Uddoyon
  • হোম
  • একাডেমি
  • সাধারণ
  • নবম-দশম শ্রেণি
  • মহাবিশ্ব ও আমাদের পৃথিবী
মহাবিশ্ব ও আমাদের পৃথিবী

পাঠ্যবিষয় ও অধ্যায়ভিত্তিক একাডেমিক প্রস্তুতির জন্য আমাদের উন্মুক্ত শিক্ষায় অংশগ্রহণ করুন।

ফিরে যান
নক্ষত্র (Star)

যেসব জ্যোতিষ্কের নিজের আলো আছে তাদের নক্ষত্র বলে। মহাকাশে অসংখ্য নক্ষত্র রয়েছে (চিত্র ২.১)। খালি চোখে আমরা মাত্র কয়েক হাজার নক্ষত্র দেখতে পাই। এদের কয়েকটি পৃথিবী থেকে শক্তিশালী দূরবীক্ষণ যন্ত্রের সাহায্যে দেখা যায়। নক্ষত্রগুলো হলো জ্বলন্ত গ্যাসপিন্ড, এরা হাইড্রোজেন ও হিলিয়াম গ্যাস দিয়ে তৈরি। এই গ্যাস অতি উচ্চ (প্রায় ৬০০০° সেলসিয়াস) তাপমাত্রায় জ্বলছে। সূর্যের প্রখর আলোর জন্য দিনের বেলায় অন্যান্য নক্ষত্র দেখা যায় না।

পৃথিবী থেকে দেখলে মনে হয় নক্ষত্রগুলো যেন একই সমতলে অবস্থান করছে। কিন্তু পৃথিবী থেকে এরা বিভিন্ন দূরত্বে অবস্থান করছে। পৃথিবী ও নক্ষত্রদের মধ্যে এবং নক্ষত্রদের পরস্পরের মধ্যে দূরত্ব এত বেশি যে কিলোমিটার দ্বারা এই দূরত্ব প্রকাশ করা যায় না। এই দূরত্ব আলোক বর্ষ এককে মাপা হয়। আলো প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ৩ লক্ষ কিলোমিটার পথ অতিক্রম করে। এই বেগে এক বছরে আলো যে পরিমাণ দূরত্ব অতিক্রম করে তাকে এক আলোক বর্ষ বলে। সূর্য পৃথিবীর নিকটতম নক্ষত্র। সূর্য থেকে পৃথিবীতে আলো আসতে সময় লাগে ৮ মিনিট ১৯ সেকেন্ড। সূর্যের নিকটতম নক্ষত্র প্রক্সিমা সেন্টারাই (Proxima Centauri)। পৃথিবী থেকে এর দূরত্ব প্রায় ৪.২ আলোক বর্ষ।

নক্ষত্রমণ্ডলী (Constellation): মেঘমুক্ত অন্ধকার রাতে আকাশের দিকে তাকালে মনে হয় কয়েকটি নক্ষত্র বিশেষ আকৃতিতে মিলে জোট বেঁধেছে। এভাবে আমাদের পরিচিত আকৃতিতে দেখা নক্ষত্রদলকে নক্ষত্রমণ্ডলী বলে। প্রাচীনকালে জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা এক একটি নক্ষত্রদলকে কাল্পনিক রেখা দ্বারা যুক্ত করে বিভিন্ন আকৃতি কল্পনা করে বিভিন্ন নাম দিয়েছেন। এদের কোনোটা দেখতে ভল্লুকের মতো, কোনোটা শিকারির মতো। এদের মধ্যে সপ্তর্ষিমণ্ডল (Great Bear), কালপুরুষ (Orion), ক্যাসিওপিয়া (Cassiopeia), লঘুসপ্তর্ষি (Little Bear), বৃহৎ কুকুরমন্ডল (Canis Major) ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য।

গ্যালাক্সি (Galaxy): মহাকাশে গ্রহ, নক্ষত্র, ধূলিকণা, ধূমকেতু ও বাষ্পকুন্ডের এক বিশাল সমাবেশকে গ্যালাক্সি বা নক্ষত্রজগৎ বলে। মহাকাশে একশত বিলিয়ন গ্যালাক্সি রয়েছে (চিত্র ২.২)। এদের বিভিন্ন আকার ও আকৃতি রয়েছে, তবে এদের অধিকাংশই সর্পিলাকার বা উপবৃত্তাকার। সর্পিলাকার গ্যালাক্সিগুলো বৃহৎ আকৃতির এবং উপবৃত্তাকার গ্যালাক্সিগুলো বেশি উজ্জ্বল। এরা পরস্পর ব্যাপক ব্যবধানে অবস্থিত। কোনো একটি গ্যালাক্সির ক্ষুদ্র অংশকে ছায়াপথ বলে।

