- হোম
- একাডেমি
- সাধারণ
- নবম-দশম শ্রেণি
- বাংলাদেশের সরকারব্যবস্থা
পাঠ্যবিষয় ও অধ্যায়ভিত্তিক একাডেমিক প্রস্তুতির জন্য আমাদের উন্মুক্ত শিক্ষায় অংশগ্রহণ করুন।
সুপ্রিমকোর্টের আপিল বিভাগ ও হাইকোর্ট বিভাগের পৃথক কার্যের এখতিয়ার আছে। নিচে এ সম্পর্কে আলোচনা করা হলো।
আপিল বিভাগের ক্ষমতা ও কাজ
- আপিল বিভাগ হাইকোর্ট বিভাগের রায়, ডিক্রি বা দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল গ্রহণ করে শুনানির ব্যবস্থা করতে পারে।
- রাষ্ট্রপতি আইনের কোনো ব্যাখ্যা চাইলে আপিল বিভাগ এ বিষয়ে রাষ্ট্রপতিকে পরামর্শ দিয়ে থাকে।
- ন্যায়বিচারের স্বার্থে কোনো ব্যক্তিকে আদালতের সামনে হাজির হতে ও দলিলপত্র পেশ করার আদেশ জারি করতে পারে।
- আপিল বিভাগ কর্তৃক ঘোষিত আইন হাইকোর্ট বিভাগের জন্য অবশ্যই পালনীয়
এভাবে সুপ্রিমকোর্টের আপিল বিভাগ আইনের ব্যাখ্যা, ন্যায়বিচার সংরক্ষণ ও পরামর্শ দান করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
হাইকোর্ট বিভাগের ক্ষমতা ও কাজ
- নাগরিকের মৌলিক অধিকার রক্ষার জন্য নিষেধাজ্ঞা জারি করতে পারে।
- কোনো ব্যক্তিকে মৌলিক অধিকারের পরিপন্থী কোনো কাজ করা থেকে বিরত রাখতে পারে অথবা এ ধরনের কোনো কাজ করাকে বেআইনি ঘোষণা করতে পারে।
- অধস্তন কোনো আদালতের মামলায় সংবিধানের ব্যাখ্যাজনিত জটিলতা দেখা দিলে উক্ত মামলা হাইকোর্টে স্থানান্তর করে মীমাংসা করতে পারে।
- অধস্তন আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল গ্রহণ করে।
- সকল অধস্তন আদালতের কার্যবিধি প্রণয়ন ও পরিচালনা করে।
আপিল বিভাগ ও হাইকোর্ট বিভাগ মিলে সুপ্রিমকোর্ট সর্বোচ্চ আদালত হিসেবে দেশের সংবিধান ও নাগরিকের মৌলিক অধিকার রক্ষা করে এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত করে।
অধস্তন আদালত : সুপ্রিমকোর্টের অধীনে বাংলাদেশের প্রতিটি জেলায় বিচারবিভাগের অধস্তন আদালত আছে। অধস্তন আদালতগুলো ফৌজদারি ও দেওয়ানি মামলা পরিচালনা করে।
জেলা ও দায়রা জজ আদালত : স্থানীয় পর্যায়ে দেওয়ানি (জমিজমাসংক্রান্ত, ঋণচুক্তি ইত্যাদি) ও ফৌজদারি (সংঘাত, সংঘর্ষ সংক্রান্ত) বিচারকার্য পরিচালনা করার জন্য সুপ্রিমকোর্টের অধীনে জেলা ও দায়রা জজ রয়েছে। এ আদালতের প্রধান হলেন জেলা জজ। অতিরিক্ত জেলা জজ, যুগ্ম জজ ও সহকারী জজ আলাদা আলাদাভাবে বিচারকার্য পরিচালনা করেন। এ সকল আদালতের রায় নিয়ে জেলা জজের কাছে আপিল করা হয়। তবে আপিল ছাড়াও জেলা জজ মৌলিক মামলা পরিচালনা করে থাকেন।
বিশেষ ট্রাইব্যুনাল: সংবিধান অনুযায়ী সংসদ আইন দ্বারা এক বা একাধিক বিশেষ ট্রাইব্যুনাল প্রতিষ্ঠা করতে পারে। প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনালের এখতিয়ারের অন্তর্ভুক্ত কোনো বিষয়ে অন্য কোনো আদালতে বিচারকার্য অনুষ্ঠিত হয় না।
সম্পর্কিত বহুনির্বচনী প্রশ্ন সমূহ
সংসদীয় পদ্ধতিতে শাসন ক্ষমতা কার হাতে ন্যস্ত থাকে?
