর গোলাকার আকৃতি: পৃথিবী গোল, তাই পৃথিবীর কোথাও সূর্যরশি লম্বভাবে পড়ে আবার কোথাও তির্যকভাবে পড়ে। ফলে তাপমাত্রার পার্থক্য হয় এবং ঋতু পরিবর্তিত হয়।

(৩) পৃথিবীর উপবৃত্তাকার কক্ষপথ: পৃথিবীর আবর্তন পথ উপবৃত্তাকার তাই বছরের বিভিন্ন সময় সূর্য থেকে পৃথিবীর দূরত্ব কমবেশি হয়। এতে তাপমাত্রার পার্থক্য হয়, তাই ঋতু পরিবর্তিত হয়।

(৪) পৃথিবীর কক্ষপথে কৌণিক অবস্থান: সূর্যকে পরিক্রমণের সময় নিজ কক্ষতলের সঙ্গে পৃথিবীর মেরুরেখা সমকোণে না থেকে ৬৬.৫° কোণে হেলে একই দিকে অবস্থান করে। এতে বছরে একবার পৃথিবীর উত্তর মেরু ও দক্ষিণ মেরু সূর্যের নিকটবর্তী হয়। যে গোলার্ধ যখন সুর্যের দিকে ঝুঁকে থাকে সে গোলার্ধে সূর্য লম্বভাবে কিরণ দেয়। তার তাপমাত্রা তখন বেশি হয় এবং দূরে গেলে তাপমাত্রা কম হয়, ফলে ঋতু পরিবর্তন ঘটে (চিত্র ২.১৮)।

(৫) বার্ষিক গতির কারণে পৃথিবীর বার্ষিক গতির জন্য সূর্যকিরণ বিভিন্ন স্থানে কমবেশি পড়ার কারণে বায়ুমন্ডলের তাপমাত্রার পার্থক্য ঘটছে। ফলে বিভিন্ন স্থানে জলবায়ুর বিভিন্নতা হয়। একে ঋতু পরিবর্তন বলে।

ঋতু পরিবর্তন প্রক্রিয়া (The process of Seasonality): আমরা জানি, পৃথিবীতে চারটি ঋতু-গ্রীষ্মকাল, শরৎকাল, শীতকাল ও বসন্তকাল। আমরা এখন দেখব ঋতু কীভাবে পরিবর্তিত হয়। সূর্যকে পরিক্রমণকালে পৃথিবীর চারটি অবস্থা থেকে ঋতু পরিবর্তনের ব্যাখ্যা পাওয়া যায়।

উত্তর গোলার্যে গ্রীষ্মকাল ও দক্ষিণ গোলার্ধে শীতকাল: ২১এ মার্চের পর থেকে পৃথিবী তার নিজ কক্ষপথে এগিয়ে চলার সঙ্গে সঙ্গে উত্তর মেরু ক্রমশ সূর্যের দিকে হেলতে থাকে। এর সঙ্গে সঙ্গে যত দিন যায় তত উত্তর মেরুতে আলোকিত অংশ বাড়তে থাকে। এভাবে ২১এ জুনে গিয়ে সূর্য কর্কটক্রান্তি রেখার উপর লম্বভাবে কিরণ দিতে থাকে। ফলে ২১এ জুন উত্তর গোলার্ধে বড় দিন এবং ছোট রাত হয়। ঐ দিনই সূর্যের উত্তরায়ণের শেষ এবং তার পরের দিন থেকে পুনরায় সূর্য দক্ষিণ দিকে আসতে থাকে। দিন বড় হওয়ার কারণে উত্তর গোলার্ধে ২১এ জুনের দেড় মাস পূর্ব থেকেই গ্রীষ্মকাল শুরু হয় এবং পরের দেড় মাস পর্যন্ত গ্রীষ্মকাল স্থায়ী হয়। এই সময়ে দক্ষিণ গোলার্ধে ঠিক বিপরীত অবস্থা দেখা যায় অর্থাৎ শীতকাল অনুভূত হয়। এ সময় সূর্য হেলে থাকার কারণে এ গোলার্ধে সূর্য কম সময় ধরে কিরণ দেয়। ফলে দিন ছোট এবং রাত বড় হয়। দিনে ভূপৃষ্ঠ যতটুকু উত্তপ্ত হয়, রাতে তাপ বিকিরণের ফলে তা ঠান্ডা হয়ে যায়। এখানে তখন শীতের আবহাওয়া বিরাজ করে। দক্ষিণ গোলার্ধে এ সময়কে শীতকাল বলে (চিত্র ২.১৯)।

