- হোম
- একাডেমি
- সাধারণ
- অষ্টম শ্রেণি
- বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ
পাঠ্যবিষয় ও অধ্যায়ভিত্তিক একাডেমিক প্রস্তুতির জন্য আমাদের উন্মুক্ত শিক্ষায় অংশগ্রহণ করুন।
ক. প্রবাসে বাঙালিদের ভূমিকা ও কূটনৈতিক তৎপরতা
বহির্বিশ্বে মুক্তিযুদ্ধের প্রতি সমর্থন আদায়ের জন্য মুজিবনগর সরকার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরীকে বিশেষ দূত নিয়োগ করে। তিনি মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে বিদেশে সমর্থন আদায় ও জনমত গঠনের চেষ্টা করেন। যাঁরা এ সময় জীবন ও চাকরির মায়া ত্যাগ করে বাংলাদেশের পক্ষে যোগ দেয় তাঁদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য সুইডেন, সুইজারল্যান্ড, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ইরাক, ফিলিপাইন, আর্জেন্টিনা, ভারত ও হংকং দূতাবাসের বাঙালি কর্মকর্তারা।
তাঁদের পদত্যাগ ও বাংলাদেশ সরকারের প্রতি আনুগত্য প্রকাশ বিশ্বব্যাপী আলোড়ন সৃষ্টি করে। বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরীর প্রচেষ্টায় জাতিসংঘে ৪৭টি দেশের প্রতিনিধি বাংলাদেশ সমস্যা নিয়ে আলোচনা করে। এতে পাকিস্তান সরকার বঙ্গবন্ধুর মৃত্যুদণ্ড স্থগিত রাখতে বাধ্য হয়। মুক্তিযুদ্ধের শুরুতেই এপ্রিল মাসে প্রবাসী বাঙালি মহিলাদের একটি প্রতিবাদ মিছিল লন্ডনের বিভিন্ন রাস্তা প্রদক্ষিণের পর ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবনে গিয়ে স্মারকলিপি পেশ করে। জুন মাসে বাংলাদেশ মহিলা সমিতি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সমর্থনে লন্ডনে মিছিলের আয়োজন করে। মিছিল শেষে এই প্রতিবাদকারীগণ ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবনে গিয়ে স্মারকলিপি পেশ করে।
মুক্তিযুদ্ধের প্রথম দিকেই বাংলাদেশ সরকার (মুজিবনগর সরকার) দিল্লি ও কলকাতায় বাংলাদেশের দুটি মিশন স্থাপন করে। কলকাতাতেই প্রথম বাংলাদেশ মিশন স্থাপিত হয়। এছাড়া বাংলাদেশ সরকার (মুজিবনগর সরকার) ওয়াশিংটন, নিউইয়র্ক এবং লন্ডনেও বাংলাদেশ মিশন স্থাপন করে। এসব মিশন বাংলাদেশের পক্ষে মিছিল, সমাবেশ, বিভিন্ন অনুষ্ঠান, পার্লামেন্ট সদস্যদের সমর্থন আদায় ও বিশ্ববিদ্যালয়সহ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে জনমত গড়ে তোলার ক্ষেত্রে অবদান রাখে।
খ. বহিঃ বিশ্বের ভূমিকা
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে পৃথিবীর বড়ো ও ছোটো অনেক দেশ বিশেষ করে প্রতিবেশী ভারত, সোভিয়েত ইউনিয়ন, যুক্তরাষ্ট্র এবং চীন বিভিন্নভাবে এই যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে। এসব দেশের মধ্যে ভারত ও সোভিয়েত ইউনিয়ন সরাসরি আমাদের মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে ছিল। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্র ও চীন ছিল পাকিস্তানের পক্ষে।