নীহারিকা (Nebula): নীহারিকা হলো মহাকাশে অসংখ্য স্বল্পালোকিত তারকার আস্তরণ। এদের আকার বিচিত্র। কিছু নীহারিকার দেহ গ্যাসীয় পদার্থে পূর্ণ। এদেরকে গ্যাসীয় নীহারিকা বলে। এক একটি নীহারিকার মধ্যবর্তী দূরত্ব ব্যাপক। এক একটি নীহারিকার মাঝে কোটি কোটি নক্ষত্র থাকতে পারে। এরা যেহেতু পৃথিবী থেকে কোটি কোটি আলোক বর্ষ দূরে রয়েছে, তাই এদের মাঝে যেসব নক্ষত্র রয়েছে তাদের পৃথকভাবে শনাক্ত করা যায় না।

ছায়াপথ (Milky Way): কোনো একটি গ্যালাক্সির ক্ষুদ্র অংশকে ছায়াপথ বা আকাশ গঙ্গা বলে। অন্ধকার আকাশে এদের উজ্জ্বল দীপ্তি দীর্ঘপথের মতো দেখায়। একটি ছায়াপথ লক্ষ কোটি নক্ষত্রের সমষ্টি। শীতকালে রাত্রিবেলা পরিষ্কার আকাশে লক্ষ করলে উত্তর-দক্ষিণে বেশ বড় পরিসরযুক্ত তেজোদ্দীপ্ত স্বচ্ছ দীর্ঘ আলোর রেখা দেখা যায়। তারকা খচিত এই আলোর পথই হলো ছায়াপথ। বিজ্ঞানীরা একে বিরাট চক্রাকার মন্ডল বলে অনুমান করেন। সৌরজগৎ এরকম একটি ছায়াপথের অন্তর্গত।

উল্কা (Meteor): রাতের মেঘমুক্ত আকাশে অনেক সময় মনে হয় যেন নক্ষত্র ছুটে যাচ্ছে বা কোনো নক্ষত্র যেন এই মাত্র খসে পড়ল। এই ঘটনাকে নক্ষত্রপতন বা তারা খসা বলে। এরা কিন্তু আসলে কোনো নক্ষত্র নয়, এদের নাম উল্কা (চিত্র ২.৩)। মহাশুন্যে অজস্র জড়পিন্ড ভেসে বেড়ায়। এই জড়পিন্ডগুলো অভিকর্ষ বলের আকর্ষণে প্রচন্ড গতিতে (সেকেন্ডে প্রায় ৩ কিলোমিটার) পৃথিবীর দিকে ছুটে আসে। বায়ুর সংস্পর্শে এসে বায়ুর সঙ্গে ঘর্ষণের ফলে এরা জ্বলে ওঠে। ফলে এদের ছুটন্ত তারা বলে মনে হয়। বেশিরভাগ উল্কাপিণ্ডই আকারে বেশ ক্ষুদ্র।

ধূমকেতু (Comet): মহাকাশে মাঝে মাঝে একপ্রকার জ্যোতিষ্কের আবির্ভাব ঘটে। এদের একটি মাথা ও একটি লেজ আছে। এসব জ্যোতিষ্ককে ধূমকেতু বলে। ধূমকেতু আকাশের এক অতি বিস্ময়কর জ্যোতিষ্ক (চিত্র ২.৪)। সৌরজগতের মধ্যে ধূমকেতুর বসবাস হলেও এরা কিছুদিনের জন্য উদয় হয়ে আবার অদৃশ্য হয়ে যায়। সূর্যের চারদিকে অনেক দূর দিয়ে এরা পরিক্রমণ করে। সূর্যের নিকটবর্তী হলে এদের দেখা যায়। এরা সূর্যের যত কাছাকাছি আসতে থাকে তত এদের লেজ লম্বা হতে থাকে। অনেক দীর্ঘ কক্ষপথে সূর্যকে পরিক্রমণ করে বলে এরা অনেক বছর পর পর আবির্ভূত হয়। জ্যোতির্বিজ্ঞানী এডমন্ড হ্যালি যে ধূমকেতু আবিষ্কার করেন তা হ্যালির ধূমকেতু নামে পরিচিত। হ্যালির ধূমকেতু প্রতি ৭৬ বছরে একবার দেখা যায়। হ্যালির ধূমকেতু ২৪০ খ্রিষ্টপূর্ব অব্দ থেকে দেখা যায় এবং সর্বশেষ ১৯৮৬ সালে হ্যালির ধূমকেতু দেখা গেছে।