উত্তর গোলার্ধে শরৎকাল ও দক্ষিণ গোলার্ধে বসন্তকাল: ২১এ জুন থেকে দক্ষিণ মেরু সূর্যের দিকে হেলতে থাকে। উত্তর গোলার্ধের অংশগুলো কম কিরণ পেতে থাকে এবং দক্ষিণ গোলার্ধের অংশগুলো বেশি সূর্যকিরণ পেতে থাকে। এভাবে ২৩এ সেপ্টেম্বর সূর্য নিরক্ষরেখার উপর লম্বভাবে কিরণ দেয়। তাই এ সময় পৃথিবীর সর্বত্র দিন ও রাত্রি সমান হয়। দিনের বেলায় যে তাপ আসে রাত সমান হওয়ায় একই পরিমাণ তাপ বিকিরিত হওয়ার সুযোগ পায়। ফলে আবহাওয়াতে ঠান্ডা গরমের পরিমাণ সমান থাকে। এই সময় উত্তর গোলার্ধে শরৎকাল ও দক্ষিণ গোলার্ধে বসন্তকাল বিরাজ করে। ২৩ এ সেপ্টেম্বরের দেড় মাস আগে থেকেই উত্তর গোলার্ধে শরৎকালের সূচনা হয় এবং দেড় মাস পর পর্যন্ত এই শরৎকাল স্থায়ী থাকে।

উত্তর গোলার্ধে শীতকাল ও দক্ষিণ গোলার্ধে গ্রীষ্মকাল ২৩এ সেপ্টেম্বরের পর দক্ষিণ গোলার্ধ ক্রমশ সূর্যের দিকে হেলতে থাকে। এই সময় দক্ষিণ গোলার্ধ সূর্যের কাছে আসতে থাকে এবং উত্তর গোলার্ধ দূরে সরতে থাকে। ফলে দক্ষিণ গোলার্ধে সূর্য লম্বভাবে এবং উত্তর গোলার্ধে কোণ করে কিরণ দিতে থাকে। এতে উত্তর গোলার্ধে দিন ছোট ও দক্ষিণ গোলার্ধে দিন বড় এবং রাত ছোট হতে থাকে। এর মধ্যে ২২৩ ডিসেম্বর সূর্য মকরক্রান্তির উপর লম্বভাবে কিরণ দেয়। সেই দিন উত্তর গোলার্ধে ছোট দিন ও বড় রাত হওয়াতে শীতকাল। ঐ দিনই সূর্যের দক্ষিণায়নের শেষ এবং তার পরের দিন থেকে পুনরায় সূর্য উত্তর দিকে আসতে থাকে। ২২এ ডিসেম্বরের দেড় মাস পূর্বেই উত্তর গোলার্ধে শীতকাল শুরু হয় এবং পরের দেড় মাস পর্যন্ত বিরাজ করে।

  • এই সময়টাতে দক্ষিণ গোলার্ধে গ্রীষ্মকাল।
  • উত্তর গোলার্ধে বসন্তকাল ও দক্ষিণ গোলার্ধে

শরৎকাল: পৃথিবী তার কক্ষপথে চলতে চলতে ২২এ ডিসেম্বরের পর থেকে ২১এ মার্চ পর্যন্ত এমন স্থানে ফিরে আসে যখন সূর্য নিরক্ষরেখার উপর লম্বভাবে কিরণ দিতে থাকে। ফলে ২১এ মার্চ পৃথিবীর সর্বত্র দিনরাত্রি সমান হয়। দিনের বেলায় সূর্যকিরণের কারণে ভূপৃষ্ঠের বায়ুস্তর গরম হয় এবং রাত্রিবেলায় বিকিরিত হয়ে ঠান্ডা হয়। এই সময় উত্তর গোলার্ধে বসন্তকাল ও দক্ষিণ গোলার্ধে শরৎকাল। ২১এ মার্চ পৃথিবীর সর্বত্র দিনরাত্রি সমান হয় এবং ঐ দিনটিকে বাসন্ত বিষুব বা মহাবিষুব বলে (চিত্র ২.২০)।