ভারত
আমাদের মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে আন্তর্জাতিক দৃষ্টি আকর্ষণে ভারতের অবদান গুরুত্বপূর্ণ। ভারত সরকার ২৫শে মার্চ থেকে সংগঠিত পাকিস্তানি বাহিনীর গণহত্যার নিন্দা করে।
গণহত্যার হাত থেকে বাঁচতে সীমান্ত পেরিয়ে আসা প্রায় এক কোটি শরণার্থীকে ভারত আশ্রয় দেয় এবং তাদের ভরণপোষণের দায়িত্ব নেয়। ভারতের মাটিতে এপ্রিলের শেষ দিকে বাঙালি যুবকদের সশস্ত্র ট্রেনিং দেওয়া শুরু হয় যা নভেম্বর মাস পর্যন্ত চলে। পাশাপাশি কলকাতায় প্রবাসী বাংলাদেশ সরকার পরিচালনা ও 'স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র' নামে এই সরকারের বেতার কেন্দ্র স্থাপনে ভারত সহায়তা করে।
বাংলাদেশের স্বাধীনতার জন্য যুদ্ধক্ষেত্রে ভারতীয় সেনাবাহিনীর চার হাজার অফিসার ও জোয়ান প্রাণ বিসর্জন দেন। আমাদের মুক্তিযুদ্ধে সে দেশের সর্বস্তরের জনগণ স্বতঃস্ফূর্ত সমর্থন ও সব ধরনের সহযোগিতা নিয়ে এগিয়ে আসে। সরকারের পাশাপাশি ভারতের খ্যাতিমান শিল্পী রবি শঙ্করের উদ্যোগে নিউইয়র্কে 'কনসার্ট ফর বাংলাদেশ' এর আয়োজন করা হয়। যুক্তরাজ্যের শিল্পী জর্জ হ্যারিসন এই কনসার্টে অংশ নেন। কনসার্ট থেকে প্রাপ্ত অর্থ বাংলাদেশ সরকার (মুজিবনগর সরকার)-এর হাতে তুলে দেওয়া হয়।
সোভিয়েত ইউনিয়ন
আমাদের মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়নের ভূমিকা ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সোভিয়েত ইউনিয়ন প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে ভূমিকা রেখেছিল। এপ্রিলের শুরুতেই সোভিয়েত প্রেসিডেন্ট পদগর্নি বাংলাদেশে গণহত্যা বন্ধ করার জন্য প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়াকে চিঠি দেন। ৩রা ডিসেম্বর চূড়ান্ত যুদ্ধ শুরু হলে সোভিয়েত ইউনিয়ন যুদ্ধবিরতি বিলম্বিত করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। উদ্দেশ্য ছিল যৌথবাহিনী যাতে সামরিক বিজয়ের জন্য প্রয়োজনীয় সময় ও সুযোগ পায়। যৌথবাহিনীকে ঢাকা দখল করার পূর্ব মুহূর্ত পর্যন্ত যে কোনো প্রকারে যুদ্ধবিরতির পদক্ষেপকে ঠেকিয়ে রাখাই নিরাপত্তা পরিষদে সোভিয়েত ইউনিয়নের ভেটো দানের উদ্দেশ্য ছিল। তাদের এ উদ্দেশ্য সফল হয়।
যুক্তরাষ্ট্র