গ্রহ (Planet): মহাকাশে কতকগুলো জ্যোতিষ্ক সূর্যকে নির্দিষ্ট সময়ে নির্দিষ্ট পথে পরিক্রমণ করে। এদের নিজেদের কোনো আলো বা তাপ নেই। মহাকর্ষ বলের প্রভাবে এরা সূর্যকে কেন্দ্র করে আবর্তিত হয়। এরা সূর্য থেকে আলো ও তাপ পায়। এই তাপেই উত্তপ্ত হয়। এরা তারার মতো মিটমিট করে জ্বলে না। এসব জ্যোতিষ্ককে গ্রহ বলে। আমাদের সৌরজগতের আটটি গ্রহ হলো বুধ, শুক্র, পৃথিবী, মঙ্গল, বৃহস্পতি, শনি, ইউরেনাস ও নেপচুন।

উপগ্রহ (Satellite): কিছু কিছু জ্যোতিষ্ক গ্রহকে ঘিরে আবর্তিত হয়, এদের উপগ্রহ বা চাঁদ বলে। মহাকর্ষ বলের প্রভাবে এরা গ্রহকে কেন্দ্র করে ঘোরে। এদের নিজস্ব আলো বা তাপ নেই। এরা সূর্য বা নক্ষত্র থেকে আলো বা তাপ পায়। চাঁদ পৃথিবী গ্রহের একমাত্র উপগ্রহ। কোনো কোনো গ্রহের উপগ্রহ আছে, কোনোটির নেই। বুধ ও শুক্রের কোনো উপগ্রহ নেই। বিজ্ঞানের উন্নতির সঙ্গে সঙ্গে নতুন নতুন উপগ্রহ আবিষ্কৃত হচ্ছে।

