Uddoyon
  • হোম
  • একাডেমি
  • সাধারণ
  • নবম-দশম শ্রেণি
  • মহাবিশ্ব ও আমাদের পৃথিবী
মহাবিশ্ব ও আমাদের পৃথিবী

পাঠ্যবিষয় ও অধ্যায়ভিত্তিক একাডেমিক প্রস্তুতির জন্য আমাদের উন্মুক্ত শিক্ষায় অংশগ্রহণ করুন।

ফিরে যান
আহ্নিক গতির প্রমাণ (Proofs of Rotation)

পৃথিবী যে নিজের মেরুদন্ডের উপর পশ্চিম থেকে পূর্ব দিকে আবর্তন করছে তার প্রমাণ হলো:

১। মহাকাশযানের পাঠানো ছবি: পৃথিবী থেকে যেসব উপগ্রহ ও মহাকাশযান পাঠানো হয়েছে সেগুলোর প্রেরিত ছবি থেকে দেখা যায় যে, পৃথিবী পশ্চিম থেকে পূর্ব দিকে আবর্তন করছে। এ ছবিগুলোই পৃথিবীর আবর্তন বা আহ্নিক গতির সর্বাধুনিক ও নির্ভুল প্রমাণ।

২। পৃথিবীর আকৃতি: কোনো নমনীয় বস্তু যদি নিজের অক্ষের উপর লাটিমের মতো ঘুরতে থাকে তবে তার মধ্যে একই সঙ্গে কেন্দ্রমুখী (Centripetal) এবং কেন্দ্রবিমুখী (Centrifugal) বলের উদ্ভব হয়, যার প্রভাবে গোলাকৃতি বস্তুর প্রান্তদেশ কিছুটা চাপা ও মধ্যভাগ কিছুটা স্ফীত হয়। আবর্তন গতির প্রভাবেই জন্মকালে নমনীয় পৃথিবীর উত্তর ও দক্ষিণ মেরু একটু চাপা এবং মধ্যভাগ সামান্য স্ফীত হয়ে যায়। বিজ্ঞানী নিউটন বলেন যে, পৃথিবীর আবর্তনের ফলেই এর আকৃতি এমন হয়েছে (চিত্র ২.১৪)।

৩। রাত-দিন হওয়া: পৃথিবীর বেশিরভাগ স্থানেই পর্যায়ক্রমে দিন ও রাত্রি হয়। অর্থাৎ ১২ ঘণ্টা দিন ও ১২ ঘণ্টা রাত পৃথিবীর আহ্নিক গতির অন্যতম প্রমাণ। এ আহ্নিক গতি না থাকলে পৃথিবীর একদিক চিরকাল অন্ধকারে থাকত এবং অপরদিক আলোকিত হয়ে থাকত।

৪। ফেরেলের সূত্রের সাহায্যে আমরা জানি সমুদ্রস্রোত এবং বায়ুপ্রবাহ উত্তর গোলার্ধে ডান দিকে এবং দক্ষিণ গোলার্ধে বাম দিকে বেঁকে যায়। এই বেঁকে যাওয়াটা ফেরেলের সূত্র নামে পরিচিত। বায়ুপ্রবাহ এবং সমুদ্রস্রোতের এই গতিবেগ প্রমাণ করে যে, আহ্নিক গতিতে পৃথিবী পশ্চিম থেকে পূর্ব দিকে আবর্তন করছে (চিত্র ২.১৫)।

আহ্নিক গতির ফল (Results of Rotation): পৃথিবীর আহ্নিক গতির কারণে যেসব পরিবর্তন আমরা দেখতে পাই তা হলো-