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি নীতি ছিল পাকিস্তানের পক্ষে। প্রথমদিকে অস্ত্র এবং সমর্থন দিয়ে যুক্তরাষ্ট্র সরকার পাকিস্তানকে সহায়তা করে। তবে নিজ দেশের বিরোধী দলের চাপে যুক্তরাষ্ট্র সরকার ভারতে অবস্থানরত বাঙালি শরণার্থীদের জন্য আর্থিক সহায়তা দিয়েছিল। ১৯৭১ সালের ৩রা ডিসেম্বর পাকিস্তানের সঙ্গে ভারতের যুদ্ধ শুরুর পর থেকে যুক্তরাষ্ট্র প্রচণ্ড ভারত-বিরোধী ও পাকিস্তান-ঘেঁষা নীতি অনুসরণ করতে থাকে। স্বভাবতই তাদের ভূমিকা বাংলাদেশের বিপক্ষে যায়। এ সময় যুক্তরাষ্ট্র পাকিস্তানের সমর্থনে ভারতমহাসাগরে তাদের সপ্তম নৌবহর পাঠায়। সোভিয়েত ইউনিয়নও পাল্টা নৌবহর পাঠায়। তবে আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়া লক্ষ করে শেষ পর্যন্ত তারা সে নৌবহরকে কাজে লাগায় নি। পাকিস্তানের পরাজয়ের মুখে যুদ্ধ বিরতি ঘটিয়ে আমাদের মুক্তিযুদ্ধকে বাধাগ্রঙ্ক করতেও জাতিসংঘে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালায় যুক্তরাষ্ট্র। তবে যুক্তরাষ্ট্রের আইনসভা কংগ্রেসের অনেক সদস্য, বিভিন্ন সংবাদপত্র, শিল্পী, সাহিত্যিক, বুদ্ধিজীবী, রাজনীতিবিদসহ যুক্তরাষ্ট্রের প্রায় সর্বস্তরের জনগণ বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে ভূমিকা পালন করে।
আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যম ও সাংবাদিক
১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চ অপারেশন সার্চলাইট শুরু হওয়ার সময় থেকে বিদেশি সাংবাদিকরা পাকিস্তানিদের গণহত্যা ও ধ্বংসযজ্ঞের তথ্য সংগ্রহ করতে শুরু করে। তারাই প্রথম বহির্বিশ্বে বাংলাদেশে পাকিস্তানি বাহিনীর গণহত্যা ও বর্বরতার খবর ছড়িয়ে দেয়। সাইমন ড্রিং এরকমই একজন সাংবাদিক। ১৯৭১ এর মাঝামাঝি সময়ে পাকিস্তান সরকার কিছু বিদেশি সাংবাদিককে নিয়ন্ত্রিতভাবে বাংলাদেশের কোনো কোনো এলাকা সফর করিয়ে তাদের পক্ষে প্রতিবেদন লেখানোর ফন্দি আঁটে। কিন্তু তাদের সে চেষ্টা ব্যর্থ হয়। নিজ চোখে সব দেখে তারা পাকিস্তানি বাহিনীর বর্বরতা সম্পর্কে অবহিত হয় এবং সত্য কথা লিখে পত্রিকা ও বেতারের মাধ্যমে বিশ্ববাসীকে তা অবহিত করে। এভাবে এন্থনি ম্যাসকারেনহাস গণহত্যা ও ধ্বংসযজ্ঞের চাঞ্চল্যকর তথ্য সারা বিশ্বে প্রকাশ করেন। বিবিসির সাংবাদিক মার্ক টালি পুরোটা সময় বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে খবর প্রচার করে গেছেন। এদিকে দেশে অবরুদ্ধ থেকেও অনেক বাঙালি সাংবাদিক ঝুঁকি নিয়ে বিদেশে খবর পাঠিয়েছেন। এজন্য তাদের শত্রুর হাতে চরম মূল্যও দিতে হয়। একাত্তরের শহিদ নিজামউদ্দিন ও নাজমুল হক এরকমই দুজন সাংবাদিক। এছাড়া আকাশবাণী, বিবিসি, ভোয়া প্রভৃতি বেতারকেন্দ্র আমাদের মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে প্রচারণা চালিয়েছিল। আকাশবাণী কলকাতা থেকে প্রতি রাতে প্রচারিত 'সংবাদ পরিক্রমা' খুবই জনপ্রিয় অনুষ্ঠান ছিল। স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের 'বজ্রকণ্ঠ' ও 'চরমপত্রসহ' বিভিন্ন অনুষ্ঠান শ্রোতাদের মুক্তিযুদ্ধে উদ্বুদ্ধ করেছে।
সম্পর্কিত বহুনির্বচনী প্রশ্ন সমূহ
১৯৭০ সালে অসহযোগ আন্দোলন সংঘটিত হয়েছিল কেন?
