- হোম
- একাডেমি
- সাধারণ
- নবম-দশম শ্রেণি
- বাংলাদেশের স্বাধীনতা
পাঠ্যবিষয় ও অধ্যায়ভিত্তিক একাডেমিক প্রস্তুতির জন্য আমাদের উন্মুক্ত শিক্ষায় অংশগ্রহণ করুন।
১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চ নিরস্ত্র জনগণের ওপর পাকিস্তানি সেনাবাহিনী আক্রমণ চালালে বাঙালি ছাত্র, জনতা, পুলিশ, ইপিআর (ইস্ট পাকিস্তান রাইফেলস) সাহসিকতার সাথে তাদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ায়। বিনা প্রতিরোধে পাকিস্তানি সেনাবাহিনীকে বাঙালিরা ছাড় দেয়নি। দেশের জন্য যুদ্ধ করতে গিয়ে বহু মুক্তিযোদ্ধা বিভিন্ন রণাঙ্গনে শহিদ হন। আবার অনেকে মারাত্মকভাবে আহত হন। তাই মুক্তিযোদ্ধাদের এ খাণ কোনোদিন শোধ হবে না।
জাতি চিরকাল মুক্তিযোদ্ধাদের সূর্যসন্তান হিসেবে মনে করবে। মুক্তিযোদ্ধারা দেশকে শত্রুমুক্ত করার লক্ষ্যে মৃত্যুকে তুচ্ছ মনে করে যুদ্ধে যোগদান করেছিলেন। তাঁরা ছিলেন দেশপ্রেমিক, অসীম সাহসী এবং আত্মত্যাগে উদ্বুদ্ধ যোদ্ধা। মুক্তিযুদ্ধে বেঙ্গল রেজিমেন্টের সৈনিক, ইপিআর, পুলিশ, আনসার, কৃষক, শ্রমিক, ছাত্র-ছাত্রীসহ বিভিন্ন পেশার মানুষ অংশগ্রহণ করে। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে সর্বস্তরের বাঙালি এবং অবাঙালি অংশগ্রহণ করে।
তাই এ যুদ্ধকে 'গণযুদ্ধ' বা 'জনযুদ্ধ'ও বলা যায়। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের মূল নিয়ামক শক্তি ছিল জনগণ। তাই মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, ছাত্র-ছাত্রী, পেশাজীবী, নারী, সাংস্কৃতিক কর্মীসহ সর্বস্তরের জনসাধারণ নিজ নিজ অবস্থান থেকে যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে। জীবনের মায়া ত্যাগ করে দেশকে শত্রুমুক্ত করে স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করে।
ছাত্রসমাজ
পাকিস্তানের চব্বিশ বছরে বাঙালি জাতির স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট সকল আন্দোলনে গৌরবোজ্জ্বল ভূমিকা পালন করেছে এদেশের ছাত্রসমাজ। ১৯৪৮-১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন, ১৯৬২ ও ১৯৬৪ সালের শিক্ষা কমিশন রিপোর্টের বিরুদ্ধে আন্দোলন, ১৯৬৬ সালে ছয় দফার আন্দোলন, ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান, ১৯৭০-এর নির্বাচন ও ১৯৭১ সালের মার্চ মাসে বঙ্গবন্ধুর অসহযোগ আন্দোলনসহ প্রতিটি ক্ষেত্রে ছাত্রসমাজ অগ্রণী ভূমিকা পালন করে। ১৯৭১ সালের ২৬শে মার্চ মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীদের বিরাট অংশ সরাসরি মুক্তিযুদ্ধে যোগ দেয়। অনেকে প্রতিবেশী রাষ্ট্র ভারতে প্রশিক্ষণ গ্রহণ শেষে দেশের অভ্যন্তরে প্রবেশ করে পাকিস্তান হানাদার বাহিনীকে প্রতিরোধ করে। মুক্তিবাহিনীতে একক গোষ্ঠী হিসেবে ছাত্র-ছাত্রীদের সংখ্যা ছিল সবচেয়ে বেশি। মুক্তিবাহিনীর অনিয়মিত শাখার এক বিরাট অংশ ছিল কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী। মুক্তিযুদ্ধে ছাত্রসমাজের মহান আত্মত্যাগ ব্যতীত স্বাধীনতা অর্জন কঠিন হতো।
পেশাজীবী
সাধারণ অর্থে যারা বিভিন্ন পেশায় নিয়োজিত তারাই হলেন পেশাজীবী। পেশাজীবীদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন-শিক্ষক, চিকিৎসক, প্রকৌশলী, শিল্পী, সাহিত্যিক, প্রযুক্তিবিদ, আইনজীবী, সাংবাদিক ও বিজ্ঞানীসহ বিভিন্ন সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে এদের ভূমিকা ছিল অনন্য ও গৌরবদীপ্ত। পেশাজীবীদের বড়ো অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেন। পেশাজীবীরা মুজিবনগর সরকারের অধীনে পরিকল্পনা সেল গঠন করে বিশ্ববাসীর কাছে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের তথ্য সরবরাহ, সাহায্যের আবেদন, বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ফোরামে বক্তব্য প্রদান, শরণার্থীদের উৎসাহ প্রদান ইত্যাদি ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। পেশাজীবীদের মধ্যে অনেকে মুক্তিযুদ্ধে শহিদ হন। তবে, পেশাজীবীদের একটা অংশ পাকিস্তান সরকারের পক্ষেও অবস্থান নেয়।
মুক্তিযুদ্ধে নারী
মুক্তিযুদ্ধে নারীদের ভূমিকা ছিল গৌরবোজ্জ্বল। ১৯৭১ সালের মার্চের প্রথম থেকেই দেশের প্রতিটি অঞ্চলে যে সংগ্রাম পরিষদ গঠিত হয়, তাতে নারীদের বিশেষ করে ছাত্রীদের অংশগ্রহণ ছিল স্বতঃস্ফূর্ত। মুক্তিযোদ্ধা শিবিরে পুরুষের পাশাপাশি নারীরা অস্ত্রচালনা ও গেরিলা যুদ্ধের প্রশিক্ষণ গ্রহণ করে সরাসরি মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেন। অপরদিকে সহযোদ্ধা হিসেবে আহত মুক্তিযোদ্ধাদের সেবা-শুশ্রুষা, মুক্তিযোদ্ধাদের আশ্রয়দান ও তথ্য সরবরাহ করে যুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন এদেশের অগণিত নারী মুক্তিসেনা। পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী কর্তৃক নির্যাতিত হন লক্ষাধিক মা-বোন। তাঁরাও মুক্তিযোদ্ধাদের সহযাত্রী। ত্যাগের স্বীকৃতি হিসেবে সরকারিভাবে তাঁদের 'বীরাঙ্গনা' উপাধিতে ভূষিত করা হয়। সরকার ২০১৬ সালে তাঁদের মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।
গণমাধ্যম
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে গণমাধ্যমের ভূমিকা অপরিসীম। সংবাদপত্র ও স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র এ ব্যাপারে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে। ২৬শে মার্চ চট্টগ্রাম বেতারের শিল্পী ও সংস্কৃতি কর্মীরা স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র চালু করেন। পরে এটি মুজিবনগর সরকারের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হয়। স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র সংবাদ, দেশাত্মবোধক গান, মুক্তিযোদ্ধাদের বীরত্বগাথা, রণাঙ্গনের নানা ঘটনা দেশ ও জাতির সামনে তুলে ধরে সাধারণ মানুষকে যুদ্ধের প্রতি অনুপ্রাণিত করে। মুক্তিযোদ্ধাদের সাহস জুগিয়ে বিজয়ের পথ সুগম করে। এছাড়া, মুজিবনগর সরকারের প্রচার সেলের তত্ত্বাবধানে প্রকাশিত 'জয়বাংলা' পত্রিকা মুক্তিযুদ্ধে বিশিষ্ট ভূমিকা পালন করে।
জনসাধারণ
সাধারণ জনগণের সাহায্য-সহযোগিতা ও স্বাধীনতার প্রতি ঐকান্তিক আকাঙ্ক্ষার ফলেই মাত্র নয় মাসের যুদ্ধে বাঙালির বিজয় অর্জন সম্ভব হয়েছে। পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর মুষ্টিমেয় এদেশীয় দোসর ব্যতীত সবাই কোনো না কোনোভাবে মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। সাধারণ মানুষ মুক্তিযোদ্ধাদের আশ্রয় দিয়েছে, শত্রুর অবস্থান ও চলাচলের তথ্য দিয়েছে, খাবার ও ঔষধ সরবরাহ করেছে, সেবা দিয়েছে ও খবরাখবর সরবরাহ করেছে। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে সাধারণ বাঙালি ও আদিবাসি জনগণ অংশগ্রহণ করে। তাদের অনেকে মুক্তিযুদ্ধে শহিদ হন। আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধের ত্রিশ লাখ শহিদের মধ্যে সাধারণ মানুষের সংখ্যা ছিল অধিক। তাঁদের রক্তের বিনিময়েই আমাদের আজকের স্বাধীন মানচিত্র, লাল-সবুজ পতাকা।
প্রবাসী বাঙালি
প্রবাসী বাঙালিরা মুক্তিযুদ্ধে নানাভাবে সাহায্য-সহযোগিতা করেন। বিভিন্ন দেশে তারা মুক্তিযুদ্ধের জন্য অর্থ সংগ্রহ করেছেন। বাংলাদেশের পক্ষে সমর্থন আদায়ে বিভিন্ন দেশের পার্লামেন্ট সদস্যদের নিকট ছুটে গিয়েছেন। তাঁরা বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থায় প্রতিনিধি দল প্রেরণ করেছেন। পাকিস্তানকে অস্ত্র-গোলাবারুদ সরবরাহ না করতে বিশ্বের বিভিন্ন সরকারের নিকট প্রবাসী বাঙালিরা আবেদন করেছেন। এক্ষেত্রে ব্রিটেন ও আমেরিকার প্রবাসী বাঙালিদের ভূমিকা বিশেষভাবে উল্লেখ্যযোগ্য। মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে জনমত গঠনে তাঁরা নিরলস কাজ করেছেন।
শিল্পী-সাহিত্যিক-বুদ্ধিজীবী
মুক্তিযুদ্ধের মূল নিয়ামক শক্তি ছিল জনগণ। তথাপি যুদ্ধে মানুষকে উদ্বুদ্ধ করার ক্ষেত্রে শিল্পী-সাহিত্যিক-বুদ্ধিজীবী ও বিভিন্ন সংস্কৃতি কর্মীর অবদান ছিল খুবই প্রশংসনীয়। পত্র-পত্রিকায় লেখা, স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রে খবর পাঠ, দেশাত্মবোধক ও মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক গান, কবিতা পাঠ, নাটক, কথিকা ও অত্যন্ত জনপ্রিয় অনুষ্ঠান- 'চরমপত্র' ও 'জল্লাদের দরবার' ইত্যাদি মুক্তিযুদ্ধকে এগিয়ে নিতে সহায়তা করেছে। রণক্ষেত্রে মুক্তিযোদ্ধাদের মানসিক ও নৈতিক বল ধরে রাখতে উল্লিখিত সাংস্কৃতিক কর্মকান্ড সহায়তা করেছে, সাহস জুগিয়েছে, জনগণকে শত্রুর বিরুদ্ধে দুর্দমনীয় করে তুলেছে।
সম্পর্কিত বহুনির্বচনী প্রশ্ন সমূহ
কার মৃত্যুতে এরশাদবিরোধী আন্দোলন চরম রূপলাভ করে?
কার মৃত্যুতে এরশাদবিরোধী আন্দোলন চরম রূপলাভ করে?
নূর হোসেন
ডা. শামসুল আলম মিলন
শামসুজ্জোহা
বরকত
বিশ্ব শান্তি পরিষদ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবকে কী উপাধিতে ভূষিত করেন?
বিশ্ব শান্তি পরিষদ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবকে কী উপাধিতে ভূষিত করেন?
নোবেল পদক
ম্যাগাসাস পদক
জুলিও কুরি পদক
মাদাম কুরি পদক
দ্বিবার্ষিক পরিকল্পনার প্রধান লক্ষ্য কী ছিল?
দ্বিবার্ষিক পরিকল্পনার প্রধান লক্ষ্য কী ছিল?
দারিদ্র্য বিমোচন
শিক্ষার হার বৃদ্ধি
জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ
সশস্ত্রবাহিনী গঠন
বাংলাদেশ গণপরিষদ আদেশ কখন জারি হয়?