১। পৃথিবীতে দিবারাত্রি সংঘটন পর্যায়ক্রমে দিনরাত্রি সংঘটিত হওয়া পৃথিবীর আহ্নিক গতির একটি ফল। আমরা জানি পৃথিবী গোল এবং এর নিজের কোনো আলো নেই। সূর্যের আলোতে পৃথিবী আলোকিত হয়। আবর্তন গতির জন্য পৃথিবীর যেদিক সূর্যের সামনে আসে, সেদিক সূর্যের আলোতে আলোকিত হয়। তখন ঐ আলোকিত স্থানসমূহে দিন। আলোকিত স্থানের উল্টা দিকে অর্থাৎ পৃথিবীর যেদিকটা সূর্যের বিপরীত দিকে, সেখানে সূর্যের আলো পৌঁছায় না, সেদিকটা অন্ধকার থাকে। এসব অন্ধকার স্থানে তখন রাত্রি (চিত্র ২.১৬)। পৃথিবীর পর্যায়ক্রমিক আবর্তনের ফলে আলোকিত দিকটি অন্ধকারে আর অন্ধকারের দিকটি সূর্যের দিকে বা আলোকে চলে আসে। ফলে দিনরাত্রি পাল্টে যায়। অন্ধকার স্থানগুলো আলোকিত হওয়ার ফলে এসব স্থানে দিন হয়। আর আলোকিত স্থান অন্ধকার হয়ে যাওয়ার ফলে ঐসব স্থানে রাত হয়। এভাবে পর্যায়ক্রমে দিনরাত্রি সংঘটিত হতে থাকে কোনো স্থানে ১২ ঘণ্টা দিন ও ১২ ঘণ্টা রাত্রি হয়।

২। জোয়ার-ভাটা সৃষ্টি: আহ্নিক গতির ফলেই জোয়ার-ভাটা সংঘটিত হচ্ছে। আমরা দেখি প্রতিদিন জোয়ার-ভাটা একই সময়ে হচ্ছে না। আজকে জোয়ার যে স্থানে যে সময়ে হচ্ছে, পরের দিন সেই সময়ে না হয়ে তার ৫২ মিনিট পরে হচ্ছে। এই যে সময়ের ব্যবধান সেটা আহ্নিক গতির কারণেই হচ্ছে।

৩। বায়ুপ্রবাহ ও সমুদ্রস্রোতের সৃষ্টি: পৃথিবীর অভিগত গোলকের কারণে নিরক্ষরেখা থেকে উভয় মেরুর দিকে অক্ষরেখাগুলোর পরিধি ও পৃথিবীর আবর্তনের গতিবেগ ক্রমশ কমতে থাকে। এসব কারণে পৃথিবীর বায়ুপ্রবাহ বা সমুদ্রস্রোতের গতির দিক সরাসরি উচ্চচাপ থেকে নিম্নচাপের দিকে না হয়ে উত্তর গোলার্ধে ডান দিকে এবং দক্ষিণ গোলার্ধে বাম দিকে বেঁকে যায়।

৪। তাপমাত্রার তারতম্য সৃষ্টি দিনের বেলায় সূর্যের কিরণ থাকার কারণে তাপমাত্রা বেশি থাকে। রাত হলে তাপ বিকিরণ করে তাপমাত্রা কমে যায়। যদি আহ্নিক গতি না থাকত তাহলে এভাবে দিনের পর রাত আসত না এবং তাপমাত্রার তারতম্য সৃষ্টি হতো না। এই তাপমাত্রার তারতম্য হলো আহ্নিক গতির একটি ফল।

৫। সময় গণনা বা সময় নির্ধারণ: আহ্নিক গতির ফলে সময়ের হিসাব করতে সুবিধা হয়। একবার সম্পূর্ণ আবর্তনের সময়ের ২৪ ভাগের এক ভাগকে ঘণ্টা ধরে তার ৬০ ভাগের ১ ভাগকে মিনিট, মিনিটের ৬০ ভাগের ১ ভাগকে সেকেন্ড-এভাবে সময় গণনা করা হয়।

৬। উদ্ভিদ ও প্রাণিজগৎ সৃষ্টি: পৃথিবীর আবর্তনের কারণেই পৃথিবীর সব জায়গায় পর্যায়ক্রমে সূর্যালোক পড়ে এবং দিনরাত্রি হয়। উদ্ভিদ ও প্রাণীর জন্য সূর্যালোকই বেশি প্রয়োজন। দিনের বেলায় সূর্যালোক থেকে শক্তি সঞ্চয় করে এবং রাতে ঐ শক্তি নিজেদের শারীরবৃত্তীয় কাজে লাগায়। কোনো প্রাণী দিনে আবার কোনো প্রাণী রাতে খাদ্য সংগ্রহ করে। পৃথিবীর আবর্তন গতির ফলে দিনরাত্রি সংঘটিত হয় এবং তার উপরই উদ্ভিদ ও প্রাণিজগতের নিয়মশৃঙ্খলা অনেকখানি নির্ভর করে।