মহাবিশ্ব ও আমাদের পৃথিবী - অন্যান্য প্রশ্ন
মহাকাশ ও মহাবিশ্ব (Space and Universe)
নক্ষত্র (Star)
সৌরজগৎ (Solar System)
পৃথিবীর আকার-আকৃতি (Size and shape of the Earth)
অক্ষরেখা, দ্রাঘিমারেখা ও গুরুত্বপূর্ণ রেখাসমূহ (Latitude, Longitude and other Important Lines)
অক্ষরেখা (Latitude)
অক্ষাংশ নির্ণয় (Determining latitude)
দ্রাঘিমারেখা (Longitude)
গুরুত্বপূর্ণ রেখাসমূহ (Important lines)
আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা (International Date Line)
পৃথিবীর গতি (Rotation of the Earth)
আহ্নিক গতি (Rotation)
আহ্নিক গতির প্রমাণ (Proofs of Rotation)
বার্ষিক গতি (Revolution)
বার্ষিক গতির প্রমাণ (Proofs of Revolution)
ঋতু পরিবর্তন (Change of season)
ঋতু পরিবর্তনের প্রভাব (Impact of Seasonality)
অক্ষরেখার ডিগ্রিকে কী বলে?
পৃথিবী বৃত্তের কেন্দ্রে উৎপন্ন কোণ কত ডিগ্রি?
পৃথিবী কোন দিকে অক্ষরেখার উপর ঘুরছে?
পৃথিবীর সুমেরু ও কুমেরু সংযোগকারী কাল্পনিক রেখাকে কী বলে?
কর্কটক্রান্তির অক্ষাংশ কত?
বিষুবরেখার অপর নাম কী?
নিরক্ষরেখার নিকটবর্তী অক্ষাংশসমূহকে কী বলা হয়?
সূর্য যেদিন যে অক্ষাংশের উপর লম্বভাবে কিরণ দেয়, সেটি কী বলা হয়?
লন্ডনের উপকণ্ঠে গ্রিনিচ শহরের উপর দিয়ে অতিক্রম করা মধ্যরেখাকে কী বলে?
মূল মধ্যরেখার বৈশিষ্ট্য কী?
সেকট্যান্ট যন্ত্রের সাহায্যে কী নির্ণয় করা যায়?
বাংলাদেশের প্রায় মধ্যভাগ দিয়ে কোন দ্রাঘিমারেখা অতিক্রম করেছে?
১৮০° পূর্ব ও পশ্চিম দ্রাঘিমারেখাকে কী বলে?
দ্রাঘিমান্তর ১° হলে সময়ের পার্থক্য কত?
বায়ুপ্রবাহ ও সমুদ্রস্রোত উত্তর গোলার্ধে ডানদিকে এবং দক্ষিণ গোলার্ধে বামদিকে বেঁকে যাওয়ার কারণ কী?
পৃথিবীর নিজ অক্ষের চারদিকে একবার আবর্তনের কালকে কী বলে?
পৃথিবীর চারদিকে কী ঘিরে রয়েছে?
আদি-অন্তহীন আকাশকে কী বলা হয়?
চন্দ্র, সূর্য, গ্রহ, নক্ষত্র, ধূমকেতু, উল্কা, নীহারিকা, পালসার, কৃষ্ণবামন, কৃষ্ণগহ্বর প্রভৃতি কী হিসেবে পরিচিত?
কোন জ্যোতিষ্কের নিজস্ব আলো থাকে?
নক্ষত্র কী দিয়ে তৈরি?
সূর্যের নিকটতম নক্ষত্র কোনটি?
মহাকাশে গ্রহ, নক্ষত্র, ধূলিকণা, ধূমকেতু, বাষ্পকুণ্ডের বিশাল সমাবেশকে কী বলা হয়?
কোনো গ্যালাক্সির ক্ষুদ্র অংশকে কী বলা হয়?
মহাকাশে অসংখ্য স্বপ্নালোকিত তাঁরকার আস্তরণ কী নামে পরিচিত?
একটি নীহারিকার মাঝে কত নক্ষত্র থাকে?
রাতের মেঘমুক্ত আকাশে নক্ষত্র ছুটে যাওয়া বা খসে পড়ার ঘটনাকে কী বলা হয়?
বেশিরভাগ উল্কাপিণ্ডের আকার কেমন?
মহাকাশে মাঝে মাঝে যে জ্যোতিষ্কের আবির্ভাব ঘটে, যার মাথা ও লেজ থাকে, তাকে কী বলা হয়?
ধূমকেতুকে কী ধরনের জ্যোতিষ্ক বলা হয়?
হ্যালির ধূমকেতু কত বছরে একবার দেখা যায়?
