- হোম
- একাডেমি
- সাধারণ
- একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি
- পৌরনীতি ও সুশাসন পরিচিতি
পাঠ্যবিষয় ও অধ্যায়ভিত্তিক একাডেমিক প্রস্তুতির জন্য আমাদের উন্মুক্ত শিক্ষায় অংশগ্রহণ করুন।
বর্তমান বিশ্বের অন্যতম আলোচিত বিষয় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি। শিল্প বিপ্লব (Industry Revolution)-এর পর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির উন্নয়ন পৃথিবীতে একটি উল্লেখযোগ্য ঘটনা।
পৌরনীতি ও সুশাসনের সাথে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির সম্পর্ক ঘনিষ্ঠ ও নিবিড়। পৌরনীতি মূলত নাগরিকতা বিষয়ক বিজ্ঞান। নাগরিক হিসেবে মানুষের কার্যাবলি পর্যালোচনা করা এর অন্যতম প্রধান কাজ। পৌরনীতি নাগরিকদের দায়িত্ব ও কর্তব্য, অধিকার, দেশপ্রেম প্রভৃতি বিষয় নিয়ে আলোচনা করে। আর সুশাসন নাগরিকের উত্তম ও পূর্ণাঙ্গ জীবন প্রতিষ্ঠা করার জন্য অপরিহার্য। সুশাসন হলো উন্নয়নের গতি দ্রুততর করার প্রক্রিয়া যাতে সংখ্যাগরিষ্ঠ নাগরিকদের জীবনযাত্রার উৎকর্ষতা বৃদ্ধি পায়।
পাশাপাশি তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি নাগরিক জীবনের ব্যাপক পরিবর্তন এনেছে। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি একদিকে যেমন সরকারি সেবা দ্রুত নাগরিকদের নিকট পৌঁছে দিচ্ছে, অন্যদিকে দুর্নীতি হ্রাস করে সুশাসন প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বর্তমান বিশ্বের সকল প্রকার উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের মূল হাতিয়ার। যে দেশের নাগরিকগণ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিতে যত বেশি দক্ষ, তাদের সার্বিক অবস্থাও তত বেশি উন্নত। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির ক্ষেত্রে ব্যাপক উন্নতির ফলে গোটা বিশ্ব আজ একটি 'বিশ্বগ্রাম' (A Global Village)-এ পরিণত হয়েছে। তাই তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির সম্ভাব্য সর্বোচ্চ বিকাশের মাধ্যমে নাগরিকদের মানবসম্পদে পরিণত করতে হবে।
পৌরনীতি ও সুশাসনের সাথে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির সম্পর্ক পারস্পরিক নির্ভরশীলতা এবং পরিপূরকের। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির কল্যাণে রাষ্ট্রের নাগরিকগণ আজ বিশ্ব নাগরিক হিসেবে নিজেকে ভাবতে পারছে। নারীর ক্ষমতায়ন, বিজ্ঞানের বিভিন্ন আধুনিক সুবিধা গ্রহণে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি স্থানীয়, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক স্তরে আধুনিক উন্নয়ন কাজ জনগোষ্ঠীকে এক কাতারে শামিল করেছে। এতে ত্বরান্বিত হচ্ছে সভ্যতার উন্নয়ন, মানুষের কল্যাণ। পৌরনীতি ও সুশাসন মানবকল্যাণে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা, সুনাগরিক সৃষ্টিসহ নানা ক্ষেত্রে অবদান রাখছে। তাই মানবকল্যাণে এ দুটি বিষয় একে অপরের পরিপূরক হয়ে কাজ করছে নিরস্তরভাবে।
তবে পৌরনীতি ও সুশাসনের সাথে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির সংজ্ঞাগত পার্থক্য রয়েছে। যেমন- পৌরনীতি ও সুশাসন হলো নাগরিকদের কার্যাবলি ও আচরণ সংক্রান্ত বিজ্ঞান; যা নাগরিকের দায়িত্ব ও কর্তব্য, সরকারের স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা, দায়িত্বশীলতা ইত্যাদি নিয়ে আলোচনা করে। অপরদিকে, তথ্য সংরক্ষণ, প্রক্রিয়াকরণ, ব্যবস্থাপনা এবং বিতরণের জন্য ব্যবহৃত প্রক্রিয়া ও পদ্ধতির সমন্বয়কে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বলা হয়।
সম্পর্কিত বহুনির্বচনী প্রশ্ন সমূহ
উন্নত প্রশাসনের প্রকৃতি বিচারে নিচের কোন বিষয়টির ভূমিকা বেশি?
উন্নত প্রশাসনের প্রকৃতি বিচারে নিচের কোন বিষয়টির ভূমিকা বেশি?
নীতিবিদ্যা
লোক প্রশাসন
পৌরনীতি ও সুশাসন
মনোবিজ্ঞান
প্রাচীন গ্রিসে কী ধরনের রাষ্ট্রব্যবস্থা বিদ্যমান ছিল?
প্রাচীন গ্রিসে কী ধরনের রাষ্ট্রব্যবস্থা বিদ্যমান ছিল?
যুক্তরাষ্ট্রীয়
সাম্রাজ্যভিত্তিক রাষ্ট্র
নগর রাষ্ট্র
জাতীয় রাষ্ট্র
'Civis' ও 'Civitas' শব্দের অর্থ কী?
'Civis' ও 'Civitas' শব্দের অর্থ কী?
নাগরিক ও রাষ্ট্র
জাতীয় রাষ্ট্র ও নাগরিক
নগর রাষ্ট্র ও নাগরিক
নাগরিক ও নগর রাষ্ট্র
"ইতিহাস ব্যতীত রাষ্ট্রবিজ্ঞান বা পৌরনীতি ভিত্তিহীন এবং রাষ্ট্রবিজ্ঞান বা পৌরনীতি ব্যতীত ইতিহাস মূল্যহীন"-উক্তিটি কার?
"ইতিহাস ব্যতীত রাষ্ট্রবিজ্ঞান বা পৌরনীতি ভিত্তিহীন এবং রাষ্ট্রবিজ্ঞান বা পৌরনীতি ব্যতীত ইতিহাস মূল্যহীন"-উক্তিটি কার?
লর্ড অ্যাকটন
অধ্যাপক লাস্কি
অধ্যাপক সিলি
অধ্যাপক ফাইনার
নারী ও নারীর প্রতি বৈষম্য দূরীকরণে কাজ করে কোনটি?
নারী ও নারীর প্রতি বৈষম্য দূরীকরণে কাজ করে কোনটি?
পৌরনীতি ও সুশাসন
হিউম্যান রাইটস ও জেন্ডার স্টাডিজ
তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি
অর্থনীতি
'পৌরনীতি ও সুশাসন'-এর আলোচ্য বিষয় কোনটি?
'পৌরনীতি ও সুশাসন'-এর আলোচ্য বিষয় কোনটি?
জনগণের সেবামূলক কার্যাবলি
নাগরিক জীবনের বাস্তবতা
জনস্বাস্থ্য বিষয়ক আলোচনা
বিভিন্ন নাগরিক অধিকার
আধুনিক রাষ্ট্র ব্যবস্থার প্রকৃতি কী?
আধুনিক রাষ্ট্র ব্যবস্থার প্রকৃতি কী?
বিশ্ব রাষ্ট্র
নগর রাষ্ট্র
সাম্রাজ্যবাদী রাষ্ট্র
জাতীয় রাষ্ট্র