মহাবিশ্ব ও আমাদের পৃথিবী - অন্যান্য প্রশ্ন
মহাকাশ ও মহাবিশ্ব (Space and Universe)
নক্ষত্র (Star)
সৌরজগৎ (Solar System)
পৃথিবীর আকার-আকৃতি (Size and shape of the Earth)
অক্ষরেখা, দ্রাঘিমারেখা ও গুরুত্বপূর্ণ রেখাসমূহ (Latitude, Longitude and other Important Lines)
অক্ষরেখা (Latitude)
অক্ষাংশ নির্ণয় (Determining latitude)
দ্রাঘিমারেখা (Longitude)
গুরুত্বপূর্ণ রেখাসমূহ (Important lines)
আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা (International Date Line)
পৃথিবীর গতি (Rotation of the Earth)
আহ্নিক গতি (Rotation)
আহ্নিক গতির প্রমাণ (Proofs of Rotation)
বার্ষিক গতি (Revolution)
বার্ষিক গতির প্রমাণ (Proofs of Revolution)
ঋতু পরিবর্তন (Change of season)
ঋতু পরিবর্তনের প্রভাব (Impact of Seasonality)
অক্ষরেখার ডিগ্রিকে কী বলে?
পৃথিবী বৃত্তের কেন্দ্রে উৎপন্ন কোণ কত ডিগ্রি?
পৃথিবী কোন দিকে অক্ষরেখার উপর ঘুরছে?
পৃথিবীর সুমেরু ও কুমেরু সংযোগকারী কাল্পনিক রেখাকে কী বলে?
কর্কটক্রান্তির অক্ষাংশ কত?
বিষুবরেখার অপর নাম কী?
নিরক্ষরেখার নিকটবর্তী অক্ষাংশসমূহকে কী বলা হয়?
সূর্য যেদিন যে অক্ষাংশের উপর লম্বভাবে কিরণ দেয়, সেটি কী বলা হয়?
লন্ডনের উপকণ্ঠে গ্রিনিচ শহরের উপর দিয়ে অতিক্রম করা মধ্যরেখাকে কী বলে?
মূল মধ্যরেখার বৈশিষ্ট্য কী?
সেকট্যান্ট যন্ত্রের সাহায্যে কী নির্ণয় করা যায়?
বাংলাদেশের প্রায় মধ্যভাগ দিয়ে কোন দ্রাঘিমারেখা অতিক্রম করেছে?
১৮০° পূর্ব ও পশ্চিম দ্রাঘিমারেখাকে কী বলে?
দ্রাঘিমান্তর ১° হলে সময়ের পার্থক্য কত?
বায়ুপ্রবাহ ও সমুদ্রস্রোত উত্তর গোলার্ধে ডানদিকে এবং দক্ষিণ গোলার্ধে বামদিকে বেঁকে যাওয়ার কারণ কী?
পৃথিবীর নিজ অক্ষের চারদিকে একবার আবর্তনের কালকে কী বলে?
পৃথিবীর চারদিকে কী ঘিরে রয়েছে?
আদি-অন্তহীন আকাশকে কী বলা হয়?
চন্দ্র, সূর্য, গ্রহ, নক্ষত্র, ধূমকেতু, উল্কা, নীহারিকা, পালসার, কৃষ্ণবামন, কৃষ্ণগহ্বর প্রভৃতি কী হিসেবে পরিচিত?
কোন জ্যোতিষ্কের নিজস্ব আলো থাকে?
নক্ষত্র কী দিয়ে তৈরি?
সূর্যের নিকটতম নক্ষত্র কোনটি?
মহাকাশে গ্রহ, নক্ষত্র, ধূলিকণা, ধূমকেতু, বাষ্পকুণ্ডের বিশাল সমাবেশকে কী বলা হয়?
কোনো গ্যালাক্সির ক্ষুদ্র অংশকে কী বলা হয়?
মহাকাশে অসংখ্য স্বপ্নালোকিত তাঁরকার আস্তরণ কী নামে পরিচিত?
একটি নীহারিকার মাঝে কত নক্ষত্র থাকে?
রাতের মেঘমুক্ত আকাশে নক্ষত্র ছুটে যাওয়া বা খসে পড়ার ঘটনাকে কী বলা হয়?
বেশিরভাগ উল্কাপিণ্ডের আকার কেমন?
মহাকাশে মাঝে মাঝে যে জ্যোতিষ্কের আবির্ভাব ঘটে, যার মাথা ও লেজ থাকে, তাকে কী বলা হয়?
ধূমকেতুকে কী ধরনের জ্যোতিষ্ক বলা হয়?
হ্যালির ধূমকেতু কত বছরে একবার দেখা যায়?