সৌরজগৎ কী দিয়ে গঠিত?
সৌরজগতের যাবতীয় গ্রহ-উপগ্রহের নিয়ন্ত্রক কে?
সৌরজগতের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ জ্যোতিষ্ক কোনটি?
সূর্যকে কেন্দ্র করে কতটি গ্রহ ঘুরছে?
পৃথিবী ও অন্যান্য গ্রহ-উপগ্রহের তাপ ও আলোর মূল উৎস কী?
সৌরজগতের ক্ষুদ্রতম গ্রহ কোনটি?
সূর্যের নিকটতম গ্রহ কোনটি?
শুক্র গ্রহ কোন দিকে নিজ অক্ষে পাক খায়?
কোন গ্রহের বায়ুমন্ডলে প্রয়োজনীয় অক্সিজেন, নাইট্রোজেন ও তাপমাত্রা রয়েছে?
উদ্ভিদ ও জীবজন্তু বসবাসের উপযোগী গ্রহ কোনটি?
পৃথিবীর কত ভাগ পানিতে ঢাকা?
কোন গ্রহে অক্সিজেন ও পানির পরিমাণ খুবই কম এবং কার্বন ডাইঅক্সাইডের পরিমাণ এত বেশি যে প্রাণীর অস্তিত্ব থাকা সম্ভব নয়?
মঙ্গল গ্রহের উপরিভাগে কী কী রয়েছে?
কে এবং কখন স্পুটনিকে চড়ে পৃথিবীকে প্রদক্ষিণের সময় বুঝতে পারেন যে পৃথিবী গোলাকার, তবে তা কমলালেবুর মতো?
কারা এবং কখন চন্দ্রপৃষ্ঠ থেকে পৃথিবীকে দেখেন?
দুই মেরু থেকে সমান দূরত্বে পৃথিবীকে পূর্ব-পশ্চিমে বেষ্টনকারী কল্পিত রেখাকে কী বলা হয়?
পৃথিবীর গোলাকৃতি কেন্দ্র দিয়ে উত্তর-দক্ষিণে কল্পিত রেখাকে কী বলা হয়?
নিরক্ষরেখার উত্তর-দক্ষিণে পৃথিবী কীভাবে ভাগ করা হয়েছে?
পৃথিবীর গোলীয় আকৃতির জন্য নিরক্ষরেখাকে কী বলা হয়?
নিরক্ষরেখা থেকে উত্তর বা দক্ষিণে অবস্থিত কোনো স্থানের কৌণিক দূরত্বকে কী বলা হয়?
মহাবিশ্ব কীভাবে গঠিত হয়েছে? অথবা, মহাবিশ্ব বলতে কী বোঝায়?
নক্ষত্র বলতে কী বোঝায়?
মহাবিশ্বে পৃথিবীর অবস্থান বর্ণনা কর।
নক্ষত্রমন্ডলী বলতে কী বোঝ?
ক্যাসিওপিয়া কী? ব্যাখ্যা কর।
উল্কাপাত বলতে কী বোঝায়?
গ্রহকে নক্ষত্র বলা যায় না কেন?
ছুটন্ত তারা প্রচন্ড গতিতে ছুটে আসার কারণ ব্যাখ্যা কর।
ধূমকেতু বহুদিন পরপর দেখা যায়? ব্যাখ্যা কর।
কৃত্রিম উপগ্রহ বলতে কী বোঝ?
সৌরজগৎ কী? এর দুটি বৈশিষ্ট্য লেখ।
সূর্যকে নক্ষত্র বলা হয় কেন?
বুধ গ্রহে বায়ুমণ্ডল না থাকার কারণ কী লেখ।
শুকতারা বা সন্ধ্যাতারা বলতে কী বোঝায়?
বুধ ও বৃহস্পতি গ্রহের মধ্যে দুটি পার্থক্য দেখাও।
পৃথিবী গ্রহটি প্রাণিকুলের বসবাসের জন্য উপযোগী হওয়ার কারণ সংক্ষেপে লেখ।
মঙ্গল গ্রহে প্রাণীর অস্তিত্ব নেই সংক্ষেপে এর কারণ দর্শাও।
বৃহস্পতি গ্রহকে গ্রহরাজ বলা হয় কেন?
পৃথিবীর আকৃতি কীরূপ সংক্ষেপে লেখ।
'আমাদের বাসযোগ্য গ্রহটির আকার কমলালেবুর মতো'-ব্যাখ্যা কর।
উত্তর গোলার্ধে অক্ষাংশ কোন তারার সাহায্যে জানা যায়? ব্যাখ্যা কর।
নিরক্ষরেখা সম্পর্কে তোমার ধারণা ব্যক্ত কর।
আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা বলতে কী বোঝায়?
আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা অতিক্রমের সূত্রটি ব্যাখ্যা কর।
প্রতিপাদ স্থান বলতে কী বোঝ?