মহাবিশ্ব ও আমাদের পৃথিবী - অন্যান্য প্রশ্ন
মহাকাশ ও মহাবিশ্ব (Space and Universe)
নক্ষত্র (Star)
সৌরজগৎ (Solar System)
পৃথিবীর আকার-আকৃতি (Size and shape of the Earth)
অক্ষরেখা, দ্রাঘিমারেখা ও গুরুত্বপূর্ণ রেখাসমূহ (Latitude, Longitude and other Important Lines)
অক্ষরেখা (Latitude)
অক্ষাংশ নির্ণয় (Determining latitude)
দ্রাঘিমারেখা (Longitude)
গুরুত্বপূর্ণ রেখাসমূহ (Important lines)
আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা (International Date Line)
পৃথিবীর গতি (Rotation of the Earth)
আহ্নিক গতি (Rotation)
আহ্নিক গতির প্রমাণ (Proofs of Rotation)
বার্ষিক গতি (Revolution)
বার্ষিক গতির প্রমাণ (Proofs of Revolution)
ঋতু পরিবর্তন (Change of season)
ঋতু পরিবর্তনের প্রভাব (Impact of Seasonality)
অক্ষরেখার ডিগ্রিকে কী বলে?
পৃথিবী বৃত্তের কেন্দ্রে উৎপন্ন কোণ কত ডিগ্রি?
পৃথিবী কোন দিকে অক্ষরেখার উপর ঘুরছে?
পৃথিবীর সুমেরু ও কুমেরু সংযোগকারী কাল্পনিক রেখাকে কী বলে?
কর্কটক্রান্তির অক্ষাংশ কত?
বিষুবরেখার অপর নাম কী?
নিরক্ষরেখার নিকটবর্তী অক্ষাংশসমূহকে কী বলা হয়?
সূর্য যেদিন যে অক্ষাংশের উপর লম্বভাবে কিরণ দেয়, সেটি কী বলা হয়?
লন্ডনের উপকণ্ঠে গ্রিনিচ শহরের উপর দিয়ে অতিক্রম করা মধ্যরেখাকে কী বলে?
মূল মধ্যরেখার বৈশিষ্ট্য কী?
সেকট্যান্ট যন্ত্রের সাহায্যে কী নির্ণয় করা যায়?
বাংলাদেশের প্রায় মধ্যভাগ দিয়ে কোন দ্রাঘিমারেখা অতিক্রম করেছে?
১৮০° পূর্ব ও পশ্চিম দ্রাঘিমারেখাকে কী বলে?
দ্রাঘিমান্তর ১° হলে সময়ের পার্থক্য কত?
বায়ুপ্রবাহ ও সমুদ্রস্রোত উত্তর গোলার্ধে ডানদিকে এবং দক্ষিণ গোলার্ধে বামদিকে বেঁকে যাওয়ার কারণ কী?
পৃথিবীর নিজ অক্ষের চারদিকে একবার আবর্তনের কালকে কী বলে?
পৃথিবীর চারদিকে কী ঘিরে রয়েছে?
আদি-অন্তহীন আকাশকে কী বলা হয়?
চন্দ্র, সূর্য, গ্রহ, নক্ষত্র, ধূমকেতু, উল্কা, নীহারিকা, পালসার, কৃষ্ণবামন, কৃষ্ণগহ্বর প্রভৃতি কী হিসেবে পরিচিত?
কোন জ্যোতিষ্কের নিজস্ব আলো থাকে?
নক্ষত্র কী দিয়ে তৈরি?
সূর্যের নিকটতম নক্ষত্র কোনটি?
মহাকাশে গ্রহ, নক্ষত্র, ধূলিকণা, ধূমকেতু, বাষ্পকুণ্ডের বিশাল সমাবেশকে কী বলা হয়?
কোনো গ্যালাক্সির ক্ষুদ্র অংশকে কী বলা হয়?
মহাকাশে অসংখ্য স্বপ্নালোকিত তাঁরকার আস্তরণ কী নামে পরিচিত?
একটি নীহারিকার মাঝে কত নক্ষত্র থাকে?
রাতের মেঘমুক্ত আকাশে নক্ষত্র ছুটে যাওয়া বা খসে পড়ার ঘটনাকে কী বলা হয়?
বেশিরভাগ উল্কাপিণ্ডের আকার কেমন?
মহাকাশে মাঝে মাঝে যে জ্যোতিষ্কের আবির্ভাব ঘটে, যার মাথা ও লেজ থাকে, তাকে কী বলা হয়?
ধূমকেতুকে কী ধরনের জ্যোতিষ্ক বলা হয়?
হ্যালির ধূমকেতু কত বছরে একবার দেখা যায়?
সৌরজগৎ কী দিয়ে গঠিত?
সৌরজগতের যাবতীয় গ্রহ-উপগ্রহের নিয়ন্ত্রক কে?
সৌরজগতের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ জ্যোতিষ্ক কোনটি?
সূর্যকে কেন্দ্র করে কতটি গ্রহ ঘুরছে?
পৃথিবী ও অন্যান্য গ্রহ-উপগ্রহের তাপ ও আলোর মূল উৎস কী?
সৌরজগতের ক্ষুদ্রতম গ্রহ কোনটি?
সূর্যের নিকটতম গ্রহ কোনটি?
শুক্র গ্রহ কোন দিকে নিজ অক্ষে পাক খায়?
কোন গ্রহের বায়ুমন্ডলে প্রয়োজনীয় অক্সিজেন, নাইট্রোজেন ও তাপমাত্রা রয়েছে?
উদ্ভিদ ও জীবজন্তু বসবাসের উপযোগী গ্রহ কোনটি?
পৃথিবীর কত ভাগ পানিতে ঢাকা?
কোন গ্রহে অক্সিজেন ও পানির পরিমাণ খুবই কম এবং কার্বন ডাইঅক্সাইডের পরিমাণ এত বেশি যে প্রাণীর অস্তিত্ব থাকা সম্ভব নয়?
