Uddoyon
  • হোম
  • একাডেমি
  • সাধারণ
  • নবম-দশম শ্রেণি
  • অনুচ্ছেদ
অনুচ্ছেদ

পাঠ্যবিষয় ও অধ্যায়ভিত্তিক একাডেমিক প্রস্তুতির জন্য আমাদের উন্মুক্ত শিক্ষায় অংশগ্রহণ করুন।

ফিরে যান
স্বাধীনতা দিবস

ছাব্বিশে মার্চ বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবস। ১৯৭০ সালে পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ নিরঙ্কুশ বিজয় লাভ করলেও ক্ষমতা হস্তান্তরের ব্যাপারে সামরিক সরকার ষড়যন্ত্র শুরু করে। ওই সামরিক সরকার নিয়ন্ত্রিত হতো পশ্চিম পাকিস্তানিদের দ্বারা এবং পশ্চিম পাকিস্তানিদের স্বার্থে। ক্ষমতাসীনরা নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর না করে পঁচিশে মার্চ মধ্যরাতে বাঙালিদের উপর গণহত্যা শুরু করে। ১৯৪৭ সাল থেকে চব্বিশ বছর ধরে পশ্চিম পাকিস্তানের শাসক শ্রেণি পূর্ব বাংলার উপরে যে নিপীড়ন ও শোষণ চালিয়েছে, নয় মাসের রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধে তার অবসান ঘটে। ১৯৭১ সালের ১৬ই ডিসেম্বর বাংলাদেশ শত্রুমুক্ত হয়, তাই এই দিন হলো বাংলাদেশের বিজয় দিবস। অন্যদিকে ১৯৭১ সালের ২৬শে মার্চ থেকেই এ দেশের মানুষ স্বাধীন, কেননা ঐ তারিখেই স্বাধীনতার জন্য শুরু হয়েছিল মুক্তিযুদ্ধ।

স্বাধীনতা দিবস

স্বাধীনতা এক অমূল্য সম্পদ। ব্যক্তি ও জাতীয় জীবনে স্বাধীনতার গুরুত্ব অপরিসীম। ২৬শে মার্চ বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবস। আমাদের জাতীয় জীবনে স্বাধীনতা দিবস অত্যন্ত গৌরবময় তাৎপর্যপূর্ণ একটি দিন। ১৯৭১ সালের এই দিনে বিশ্বের মানচিত্রে বাংলাদেশ নামক একটি রাষ্ট্রের অভ্যুদয় হয়, অতঃপর ১৬ই ডিসেম্বর চূড়ান্ত বিজয়ের মধ্য দিয়ে অবসান ঘটে ২৩ বছরব্যাপী চলা পাকিস্তানি অপশাসনের। এ দেশের স্বাধীনতা লাভের পিছনে রয়েছে এক সুদীর্ঘ প্রেক্ষাপট ও সংগ্রামের ইতিহাস। ১৯৪৭ সালে দেশভাগের পর থেকে পশ্চিম পাকিস্তানিরা আমাদের সাথে বৈষম্যমূলক আচরণ শুরু করে। প্রথমেই আমাদের মাতৃভাষা ও সংস্কৃতির উপর আঘাত আসে। পরবর্তীকালে তাদের ঔদ্ধত্য ও নিষ্ঠুরতা চরম আকার ধারণ করে। ১৯৭০ সালের সাধারণ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা লাভ করেছিল। কিন্তু জনগণের রায়কে উপেক্ষা করে পাকিস্তানি সরকার ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে ক্ষমতায় টিকে থাকার চেষ্টা 'করে। এ দেশের সচেতন জনতা কিছুতেই তা মেনে নিতে পারেনি। ১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চ রাতে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী অতর্কিতে হামলা চালায় নিরস্ত্র মানুষের উপর। তারা নির্বিচারে হত্যাযজ্ঞ চালায় পিলখানা, রাজারবাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে। এই পরিপ্রেক্ষিতে ২৬শে মার্চ বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করা হয়। শুরু হয়ে যায় এক অসম যুদ্ধ। এপ্রিল মাসের ১০ তারিখে মেহেরপুরের আম্রকাননে বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী সরকার গঠিত হয়। ১৭ এপ্রিল সে সরকার শপথ গ্রহণ করে। এরপর থেকেই নতুন উদ্যমে সারা দেশে মুক্তিযুদ্ধ ছড়িয়ে পড়ে। নয় মাস রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের পর ১৯৭১ সালের ১৬ই ডিসেম্বর আমরা চূড়ান্ত বিজয় লাভ করি। এ কারণেই স্বাধীনতা দিবস আমাদের জাতীয় জীবনে একটি 'বিশেষ তাৎপর্যময় দিন। ১৯৭২ সাল থেকেই প্রতিবছর ২৬শে মার্চ যথাযোগ্য মর্যাদায় এ দেশে স্বাধীনতা দিবস পালিত হয়ে আসছে। এদিন জাতীয় পতাকা উত্তোলন করাসহ জাতীয় পর্যায়ে নানা ধরনের অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসমূহে বিশেষ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে নতুন প্রজন্মকে স্বাধীনতার চেতনায় দীক্ষা প্রদান করা হয়। বলা হয়ে থাকে, 'স্বাধীনতা অর্জনের চেয়ে রক্ষা করা কঠিন।' তাই প্রতিটি স্বাধীনতা দিবসে আমাদের স্বাধীনতা রক্ষার বলিষ্ঠ শপথ গ্রহণ করতে হবে। আর সেই শপথকে সামনে রেখে এগিয়ে যেতে হবে দেশ গড়ার নতুন প্রত্যয়ে।

অনুচ্ছেদ - অন্যান্য প্রশ্ন
আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস বা শহিদ দিবস বা একুশে ফেব্রুয়ারি
বিশ্ববিদ্যালয়
বৈশাখী মেলা
বইমেলা
জাদুঘর
সুন্দরবন
রেলগাড়ি
স্বাধীনতা দিবস
জাতীয় পতাকা
জাতীয় সংগীত
কম্পিউটার
মোবাইল ফোন
পদ্মা নদী
জন্মদিনের সন্ধ্যা
জুলাই বিপ্লব: ২০২৪
শিষ্টাচার
সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি
শীতের সকাল
দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন
অতিথি পাখি বা পরিযায়ী পাখি
ইন্টারনেট
কর্তব্যনিষ্ঠা
কৃষি উদ্যোক্তা
খাদ্যে ভেজাল
গ্রন্থাগার
ডিজিটাল বাংলাদেশ
ডেঙ্গুজ্বর বা ডেঙ্গু: সতর্কতা ও প্রতিরোধ
তথ্য-প্রযুক্তি
নারীশিক্ষা
নিয়মানুবর্তিতা বা শৃঙ্খলাবোধ
পরিবেশ দূষণ
বই পড়া
বই পড়ার আনন্দ
বাংলা নববর্ষ বা পয়লা বৈশাখ
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ বা মুক্তিযুদ্ধ
বিজয় দিবস
বৃক্ষরোপণ অভিযান বা বৃক্ষরোপণ
বুদ্ধিজীবী হত্যা
শিশুশ্রম
শীতের একটি সকাল
শৈশবস্মৃতি
সত্যবাদিতা
যানজট
যৌতুকপ্রথা
রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ

সম্পর্কিত বহুনির্বচনী প্রশ্ন সমূহ