Uddoyon
  • হোম
  • একাডেমি
  • সাধারণ
  • নবম-দশম শ্রেণি
  • আকাইদ ও নৈতিক জীবন
আকাইদ ও নৈতিক জীবন

পাঠ্যবিষয় ও অধ্যায়ভিত্তিক একাডেমিক প্রস্তুতির জন্য আমাদের উন্মুক্ত শিক্ষায় অংশগ্রহণ করুন।

ফিরে যান
আখিরাতের কয়েকটি স্তর

আখিরাত হলো পরকাল। মৃত্যু পরবর্তী জীবনকে আখিরাত বলে। এ জীবন চিরস্থায়ী ও অনন্ত। এ জীবনের কোনো শেষ নেই । আখিরাত বা পরকালের বেশ কয়েকটি স্তর বা পর্যায় রয়েছে। এ পাঠে আমরা সংক্ষেপে আখিরাতের বিভিন্ন স্তর বা পর্যায় সম্পর্কে জানব ।

ক. মৃত্যু

আখিরাত বা পরকালীন জীবনের শুরু হয় মৃত্যুর মাধ্যমে। সুতরাং মৃত্যু হলো পরকালের প্রবেশদ্বার। আল্লাহ তায়ালা সকল প্রাণীর মৃত্যু নির্ধারণ করে রেখেছেন। তিনি বলেন-

كُلُّ نَفْسٍ ذَائِقَةُ الْمَوْتِ

অর্থ : “প্রত্যেক প্রাণীকেই মৃত্যুর স্বাদ গ্রহণ করতে হবে। ” (সূরা আলে ইমরান, আয়াত ১৮৫)

দুনিয়ার কোনো প্রাণীই মৃত্যুর হাত থেকে রেহাই পাবে না। ছোট-বড়, ধনী-দরিদ্র, সুস্থ-অসুস্থ, শাসক- শাসিত কেউই মৃত্যুকে এড়াতে পারবে না। যত বড় ক্ষমতাধারীই হোক আর যত সুরক্ষিত স্থানে বসবাস করুক সবার নির্দিষ্ট সময়ে মৃত্যু হবেই । এছাড়াও অন্যান্য প্রাণীরও মৃত্যু অনিবার্য । আল্লাহ তায়ালা বলেন-

أَيْنَ مَا تَكُونُوا يُدْرِكُكُمُ الْمَوْتُ وَلَوْ كُنْتُمْ فِي بُرُوجٍ مُّشَيَّدَةٍ

অর্থ : “তোমরা যেখানেই থাক না কেন মৃত্যু তোমাদের নাগাল পাবেই, এমনকি সুউচ্চ সুদৃঢ় দুর্গে অবস্থান করলেও।” (সূরা আন-নিসা, আয়াত ৭৮)

মৃত্যুর সাথে সাথে আখিরাতের জীবন শুরু হয় । পুণ্যবান মানুষের মৃত্যু হয় আল্লাহ তায়ালার রহমতের সাথে । আর পাপীদের মৃত্যু খুব কষ্টকর হয় ।

খ. কবর

মৃত্যুর পর থেকে পুনরুত্থান পর্যন্ত সময়কে কবরের জীবন বলা হয়। এর অপর নাম বারযাখ । এ প্রসঙ্গে আল্লাহ তায়ালা বলেন-

وَمِنْ وَرَائِهِمْ بَرْزَخٌ إِلَى يَوْمِ يُبْعَثُونَ

অর্থ : “আর তাদের সামনে বারযাখ থাকবে পুনরুত্থান দিবস পর্যন্ত।” (সুরা আল-মুমিনুন, আয়াত ১০০)

দুনিয়াতে মানুষকে মৃত্যুর পর কবরস্থ করা হয়। এসময় মুনকার-নাকির নামক দুজন ফেরেশতা কবরে আসেন। তাঁরা মৃত ব্যক্তিকে তিনটি প্রশ্ন করেন। এগুলো হলো-

  • তোমার রব কে ?
  • তোমার দীন কী?
  • তোমার নবি কে? অথবা (রাসুল (স.) এর প্রতি ইঙ্গিত করে বলা হয়) এই ব্যক্তি কে?