মঙ্গল গ্রহের উপরিভাগে কী কী রয়েছে?
কে এবং কখন স্পুটনিকে চড়ে পৃথিবীকে প্রদক্ষিণের সময় বুঝতে পারেন যে পৃথিবী গোলাকার, তবে তা কমলালেবুর মতো?
কারা এবং কখন চন্দ্রপৃষ্ঠ থেকে পৃথিবীকে দেখেন?
দুই মেরু থেকে সমান দূরত্বে পৃথিবীকে পূর্ব-পশ্চিমে বেষ্টনকারী কল্পিত রেখাকে কী বলা হয়?
পৃথিবীর গোলাকৃতি কেন্দ্র দিয়ে উত্তর-দক্ষিণে কল্পিত রেখাকে কী বলা হয়?
নিরক্ষরেখার উত্তর-দক্ষিণে পৃথিবী কীভাবে ভাগ করা হয়েছে?
পৃথিবীর গোলীয় আকৃতির জন্য নিরক্ষরেখাকে কী বলা হয়?
নিরক্ষরেখা থেকে উত্তর বা দক্ষিণে অবস্থিত কোনো স্থানের কৌণিক দূরত্বকে কী বলা হয়?
মহাবিশ্ব কীভাবে গঠিত হয়েছে? অথবা, মহাবিশ্ব বলতে কী বোঝায়?
নক্ষত্র বলতে কী বোঝায়?
মহাবিশ্বে পৃথিবীর অবস্থান বর্ণনা কর।
নক্ষত্রমন্ডলী বলতে কী বোঝ?
ক্যাসিওপিয়া কী? ব্যাখ্যা কর।
উল্কাপাত বলতে কী বোঝায়?
গ্রহকে নক্ষত্র বলা যায় না কেন?
ছুটন্ত তারা প্রচন্ড গতিতে ছুটে আসার কারণ ব্যাখ্যা কর।
ধূমকেতু বহুদিন পরপর দেখা যায়? ব্যাখ্যা কর।
কৃত্রিম উপগ্রহ বলতে কী বোঝ?
সৌরজগৎ কী? এর দুটি বৈশিষ্ট্য লেখ।
সূর্যকে নক্ষত্র বলা হয় কেন?
বুধ গ্রহে বায়ুমণ্ডল না থাকার কারণ কী লেখ।
শুকতারা বা সন্ধ্যাতারা বলতে কী বোঝায়?
বুধ ও বৃহস্পতি গ্রহের মধ্যে দুটি পার্থক্য দেখাও।
পৃথিবী গ্রহটি প্রাণিকুলের বসবাসের জন্য উপযোগী হওয়ার কারণ সংক্ষেপে লেখ।
মঙ্গল গ্রহে প্রাণীর অস্তিত্ব নেই সংক্ষেপে এর কারণ দর্শাও।
বৃহস্পতি গ্রহকে গ্রহরাজ বলা হয় কেন?
পৃথিবীর আকৃতি কীরূপ সংক্ষেপে লেখ।
'আমাদের বাসযোগ্য গ্রহটির আকার কমলালেবুর মতো'-ব্যাখ্যা কর।
উত্তর গোলার্ধে অক্ষাংশ কোন তারার সাহায্যে জানা যায়? ব্যাখ্যা কর।
নিরক্ষরেখা সম্পর্কে তোমার ধারণা ব্যক্ত কর।
আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা বলতে কী বোঝায়?
আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা অতিক্রমের সূত্রটি ব্যাখ্যা কর।
প্রতিপাদ স্থান বলতে কী বোঝ?
প্রতিপাদ স্থান কীভাবে নির্ণয় করা হয়?
পৃথিবীপৃষ্ঠ থেকে আমরা কেন ছিটকে পড়ি না- এর চারটি কারণ লেখ।
পৃথিবীর আবর্তন গতি থাকা সত্ত্বেও আমরা অনুভব করি না- বুঝিয়ে লেখ।
প্রতি চার বছরে ফেব্রুয়ারি মাস ২৯ দিনে হয় কেন? বুঝিয়ে লেখ।
অধিবর্ষ বলতে কী বোঝায়?
কী কারণে ঋতুপরিবর্তিত হয়? সংক্ষেপে লেখ।
২১ জুন উত্তর গোলার্ধে দিন বড় ও রাত ছোট হয় কেন?
১৫ জানুয়ারি উত্তর গোলার্ধে শীতকাল হাওয়ার কারণ ব্যাখ্যা কর।
৩০ জুন উত্তর গোলার্ধে গ্রীষ্মকাল হয় কেন? ব্যাখ্যা কর।
মহাকাশ কাকে বলে?
মহাবিশ্ব কাকে বলে?
নক্ষত্র কাকে বলে?
সূর্যের নিকটতম নক্ষত্রের নাম কী?
নক্ষত্রমণ্ডলী কাকে বলে?
ছায়াপথ কাকে বলে? অথবা, আকাশ গঙ্গা কাকে বলে?
গ্যালাক্সি কাকে বলে? অথবা, নক্ষত্রজগৎ কাকে বলে?
নীহারিকা কাকে বলে?
গ্যাসীয় নীহারিকা বলতে কী বোঝ?
উল্কা কী? অথবা, নক্ষত্র পতন বা তারা খসা কী?
ধূমকেতু কাকে বলে?
গ্রহ কাকে বলে?
উপগ্রহ কাকে বলে?
কৃত্রিম উপগ্রহ কাকে বলে?
সৌরজগৎ কাকে বলে? অথবা, সৌরপরিবার কাকে বলে?
হ্যালির ধূমকেতু কত বছর পর পর দেখা যায়?
পৃথিবীর পরিধি কোথায় সবচেয়ে বেশি?
পৃথিবীর প্রকৃত আকৃতি কীসের মত?
অক্ষরেখা কী? অথবা, মেরু রেখা কাকে বলে?
অক্ষাংশ কাকে বলে?
সেক্সট্যান্ট যন্ত্র কাকে বলে?
দ্রাঘিমা কী?
দ্রাঘিমাংশ কাকে বলে?
মূল মধ্যরেখা কাকে বলে?