প্রতিপাদ স্থান কীভাবে নির্ণয় করা হয়?
পৃথিবীপৃষ্ঠ থেকে আমরা কেন ছিটকে পড়ি না- এর চারটি কারণ লেখ।
পৃথিবীর আবর্তন গতি থাকা সত্ত্বেও আমরা অনুভব করি না- বুঝিয়ে লেখ।
প্রতি চার বছরে ফেব্রুয়ারি মাস ২৯ দিনে হয় কেন? বুঝিয়ে লেখ।
অধিবর্ষ বলতে কী বোঝায়?
কী কারণে ঋতুপরিবর্তিত হয়? সংক্ষেপে লেখ।
২১ জুন উত্তর গোলার্ধে দিন বড় ও রাত ছোট হয় কেন?
১৫ জানুয়ারি উত্তর গোলার্ধে শীতকাল হাওয়ার কারণ ব্যাখ্যা কর।
৩০ জুন উত্তর গোলার্ধে গ্রীষ্মকাল হয় কেন? ব্যাখ্যা কর।
মহাকাশ কাকে বলে?
মহাবিশ্ব কাকে বলে?
নক্ষত্র কাকে বলে?
সূর্যের নিকটতম নক্ষত্রের নাম কী?
নক্ষত্রমণ্ডলী কাকে বলে?
ছায়াপথ কাকে বলে? অথবা, আকাশ গঙ্গা কাকে বলে?
গ্যালাক্সি কাকে বলে? অথবা, নক্ষত্রজগৎ কাকে বলে?
নীহারিকা কাকে বলে?
গ্যাসীয় নীহারিকা বলতে কী বোঝ?
উল্কা কী? অথবা, নক্ষত্র পতন বা তারা খসা কী?
ধূমকেতু কাকে বলে?
গ্রহ কাকে বলে?
উপগ্রহ কাকে বলে?
কৃত্রিম উপগ্রহ কাকে বলে?
সৌরজগৎ কাকে বলে? অথবা, সৌরপরিবার কাকে বলে?
হ্যালির ধূমকেতু কত বছর পর পর দেখা যায়?
পৃথিবীর পরিধি কোথায় সবচেয়ে বেশি?
পৃথিবীর প্রকৃত আকৃতি কীসের মত?
অক্ষরেখা কী? অথবা, মেরু রেখা কাকে বলে?
অক্ষাংশ কাকে বলে?
সেক্সট্যান্ট যন্ত্র কাকে বলে?
দ্রাঘিমা কী?
দ্রাঘিমাংশ কাকে বলে?
মূল মধ্যরেখা কাকে বলে?
নিরক্ষরেখা কাকে বলে?
কর্কটক্রান্তি রেখা কাকে বলে?
সুমেরুবৃত্ত কী?
সমাক্ষরেখা কাকে বলে?
দুটি প্রতিপাদ স্থানের মধ্যে সময়ের পার্থক্য কত হয়?
প্রতিপাদ স্থান কাকে বলে?
আহ্নিক গতি কাকে বলে?
বার্ষিক গতি কাকে বলে?
ঋতু কাকে বলে?
উত্তর গোলার্ধে বড় দিন কোনটি?
নক্ষত্র খালি চোখে দেখা যায় না কেন? ব্যাখ্যা কর।
মহাকাশের ছুটন্ত তারকা বলতে কী বোঝায়? ব্যাখ্যা কর। অথবা, উল্কাকে ছুটন্ত তারা বলে মনে হয় কেন? ব্যাখ্যা কর।
উল্কা নক্ষত্র নয় কেন? ব্যাখ্যা কর।
মহাকাশের কোনটিকে লেজযুক্ত জ্যোতিষ্ক বলা হয়? ব্যাখ্যা কর। অথবা, ধূমকেতু মাঝে মাঝে অদৃশ্য হয়ে যায় কেন- ব্যাখ্যা কর।
মহাকাশে দীর্ঘ সময় পরপর কোন জ্যোতিষ্ক দেখা যায়? ব্যাখ্যা কর। অথবা, কোন জ্যোতিষ্ক বহু দিন পর পর দেখা যায়? ব্যাখ্যা কর।
চাঁদকে কেন উপগ্রহ বলা হয়?
চাঁদকে কেন উপগ্রহ বলা হয়?
বুধ গ্রহ বায়ুমণ্ডল ধরে রাখতে পারে না কেন? ব্যাখ্যা কর।
পৃথিবী সূর্যের চারদিকে ঘুরে কেন? ব্যাখ্যা কর।
পৃথিবী গ্রহটি প্রাণিকুলের বসবাসের জন্য উপযোগী কেন?
চাঁদ পৃথিবীর চারদিকে ঘোরার কারণ ব্যাখ্যা কর।
মঙ্গল গ্রহে পানির অস্তিত্ব থাকা সত্ত্বেও প্রাণীর অস্তিত্ব নেই কেন? ব্যাখ্যা কর।
মঙ্গল গ্রহে প্রাণীর অস্তিত্ব থাকা সম্ভব নয় কেন? অথবা, মঙ্গল গ্রহে প্রাণীর অস্তিত্ব নেই কেন?
