Uddoyon
  • হোম
  • একাডেমি
  • সাধারণ
  • একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি
  • হিটলার ও মুসোলিনীর উত্থান
হিটলার ও মুসোলিনীর উত্থান

পাঠ্যবিষয় ও অধ্যায়ভিত্তিক একাডেমিক প্রস্তুতির জন্য আমাদের উন্মুক্ত শিক্ষায় অংশগ্রহণ করুন।

ফিরে যান
একনায়ক হিটলার

হিটলার ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হয়ে জার্মানির সর্বত্র একচ্ছত্র কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা করেন। ১৯৩৪ খ্রিষ্টাব্দের ২৪শে জুলাই নাৎসি দল ছাড়া সকল রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়। একটি ট্রেড ইউনিয়ন ছাড়া সকল ট্রেড ইউনিয়ন নিষিদ্ধ করা হয়। ভাইমার প্রজাতন্ত্রের সংবিধান কার্যত রহিত করা হয়। আইনসভার অনুমোদন ছাড়াই আইন প্রণয়ন ও শাসনকার্য পরিচালনা করা শুরু হয়। প্রাদেশিক পরিষদ বিলুপ্ত করে এককেন্দ্রিক শাসন কাঠামো গড়ে তোলা হয়। দেশের সংবাদপত্র, বেতার, শিক্ষাসহ সকল প্রতিষ্ঠানের অধিকার কেড়ে নেওয়া হয়। যেকোনো সময় দেশের যেকোনো নাগরিককে গ্রেফতার ও বিনাবিচারে আটক সাধারণ ব্যাপারে পরিণত হয়। রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করার জন্য বন্দিশিবির খোলা হয়। ১৯৩৪ খ্রিষ্টাব্দের ৩০শে জুন রাতে বার্লিন, ব্রেসলাউ, মিউনিখসহ বিভিন্ন শহরে হিটলারের বিরুদ্ধে অভ্যুত্থান ঘটানোর অভিযোগ এনে এক হাজারেরও বেশি লোককে হত্যা করা হয়। হিটলারবিরোধী কোনো শিক্ষিত মানুষের পক্ষে জার্মানিতে বসবাস করা কঠিন হয়ে পড়ে। জার্মান বিজ্ঞানী ও সংস্কৃতিসেবীদের অনেকে দেশত্যাগে বাধ্য হন। আইনস্টাইন, হেনরিখ, টমাস মান্নি, ফিখটওয়ার, নগার, ব্রেখট ও ওয়েনবার্টসহ অনেকেই পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে পাড়ি জমান।

নাৎসি বাহিনী শুধু শক্তি প্রয়োগের মাধ্যমে ক্ষমতায় ছিল তা নয়, নাৎসিবাদ জার্মানিতে এক সর্বগ্রাসী সামাজিক বিশ্বাসে পরিণত হয়। দেশের প্রচারপত্র, পত্র-পত্রিকা, শিক্ষাব্যবস্থা ইত্যাদি নাৎসি ভাবধারা মানুষের মনে জাগ্রত করতে সহায়তা করে। জার্মান যুবসমাজের মাথায় এমনভাবে আর্যবর্ণের শ্রেষ্ঠত্ব ঢুকিয়ে দেওয়া হয় যে, তারা ভাবতে শুরু করে তারাই শ্রেষ্ঠ জাতি, শ্রেষ্ঠ রক্ত। হিটলারের 'আমার সংগ্রাম' গ্রন্থকে জার্মানরা বাইবেলের মতো বিশ্বাসযোগ্য বলে মনে করতে থাকে। জার্মানিতে সর্বত্র উচ্চারিত হতে থাকে হাই হিটলার, হাই হিটলার।

ভাইমার প্রজাতন্ত্রের অবক্ষয়ের মধ্যে হিটলার ও নাৎসিদের উত্থান নিহিত। ভার্সাই সন্ধি ও বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক মন্দার ফলে জার্মানির জাতীয় জীবনে সৃষ্ট অর্থনৈতিক সংকট ও জার্মান জাতির প্রজাতান্ত্রিক শাসনের প্রতি আনুগত্যহীনতা যেমন ভাইমার প্রজাতন্ত্রের পতনের পেছনে কাজ করেছিল, তেমনি এগুলোর বিপরীতে হিটলারের নানামুখী কর্মকাণ্ড তার উত্থানে সাহায্য করে।