নিরক্ষরেখা কাকে বলে?
কর্কটক্রান্তি রেখা কাকে বলে?
সুমেরুবৃত্ত কী?
সমাক্ষরেখা কাকে বলে?
দুটি প্রতিপাদ স্থানের মধ্যে সময়ের পার্থক্য কত হয়?
প্রতিপাদ স্থান কাকে বলে?
আহ্নিক গতি কাকে বলে?
বার্ষিক গতি কাকে বলে?
ঋতু কাকে বলে?
উত্তর গোলার্ধে বড় দিন কোনটি?
নক্ষত্র খালি চোখে দেখা যায় না কেন? ব্যাখ্যা কর।
মহাকাশের ছুটন্ত তারকা বলতে কী বোঝায়? ব্যাখ্যা কর। অথবা, উল্কাকে ছুটন্ত তারা বলে মনে হয় কেন? ব্যাখ্যা কর।
উল্কা নক্ষত্র নয় কেন? ব্যাখ্যা কর।
মহাকাশের কোনটিকে লেজযুক্ত জ্যোতিষ্ক বলা হয়? ব্যাখ্যা কর। অথবা, ধূমকেতু মাঝে মাঝে অদৃশ্য হয়ে যায় কেন- ব্যাখ্যা কর।
মহাকাশে দীর্ঘ সময় পরপর কোন জ্যোতিষ্ক দেখা যায়? ব্যাখ্যা কর। অথবা, কোন জ্যোতিষ্ক বহু দিন পর পর দেখা যায়? ব্যাখ্যা কর।
চাঁদকে কেন উপগ্রহ বলা হয়?
চাঁদকে কেন উপগ্রহ বলা হয়?
বুধ গ্রহ বায়ুমণ্ডল ধরে রাখতে পারে না কেন? ব্যাখ্যা কর।
পৃথিবী সূর্যের চারদিকে ঘুরে কেন? ব্যাখ্যা কর।
পৃথিবী গ্রহটি প্রাণিকুলের বসবাসের জন্য উপযোগী কেন?
চাঁদ পৃথিবীর চারদিকে ঘোরার কারণ ব্যাখ্যা কর।
মঙ্গল গ্রহে পানির অস্তিত্ব থাকা সত্ত্বেও প্রাণীর অস্তিত্ব নেই কেন? ব্যাখ্যা কর।
মঙ্গল গ্রহে প্রাণীর অস্তিত্ব থাকা সম্ভব নয় কেন? অথবা, মঙ্গল গ্রহে প্রাণীর অস্তিত্ব নেই কেন?
পৃথিবীর বৃহত্তম রেখা কোনটি? ব্যাখ্যা কর।
নিরক্ষরেখায় পৃথিবীর আবর্তন বেগ বেশি হওয়ার কারণ কী? ব্যাখ্যা কর।
নিরক্ষরেখায় পৃথিবীর ঘূর্ণায়ন বেগ সবচেয়ে বেশি কেন? ব্যাখ্যা কর।
পৃথিবীর মধ্যভাগে আবর্তন বেগ বেশি হওয়ার কারণ ব্যাখ্যা কর।
সময় নির্ণয়ে দ্রাঘিমা রেখা কেন ব্যবহার করা হয়? ব্যাখ্যা কর।
আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা আঁকাবাঁকা টানা হয়েছে কেন? ব্যাখ্যা কর।
তারিখ বিভাজনকারী রেখা আঁকাবাঁকা কেন? ব্যাখ্যা কর।
কোন কাল্পনিক রেখা আঁকাবাঁকা করে অঙ্কন করা হয়? ব্যাখ্যা কর।
দিবা-রাত্রি সংঘটিত হওয়ার কারণ ব্যাখ্যা কর।
পৃথিবীর কোন গতির সাথে জোয়ারভাটার সম্পর্ক রয়েছে? ব্যাখ্যা কর।
আহ্নিক গতির ফলে পৃথিবীতে জোয়ারভাটা হয়- বুঝিয়ে লেখ।
পৃথিবী নামক গ্রহে উদ্ভিদ ও জীবজন্তু বসবাসের উপযোগী দুটি সুবিধা উল্লেখ কর।
পৃথিবীর আকৃতি কীরূপ সংক্ষেপে লেখ।
'আমাদের বাসযোগ্য গ্রহটির আকার কমলালেবুর মতো'-ব্যাখ্যা কর।
উত্তর গোলার্ধে অক্ষাংশ কোন তারার সাহায্যে জানা যায়? ব্যাখ্যা কর।
নিরক্ষরেখা সম্পর্কে তোমার ধারণা ব্যক্ত কর।
আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা বলতে কী বোঝায়?
আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা অতিক্রমের সূত্রটি ব্যাখ্যা কর।
প্রতিপাদ স্থান বলতে কী বোঝ?
প্রতিপাদ স্থান কীভাবে নির্ণয় করা হয়?
পৃথিবীপৃষ্ঠ থেকে আমরা কেন ছিটকে পড়ি না- এর চারটি কারণ লেখ।
পৃথিবীর আবর্তন গতি থাকা সত্ত্বেও আমরা অনুভব করি না - বুঝিয়ে লেখ।
প্রতি চার বছরে ফেব্রুয়ারি মাস ২৯ দিনে হয় ফেন? বুঝিয়ে লেখ।
অধিবর্ষ বলতে কী বোঝায়?
কী কারণে ঋতুপরিবর্তিত হয়? সংক্ষেপে লেখ।
২১ জুন উত্তর গোলার্ধে দিন বড় ও রাত ছোট হয় কেন?
১৫ জানুয়ারি উত্তর গোলার্ধে শীতকাল হাওয়ার কারণ ব্যাখ্যা কর।
৩০ জুন উত্তর গোলার্ধে গ্রীষ্মকাল হয় কেন? ব্যাখ্যা কর।
মহাকাশ কাকে বলে?
মহাবিশ্ব কাকে বলে?
নক্ষত্র কাকে বলে?
সূর্যের নিকটতম নক্ষত্রের নাম কী?
নক্ষত্রমণ্ডলী কাকে বলে?