যাদের কবর দেওয়া হয় না তাদেরও এ প্রশ্ন করা হবে। দুনিয়াতে যারা ইসলাম অনুসারে জীবন পরিচালনা করবে তারা এ প্রশ্নগুলোর সঠিক উত্তর দিতে পারবে। তাদের জন্য কবরের জীবন হবে শান্তিময়। আর যারা ইসলাম অনুসরণ করবে না তারা এসব প্রশ্নের জবাব দিতে পারবে না। তারা বলবে, 'আফসোস! আমি জানি না।' কবরের জীবনে তারা কঠোর শাস্তি ভোগ করবে।

গ. কিয়ামত

আকাইদ শাস্ত্রে কিয়ামত বলতে দুটি অবস্থাকে বোঝানো হয়।

প্রথমত : কিয়ামত অর্থ মহাপ্রলয়। আল্লাহ তায়ালা এ গোটা বিশ্ব মানুষের জন্য সৃষ্টি করেছেন। আর মানুষকে তাঁর ইবাদত করার জন্য সৃষ্টি করেছেন । কিন্তু এমন একদিন আসবে যখন গোটা বিশ্বে মহান আল্লাহর ইবাদত করার মতো কেউ থাকবে না। এমনকি আল্লাহ নাম নেওয়ার মতোও কাউকে পাওয়া যাবে না । সকল মানুষ গোমরাহি ও নাফরমানিতে লিপ্ত হয়ে পড়বে। সেসময় আল্লাহ তায়ালা এ পৃথিবী ধ্বংস করে দেবেন। তাঁর নির্দেশে হযরত ইসরাফিল (আ.) শিঙ্গায় ফুঁক দেবেন। ফলে চন্দ্র-সূর্য ও তারকারাজি খসে পড়বে, পাহাড় পর্বত তুলার ন্যায় উড়তে থাকবে, ভূগর্ভস্থ সবকিছু বের হয়ে যাবে, সকল প্রাণী মৃত্যু বরণ করবে এবং গোটা পৃথিবী ধ্বংস হয়ে যাবে। এ সময় শুধু আল্লাহ তায়ালা থাকবেন । আর কেউ বিদ্যমান থাকবে না । পৃথিবী ধ্বংসের এ মহাপ্রলয়ের নাম কিয়ামত ।

দ্বিতীয়ত : কিয়ামতের অন্য অর্থ দাঁড়ানো। পৃথিবী ধ্বংসের বহুদিন পর আল্লাহ তায়ালা আবার সকল জীব ও প্রাণীকে জীবিত করবেন। আল্লাহর নির্দেশে ইসরাফিল (আ.) পুনরায় শিঙ্গায় ফুঁক দেবেন। তখন মানুষ পুনরায় জীবিত হয়ে কবর থেকে উঠে হাশরের ময়দানে হিসাব নিকাশের জন্য সমবেত হবে। ঐ সময়ে কবর থেকে উঠে দাঁড়ানোকে বলা হয় কিয়ামত। একে ইয়াওমুল' বা 'আছ' বা পুনরুত্থান দিবসও বলা হয় । কিয়ামতের এ উভয়বিধ অবস্থা প্রসঙ্গে আল্লাহ তায়ালা বলেন-

وَنُفِخَ فِي الصُّورِ فَصَعِقَ مَنْ فِي السَّمَوَاتِ وَمَنْ فِي الْأَرْضِ إِلَّا مَنْ شَاءَ اللَّهُ ثُمَّ نُفِخَ فِيْهِ أُخْرَى فَإِذَا هُمْ قِيَامٌ
ينظُرُونَ

অর্থ : “আর শিঙ্গায় ফুঁক দেওয়া হবে। ফলে যাদের আল্লাহ ইচ্ছা করেন তারা ব্যতীত আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবীর সকলেই মূর্ছিত হয়ে পড়বে। অতঃপর আবার শিঙ্গায় ফুঁক দেওয়া হবে, তখনই তারা দণ্ডায়মান হয়ে তাকাতে থাকবে।” (সূরা আয্-যুমার, আয়াত ৬৮)

