Uddoyon
  • হোম
  • একাডেমি
  • সাধারণ
  • নবম-দশম শ্রেণি
  • অনুচ্ছেদ
অনুচ্ছেদ

পাঠ্যবিষয় ও অধ্যায়ভিত্তিক একাডেমিক প্রস্তুতির জন্য আমাদের উন্মুক্ত শিক্ষায় অংশগ্রহণ করুন।

ফিরে যান
রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরে বর্তমানে রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যকার চলমান যুদ্ধ বিশ্বের সবচেয়ে বড়ো আলোচিত-সমালোচিত ঘটনা। ইউক্রেন সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নভুক্ত দেশ এবং রাশিয়ার প্রতিবেশী। চলতি বছরে ন্যাটোতে ইউক্রেনের যোগ দেওয়াকে কেন্দ্র করে রাশিয়া ইউক্রেন আক্রমণ করে। এই যুদ্ধের পটভূমি বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, এটি মূলত সমাজতান্ত্রিক রাশিয়া ও গণতান্ত্রিক, পুঁজিবাদী পশ্চিমা সাম্রাজ্যবাদী শক্তিগুলোর মধ্যকার দীর্ঘদিনের বিরোধের ফল। বিশ্বে রাশিয়ার প্রভাব খর্ব করতে পশ্চিমাদের চেষ্টার কোনো 'ত্রুটি নেই। পশ্চিমা সাম্রাজ্যবাদী পরাশক্তিগুলোর সামরিক জোট 'ন্যাটো' গোটা ইউরোপে বিস্তার লাভকরার পর পূর্ব ইউরোপীয় দেশগুলোকে তাদের পক্ষাচ্ছায়ায় নিয়ে আসতে তৎপর হয়। সর্বশেষ ইউক্রেনকে ন্যাটোভুক্ত করে তারা রাশিয়ার ঘাড়ে নিশ্বাস ফেলার উপক্রম করলে এ যুদ্ধ শুরু হয়। প্রথম থেকেই পশ্চিমা শক্তিগুলো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে ইউক্রেনকে ব্যাপক সামরিক সহায়তা দিতে থাকে, ফলে এই যুদ্ধ লাভ করে দীর্ঘস্থায়ী রূপ। পশ্চিমা জোট রাশিয়ার উপর বিভিন্ন নিষেধাজ্ঞা আরোপ করলে রাশিয়াও ইউরোপে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ করে দেয়। এভাবে নিষেধাজ্ঞা-পালটা নিষেধাজ্ঞার ফলে এ যুদ্ধের প্রভাব রাশিয়া-ইউক্রেন ছাড়িয়ে ছড়িয়ে পড়ে গোটা বিশ্বে। ইউক্রেনের 'মারিওপুল', 'ওডেশা'সহ গুরুত্বপূর্ণ বন্দরগুলো রাশিয়া বন্ধ করে দেয়। ফলে ইউক্রেনে উৎপাদিত গমসহ বিভিন্ন খাদ্যদ্রব্য যা গোটা বিশ্বে সরবরাহ করা হতো তা বন্ধ হয়ে যায়। নিষেধাজ্ঞার ফলে বন্ধ হযে রাশিয়ায় উৎপাদিত সারের রপ্তানিও। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্য দ্রুত বাড়তে থাকে, ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধ যার প্রত্যক্ষ কারণ। তাছাড়া, রাশিয়ার উপর্যুপরি মিসাইল হামলা, ইউক্রেনের ৪টি অঞ্চলকে রাশিয়ার মূল ভূখণ্ডের সঙ্গে অন্তর্ভুক্তি, ৩ লক্ষ রিজার্ভসৈন্যের যুদ্ধে অংশগ্রহণ পরিস্থিতিকে করে তুলেছে আরও গুরুতর ও ভয়াবহ। উভয় পক্ষের নেতাদের দৃঢ়, অনমনীয় ও যুদ্ধংদেহি মনোভাব যুদ্ধটিকে এক দীর্ঘস্থায়ী ও রক্তক্ষয়ী সংঘাতে রূপ দিয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, এভাবে চলতে থাকলে এই যুদ্ধ বৈশ্বিক সংঘাতে রূপ নিতে পারে। যুদ্ধ মানবজাতির জন্য অভিশাপ স্বরূপ এবং এতে প্রকৃতপক্ষে কোনো পক্ষেরই জয় অর্জিত হয় না বরং পরাজয় ঘটে মানবতার। আলোচনার মাধ্যমে, কূটনৈতিক উপায়ে ইউক্রেন-রাশিয়া' যুদ্ধের দ্রুত সমাধান ও সমাপ্তি গোটা বিশ্বের জন্য মঙ্গলজনক হবে।

পরবর্তী
অনুচ্ছেদ - অন্যান্য প্রশ্ন
আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস বা শহিদ দিবস বা একুশে ফেব্রুয়ারি
বিশ্ববিদ্যালয়
বৈশাখী মেলা
বইমেলা
জাদুঘর
সুন্দরবন
রেলগাড়ি
স্বাধীনতা দিবস
জাতীয় পতাকা
জাতীয় সংগীত
কম্পিউটার
মোবাইল ফোন
পদ্মা নদী
জন্মদিনের সন্ধ্যা
জুলাই বিপ্লব: ২০২৪
শিষ্টাচার
সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি
শীতের সকাল
দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন
অতিথি পাখি বা পরিযায়ী পাখি
ইন্টারনেট
কর্তব্যনিষ্ঠা
কৃষি উদ্যোক্তা
খাদ্যে ভেজাল
গ্রন্থাগার
ডিজিটাল বাংলাদেশ
ডেঙ্গুজ্বর বা ডেঙ্গু: সতর্কতা ও প্রতিরোধ
তথ্য-প্রযুক্তি
নারীশিক্ষা
নিয়মানুবর্তিতা বা শৃঙ্খলাবোধ
পরিবেশ দূষণ
বই পড়া
বই পড়ার আনন্দ
বাংলা নববর্ষ বা পয়লা বৈশাখ
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ বা মুক্তিযুদ্ধ
বিজয় দিবস
বৃক্ষরোপণ অভিযান বা বৃক্ষরোপণ
বুদ্ধিজীবী হত্যা
শিশুশ্রম
শীতের একটি সকাল
শৈশবস্মৃতি
সত্যবাদিতা
যানজট
যৌতুকপ্রথা
রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ

সম্পর্কিত বহুনির্বচনী প্রশ্ন সমূহ