পৃথিবীর বৃহত্তম রেখা কোনটি? ব্যাখ্যা কর।
নিরক্ষরেখায় পৃথিবীর আবর্তন বেগ বেশি হওয়ার কারণ কী? ব্যাখ্যা কর।
নিরক্ষরেখায় পৃথিবীর ঘূর্ণায়ন বেগ সবচেয়ে বেশি কেন? ব্যাখ্যা কর।
পৃথিবীর মধ্যভাগে আবর্তন বেগ বেশি হওয়ার কারণ ব্যাখ্যা কর।
সময় নির্ণয়ে দ্রাঘিমা রেখা কেন ব্যবহার করা হয়? ব্যাখ্যা কর।
আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা আঁকাবাঁকা টানা হয়েছে কেন? ব্যাখ্যা কর।
তারিখ বিভাজনকারী রেখা আঁকাবাঁকা কেন? ব্যাখ্যা কর।
কোন কাল্পনিক রেখা আঁকাবাঁকা করে অঙ্কন করা হয়? ব্যাখ্যা কর।
দিবা-রাত্রি সংঘটিত হওয়ার কারণ ব্যাখ্যা কর।
পৃথিবীর কোন গতির সাথে জোয়ারভাটার সম্পর্ক রয়েছে? ব্যাখ্যা কর।
আহ্নিক গতির ফলে পৃথিবীতে জোয়ারভাটা হয়- বুঝিয়ে লেখ।
পৃথিবী নামক গ্রহে উদ্ভিদ ও জীবজন্তু বসবাসের উপযোগী দুটি সুবিধা উল্লেখ কর।
পৃথিবীর আকৃতি কীরূপ সংক্ষেপে লেখ।
'আমাদের বাসযোগ্য গ্রহটির আকার কমলালেবুর মতো'-ব্যাখ্যা কর।
উত্তর গোলার্ধে অক্ষাংশ কোন তারার সাহায্যে জানা যায়? ব্যাখ্যা কর।
নিরক্ষরেখা সম্পর্কে তোমার ধারণা ব্যক্ত কর।
আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা বলতে কী বোঝায়?
আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা অতিক্রমের সূত্রটি ব্যাখ্যা কর।
প্রতিপাদ স্থান বলতে কী বোঝ?
প্রতিপাদ স্থান কীভাবে নির্ণয় করা হয়?
পৃথিবীপৃষ্ঠ থেকে আমরা কেন ছিটকে পড়ি না- এর চারটি কারণ লেখ।
পৃথিবীর আবর্তন গতি থাকা সত্ত্বেও আমরা অনুভব করি না - বুঝিয়ে লেখ।
প্রতি চার বছরে ফেব্রুয়ারি মাস ২৯ দিনে হয় ফেন? বুঝিয়ে লেখ।
অধিবর্ষ বলতে কী বোঝায়?
কী কারণে ঋতুপরিবর্তিত হয়? সংক্ষেপে লেখ।
২১ জুন উত্তর গোলার্ধে দিন বড় ও রাত ছোট হয় কেন?
১৫ জানুয়ারি উত্তর গোলার্ধে শীতকাল হাওয়ার কারণ ব্যাখ্যা কর।
৩০ জুন উত্তর গোলার্ধে গ্রীষ্মকাল হয় কেন? ব্যাখ্যা কর।
মহাকাশ কাকে বলে?
মহাবিশ্ব কাকে বলে?
নক্ষত্র কাকে বলে?
সূর্যের নিকটতম নক্ষত্রের নাম কী?
নক্ষত্রমণ্ডলী কাকে বলে?
ছায়াপথ কাকে বলে? অথবা, আকাশ গঙ্গা কাকে বলে?
গ্যালাক্সি কাকে বলে? অথবা, নক্ষত্রজগৎ কাকে বলে?
নীহারিকা কাকে বলে?
গ্যাসীয় নীহারিকা বলতে কী বোঝ?
উল্কা কী? অথবা, নক্ষত্র পতন বা তারা খসা কী?
ধূমকেতু কাকে বলে?
গ্রহ কাকে বলে?
উপগ্রহ কাকে বলে?
কৃত্রিম উপগ্রহ কাকে বলে?
সৌরজগৎ কাকে বলে? অথবা, সৌরপরিবার কাকে বলে?
চন্দ্র কী?
হ্যালির ধূমকেতু কত বছর পর পর দেখা যায়?
পৃথিবীর পরিধি কোথায় সবচেয়ে বেশি?
পৃথিবীর প্রকৃত আকৃতি কীসের মত?
অক্ষরেখা কী? অথবা, মেরু রেখা কাকে বলে?
অক্ষাংশ কাকে বলে?
সেক্সট্যান্ট যন্ত্র কাকে বলে?
দ্রাঘিমা কী?
দ্রাঘিমাংশ কাকে বলে?
মূল মধ্যরেখা কাকে বলে?