কোন শাসনব্যবস্থায় চেক এন্ড ব্যালান্সের সুযোগ বেশি থাকে?
কার সম্মতি ছাড়া অর্থবিল সংসদে উত্থাপন করা যায় না?
কার সম্মতি ছাড়া অর্থবিল সংসদে উত্থাপন করা যায় না?
অর্থমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী
প্রধান বিচারপতি
রাষ্ট্রপতি
বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি কার দ্বারা নিয়োগ লাভ করেন?
বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি কার দ্বারা নিয়োগ লাভ করেন?
আইনমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী
প্রতিরক্ষা মন্ত্রী
রাষ্ট্রপতি
বাংলাদেশে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের মধ্যে সমন্বয় করেন কে?
বাংলাদেশে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের মধ্যে সমন্বয় করেন কে?
রাষ্ট্রপতি
প্রধানমন্ত্রী
স্পিকার
মুখ্য সচিব
কার নির্দেশে অর্থমন্ত্রী দেশের জাতীয় বাজেট প্রণয়ন ও সংসদে উপস্থাপন করেন?
কার নির্দেশে অর্থমন্ত্রী দেশের জাতীয় বাজেট প্রণয়ন ও সংসদে উপস্থাপন করেন?
রাষ্ট্রপতি
প্রধানমন্ত্রী
পরিকল্পনা মন্ত্রী
স্পিকার
সংসদ কর্তৃক গৃহীত বিল কার সম্মতির ভিত্তিতে আইনে পরিণত হয়?
সংসদ কর্তৃক গৃহীত বিল কার সম্মতির ভিত্তিতে আইনে পরিণত হয়?
প্রধানমন্ত্রীর
রাষ্ট্রপতির
বিচারপতির
স্পিকারের
বাংলাদেশে বর্তমানে কোন পদ্ধতির সরকারব্যবস্থা চালু রয়েছে?
বাংলাদেশে বর্তমানে কোন পদ্ধতির সরকারব্যবস্থা চালু রয়েছে?
একনায়কতান্ত্রিক
যুক্তরাষ্ট্রীয়
সংসদীয়
রাষ্ট্রপতিশাসিত
বাংলাদেশ সংবিধান অনুসারে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করার ক্ষমতা ন্যস্ত থাকে-
বাংলাদেশ সংবিধান অনুসারে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করার ক্ষমতা ন্যস্ত থাকে-
প্রধানমন্ত্রীর কাছে
বিচারবিভাগের কাছে
রাষ্ট্রপতির কাছে
সাংসদদের কাছে
সংবিধান অনুযায়ী বাংলাদেশের নির্বাহী প্রধান কে?
সংবিধান অনুযায়ী বাংলাদেশের নির্বাহী প্রধান কে?
প্রধানমন্ত্রী
প্রধান বিচারপতি
প্রধান নির্বাচন কমিশনার
রাষ্ট্রপতি
প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ ও পরামর্শে জাতীয় সংসদে বাজেট উত্থাপন করেন কে?
প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ ও পরামর্শে জাতীয় সংসদে বাজেট উত্থাপন করেন কে?
অর্থসচিব
অর্থমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী
স্পিকার