ঘ. হাশর

হাশর হলো মহাসমাবেশ। আল্লাহ্ তায়ালার নির্দেশে সকল মানুষ ও প্রাণীকুল মৃত্যুর পর পুনরায় জীবিত হবে। সকলেই সেদিন একজন আহবানকারী ফেরেশতার ডাকে হাশরের ময়দানে সমবেত হবে। এ ময়দান বিশাল ও সুবিন্যস্ত। পৃথিবীর প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত সকল মানুষই সেদিন এ মাঠে একত্রিত হবে। মানুষের এ মহাসমাবেশকেই হাশর বলা হয় ।
হাশরের ময়দান হলো হিসাব নিকাশের দিন, জবাবদিহির দিন। এদিন আল্লাহ্ তায়ালা হবেন একমাত্র বিচারক। আল্লাহ্ তায়ালা বলেন-

ملِكِ يَوْمِ الدِّينِ :

অর্থ : “তিনি (আল্লাহ) বিচার দিবসের মালিক।” (সুরা আল-ফাতিহা, আয়াত ৩)

সেদিন সকল মানুষের সমস্ত কাজকর্মের হিসাব নেওয়া হবে। হাশরের ময়দানে মানুষের আমলনামা দেওয়া হবে । যাঁরা পুণ্যবান তারা ডান হাতে আমলনামা লাভ করবেন । আর পাপীরা বাম হাতে আমলনামা পাবে ।

হাশরের ময়দান ভীষণ কষ্টের স্থান। সেদিন সূর্য মাথার উপর একেবারে নিকটে থাকবে । মানুষ প্রচণ্ড তাপে ঘামতে থাকবে । সেদিন আল্লাহ্ তায়ালার আরশের ছায়া ব্যতীত আর কোনো ছায়া থাকবে না । সাত শ্রেণির লোক সেদিন আরশের ছায়াতলে স্থান পাবে। এদের মধ্যে একশ্রেণি হলো সেসব ব্যক্তি যে যৌবনকালে আল্লাহর ইবাদত করেছে। হাশরের ময়দানে পানীয় জলের কোনো ব্যবস্থা থাকবে না। একমাত্র হাউজে কাউছারের পানি থাকবে। আমাদের প্রিয়নবি হযরত মুহাম্মদ (স.) সেদিন তাঁর খাটি উম্মতগণকে হাউজে কাউছার থেকে পানি পান করাবেন। পাপীরা সেদিন তৃষ্ণায় নিদারুণ কষ্ট ভোগ করবে ।

বস্তুত পুণ্যবানগণ হাশরের ময়দানে নানাবিধ সুবিধাজনক স্থান লাভে ধন্য হবেন। পক্ষান্তরে পাপীরা হাশরের ময়দানেই কঠোর শাস্তি ভোগ করবে ।

ঙ. মিযান

মিযান অর্থ পরিমাপক যন্ত্র বা দাঁড়িপাল্লা । হাশরের ময়দানে মানুষের আমলসমূহ ওজন করার জন্য আল্লাহ তায়ালা যে পাল্লা প্রতিষ্ঠা করবেন তাকে মিযান বলা হয়। আল্লাহ্ তায়ালা বলেন-

وَنَضْحُ الْمَوَازِينَ الْقِسْطَ لِيَوْمِ الْقِيمَةِ

অর্থ : “আর আমি কিয়ামতের দিন ন্যায়বিচারের মানদণ্ড স্থাপন করব।” (সুরা আল-আম্বিয়া, আয়াত ৪৭ )

মিযানের পাল্লায় মানুষের পাপ পুণ্য ওজন করা হবে। যার পুণ্যের পাল্লা ভারী হবে সে জান্নাতে প্রবেশ করবে । আর যার পাপের পাল্লা ভারী হবে সে হবে জাহান্নামি ।