নিরক্ষরেখা কাকে বলে?
কর্কটক্রান্তি রেখা কাকে বলে?
সুমেরুবৃত্ত কী?
সমাক্ষরেখা কাকে বলে?
দুটি প্রতিপাদ স্থানের মধ্যে সময়ের পার্থক্য কত হয়?
প্রতিপাদ স্থান কাকে বলে?
আহ্নিক গতি কাকে বলে?
বার্ষিক গতি কাকে বলে?
ঋতু কাকে বলে?
উত্তর গোলার্ধে বড় দিন কোনটি?
নক্ষত্র খালি চোখে দেখা যায় না কেন? ব্যাখ্যা কর।
মহাকাশের ছুটন্ত তারকা বলতে কী বোঝায়? ব্যাখ্যা কর। অথবা, উল্কাকে ছুটন্ত তারা বলে মনে হয় কেন? ব্যাখ্যা কর।
উল্কা নক্ষত্র নয় কেন? ব্যাখ্যা কর।
মহাকাশের কোনটিকে লেজযুক্ত জ্যোতিষ্ক বলা হয়? ব্যাখ্যা অথবা, ধূমকেতু মাঝে মাঝে অদৃশ্য হয়ে যায় কেন- ব্যাখ্যা কর।
মহাকাশে দীর্ঘ সময় পরপর কোন জ্যোতিষ্ক দেখা যায়। ব্যাখ্যা কর। অথবা, কোন জ্যোতিষ্ক বহু দিন পর পর দেখা যায়? ব্যাখ্যা কর।
চাঁদকে কেন উপগ্রহ বলা হয়?
তথ্য আদান-প্রদানে কোন উপগ্রহটি ব্যবহৃত হয়? ব্যাখ্যা কর। অথবা, তথ্য আদান-প্রদান ও অন্যান্য কাজে যে উপগ্রহ ব্যবহার করা হয় তার ব্যাখ্যা কর। অথবা, গোয়েন্দা নজরদারিতে কোন উপগ্রহটি ব্যবহার করা হয়? ব্যাখ্যা কর।
বুধ গ্রহ বায়ুমণ্ডল ধরে রাখতে পারে না কেন? ব্যাখ্যা কর।
পৃথিবী সূর্যের চারদিকে ঘুরে কেন? ব্যাখ্যা কর।
পৃথিবী গ্রহটি প্রাণিকুলের বসবাসের জন্য উপযোগী কেন?
চাঁদ পৃথিবীর চারদিকে ঘোরার কারণ ব্যাখ্যা কর।
মঙ্গল গ্রহে পানির অস্তিত্ব থাকা সত্ত্বেও প্রাণীর অস্তিত্ব নেই কেন? ব্যাখ্যা কর।
মঙ্গল গ্রহে প্রাণীর অস্তিত্ব থাকা সম্ভব নয় কেন? অথবা, মঙ্গল গ্রহে প্রাণীর অস্তিত্ব নেই কেন?
পৃথিবীর উত্তর ও দক্ষিণ মেরু একটি চাপা এবং মধ্যভাগ সামান্য স্ফীত কেন? ব্যাখ্যা কর।
পৃথিবীর বৃহত্তম রেখা কোনটি? ব্যাখ্যা কর।
নিরক্ষরেখায় পৃথিবীর আবর্তন বেগ বেশি হওয়ার কারণ কী? ব্যাখ্যা কর। অথবা, নিরক্ষরেখায় পৃথিবীর ঘূর্ণায়ন বেগ সবচেয়ে বেশি কেন? ব্যাখ্যা কর। অথবা, পৃথিবীর মধ্যভাগে আবর্তন বেগ বেশি হওয়ার কারণ ব্যাখ্যা কর।
সময় নির্ণয়ে দ্রাঘিমা রেখা কেন ব্যবহার করা হয়? ব্যাখ্যা কর।
আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা আঁকাবাঁকা টানা হয়েছে কেন? ব্যাখ্যা কর। অথবা, তারিখ বিভাজনকারী রেখা আঁকাবাঁকা কেন? ব্যাখ্যা কর। অথবা, কোন কাল্পনিক রেখা আঁকাবাঁকা করে অঙ্কন করা হয়? ব্যাখ্যা কর।
দিবা-রাত্রি সংঘটিত হওয়ার কারণ ব্যাখ্যা কর।
আহ্নিক গতির ফলে পৃথিবীতে জোয়ারভাটা হয়- বুঝিয়ে লেখ। অথবা, পৃথিবীর কোন গতির সাথে জোয়ারভাটার সম্পর্ক রয়েছে? ব্যাখ্যা কর।
প্রতি চার বছরে ফেব্রুয়ারি মাস ২৯ দিনে হয় কেন? ব্যাখ্যা কর।
রাত ও দিন ছোট বড় হয় কেন? ব্যাখ্যা কর।
কোন গতির কারণে দিনরাত ঘটে? ব্যাখ্যা কর।
৩০ জুন উত্তর গোলার্ধে গ্রীষ্মকাল হওয়ার কারণ ব্যাখ্যা কর।