সৌরজগৎ কী দিয়ে গঠিত?
সৌরজগতের যাবতীয় গ্রহ-উপগ্রহের নিয়ন্ত্রক কে?
সৌরজগতের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ জ্যোতিষ্ক কোনটি?
সূর্যকে কেন্দ্র করে কতটি গ্রহ ঘুরছে?
পৃথিবী ও অন্যান্য গ্রহ-উপগ্রহের তাপ ও আলোর মূল উৎস কী?
সৌরজগতের ক্ষুদ্রতম গ্রহ কোনটি?
সূর্যের নিকটতম গ্রহ কোনটি?
শুক্র গ্রহ কোন দিকে নিজ অক্ষে পাক খায়?
কোন গ্রহের বায়ুমন্ডলে প্রয়োজনীয় অক্সিজেন, নাইট্রোজেন ও তাপমাত্রা রয়েছে?
উদ্ভিদ ও জীবজন্তু বসবাসের উপযোগী গ্রহ কোনটি?
পৃথিবীর কত ভাগ পানিতে ঢাকা?
কোন গ্রহে অক্সিজেন ও পানির পরিমাণ খুবই কম এবং কার্বন ডাইঅক্সাইডের পরিমাণ এত বেশি যে প্রাণীর অস্তিত্ব থাকা সম্ভব নয়?
মঙ্গল গ্রহের উপরিভাগে কী কী রয়েছে?
কে এবং কখন স্পুটনিকে চড়ে পৃথিবীকে প্রদক্ষিণের সময় বুঝতে পারেন যে পৃথিবী গোলাকার, তবে তা কমলালেবুর মতো?
কারা এবং কখন চন্দ্রপৃষ্ঠ থেকে পৃথিবীকে দেখেন?
দুই মেরু থেকে সমান দূরত্বে পৃথিবীকে পূর্ব-পশ্চিমে বেষ্টনকারী কল্পিত রেখাকে কী বলা হয়?
পৃথিবীর গোলাকৃতি কেন্দ্র দিয়ে উত্তর-দক্ষিণে কল্পিত রেখাকে কী বলা হয়?
নিরক্ষরেখার উত্তর-দক্ষিণে পৃথিবী কীভাবে ভাগ করা হয়েছে?
পৃথিবীর গোলীয় আকৃতির জন্য নিরক্ষরেখাকে কী বলা হয়?
নিরক্ষরেখা থেকে উত্তর বা দক্ষিণে অবস্থিত কোনো স্থানের কৌণিক দূরত্বকে কী বলা হয়?
মহাবিশ্ব কীভাবে গঠিত হয়েছে? অথবা, মহাবিশ্ব বলতে কী বোঝায়?
নক্ষত্র বলতে কী বোঝায়?
মহাবিশ্বে পৃথিবীর অবস্থান বর্ণনা কর।
নক্ষত্রমন্ডলী বলতে কী বোঝ?
ক্যাসিওপিয়া কী? ব্যাখ্যা কর।
উল্কাপাত বলতে কী বোঝায়?
গ্রহকে নক্ষত্র বলা যায় না কেন?
ছুটন্ত তারা প্রচন্ড গতিতে ছুটে আসার কারণ ব্যাখ্যা কর।
ধূমকেতু বহুদিন পরপর দেখা যায়? ব্যাখ্যা কর।
কৃত্রিম উপগ্রহ বলতে কী বোঝ?
সৌরজগৎ কী? এর দুটি বৈশিষ্ট্য লেখ।
সূর্যকে নক্ষত্র বলা হয় কেন?
বুধ গ্রহে বায়ুমণ্ডল না থাকার কারণ কী লেখ।
শুকতারা বা সন্ধ্যাতারা বলতে কী বোঝায়?
বুধ ও বৃহস্পতি গ্রহের মধ্যে দুটি পার্থক্য দেখাও।
পৃথিবী গ্রহটি প্রাণিকুলের বসবাসের জন্য উপযোগী হওয়ার কারণ সংক্ষেপে লেখ।
মঙ্গল গ্রহে প্রাণীর অস্তিত্ব নেই সংক্ষেপে এর কারণ দর্শাও।
বৃহস্পতি গ্রহকে গ্রহরাজ বলা হয় কেন?
পৃথিবীর আকৃতি কীরূপ সংক্ষেপে লেখ।
'আমাদের বাসযোগ্য গ্রহটির আকার কমলালেবুর মতো'-ব্যাখ্যা কর।
উত্তর গোলার্ধে অক্ষাংশ কোন তারার সাহায্যে জানা যায়? ব্যাখ্যা কর।
নিরক্ষরেখা সম্পর্কে তোমার ধারণা ব্যক্ত কর।
আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা বলতে কী বোঝায়?
আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা অতিক্রমের সূত্রটি ব্যাখ্যা কর।
প্রতিপাদ স্থান বলতে কী বোঝ?