হিটলার ও মুসোলিনীর উত্থান - অন্যান্য প্রশ্ন
হ্যারি এস. ট্রুম্যান ১৮৮৪-১৯৭২ খ্রিষ্টাব্দ (Harry S. Truman 1884-1972)
রবার্ট ওপেনহেইমার ১৯০৪-১৯৬৭ খ্রিষ্টাব্দ (Robert Openheimer 1904-1967)
প্রথম বিশ্বযুদ্ধ-পরবর্তী জার্মানি
হিটলারের ক্ষমতা দখল
জার্মানিতে হিটলারের উত্থানের কারণ
একনায়ক হিটলার
প্রথম বিশ্বযুদ্ধ-পরবর্তী ইতালি
মুসোলিনির ক্ষমতা দখল
ইতালিতে ফ্যাসিবাদের উত্থানের কারণ
মুসোলিনির একনায়কতন্ত্র প্রতিষ্ঠা
মুসোলিনির নেতৃত্বে ইতালির অভ্যন্তরীণ পুনর্গঠন
হিটলার ও মুসোলিনির কর্মকাণ্ডের তুলনা
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ
বিশ্বযুদ্ধের কারণসমূহ
প্রত্যক্ষ কারণ
অক্ষশক্তি চুক্তি Axis Power Treaty
মিত্রশক্তি জোট Allied Force
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ সৃষ্টির জন্য হিটলারের দায়িত্ব
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ঘটনাপ্রবাহ (ইউরোপের প্রথম রণাঙ্গন)
জার্মানির সোভিয়েত ইউনিয়ন আক্রমণ
জাপান কর্তৃক পার্ল হারবার আক্রমণ
ইউরোপে মিত্রশক্তির দ্বিতীয় রণাঙ্গন
ইতালির আত্মসমর্পণ
জার্মানির আত্মসমর্পণ
জাপানের আত্মসমর্পণ (হিরোশিমা ও নাগাসাকিতে বোমাবর্ষণ)
নিষ্ঠুরতার হলোকাস্ট
লিটল বয়
ফ্যাট ম্যান
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জার্মানির পরাজয়ের কারণ
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ফলাফল

সম্পর্কিত বহুনির্বচনী প্রশ্ন সমূহ

ভাইমার প্রজাতন্ত্রের প্রথম প্রেসিডেন্টের নাম কী?

স্ট্রেসিম্যান
ফ্রেডারিক ইবার্ট
ইমানুয়েল
হিন্ডেনবার্গ

ফ্যাসিবাদ হলো-

একটি সাম্যবাদী দর্শন
একটি ধর্মীয় বিশ্বাস
একটি স্বতন্ত্র বিশ্বাস
একটি রাজনৈতিক বিশ্বাস

মি. ফক্সের অনুরূপ চরিত্র নিচের কোনটি?

স্ট্যালিন
মুসোলিনি
চার্চিল
অ্যাডলফ হিটলার

Fascio কোন ভাষার শব্দ?

রোমান
ইতালীয়
হিব্রু
ল্যাটিন

মুসোলিনির জন্ম ইতালির-

পূর্বে
পশ্চিমের
উত্তর
দক্ষিণে

উদ্দীপকে ইঙ্গিতপূর্ণ মহাসমর কোনটি?

প্রথম বিশ্বযুদ্ধ
জাটল্যান্ডের যুদ্ধ
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ
স্নায়ুযুদ্ধ

জার্মানির রুহর অঞ্চলটি ছিল-

কৃষিপ্রধান
শিল্পপ্রধান
নদীবন্দর
সমুদ্রবন্দর

জার্মানি ও ফ্রান্সের সীমানা নির্ধারিত হয় কোন চুক্তির দ্বারা?

ভার্সাই চুক্তি
লোকার্নো চুক্তি
রুহর চুক্তি
ভার্সাই সন্ধি

জার্মান শিল্পপতিদের মধ্যে কমিউনিজমভীতির জন্ম নেয় কেন?

ভার্সাই চুক্তির ফলে
র‍্যাপাল্লোর চুক্তির ফলে
লোকার্নো চুক্তির ফলে
ক্ষতিপূরণ কমিশন গঠনের ফলে