চ. সিরাত

সিরাত এর শাব্দিক অর্থ পথ, রাস্তা, পুল, সেতু ইত্যাদি। ইসলামি শরিয়তের ভাষায় সিরাত হলো হাশরের ময়দান হতে জান্নাত পর্যন্ত জাহান্নামের উপর দিয়ে চলমান একটি উড়াল সেতু। (তিরমিযি)। এ সেতু পার হয়ে নেক আমলকারী বান্দা জান্নাতে প্রবেশ করবেন। আখিরাতে সকল মানুষকেই এ সেতুতে আরোহণ করে তা অতিক্রম করতে হবে। সিরাত সম্পর্কে পবিত্র কুরআনে মহান আল্লাহ বলেন, “এবং তোমাদের প্রত্যেকেই তা অতিক্রম করবে, এটা তোমার প্রতিপালকের অনিবার্য সিদ্ধান্ত।" (সুরা মারইয়াম, আয়াত ৭১ )

এ সম্পর্কে মহানবি (স.) বলেন, “জাহান্নামের উপর সিরাত স্থাপিত হবে।” (মুসনাদে আহমাদ)

নেক আমলকারী বান্দাগণকে মহান আল্লাহ জান্নাতে যাওয়ার অনুমতি দেবেন। জান্নাতিগণ সিরাতের উপর দিয়ে জান্নাতে প্রবেশ করবেন। নেককারদের জন্য তাঁদের আমল অনুসারে সিরাত প্রশস্ত হবে । ইমানদারগণ নিজ নিজ আমল অনুযায়ী সিরাত অতিক্রম করবেন । কেউ বিদ্যুৎগতিতে, কেউ ঝড়ের গতিতে, কেউ ঘোড়ার গতিতে, কেউবা দৌড়ের গতিতে, কেউ হেঁটে হেঁটে আবার কেউ কেউ হামাগুড়ি দিয়ে সিরাত পার হবেন।

সিরাত হলো অন্ধকার পুল। সেখানে মুমিন ও নেক আমলকারী ব্যক্তির জন্য আলোর ব্যবস্থা থাকবে। কিন্তু যারা ইমানদার নয় এবং পাপী তাদের জন্য কোনো আলোর ব্যবস্থা থাকবে না। সুতরাং দুনিয়ায় যে দৃঢ় ইমান ও বেশি নেক আমলের অধিকারী সিরাত তাঁর জন্য সবচেয়ে বেশি আলোকিত হবে । ইমানের আলোতে সে সহজেই সিরাত অতিক্রম করবে।
অন্যদিকে যারা ইমানদার নয় এবং পাপী মহান আল্লাহ তাদের জাহান্নামে যাওয়ার নির্দেশ দেবেন।

জাহান্নামিদের জন্য সিরাত অত্যন্ত ভয়াবহ স্থান । তাদের জন্য সিরাত হবে চুলের চাইতেও সূক্ষ্ম এবং তরবারি অপেক্ষা ধারালো । এ অবস্থায় সিরাতে আরোহণ করে তারা কিছুতেই তা অতিক্রম করতে পারবে না। বরং তারা করুণভাবে জাহান্নামে পতিত হবে।

অতএব, আমরা সিরাতে বিশ্বাস স্থাপন করব। সহজে সিরাত অতিক্রম করার জন্য প্রকৃত ইমানদার হব এবং সকল প্রকার অন্যায় ও পাপ কাজ বর্জন করে অধিক পরিমাণে নেক আমল করব। মহান আল্লাহ ও তাঁর রাসুলের আদেশ-নিষেধ অনুযায়ী দৈনন্দিন জীবন পরিচালনা করব ।

ছ. শাফাআত

শাফাআত শব্দের অর্থ সুপারিশ করা, অনুরোধ করা ইত্যাদি। ইসলামি শরিয়তের পরিভাষায় কল্যাণ ও ক্ষমার জন্য আল্লাহ্ তায়ালার নিকট নবি-রাসুল ও নেক বান্দাগণের সুপারিশ করাকে শাফাআত বলে ।