প্রতিপাদ স্থান কীভাবে নির্ণয় করা হয়?
পৃথিবীপৃষ্ঠ থেকে আমরা কেন ছিটকে পড়ি না- এর চারটি কারণ লেখ।
পৃথিবীর আবর্তন গতি থাকা সত্ত্বেও আমরা অনুভব করি না- বুঝিয়ে লেখ।
প্রতি চার বছরে ফেব্রুয়ারি মাস ২৯ দিনে হয় কেন? বুঝিয়ে লেখ।
অধিবর্ষ বলতে কী বোঝায়?
কী কারণে ঋতুপরিবর্তিত হয়? সংক্ষেপে লেখ।
২১ জুন উত্তর গোলার্ধে দিন বড় ও রাত ছোট হয় কেন?
১৫ জানুয়ারি উত্তর গোলার্ধে শীতকাল হাওয়ার কারণ ব্যাখ্যা কর।
৩০ জুন উত্তর গোলার্ধে গ্রীষ্মকাল হয় কেন? ব্যাখ্যা কর।
মহাকাশ কাকে বলে?
মহাবিশ্ব কাকে বলে?
নক্ষত্র কাকে বলে?
সূর্যের নিকটতম নক্ষত্রের নাম কী?
নক্ষত্রমণ্ডলী কাকে বলে?
ছায়াপথ কাকে বলে? অথবা, আকাশ গঙ্গা কাকে বলে?
গ্যালাক্সি কাকে বলে? অথবা, নক্ষত্রজগৎ কাকে বলে?
নীহারিকা কাকে বলে?
গ্যাসীয় নীহারিকা বলতে কী বোঝ?
উল্কা কী? অথবা, নক্ষত্র পতন বা তারা খসা কী?
ধূমকেতু কাকে বলে?
গ্রহ কাকে বলে?
উপগ্রহ কাকে বলে?
কৃত্রিম উপগ্রহ কাকে বলে?
সৌরজগৎ কাকে বলে? অথবা, সৌরপরিবার কাকে বলে?
হ্যালির ধূমকেতু কত বছর পর পর দেখা যায়?
পৃথিবীর পরিধি কোথায় সবচেয়ে বেশি?
পৃথিবীর প্রকৃত আকৃতি কীসের মত?
অক্ষরেখা কী? অথবা, মেরু রেখা কাকে বলে?
অক্ষাংশ কাকে বলে?
সেক্সট্যান্ট যন্ত্র কাকে বলে?
দ্রাঘিমা কী?
দ্রাঘিমাংশ কাকে বলে?
মূল মধ্যরেখা কাকে বলে?
নিরক্ষরেখা কাকে বলে?
কর্কটক্রান্তি রেখা কাকে বলে?
সুমেরুবৃত্ত কী?
সমাক্ষরেখা কাকে বলে?
দুটি প্রতিপাদ স্থানের মধ্যে সময়ের পার্থক্য কত হয়?
প্রতিপাদ স্থান কাকে বলে?
আহ্নিক গতি কাকে বলে?
বার্ষিক গতি কাকে বলে?
ঋতু কাকে বলে?
উত্তর গোলার্ধে বড় দিন কোনটি?
নক্ষত্র খালি চোখে দেখা যায় না কেন? ব্যাখ্যা কর।
মহাকাশের ছুটন্ত তারকা বলতে কী বোঝায়? ব্যাখ্যা কর। অথবা, উল্কাকে ছুটন্ত তারা বলে মনে হয় কেন? ব্যাখ্যা কর।
উল্কা নক্ষত্র নয় কেন? ব্যাখ্যা কর।
মহাকাশের কোনটিকে লেজযুক্ত জ্যোতিষ্ক বলা হয়? ব্যাখ্যা কর। অথবা, ধূমকেতু মাঝে মাঝে অদৃশ্য হয়ে যায় কেন- ব্যাখ্যা কর।
মহাকাশে দীর্ঘ সময় পরপর কোন জ্যোতিষ্ক দেখা যায়? ব্যাখ্যা কর। অথবা, কোন জ্যোতিষ্ক বহু দিন পর পর দেখা যায়? ব্যাখ্যা কর।
চাঁদকে কেন উপগ্রহ বলা হয়?
চাঁদকে কেন উপগ্রহ বলা হয়?
বুধ গ্রহ বায়ুমণ্ডল ধরে রাখতে পারে না কেন? ব্যাখ্যা কর।
পৃথিবী সূর্যের চারদিকে ঘুরে কেন? ব্যাখ্যা কর।
পৃথিবী গ্রহটি প্রাণিকুলের বসবাসের জন্য উপযোগী কেন?
চাঁদ পৃথিবীর চারদিকে ঘোরার কারণ ব্যাখ্যা কর।
মঙ্গল গ্রহে পানির অস্তিত্ব থাকা সত্ত্বেও প্রাণীর অস্তিত্ব নেই কেন? ব্যাখ্যা কর।
মঙ্গল গ্রহে প্রাণীর অস্তিত্ব থাকা সম্ভব নয় কেন? অথবা, মঙ্গল গ্রহে প্রাণীর অস্তিত্ব নেই কেন?