সম্পর্কিত বহুনির্বচনী প্রশ্ন সমূহ

২৩১/২° দক্ষিণ অক্ষাংশ হলো-

সুমেরু বৃত্ত
কর্কটক্রান্তি
কুমেরু বৃত্ত
মকরক্রান্তি

কোনটির সাহায্যে কোনো স্থানের অক্ষাংশ নির্ণয় করা যায়?

লঘুসপ্তর্ষি
কৃষ্ণবামন
ক্যাসিওপিয়া
ধ্রুবতারা

কোন গ্রহের ২৭টি উপগ্রহ আছে?

মঙ্গল
বৃহস্পতি
শনি
ইউরেনাস

বৃহৎ কুকুরমণ্ডল একটি-

গ্যালাক্সি
নক্ষত্রমণ্ডলী
ছায়াপথ
গ্রহাণুপুঞ্জ

ছায়াপথকে বিজ্ঞানীরা কেমন অনুমান করেন?

উপবৃত্তাকার মন্ডল
সর্পিলাকার মন্ডল
সরলরৈখিক মণ্ডল
চক্রাকার মন্ডল

কোন বলের প্রভাবে পৃথিবী সূর্যের চারিদিকে ঘুরছে?

মহাকর্ষ
ফেরেলের সূত্র
অভিকর্ষ
তাপমাত্রার তারতম্য