১৯৭০ সালে অসহযোগ আন্দোলন সংঘটিত হয়েছিল কেন?
শোষণমুক্ত সমাজ গড়ার জন্য
বাংলার স্বাধীনতা আদায় করতে
পরাধীনতার শৃঙ্খল থেকে মুক্তির জন্য
মাতৃভাষার দাবি প্রতিষ্ঠা করার জন্য
১৯৭০ সালের নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠ দল কোনটি?
১৯৭০ সালের নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠ দল কোনটি?
পাকিস্তান পিপলস্ পার্টি
পাকিস্তান জামায়াতে ইসলামী
মুসলিম লীগ
আওয়ামী লীগ
আওয়ামী লীগ যখন ক্ষমতা গ্রহণের প্রস্তুতি নেয় তখন তা বানচালের জন্য কে ইয়াহিয়া খানের সঙ্গে ষড়যন্ত্র শুরু করেন?
আওয়ামী লীগ যখন ক্ষমতা গ্রহণের প্রস্তুতি নেয় তখন তা বানচালের জন্য কে ইয়াহিয়া খানের সঙ্গে ষড়যন্ত্র শুরু করেন?
আমির আবদুল্লাহ খান নিয়াজী
আবু ইউসুফ পাঠান
জুলফিকার আলী ভুট্টো
রাও ফরমান আলী
ইয়াহিয়া কীভাবে ক্ষমতা হস্তান্তর বিলম্বিত করতে চেয়েছেন?
ইয়াহিয়া কীভাবে ক্ষমতা হস্তান্তর বিলম্বিত করতে চেয়েছেন?
ক্ষমতা আঁকড়ে ধরে রেখে
অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে
জেলজুলুমের ভয় দেখিয়ে
টাকাপয়সার লোভ দেখিয়ে
“মুক্তিযুদ্ধে এ পতাকা ছিল আমাদের প্রেরণা"- এখানে কোন পতাকার কথা বলা হয়েছে?
“মুক্তিযুদ্ধে এ পতাকা ছিল আমাদের প্রেরণা"- এখানে কোন পতাকার কথা বলা হয়েছে?
ব্রিটিশ-ভারতীয় পতাকা
সর্বভারতীয় পতাকা
পাকিস্তানি পতাকা
বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা
৭ মার্চ সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে কিসের কর্মসূচি ঘোষণার জন্য বিশাল জনসভার আয়োজন করা হয়?
৭ মার্চ সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে কিসের কর্মসূচি ঘোষণার জন্য বিশাল জনসভার আয়োজন করা হয়?
সংগ্রামের
বৃহত্তর আন্দোলনের
ভাগ্য পরিবর্তনের
রুজি রোজগারের
১৯৭১ সালের ১লা মার্চ পাকিস্তান 'জাতীয় পরিষদের অধিবেশন স্থগিত করেন কে?
১৯৭১ সালের ১লা মার্চ পাকিস্তান 'জাতীয় পরিষদের অধিবেশন স্থগিত করেন কে?
ইয়াহিয়া খান
টিক্কা খান
রাও ফরমান আলী
ইমরান আলী খান
নিচের কোন ঘটনাটি ১৯৭১ সালের ২রা মার্চ ঘটেছিল?
নিচের কোন ঘটনাটি ১৯৭১ সালের ২রা মার্চ ঘটেছিল?
জাতীয় পরিষদের ভোট গ্রহণ হয়েছিল
ঢাকায় গণহত্যা শুরু হয়েছিল
ছাত্রদের মিছিলে গুলি করা হয়েছিল
সর্বপ্রথম জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়েছিল
স্বাধীন বাংলা বিপ্লবী বেতার কেন্দ্রের পূর্ব নাম কোনটি?
স্বাধীন বাংলা বিপ্লবী বেতার কেন্দ্রের পূর্ব নাম কোনটি?