পৃথিবীর বৃহত্তম রেখা কোনটি? ব্যাখ্যা কর।
নিরক্ষরেখায় পৃথিবীর আবর্তন বেগ বেশি হওয়ার কারণ কী? ব্যাখ্যা কর।
নিরক্ষরেখায় পৃথিবীর ঘূর্ণায়ন বেগ সবচেয়ে বেশি কেন? ব্যাখ্যা কর।
পৃথিবীর মধ্যভাগে আবর্তন বেগ বেশি হওয়ার কারণ ব্যাখ্যা কর।
সময় নির্ণয়ে দ্রাঘিমা রেখা কেন ব্যবহার করা হয়? ব্যাখ্যা কর।
আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা আঁকাবাঁকা টানা হয়েছে কেন? ব্যাখ্যা কর।
তারিখ বিভাজনকারী রেখা আঁকাবাঁকা কেন? ব্যাখ্যা কর।
কোন কাল্পনিক রেখা আঁকাবাঁকা করে অঙ্কন করা হয়? ব্যাখ্যা কর।
দিবা-রাত্রি সংঘটিত হওয়ার কারণ ব্যাখ্যা কর।
পৃথিবীর কোন গতির সাথে জোয়ারভাটার সম্পর্ক রয়েছে? ব্যাখ্যা কর।
আহ্নিক গতির ফলে পৃথিবীতে জোয়ারভাটা হয়- বুঝিয়ে লেখ।
পৃথিবী নামক গ্রহে উদ্ভিদ ও জীবজন্তু বসবাসের উপযোগী দুটি সুবিধা উল্লেখ কর।
পৃথিবীর আকৃতি কীরূপ সংক্ষেপে লেখ।
'আমাদের বাসযোগ্য গ্রহটির আকার কমলালেবুর মতো'-ব্যাখ্যা কর।
উত্তর গোলার্ধে অক্ষাংশ কোন তারার সাহায্যে জানা যায়? ব্যাখ্যা কর।
নিরক্ষরেখা সম্পর্কে তোমার ধারণা ব্যক্ত কর।
আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা বলতে কী বোঝায়?
আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা অতিক্রমের সূত্রটি ব্যাখ্যা কর।
প্রতিপাদ স্থান বলতে কী বোঝ?
প্রতিপাদ স্থান কীভাবে নির্ণয় করা হয়?
পৃথিবীপৃষ্ঠ থেকে আমরা কেন ছিটকে পড়ি না- এর চারটি কারণ লেখ।
পৃথিবীর আবর্তন গতি থাকা সত্ত্বেও আমরা অনুভব করি না - বুঝিয়ে লেখ।
প্রতি চার বছরে ফেব্রুয়ারি মাস ২৯ দিনে হয় ফেন? বুঝিয়ে লেখ।
অধিবর্ষ বলতে কী বোঝায়?
কী কারণে ঋতুপরিবর্তিত হয়? সংক্ষেপে লেখ।
২১ জুন উত্তর গোলার্ধে দিন বড় ও রাত ছোট হয় কেন?
১৫ জানুয়ারি উত্তর গোলার্ধে শীতকাল হাওয়ার কারণ ব্যাখ্যা কর।
৩০ জুন উত্তর গোলার্ধে গ্রীষ্মকাল হয় কেন? ব্যাখ্যা কর।
মহাকাশ কাকে বলে?
মহাবিশ্ব কাকে বলে?
নক্ষত্র কাকে বলে?
সূর্যের নিকটতম নক্ষত্রের নাম কী?
নক্ষত্রমণ্ডলী কাকে বলে?
ছায়াপথ কাকে বলে? অথবা, আকাশ গঙ্গা কাকে বলে?
গ্যালাক্সি কাকে বলে? অথবা, নক্ষত্রজগৎ কাকে বলে?
নীহারিকা কাকে বলে?
গ্যাসীয় নীহারিকা বলতে কী বোঝ?
উল্কা কী? অথবা, নক্ষত্র পতন বা তারা খসা কী?
ধূমকেতু কাকে বলে?
গ্রহ কাকে বলে?
উপগ্রহ কাকে বলে?
কৃত্রিম উপগ্রহ কাকে বলে?
সৌরজগৎ কাকে বলে? অথবা, সৌরপরিবার কাকে বলে?
চন্দ্র কী?
হ্যালির ধূমকেতু কত বছর পর পর দেখা যায়?
পৃথিবীর পরিধি কোথায় সবচেয়ে বেশি?
পৃথিবীর প্রকৃত আকৃতি কীসের মত?
অক্ষরেখা কী? অথবা, মেরু রেখা কাকে বলে?
অক্ষাংশ কাকে বলে?
সেক্সট্যান্ট যন্ত্র কাকে বলে?
দ্রাঘিমা কী?
দ্রাঘিমাংশ কাকে বলে?
মূল মধ্যরেখা কাকে বলে?
