- হোম
- একাডেমি
- সাধারণ
- একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি
- পাকিস্তান থেকে বাংলাদেশ
পাঠ্যবিষয় ও অধ্যায়ভিত্তিক একাডেমিক প্রস্তুতির জন্য আমাদের উন্মুক্ত শিক্ষায় অংশগ্রহণ করুন।
পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার সঙ্গে সঙ্গে পূর্ব বাংলার সচিবালয় থেকে শুরু করে তৎকালীন মহকুমা পর্যন্ত উচ্চমানের সকল পদে উর্দুভাষী পশ্চিম পাকিস্তানি অফিসারবৃন্দ আসীন হন। কেন্দ্রীয় প্রশাসনে তাদের একচ্ছত্র আধিপত্য তো ছিলই। তথ্যসূত্রে দেখা যায়, ১৯৫৫ সালে পাকিস্তানের ১৯ জন উচ্চপদস্থ সচিবের মধ্যে একজনও বাঙালি ছিল না। ৪১ জন যুগ্মসচিবের মধ্যে মাত্র ৩ জন ছিলেন বাঙালি বাকি ৩৮ জন ছিলেন পশ্চিম পাকিস্তানি। ৫৪৮ জন আন্ডার-সেক্রেটারির মধ্যে ৩৮. জন ছিলেন বাঙালি বাকি ৫১০ জন ছিলেন পশ্চিম পাকিস্তানি।
সারণি থেকে বেসামরিক প্রশাসনে পূর্ব পাকিস্তান ও পশ্চিম পাকিস্তানের মধ্যে বৈষম্যের চেহারা আরও স্পষ্ট হয়ে ওঠে:
বছর | পদ/চাকরি | পূর্ব পাকিস্তান | পশ্চিম পাকিস্তান |
১৯৬৭-৬৮ | পুলিশ সার্ভিস অব পাকিস্তান (PSP) | ৮২ | ১২৮ |
” | সিভিল সার্ভিস অব পাকিস্তান (CSP) | ১৮৬ | ৩২৬ |
” | পাকিস্তানি ট্যাক্সেশন সার্ভিস (PTS) | ৮৬ | ১৪১ |
” | পাকিস্তান কাস্টমস অ্যান্ড এক্সাইস সার্ভিস (PCAS) | ৪০ | ৭৬ |
” | পাকিস্তান রেলওয়ে একাউন্টস সার্ভিস (PRAS) | ২০ | ৩৬ |
” | পাকিস্তান অডিট অ্যান্ড একাউন্টস সার্ভিস (PAAS) | 88 | ৯৫ |
” | পাকিস্তান মিলিটারি একাউন্টস সার্ভিস (PMAS) | ১৮ | ৫০ |
” | পাকিস্তান সেন্ট্রাল ইনফরমেশন সার্ভিস (CISP) | ১৯ | ৪৯ |
[উৎস: Budget Discussion in the National Assembly of Pakistan, June 18, 1968 & The Pakistan of server June 19, 1964]
সামরিক ক্ষেত্রে এই বৈষম্য ছিল আরও ভয়াবহ। সামরিক বাহিনীতে সামান্য কিছু নিম্নতর অফিসার ছিলেন বাঙালি এবং সৈনিকদের মধ্যেও বাঙালিদের সংখ্যা ছিল খুবই সামান্য। স্থল, নৌ ও বিমান বাহিনীতে বাঙালিদের প্রতিনিধিত্ব ছিল শতকরা যথাক্রমে ৫, ১০ ও ১৬ ভাগ। সামরিক খাতে ১৯৪৭-৬৯ সালে মোট ব্যয় করা হয়েছিল ২৪২৪ কোটি টাকা। এর মধ্যে পশ্চিম পাকিস্তানের জন্য ব্যয় করা হয়েছিল ২২০০ কোটি টাকা এবং পূর্ব পাকিস্তানের জন্য মাত্র ২২৪ কোটি টাকা। একই সময় সেনাবাহিনীর ৯০৮ জন অফিসারের মধ্যে মাত্র ১৪ জন ছিলেন বাঙালি বাকি সব পশ্চিম পাকিস্তানি। নৌ ও বিমান বাহিনীতেও বাঙালিদের অবস্থা এর ভিন্ন কিছু ছিল না। এটা ঠিক যে, ঐতিহাসিক কারণে সামরিক বাহিনী ও বেসামরিক আমলাদের মধ্যে বাঙালিদের সংখ্যা ছিল খুবই নগণ্য। তাছাড়া পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার পর শাসকগোষ্ঠী এ অবস্থার পরিবর্তনে নজর না দিয়ে বরং বৈষম্যমূলক নীতি অব্যাহত রাখে।
সম্পর্কিত বহুনির্বচনী প্রশ্ন সমূহ
১৯৫৮ সালে পাকিস্তানে কে প্রথম সামরিক আইন জারি করেন?
১৯৫৮ সালে পাকিস্তানে কে প্রথম সামরিক আইন জারি করেন?
আইয়ুব খান
ইয়াহিয়া খান
লিয়াকত আলী খান
ইস্কান্দার মির্জা
মুজিবনগর সরকারের প্রধানমন্ত্রী কে ছিলেন?
মুজিবনগর সরকারের প্রধানমন্ত্রী কে ছিলেন?
সৈয়দ নজরুল ইসলাম
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
তাজউদ্দিন আহমদ
এম. মনসুর আলী
মুজিবনগর সরকারের রাষ্ট্রপতি কে ছিলেন?
মুজিবনগর সরকারের রাষ্ট্রপতি কে ছিলেন?
সৈয়দ নজরুল ইসলাম
তাজউদ্দিন আহমদ
এ.এইচ.এম. কামারুজ্জামান
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
কোন ঘটনার মাধ্যমে আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার সব আসামি মুক্তি পান?
কোন ঘটনার মাধ্যমে আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার সব আসামি মুক্তি পান?
১৯৬৬-এর ছয়-দফা
১৯৬৯-এর গণঅভ্যুত্থান
১৯৭০ সালের নির্বাচন
১৯৭১-এর মুক্তিযুদ্ধ
আইনগত কাঠামো আদেশ অনুযায়ী জাতীয় পরিষদ গঠনের পর ১২০ দিনের সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছিল কেন?
আইনগত কাঠামো আদেশ অনুযায়ী জাতীয় পরিষদ গঠনের পর ১২০ দিনের সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছিল কেন?
নির্বাচনের জন্য
সরকার গঠনের জন্য
সংবিধান রচনার জন্য
ভোটাধিকার প্রয়োগের জন্য
শেখ মুজিবুর রহমানকে "বঙ্গবন্ধু" উপাধিতে ভূষিত করা হয় কবে?
শেখ মুজিবুর রহমানকে "বঙ্গবন্ধু" উপাধিতে ভূষিত করা হয় কবে?
১৯৬৯ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি
১৯৬৯ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি
১৯৬৯ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি
১৯৬৯ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে কতজন পাকিস্তানি সৈন্য আত্মসমর্পণ করেছিল?
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে কতজন পাকিস্তানি সৈন্য আত্মসমর্পণ করেছিল?
৯০ হাজার
৯১ হাজার
৯২ হাজার
৯৩ হাজার