কিয়ামতের দিন আল্লাহ তায়ালা মানুষের সকল কাজকর্মের হিসাব নেবেন। তারপর আমল অনুযায়ী প্রত্যেকের জন্য জান্নাত বা জাহান্নাম নির্ধারণ করবেন। তখন মহান আল্লাহ্ পুণ্যবানগণকে জান্নাতে ও পাপীদের জাহান্নামে যাওয়ার নির্দেশ দেবেন। নবি-রাসুল ও পুণ্যবান বান্দাগণ এ সময় আল্লাহর দরবারে শাফাআত করবেন । ফলে অনেক পাপীকে মাফ করা হবে। এরপর তাদেরকে জাহান্নাম থেকে জান্নাতে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হবে ।

আবার অনেক পুণ্যবানের জন্যও এদিন শাফাআত করা হবে। ফলে তাঁদের মর্যাদা বৃদ্ধি করা হবে।

কিয়ামতের দিন সকল মানুষকে এক বিশাল ময়দানে সমবেত করা হবে। সেদিন সূর্য খুব নিকটবর্তী হবে। মানুষ অসহনীয় দুঃখ-কষ্টে নিপতিত থাকবে । এ সময় তারা হযরত আদম (আ.), হযরত নূহ (আ.), হযরত ইবরাহিম (আ.), হযরত মুসা (আ.) ও হযরত ঈসা (আ.) এর নিকট উপস্থিত হয়ে হিসাব-নিকাশ শুরু করার জন্য আল্লাহর নিকট শাফাআত করতে অনুরোধ করবে। তাঁরা সকলেই অপারগতা প্রকাশ করবেন। এ অবস্থায় সকল মানুষ মহানবি (স.)-এর নিকট উপস্থিত হবে। তখন মহানবি হযরত মুহাম্মদ (স.) আল্লাহ তায়ালার নিকট সুপারিশ করবেন ।

অন্যদিকে কিয়ামতের দিন পাপীদের ক্ষমা ও পুণ্যবানদের মর্যাদা বৃদ্ধির জন্য শাফাআত করা হবে। নবি-রাসুল, ফেরেশতা, শহিদ, আলেম, হাফিয এ শাফাআতের সুযোগ পাবেন। আল-কুরআন ও সিয়াম (রোযা) কিয়ামতের দিন শাফাআত করবে বলেও হাদিসে উল্লেখ করা হয়েছে।

কিয়ামতের দিন নবি-রাসুল ও নেক বান্দাগণ আল্লাহর নিকট সুপারিশ করবেন। আল্লাহ তায়ালা এসব শাফাআত কবুল করবেন এবং বহু মানুষকে জান্নাত দান করবেন। তবে শাফাআতের সবচেয়ে বেশি ক্ষমতা থাকবে আমাদের প্রিয়নবি হযরত মুহাম্মদ (স.)-এর অধিকারে । তিনি নিজেই বলেছেন- " আমাকে শাফাআত (করার অধিকার) দেওয়া হয়েছে।” (বুখারি মুসলিম)

অন্য একটি হাদিসে রাসুল (স.) বলেছেন, “পৃথিবীতে যত ইট ও পাথর আছে, আমি তার চেয়েও বেশি লোকের জন্য কিয়ামতের দিন শাফাআত করব।” (মুসনাদে আহমাদ)
শাফাআত একটি বিরাট নিয়ামত। মহানবি (স.)-এর শাফাআত ব্যতীত কিয়ামতের দিন সফলতা, কল্যাণ ও জান্নাত লাভ করা সম্ভব হবে না ।

অতএব, আমরা শাফাআতে বিশ্বাস স্থাপন করব । আল্লাহ ও তাঁর রাসুল (স.)-কে ভালোবাসব। আল্লাহ ও তাঁর রাসুল (স.)-এর আদেশ-নিষেধ অনুযায়ী আমাদের জীবন পরিচালনা করব। তাহলে পরকালে আমরা প্রিয়নবি (স.)-এর শাফাআত লাভে ধন্য হয়ে জান্নাতে প্রবেশ করতে পারব ।