নিরক্ষরেখা কাকে বলে?
কর্কটক্রান্তি রেখা কাকে বলে?
সুমেরুবৃত্ত কী?
সমাক্ষরেখা কাকে বলে?
দুটি প্রতিপাদ স্থানের মধ্যে সময়ের পার্থক্য কত হয়?
প্রতিপাদ স্থান কাকে বলে?
আহ্নিক গতি কাকে বলে?
বার্ষিক গতি কাকে বলে?
ঋতু কাকে বলে?
উত্তর গোলার্ধে বড় দিন কোনটি?
নক্ষত্র খালি চোখে দেখা যায় না কেন? ব্যাখ্যা কর।
মহাকাশের ছুটন্ত তারকা বলতে কী বোঝায়? ব্যাখ্যা কর। অথবা, উল্কাকে ছুটন্ত তারা বলে মনে হয় কেন? ব্যাখ্যা কর।
উল্কা নক্ষত্র নয় কেন? ব্যাখ্যা কর।
মহাকাশের কোনটিকে লেজযুক্ত জ্যোতিষ্ক বলা হয়? ব্যাখ্যা অথবা, ধূমকেতু মাঝে মাঝে অদৃশ্য হয়ে যায় কেন- ব্যাখ্যা কর।
মহাকাশে দীর্ঘ সময় পরপর কোন জ্যোতিষ্ক দেখা যায়। ব্যাখ্যা কর। অথবা, কোন জ্যোতিষ্ক বহু দিন পর পর দেখা যায়? ব্যাখ্যা কর।
চাঁদকে কেন উপগ্রহ বলা হয়?
তথ্য আদান-প্রদানে কোন উপগ্রহটি ব্যবহৃত হয়? ব্যাখ্যা কর। অথবা, তথ্য আদান-প্রদান ও অন্যান্য কাজে যে উপগ্রহ ব্যবহার করা হয় তার ব্যাখ্যা কর। অথবা, গোয়েন্দা নজরদারিতে কোন উপগ্রহটি ব্যবহার করা হয়? ব্যাখ্যা কর।
বুধ গ্রহ বায়ুমণ্ডল ধরে রাখতে পারে না কেন? ব্যাখ্যা কর।
পৃথিবী সূর্যের চারদিকে ঘুরে কেন? ব্যাখ্যা কর।
পৃথিবী গ্রহটি প্রাণিকুলের বসবাসের জন্য উপযোগী কেন?
চাঁদ পৃথিবীর চারদিকে ঘোরার কারণ ব্যাখ্যা কর।
মঙ্গল গ্রহে পানির অস্তিত্ব থাকা সত্ত্বেও প্রাণীর অস্তিত্ব নেই কেন? ব্যাখ্যা কর।
মঙ্গল গ্রহে প্রাণীর অস্তিত্ব থাকা সম্ভব নয় কেন? অথবা, মঙ্গল গ্রহে প্রাণীর অস্তিত্ব নেই কেন?
পৃথিবীর উত্তর ও দক্ষিণ মেরু একটি চাপা এবং মধ্যভাগ সামান্য স্ফীত কেন? ব্যাখ্যা কর।
পৃথিবীর বৃহত্তম রেখা কোনটি? ব্যাখ্যা কর।
নিরক্ষরেখায় পৃথিবীর আবর্তন বেগ বেশি হওয়ার কারণ কী? ব্যাখ্যা কর। অথবা, নিরক্ষরেখায় পৃথিবীর ঘূর্ণায়ন বেগ সবচেয়ে বেশি কেন? ব্যাখ্যা কর। অথবা, পৃথিবীর মধ্যভাগে আবর্তন বেগ বেশি হওয়ার কারণ ব্যাখ্যা কর।
সময় নির্ণয়ে দ্রাঘিমা রেখা কেন ব্যবহার করা হয়? ব্যাখ্যা কর।
আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা আঁকাবাঁকা টানা হয়েছে কেন? ব্যাখ্যা কর। অথবা, তারিখ বিভাজনকারী রেখা আঁকাবাঁকা কেন? ব্যাখ্যা কর। অথবা, কোন কাল্পনিক রেখা আঁকাবাঁকা করে অঙ্কন করা হয়? ব্যাখ্যা কর।
দিবা-রাত্রি সংঘটিত হওয়ার কারণ ব্যাখ্যা কর।
আহ্নিক গতির ফলে পৃথিবীতে জোয়ারভাটা হয়- বুঝিয়ে লেখ। অথবা, পৃথিবীর কোন গতির সাথে জোয়ারভাটার সম্পর্ক রয়েছে? ব্যাখ্যা কর।
প্রতি চার বছরে ফেব্রুয়ারি মাস ২৯ দিনে হয় কেন? ব্যাখ্যা কর।
রাত ও দিন ছোট বড় হয় কেন? ব্যাখ্যা কর।
কোন গতির কারণে দিনরাত ঘটে? ব্যাখ্যা কর।
৩০ জুন উত্তর গোলার্ধে গ্রীষ্মকাল হওয়ার কারণ ব্যাখ্যা কর।