ছায়াপথ কাকে বলে? অথবা, আকাশ গঙ্গা কাকে বলে?
গ্যালাক্সি কাকে বলে? অথবা, নক্ষত্রজগৎ কাকে বলে?
নীহারিকা কাকে বলে?
গ্যাসীয় নীহারিকা বলতে কী বোঝ?
উল্কা কী? অথবা, নক্ষত্র পতন বা তারা খসা কী?
ধূমকেতু কাকে বলে?
গ্রহ কাকে বলে?
উপগ্রহ কাকে বলে?
কৃত্রিম উপগ্রহ কাকে বলে?
সৌরজগৎ কাকে বলে? অথবা, সৌরপরিবার কাকে বলে?
চন্দ্র কী?
হ্যালির ধূমকেতু কত বছর পর পর দেখা যায়?
পৃথিবীর পরিধি কোথায় সবচেয়ে বেশি?
পৃথিবীর প্রকৃত আকৃতি কীসের মত?
অক্ষরেখা কী? অথবা, মেরু রেখা কাকে বলে?
অক্ষাংশ কাকে বলে?
সেক্সট্যান্ট যন্ত্র কাকে বলে?
দ্রাঘিমা কী?
দ্রাঘিমাংশ কাকে বলে?
মূল মধ্যরেখা কাকে বলে?
নিরক্ষরেখা কাকে বলে?
কর্কটক্রান্তি রেখা কাকে বলে?
সুমেরুবৃত্ত কী?
সমাক্ষরেখা কাকে বলে?
দুটি প্রতিপাদ স্থানের মধ্যে সময়ের পার্থক্য কত হয়?
প্রতিপাদ স্থান কাকে বলে?
আহ্নিক গতি কাকে বলে?
বার্ষিক গতি কাকে বলে?
ঋতু কাকে বলে?
উত্তর গোলার্ধে বড় দিন কোনটি?
নক্ষত্র খালি চোখে দেখা যায় না কেন? ব্যাখ্যা কর।
মহাকাশের ছুটন্ত তারকা বলতে কী বোঝায়? ব্যাখ্যা কর। অথবা, উল্কাকে ছুটন্ত তারা বলে মনে হয় কেন? ব্যাখ্যা কর।
উল্কা নক্ষত্র নয় কেন? ব্যাখ্যা কর।
মহাকাশের কোনটিকে লেজযুক্ত জ্যোতিষ্ক বলা হয়? ব্যাখ্যা অথবা, ধূমকেতু মাঝে মাঝে অদৃশ্য হয়ে যায় কেন- ব্যাখ্যা কর।
মহাকাশে দীর্ঘ সময় পরপর কোন জ্যোতিষ্ক দেখা যায়। ব্যাখ্যা কর। অথবা, কোন জ্যোতিষ্ক বহু দিন পর পর দেখা যায়? ব্যাখ্যা কর।
চাঁদকে কেন উপগ্রহ বলা হয়?
তথ্য আদান-প্রদানে কোন উপগ্রহটি ব্যবহৃত হয়? ব্যাখ্যা কর। অথবা, তথ্য আদান-প্রদান ও অন্যান্য কাজে যে উপগ্রহ ব্যবহার করা হয় তার ব্যাখ্যা কর। অথবা, গোয়েন্দা নজরদারিতে কোন উপগ্রহটি ব্যবহার করা হয়? ব্যাখ্যা কর।
বুধ গ্রহ বায়ুমণ্ডল ধরে রাখতে পারে না কেন? ব্যাখ্যা কর।
পৃথিবী সূর্যের চারদিকে ঘুরে কেন? ব্যাখ্যা কর।
পৃথিবী গ্রহটি প্রাণিকুলের বসবাসের জন্য উপযোগী কেন?
চাঁদ পৃথিবীর চারদিকে ঘোরার কারণ ব্যাখ্যা কর।
মঙ্গল গ্রহে পানির অস্তিত্ব থাকা সত্ত্বেও প্রাণীর অস্তিত্ব নেই কেন? ব্যাখ্যা কর।
মঙ্গল গ্রহে প্রাণীর অস্তিত্ব থাকা সম্ভব নয় কেন? অথবা, মঙ্গল গ্রহে প্রাণীর অস্তিত্ব নেই কেন?
পৃথিবীর উত্তর ও দক্ষিণ মেরু একটি চাপা এবং মধ্যভাগ সামান্য স্ফীত কেন? ব্যাখ্যা কর।
পৃথিবীর বৃহত্তম রেখা কোনটি? ব্যাখ্যা কর।
নিরক্ষরেখায় পৃথিবীর আবর্তন বেগ বেশি হওয়ার কারণ কী? ব্যাখ্যা কর। অথবা, নিরক্ষরেখায় পৃথিবীর ঘূর্ণায়ন বেগ সবচেয়ে বেশি কেন? ব্যাখ্যা কর। অথবা, পৃথিবীর মধ্যভাগে আবর্তন বেগ বেশি হওয়ার কারণ ব্যাখ্যা কর।
সময় নির্ণয়ে দ্রাঘিমা রেখা কেন ব্যবহার করা হয়? ব্যাখ্যা কর।
আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা আঁকাবাঁকা টানা হয়েছে কেন? ব্যাখ্যা কর। অথবা, তারিখ বিভাজনকারী রেখা আঁকাবাঁকা কেন? ব্যাখ্যা কর। অথবা, কোন কাল্পনিক রেখা আঁকাবাঁকা করে অঙ্কন করা হয়? ব্যাখ্যা কর।
দিবা-রাত্রি সংঘটিত হওয়ার কারণ ব্যাখ্যা কর।
আহ্নিক গতির ফলে পৃথিবীতে জোয়ারভাটা হয়- বুঝিয়ে লেখ। অথবা, পৃথিবীর কোন গতির সাথে জোয়ারভাটার সম্পর্ক রয়েছে? ব্যাখ্যা কর।
প্রতি চার বছরে ফেব্রুয়ারি মাস ২৯ দিনে হয় কেন? ব্যাখ্যা কর।
রাত ও দিন ছোট বড় হয় কেন? ব্যাখ্যা কর।
কোন গতির কারণে দিনরাত ঘটে? ব্যাখ্যা কর।
৩০ জুন উত্তর গোলার্ধে গ্রীষ্মকাল হওয়ার কারণ ব্যাখ্যা কর।