ঢাকা সম্প্রচার কেন্দ্র
চট্টগ্রাম সম্প্রচার কেন্দ্র
আকাশবাণী সম্প্রচার কেন্দ্র
কালুরঘাট সম্প্রচার কেন্দ্র
২৬শে মার্চ চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে স্বাধীনতার ঘোষণা করেন কে?
২৬শে মার্চ চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে স্বাধীনতার ঘোষণা করেন কে?
মেজর জিয়াউর রহমান
তাজউদ্দীন আহমদ
এম. মনসুর আলী
খন্দকার মোশতাক
মেজর জিয়াউর রহমানের স্বাধীনতার ঘোষণা সর্বস্তরের মানুষের মধ্যে কী সৃষ্টি করে?
মেজর জিয়াউর রহমানের স্বাধীনতার ঘোষণা সর্বস্তরের মানুষের মধ্যে কী সৃষ্টি করে?
সহানুভূতি
আশা ও উদ্দীপনা
হতাশা
আগ্রাসী মনোভাব
বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে কী হিসেবে কাজ করে?
বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে কী হিসেবে কাজ করে?
গতি
দাবির প্রতীক
প্রেরণা
অদম্য সাহস
প্রথম উত্তোলিত স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা কেমন ছিল?
প্রথম উত্তোলিত স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা কেমন ছিল?
বাংলা বর্ণ খচিত
জাতীয় প্রতীক খচিত
নৌকা খচিত
দেশের মানচিত্র খচিত
মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন জাতিসংঘে কতটি দেশের প্রতিনিধি বাংলাদেশের সমস্যা নিয়ে আলোচনা করে?
মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন জাতিসংঘে কতটি দেশের প্রতিনিধি বাংলাদেশের সমস্যা নিয়ে আলোচনা করে?
৪৭টি
৪৯টি
৫৭টি
৬৩টি
মুক্তিযুদ্ধের সময় ভারত যে পরিমাণ শরণার্থীকে আশ্রয় দেয় তার সংখ্যা কোনটি?
মুক্তিযুদ্ধের সময় ভারত যে পরিমাণ শরণার্থীকে আশ্রয় দেয় তার সংখ্যা কোনটি?
প্রায় পঞ্চাশ লক্ষ
প্রায় সত্তর লক্ষ
প্রায় নব্বই লক্ষ
প্রায় এক কোটি
১৯৭১ সালের কোন তারিখে মুজিবনগরে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার গঠিত হয়?
১৯৭১ সালের কোন তারিখে মুজিবনগরে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার গঠিত হয়?
২৬শে মার্চ
১০ই এপ্রিল
২৭শে মার্চ
১৭ই এপ্রিল
১৯৭১ সালের অসহযোগ আন্দোলনের বিশেষ বৈশিষ্ট্য ছিল-
i. জাতীয় পরিষদের অধিবেশন বর্জন করা
ii. কলকারখানা বন্ধ করে দেওয়া
iii. সর্বত্র বঙ্গবন্ধুর নিয়ন্ত্রণে চলে আসা
নিচের কোনটি সঠিক?
১৯৭১ সালের অসহযোগ আন্দোলনের বিশেষ বৈশিষ্ট্য ছিল-
i. জাতীয় পরিষদের অধিবেশন বর্জন করা
ii. কলকারখানা বন্ধ করে দেওয়া
iii. সর্বত্র বঙ্গবন্ধুর নিয়ন্ত্রণে চলে আসা
নিচের কোনটি সঠিক?
i ও ii
i ও iii
ii ও iii
i, ii ও iii
নাওমির অঙ্কিত চিত্রে কোন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের প্রতি ইঙ্গিত করা হয়েছে?
নাওমির অঙ্কিত চিত্রে কোন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের প্রতি ইঙ্গিত করা হয়েছে?
হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
আবুল কাশেম ফজলুল হক
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী


