- হোম
- একাডেমি
- সাধারণ
- নবম-দশম শ্রেণি
- বাংলাদেশের স্বাধীনতা
পাঠ্যবিষয় ও অধ্যায়ভিত্তিক একাডেমিক প্রস্তুতির জন্য আমাদের উন্মুক্ত শিক্ষায় অংশগ্রহণ করুন।
১৯৭০ সালের সাধারণ নির্বাচনে বিজয়ী জাতীয় ও প্রাদেশিক পরিষদের সদস্য দ্বারা মুজিবনগর সরকার গঠন করা হয়। বাঙালি কর্মকর্তাদের নিয়ে এ সরকার প্রশাসনিক কাজ পরিচালনা করেছিল। এতে মোট ১২টি মন্ত্রণালয় বা বিভাগ ছিল। এগুলো হলো-প্রতিরক্ষা, পররাষ্ট্র, অর্থ, শিল্প ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, মন্ত্রিপরিষদ সচিবালয়, সাধারণ প্রশাসন, স্বাস্থ্য ও কল্যাণ বিভাগ, ত্রাণ ও পুনর্বাসন বিভাগ, প্রকৌশল বিভাগ, পরিকল্পনা কমিশন ও যুব ও অভ্যর্থনা শিবির নিয়ন্ত্রণ বোর্ড।
মুজিবনগর সরকার বিশ্বের বিভিন্ন দেশের গুরুত্বপূর্ণ শহর কলকাতা, দিল্লি, লন্ডন, ওয়াশিংটন, নিউইয়র্ক, স্টকহোম প্রভৃতিতে বাংলাদেশ সরকারের মিশন স্থাপন করেন। এসব মিশন বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে প্রচার ও আন্তর্জাতিক সমর্থন আদায়ের চেষ্টা করে। সরকার বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরীকে বিশেষ দূত হিসেবে নিয়োগ দেয়। তিনি মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে বিশ্ব নেতৃত্ব ও জনমতের সমর্থন আদায়ের জন্য কাজ করেন। ১০ই এপ্রিল মুজিবনগর সরকার গঠিত হওয়ার পর মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার জন্য সামরিক, বেসামরিক জনগণকে নিয়ে একটি মুক্তিযোদ্ধা বাহিনী গড়ে তোলার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়।
সরকার বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করে ১১জন সেক্টর কমান্ডার নিয়োগ করেছিল। এ ছাড়া বেশ কিছু সাব-সেক্টর এবং তিনটি ব্রিগেড ফোর্স গঠিত হয়। এসব বাহিনীতে পাকিস্তান সেনাবাহিনীতে কর্মরত বাঙালি সেনা কর্মকর্তা, সেনা সদস্য, পুলিশ, ইপিআর, নৌ ও বিমানবাহিনীর সদস্যগণ যোগদান করেন। প্রতিটি সেক্টরেই নিয়মিত সেনা, গেরিলা ও সাধারণ যোদ্ধা ছিল। এরা মুক্তিযোদ্ধা বা মুক্তিফৌজ নামে পরিচিত ছিল। এসব বাহিনীতে দেশের ছাত্র, যুবক, নারী, কৃষক, রাজনৈতিক দলের কর্মী-সমর্থক, শ্রমিকসহ বিভিন্ন পেশার মানুষ অংশ নিয়েছিল। বিভিন্ন প্রশিক্ষণ ক্যাম্পে প্রশিক্ষণ শেষে যোদ্ধাগণ দেশের অভ্যন্তরে প্রবেশ করে পাকিস্তানি সামরিক ছাউনি বা আস্তানায় হামলা চালায়।
মুক্তিযুদ্ধে সরকারের অধীন বিভিন্ন বাহিনী ছাড়াও বেশ কয়েকটি বাহিনী দেশের অভ্যন্তরে স্বতঃস্ফূর্তভাবে গড়ে উঠেছিল। এসব সংগঠন স্থানীয়ভাবে পাকিস্তানি বাহিনী ও রাজাকার বাহিনীর বিরুদ্ধে যুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছিল। ১৯৭১ সালে মুক্তিযোদ্ধাগণ মুজিবনগর সরকারের নেতৃত্বে দেশকে পাকিস্তানিদের দখলমুক্ত করার জন্য রণক্ষেত্রে যুদ্ধ করেছেন, দেশের জন্যে প্রাণ দিয়েছেন, অনেকে আহত হয়েছেন।
সম্পর্কিত বহুনির্বচনী প্রশ্ন সমূহ
কার মৃত্যুতে এরশাদবিরোধী আন্দোলন চরম রূপলাভ করে?
কার মৃত্যুতে এরশাদবিরোধী আন্দোলন চরম রূপলাভ করে?
নূর হোসেন
ডা. শামসুল আলম মিলন
শামসুজ্জোহা
বরকত
বিশ্ব শান্তি পরিষদ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবকে কী উপাধিতে ভূষিত করেন?
বিশ্ব শান্তি পরিষদ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবকে কী উপাধিতে ভূষিত করেন?
নোবেল পদক
ম্যাগাসাস পদক
জুলিও কুরি পদক
মাদাম কুরি পদক
দ্বিবার্ষিক পরিকল্পনার প্রধান লক্ষ্য কী ছিল?
দ্বিবার্ষিক পরিকল্পনার প্রধান লক্ষ্য কী ছিল?
দারিদ্র্য বিমোচন
শিক্ষার হার বৃদ্ধি
জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ
সশস্ত্রবাহিনী গঠন
বাংলাদেশ গণপরিষদ আদেশ কখন জারি হয়?
বাংলাদেশ গণপরিষদ আদেশ কখন জারি হয়?
১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি
১৯৭২ সালের ১১ জানুয়ারি
১৯৭২ সালের ২৩ মার্চ
১৯৭২ সালের ১০ এপ্রিল
ড. ফখরুদ্দিন আহমদ সেনাবাহিনীর সমর্থন নিয়ে কখন তত্ত্বাবধায়ক সরকার প্রধান হন?
ড. ফখরুদ্দিন আহমদ সেনাবাহিনীর সমর্থন নিয়ে কখন তত্ত্বাবধায়ক সরকার প্রধান হন?
১০ জানুয়ারি ২০০৭
১১ জানুয়ারি ২০০৭
১২ জানুয়ারি ২০০৭
১৩ জানুয়ারি ২০০৭
কত তারিখে ইয়াহিয়া খান জাতীয় পরিষদের অধিবেশন স্থগিত করে?
কত তারিখে ইয়াহিয়া খান জাতীয় পরিষদের অধিবেশন স্থগিত করে?
১ মার্চ ১৯৭১
১ এপ্রিল ১৯৭১
১ মে ১৯৭১
১ জুন ১৯৭১
গণপরিষদের নেতৃত্বে কে খসড়া সংবিধান প্রণয়ন কমিটি গঠন করেন?
গণপরিষদের নেতৃত্বে কে খসড়া সংবিধান প্রণয়ন কমিটি গঠন করেন?
ড. কামাল হোসেন
তাজউদ্দীন আহমদ
ড. আব্দুল হোসেন
মোজাফফর আহমদ
সংবিধান গণপরিষদে গৃহীত হয় কবে?
সংবিধান গণপরিষদে গৃহীত হয় কবে?
১২ অক্টোবর ১৯৭২
৪ নভেম্বর ১৯৭২
১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২
২৫ মার্চ ১৯৭২
পূর্ব বাংলার জনগণ ১৯৭০ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগকে স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভোট দেয় কেন?
পূর্ব বাংলার জনগণ ১৯৭০ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগকে স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভোট দেয় কেন?
দেশীয় রাজনৈতিক দল বলে
শোষণ থেকে মুক্তি লাভের আশায়
মাতৃভাষায় সকলে কথা বলে তাই
শেখ মুজিবুর রহমানের মুক্তির জন্য
অসহযোগ আন্দোলনের ডাক দেন কে?
অসহযোগ আন্দোলনের ডাক দেন কে?
শেখ মুজিবুর রহমান
এ. কে. ফজলুল হক
মওলানা ভাসানী
তাজউদ্দীন আহমদ
বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো সামরিক শাসনের অবসান ঘটে কত সালে?
বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো সামরিক শাসনের অবসান ঘটে কত সালে?
১৯৭৫ সালে
১৯৭৯ সালে
১৯৮৬ সালে
১৯৯১ সালে
‘প্রত্যেক ঘরে ঘরে দুর্গ গড়ে তোলো’—উক্তিটির মাধ্যমে কী প্রকাশ পেয়েছে?
‘প্রত্যেক ঘরে ঘরে দুর্গ গড়ে তোলো’—উক্তিটির মাধ্যমে কী প্রকাশ পেয়েছে?
স্বাধীনতার ঘোষণা
যুদ্ধের ডাক
ঘরকে শক্ত করার নির্দেশনা
স্বাধীনতার পূর্ব প্রস্তুতি
‘এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম’—উক্তিটিতে ফুটে উঠেছে?
‘এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম’—উক্তিটিতে ফুটে উঠেছে?
স্বাধীনতার ডাক
সংগ্রামী হওয়ার ডাক
মানুষের প্রতি আহ্বান
দৃঢ় মনোভাব
কত তারিখে শেখ মুজিবুর রহমান বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন?
কত তারিখে শেখ মুজিবুর রহমান বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন?
২৫ মার্চ প্রথম প্রহরে
২৫ মার্চ সকালে
২৬ মার্চ প্রথম প্রহরে
২৬ মার্চ সকালে
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে কোন সরকার গঠন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ?
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে কোন সরকার গঠন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ?
মুজিব সরকার
আওয়ামী লীগ সরকার
মুজিবনগর সরকার
পূর্ব পাকিস্তান সরকার