জ. জান্নাত

জান্নাত অর্থ উদ্যান, বাগান, সুশোভিত কানন। ইসলামি পরিভাষায় পরকালীন জীবনে পুণ্যবানগণের জন্য পুরস্কার স্বরূপ যে আরামদায়ক স্থান তৈরি করে রাখা হয়েছে তাকে বলা হয় জান্নাত ।

জান্নাতে সবধরনের নিয়ামত বিদ্যমান। মুমিনগণ সেখানে চিরকাল অবস্থান করবেন। তাঁরা সেখানে তাঁদের পুণ্যবান মাতা-পিতা, স্ত্রী-পুত্র, বন্ধু-বান্ধব, আত্মীয়-স্বজনদের সাথে মিলিত হবেন। তাঁরা যা চাইবেন তাই সাথে সাথে লাভ করবেন । আল্লাহ তায়ালা বলেন, “সেখানে (জান্নাতে) তোমাদের জন্য রয়েছে যা কিছু তোমাদের মন চায় এবং সেখানে তোমাদের জন্য রয়েছে যা তোমরা ফরমায়েশ কর। এটি ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু আল্লাহর পক্ষ থেকে আপ্যায়ন।” (সূরা হা-মিম আস-সাজদা, আয়াত ৩১-৩২)

বস্তুত জান্নাতের সুখ-শান্তি ও নিয়ামত অফুরন্ত। এর বর্ণনা শেষ করা যায় না। একটি হাদিসে কুদসিতে স্বয়ং আল্লাহ তায়ালা বলেছেন, “আমি আমার নেক বান্দাদের জন্য (জান্নাতে) এমন সব নিয়ামত প্রস্তুত করে রেখেছি বা কোনো চোখ দেখেনি, কোনো কান কোনোদিন তা শুনেনি এবং কোনো মানব হৃদয় কখনো কল্পনাও করতে পারেনি।” (বুখারি)

আল্লাহ তায়ালা মুমিনদের জন্য আটটি জান্নাত তৈরি করে রেখেছেন । এগুলো হলো-

  • জান্নাতুল ফিরদাউস
  • দারুল মাকাম
  • দারুল কারার
  • দারুস্সালাম
  • জান্নাতুল মাওয়া
  • জান্নাতুল আদন
  • দারুন নাইম
  • দারুল খুলদ

জান্নাত চরম সুখের আবাস। দুনিয়াতে যারা ইসলামকে পরিপূর্ণভাবে অনুসরণ করে চলবে তারা পরকালে জান্নাত লাভ করবে। সকল কাজকর্মে আল্লাহ তায়ালার আদেশ ও রাসুলুল্লাহ (স.)-এর সুন্নাহ অনুসরণ করলে জান্নাত লাভ করা সম্ভব হবে। আল্লাহ তায়ালা বলেন-

وَأَمَّا مَنْ خَافَ مَقَامَ رَبِّهِ وَنَهَى النَّفْسَ عَنِ الْهَوَى لَا فَإِنَّ الْجَنَّةَ هِيَ الْمَأْوَى

অর্থ : “আর যে ব্যক্তি স্বীয় প্রতিপালকের সম্মুখে উপস্থিত হওয়ার ভয় রাখে এবং কুপ্রবৃত্তি থেকে নিজেকে বিরত রাখে জান্নাতই হবে তার আবাস।” (সূরা আন-নাযিআত, আয়াত ৪০-৪১)

সুতরাং আমরাও জান্নাত লাভের জন্য সদা সর্বদা আল্লাহ তায়ালাকে ভয় করব, তাঁর আদেশ নিষেধ মেনে চলব, অন্যায় ও পাপ কাজ থেকে নিজেকে রক্ষা করে উত্তম চরিত্র গঠন করব। তাহলে মহান আল্লাহ আমাদের উপর সন্তুষ্ট হবেন, আমরা পরকালে জান্নাত লাভ করব ।

ঝ. জাহান্নাম

জাহান্নাম হলো শাস্তির স্থান। পরকালে মুমিনগণের জন্য যেমন জান্নাতের ব্যবস্থা রয়েছে তেমনি পাপীদের জন্য রয়েছে শাস্তির স্থান। আর জাহান্নামই হলো সে শাস্তির জায়গা। জাহান্নামকে (নার) বা আগুনও বলা হয় ।

