Uddoyon
  • হোম
  • একাডেমি
  • সাধারণ
  • নবম-দশম শ্রেণি
  • অনুচ্ছেদ
অনুচ্ছেদ

পাঠ্যবিষয় ও অধ্যায়ভিত্তিক একাডেমিক প্রস্তুতির জন্য আমাদের উন্মুক্ত শিক্ষায় অংশগ্রহণ করুন।

ফিরে যান
রেলগাড়ি

সমান্তরাল ধাতব পাতের উপরে চলা গাড়িকে রেলগাড়ি বলে। রেলগাড়িতে অনেকগুলো কামরা বা বগি সারিবদ্ধভাবে যুক্ত থাকে। বাষ্পীয় ইঞ্জিন উদ্ভাবনের সূত্র ধরে রেলগাড়ির জন্ম। বর্তমান বিশ্বে যাত্রী ও মালামাল পরিবহণের কাজে এই গাড়ি অত্যন্ত জনপ্রিয়। জর্জ স্টিফেনসনের প্রচেষ্টায় ইংল্যান্ডে ১৮২৫ সালের ২৭শে সেপ্টেম্বর বিশ্বের প্রথম রেলগাড়ি চলাচল শুরু করে। ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক আমলে ভারতীয় উপমহাদেশে রেলগাড়ির যাত্রা শুরু হয়। ১৮৬২ সালে দর্শনা থেকে কুষ্টিয়ার জগতি পর্যন্ত ৫৩.১১ কিলোমিটার রেললাইন স্থাপন করা হয়। এটিই বাংলাদেশের প্রথম রেল পথ। বাংলাদেশে রেলগাড়ি নিয়ন্ত্রণকারী প্রতিষ্ঠানের নাম বাংলাদেশ রেলওয়ে। এটি একটি সরকারি প্রতিষ্ঠান। রেলপথ তিন ধরনের: ব্রডগেজ, মিটারগেজ ও ন্যারোগেজ। বর্তমানে বাংলাদেশে ব্রডগেজ ও মিটারগেজ, এই দুই ধরনের রেলপথ চালু আছে। বাংলাদেশের বেশিরভাগ জেলায় বর্তমানে রেলগাড়ি চলাচল করে, এছাড়া পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতের সঙ্গেও বাংলাদেশের রেলযোগাযোগ রয়েছে। রেলগাড়িতে ভ্রমণ আনন্দদায়ক ও নিরাপদ।

রেলগাড়ি

রেলগাড়ি বা ট্রেন সবার খুব পরিচিত একটি যান। পৃথিবীর প্রায় সব দেশেই এর প্রচলন রয়েছে। ট্রেন যে সমান্তরাল ধাতব পাত দুটির উপর দিয়ে চালিত হয়, তাকে বলা হয় রেললাইন। জর্জ স্টিফেনসনের যুগান্তকারী প্রচেষ্টায় ১৮২৫ খ্রিস্টাব্দের ২৭ সেপ্টেম্বর বিশ্বের প্রথম রেলওয়ে ইংল্যান্ডের স্টকটন থেকে ২৬ কি.মি. দূরবর্তী ডালিংটন পর্যন্ত জনসাধারণের জন্য উদ্‌দ্বোধন করা হয়। এরপর ১৮৩৩ সালে যুক্তরাষ্ট্রে, ১৮৩৫ সালে জার্মানিতে, ১৮৪৪ সালে 'স্পেনে এবং ১৮৫৬ সালে সুইডেনে রেলগাড়ি চলাচলের মধ্য দিয়ে যোগাযোগের এক বৈপ্লবিক পরিবর্তন সোধিত হয়। ভারতবর্ষে লর্ড ডালহৌসি রেলপথ তৈরি করেন এবং বাংলাদেশে কুষ্টিয়া থেকে দর্শনা পর্যন্ত রেলপথ তৈরির মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের রেলগাড়ি চালু হয়। বর্তমানে রেলগাড়ি যাত্রী ও মালামাল পরিবহণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। ট্রেনে যাত্রী বা মালামাল পরিবহণকারী কক্ষগুলোকে বগি বলে। ট্রেনের বগিগুলোর প্রতিটির তলায় ধাতব চাকা থাকে। বগিগুলোর সামনে ও পিছন দিকের সংযোগস্থলের সাহায্যে একটি অন্যটির সঙ্গে যুক্ত থাকে। ট্রেনের ইজিন বা লোকোমোটিভ দিয়ে রেলের বগিগুলো চালনা করা হয়। বিংশ শতাব্দীর মধ্যভাগ পর্যন্ত রেল ইঞ্জিনগুলো ছিল বাষ্পচালিত। ১৯৭০-এর দশক নাগাদ প্রায় সব দেশেই বাষ্পীয় ইঞ্জিনের ব্যবহার উঠে যায়। তবে কয়লার সহজলভ্যতার কারণে চীনে এখনো, বাষ্পীয় রেল ইঞ্জিনের কিছু ব্যবহার হচ্ছে তবে ধীরে ধীরে তা-ও উঠে যাচ্ছে। যোগাযোগের ক্ষেত্রে রেলভ্রমণ সবচেয়ে নিরাপদ ও জনপ্রিয়। যোগাযোগের অন্য যেকোনো মাধ্যমের তুলনায় রেলভ্রমণ সাশ্রয়ীও বটে। তাই এর উন্নয়ন, রক্ষণাবেক্ষণ জরুরি। কলেবর যতই বৃদ্ধি হোক না কেন, নিরাপদ রেল পরিচালনাই মুখ্য। নিরাপদ, দ্রুত ও আরামদায়ক রেলই সবার প্রত্যাশা।

অনুচ্ছেদ - অন্যান্য প্রশ্ন
আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস বা শহিদ দিবস বা একুশে ফেব্রুয়ারি
বিশ্ববিদ্যালয়
বৈশাখী মেলা
বইমেলা
জাদুঘর
সুন্দরবন
রেলগাড়ি
স্বাধীনতা দিবস
জাতীয় পতাকা
জাতীয় সংগীত
কম্পিউটার
মোবাইল ফোন
পদ্মা নদী
জন্মদিনের সন্ধ্যা
জুলাই বিপ্লব: ২০২৪
শিষ্টাচার
সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি
শীতের সকাল
দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন
অতিথি পাখি বা পরিযায়ী পাখি
ইন্টারনেট
কর্তব্যনিষ্ঠা
কৃষি উদ্যোক্তা
খাদ্যে ভেজাল
গ্রন্থাগার
ডিজিটাল বাংলাদেশ
ডেঙ্গুজ্বর বা ডেঙ্গু: সতর্কতা ও প্রতিরোধ
তথ্য-প্রযুক্তি
নারীশিক্ষা
নিয়মানুবর্তিতা বা শৃঙ্খলাবোধ
পরিবেশ দূষণ
বই পড়া
বই পড়ার আনন্দ
বাংলা নববর্ষ বা পয়লা বৈশাখ
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ বা মুক্তিযুদ্ধ
বিজয় দিবস
বৃক্ষরোপণ অভিযান বা বৃক্ষরোপণ
বুদ্ধিজীবী হত্যা
শিশুশ্রম
শীতের একটি সকাল
শৈশবস্মৃতি
সত্যবাদিতা
যানজট
যৌতুকপ্রথা
রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ

সম্পর্কিত বহুনির্বচনী প্রশ্ন সমূহ