সম্পর্কিত বহুনির্বচনী প্রশ্ন সমূহ

২৩১/২° দক্ষিণ অক্ষাংশ হলো-

সুমেরু বৃত্ত
কর্কটক্রান্তি
কুমেরু বৃত্ত
মকরক্রান্তি

কোনটির সাহায্যে কোনো স্থানের অক্ষাংশ নির্ণয় করা যায়?

লঘুসপ্তর্ষি
কৃষ্ণবামন
ক্যাসিওপিয়া
ধ্রুবতারা

কোন গ্রহের ২৭টি উপগ্রহ আছে?

মঙ্গল
বৃহস্পতি
শনি
ইউরেনাস

বৃহৎ কুকুরমণ্ডল একটি-

গ্যালাক্সি
নক্ষত্রমণ্ডলী
ছায়াপথ
গ্রহাণুপুঞ্জ

ছায়াপথকে বিজ্ঞানীরা কেমন অনুমান করেন?

উপবৃত্তাকার মন্ডল
সর্পিলাকার মন্ডল
সরলরৈখিক মণ্ডল
চক্রাকার মন্ডল

কোন বলের প্রভাবে পৃথিবী সূর্যের চারিদিকে ঘুরছে?

মহাকর্ষ
ফেরেলের সূত্র
অভিকর্ষ
তাপমাত্রার তারতম্য