সম্পর্কিত বহুনির্বচনী প্রশ্ন সমূহ

২৩১/২° দক্ষিণ অক্ষাংশ হলো-

সুমেরু বৃত্ত
কর্কটক্রান্তি
কুমেরু বৃত্ত
মকরক্রান্তি

কোনটির সাহায্যে কোনো স্থানের অক্ষাংশ নির্ণয় করা যায়?

লঘুসপ্তর্ষি
কৃষ্ণবামন
ক্যাসিওপিয়া
ধ্রুবতারা

কোন গ্রহের ২৭টি উপগ্রহ আছে?

মঙ্গল
বৃহস্পতি
শনি
ইউরেনাস

বৃহৎ কুকুরমণ্ডল একটি-

গ্যালাক্সি
নক্ষত্রমণ্ডলী
ছায়াপথ
গ্রহাণুপুঞ্জ

ছায়াপথকে বিজ্ঞানীরা কেমন অনুমান করেন?

উপবৃত্তাকার মন্ডল
সর্পিলাকার মন্ডল
সরলরৈখিক মণ্ডল
চক্রাকার মন্ডল

কোন বলের প্রভাবে পৃথিবী সূর্যের চারিদিকে ঘুরছে?

মহাকর্ষ
ফেরেলের সূত্র
অভিকর্ষ
তাপমাত্রার তারতম্য