- হোম
- একাডেমি
- সাধারণ
- নবম-দশম শ্রেণি
- বাংলাদেশের সরকারব্যবস্থা
পাঠ্যবিষয় ও অধ্যায়ভিত্তিক একাডেমিক প্রস্তুতির জন্য আমাদের উন্মুক্ত শিক্ষায় অংশগ্রহণ করুন।
প্রধানমন্ত্রীকে বহুবিধ কাজ সম্পাদন করতে হয়। যেমন-
১. সংবিধান অনুযায়ী দেশের সরকার প্রধান হিসেবে প্রধানমন্ত্রী শাসনকার্য পরিচালনা করেন। মন্ত্রিপরিষদের সহযোগিতায় তিনি শাসনসংক্রান্ত সকল দায়িত্ব পালন করেন। প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর মন্ত্রিসভা যৌথভাবে সংসদের নিকট দায়ী থাকেন। প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি মন্ত্রিসভার সদস্য, সাংবিধানিক পদে রাষ্ট্রের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা, বিদেশে রাষ্ট্রদূত ইত্যাদি নিয়োগ দেন।
২. প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রিপরিষদের প্রধান। তিনি মন্ত্রিসভার সদস্যসংখ্যা নির্ধারণ করেন ও মন্ত্রীদের মধ্যে দপ্তর বণ্টন করেন। মন্ত্রীদের কাজ তদারক করেন। বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের কাজের মধ্যে সমন্বয় করেন। সকল গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে মন্ত্রীগণ প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ ও অনুমোদন নিয়ে কাজ করেন। তিনি যেকোনো মন্ত্রীকে তার পদ থেকে অপসারণের পরামর্শ দিতে পারেন।
৩. প্রধানমন্ত্রী জাতীয় সংসদের একজন সদস্য ও সংসদ নেতা। তিনি সংসদে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন। যেমন- সংসদ অধিবেশনে নির্ধারিত দিনে সংসদ সদস্যদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব প্রদান করেন, সরকারের বিভিন্ন কর্মসূচি ও কার্যক্রম তুলে ধরে সংসদে বক্তৃতা প্রদান করেন। এছাড়া তিনি জাতীয় সংসদের অধিবেশন আহ্বান, স্থগিত বা ভেঙে দিতে রাষ্ট্রপতিকে পরামর্শ দিতে পারেন।
৪. সংসদে আইন প্রণয়নের উদ্দেশ্যে কোনো সরকারি বিল উত্থাপনের পূর্বে মন্ত্রিসভার বৈঠকে উপস্থাপন করা হয়। যদি প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর মন্ত্রিপরিষদ উক্ত প্রস্তাবটি গ্রহণ করেন তবেই তা সংসদে বিল আকারে উত্থাপন করা যায়। এছাড়া প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ ও পরামর্শে অর্থমন্ত্রী বাংলাদেশের বার্ষিক আয়-ব্যয়ের (জাতীয়) বাজেট প্রণয়ন ও সংসদে উপস্থাপন করেন। এভাবে তিনি আইন প্রণয়ন সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ কাজ করে থাকেন।
৫. পররাষ্ট্র বিষয়ে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। প্রধানমন্ত্রীর সম্মতি ছাড়া কোনো আন্তর্জাতিক চুক্তি সম্পাদিত হতে পারে না। আন্তর্জাতিক সম্মেলনে তিনি রাষ্ট্রের প্রতিনিধিত্ব করেন।
৬. দেশের জরুরি অবস্থায় প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রিপরিষদের সিদ্ধান্ত ছাড়া যেকোনো নির্দেশ দিতে পারেন।
৭. প্রধানমন্ত্রী জাতীয় স্বার্থের রক্ষক। জাতীয় স্বার্থে তিনি বিভিন্ন সময়ে বক্তৃতা ও বিবৃতির মাধ্যমে জনগণকে রাষ্ট্রীয় কর্মসূচি সম্পর্কে অবহিত করেন ও জনগণের মধ্যে সংহতি রক্ষায় কাজ করেন।
৮. তবে প্রধানমন্ত্রী সংসদের কাছে জবাবদিহি করবেন। সংসদ প্রধানমন্ত্রীর প্রতি অনাস্থা ভোট প্রয়োগের মাধ্যমে জবাবদিহি চালু রাখতে পারে।
সম্পর্কিত বহুনির্বচনী প্রশ্ন সমূহ
সংসদীয় পদ্ধতিতে শাসন ক্ষমতা কার হাতে ন্যস্ত থাকে?
কোন শাসনব্যবস্থায় চেক এন্ড ব্যালান্সের সুযোগ বেশি থাকে?
কার সম্মতি ছাড়া অর্থবিল সংসদে উত্থাপন করা যায় না?
কার সম্মতি ছাড়া অর্থবিল সংসদে উত্থাপন করা যায় না?
অর্থমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী
প্রধান বিচারপতি
রাষ্ট্রপতি
বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি কার দ্বারা নিয়োগ লাভ করেন?
বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি কার দ্বারা নিয়োগ লাভ করেন?
আইনমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী
প্রতিরক্ষা মন্ত্রী
রাষ্ট্রপতি
বাংলাদেশে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের মধ্যে সমন্বয় করেন কে?
বাংলাদেশে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের মধ্যে সমন্বয় করেন কে?
রাষ্ট্রপতি
প্রধানমন্ত্রী
স্পিকার
মুখ্য সচিব
কার নির্দেশে অর্থমন্ত্রী দেশের জাতীয় বাজেট প্রণয়ন ও সংসদে উপস্থাপন করেন?
কার নির্দেশে অর্থমন্ত্রী দেশের জাতীয় বাজেট প্রণয়ন ও সংসদে উপস্থাপন করেন?
রাষ্ট্রপতি
প্রধানমন্ত্রী
পরিকল্পনা মন্ত্রী
স্পিকার
সংসদ কর্তৃক গৃহীত বিল কার সম্মতির ভিত্তিতে আইনে পরিণত হয়?
সংসদ কর্তৃক গৃহীত বিল কার সম্মতির ভিত্তিতে আইনে পরিণত হয়?
প্রধানমন্ত্রীর
রাষ্ট্রপতির
বিচারপতির
স্পিকারের
বাংলাদেশে বর্তমানে কোন পদ্ধতির সরকারব্যবস্থা চালু রয়েছে?
বাংলাদেশে বর্তমানে কোন পদ্ধতির সরকারব্যবস্থা চালু রয়েছে?
একনায়কতান্ত্রিক
যুক্তরাষ্ট্রীয়
সংসদীয়
রাষ্ট্রপতিশাসিত
বাংলাদেশ সংবিধান অনুসারে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করার ক্ষমতা ন্যস্ত থাকে-
বাংলাদেশ সংবিধান অনুসারে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করার ক্ষমতা ন্যস্ত থাকে-
প্রধানমন্ত্রীর কাছে
বিচারবিভাগের কাছে
রাষ্ট্রপতির কাছে
সাংসদদের কাছে
সংবিধান অনুযায়ী বাংলাদেশের নির্বাহী প্রধান কে?
সংবিধান অনুযায়ী বাংলাদেশের নির্বাহী প্রধান কে?
প্রধানমন্ত্রী
প্রধান বিচারপতি
প্রধান নির্বাচন কমিশনার
রাষ্ট্রপতি
প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ ও পরামর্শে জাতীয় সংসদে বাজেট উত্থাপন করেন কে?
প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ ও পরামর্শে জাতীয় সংসদে বাজেট উত্থাপন করেন কে?
অর্থসচিব
অর্থমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী
স্পিকার