বাংলাদেশ গণপরিষদ আদেশ কখন জারি হয়?
১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি
১৯৭২ সালের ১১ জানুয়ারি
১৯৭২ সালের ২৩ মার্চ
১৯৭২ সালের ১০ এপ্রিল
ড. ফখরুদ্দিন আহমদ সেনাবাহিনীর সমর্থন নিয়ে কখন তত্ত্বাবধায়ক সরকার প্রধান হন?
ড. ফখরুদ্দিন আহমদ সেনাবাহিনীর সমর্থন নিয়ে কখন তত্ত্বাবধায়ক সরকার প্রধান হন?
১০ জানুয়ারি ২০০৭
১১ জানুয়ারি ২০০৭
১২ জানুয়ারি ২০০৭
১৩ জানুয়ারি ২০০৭
কত তারিখে ইয়াহিয়া খান জাতীয় পরিষদের অধিবেশন স্থগিত করে?
কত তারিখে ইয়াহিয়া খান জাতীয় পরিষদের অধিবেশন স্থগিত করে?
১ মার্চ ১৯৭১
১ এপ্রিল ১৯৭১
১ মে ১৯৭১
১ জুন ১৯৭১
গণপরিষদের নেতৃত্বে কে খসড়া সংবিধান প্রণয়ন কমিটি গঠন করেন?
গণপরিষদের নেতৃত্বে কে খসড়া সংবিধান প্রণয়ন কমিটি গঠন করেন?
ড. কামাল হোসেন
তাজউদ্দীন আহমদ
ড. আব্দুল হোসেন
মোজাফফর আহমদ
সংবিধান গণপরিষদে গৃহীত হয় কবে?
সংবিধান গণপরিষদে গৃহীত হয় কবে?
১২ অক্টোবর ১৯৭২
৪ নভেম্বর ১৯৭২
১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২
২৫ মার্চ ১৯৭২
পূর্ব বাংলার জনগণ ১৯৭০ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগকে স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভোট দেয় কেন?
পূর্ব বাংলার জনগণ ১৯৭০ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগকে স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভোট দেয় কেন?
দেশীয় রাজনৈতিক দল বলে
শোষণ থেকে মুক্তি লাভের আশায়
মাতৃভাষায় সকলে কথা বলে তাই
শেখ মুজিবুর রহমানের মুক্তির জন্য
অসহযোগ আন্দোলনের ডাক দেন কে?
অসহযোগ আন্দোলনের ডাক দেন কে?
শেখ মুজিবুর রহমান
এ. কে. ফজলুল হক
মওলানা ভাসানী
তাজউদ্দীন আহমদ
বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো সামরিক শাসনের অবসান ঘটে কত সালে?
বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো সামরিক শাসনের অবসান ঘটে কত সালে?
১৯৭৫ সালে
১৯৭৯ সালে
১৯৮৬ সালে
১৯৯১ সালে
‘প্রত্যেক ঘরে ঘরে দুর্গ গড়ে তোলো’—উক্তিটির মাধ্যমে কী প্রকাশ পেয়েছে?
‘প্রত্যেক ঘরে ঘরে দুর্গ গড়ে তোলো’—উক্তিটির মাধ্যমে কী প্রকাশ পেয়েছে?
স্বাধীনতার ঘোষণা
যুদ্ধের ডাক
ঘরকে শক্ত করার নির্দেশনা
স্বাধীনতার পূর্ব প্রস্তুতি
‘এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম’—উক্তিটিতে ফুটে উঠেছে?
‘এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম’—উক্তিটিতে ফুটে উঠেছে?
স্বাধীনতার ডাক
সংগ্রামী হওয়ার ডাক
মানুষের প্রতি আহ্বান
দৃঢ় মনোভাব
কত তারিখে শেখ মুজিবুর রহমান বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন?
কত তারিখে শেখ মুজিবুর রহমান বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন?
২৫ মার্চ প্রথম প্রহরে
২৫ মার্চ সকালে
২৬ মার্চ প্রথম প্রহরে
২৬ মার্চ সকালে
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে কোন সরকার গঠন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ?
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে কোন সরকার গঠন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ?
মুজিব সরকার
আওয়ামী লীগ সরকার
মুজিবনগর সরকার
পূর্ব পাকিস্তান সরকার