জাহান্নাম চির শাস্তির স্থান । এর শাস্তি অত্যন্ত ভয়াবহ। মানুষের পাপের পরিমাণ অনুসারে শাস্তির পরিমাণ নির্ধারণ করা হবে। জাহান্নামের আগুন অত্যন্ত উত্তপ্ত। রাসুলুল্লাহ (স.) বলেছেন-

تَارُكُمْ جُزء من سَبْعِينَ جُزْءًا مِنْ نَارِ جَهَنَّمَ

অর্থ : "তোমাদের এ পৃথিবীর আগুন জাহান্নামের আগুনের সত্তর ভাগের এক ভাগ মাত্র।” (বুখারি)

এ আগুনে মানুষের হাড়, চামড়া, গোশত সবকিছুই পুড়ে যাবে। কিন্তু তাতে তার মৃত্যু হবে না। বরং আল্লাহ তায়ালার নির্দেশে পুনরায় তার দেহ পূর্বাবস্থায় ফিরিয়ে দেওয়া হবে। পুনরায় তা পুড়ে দগ্ধ হবে। এভাবে পুনঃপুনঃ চলতে থাকবে।

জাহান্নাম বিষাক্ত সাপ, বিচ্ছুর আবাসস্থল। সেখানকার খাদ্য হলো বড় বড় কাঁটাযুক্ত বৃক্ষ। উত্তপ্ত রক্ত ও পুঁজ হবে জাহান্নামিদের পানীয়। মোটকথা জাহান্নাম অতি যন্ত্রণাদায়ক স্থান । আল্লাহ তায়ালা বলেন, “যারা কুফরি করে তাদের জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে আগুনের পোশাক, তাদের মাথার উপর ঢেলে দেওয়া হবে ফুটন্ত পানি, ফলে তাতে তাদের পেটে যা আছে তা এবং তাদের চামড়া বিগলিত হয়ে যাবে, আর তাদের জন্য থাকবে লোহার হাতুড়ী। যখনই তারা যন্ত্রণায় কাতর হয়ে জাহান্নাম থেকে বের হতে চাইবে তখনই তাদেরকে তাতে ফিরিয়ে দেওয়া হবে। আর তাদের বলা হবে, আস্বাদন কর দহন-যন্ত্রণা।” (সূরা আল-হাজ্জ, আয়াত ১৯-২২ )

পাপীদের শাস্তিদানের জন্য আল্লাহ তায়ালা ৭টি দোযখ তৈরি করে রেখেছেন। এগুলো হলো-

  • জাহান্নাম
  • হাবিয়া
  • জাহিম
  • সাকার
  • সাইর
  • হুতামাহ
  • লাযা

জাহান্নাম হলো ভীষণ শাস্তির স্থান। কাফির, মুশরিক ও মুনাফিকরা তথায় চিরকাল শাস্তি ভোগ করবে। আল্লাহ তায়ালা বলেন-

فَأَمَّا مَنْ طَغَى وَأَثْرَ الْحَيوةَ الدُّنْيَا هُ فَإِنَّ الْجَحِيمَ هِيَ الْمَأْوَى

অর্থ : “অনন্তর যে সীমালঙ্ঘন করে এবং দুনিয়ার জীবনকে প্রাধান্য দেয় জাহান্নামই হবে তার আবাস।” (সূরা আন-নাযিআত, আয়াত ৩৭-৩৯)

যাদের ইমান রয়েছে কিন্তু পাপের পরিমাণ বেশি এমন মুমিনরাও জাহান্নামের শাস্তি ভোগ করবে । তবে তাদের পাপের শাস্তি শেষ হওয়ার পর তারা জাহান্নাম থেকে মুক্তি পাবে ।
আমরা সব রকম পাপ থেকে মুক্ত থাকব। খাঁটি ইমানদার হব । আল্লাহ ও তাঁর রাসুল হযরত মুহাম্মদ (স.)-এর আনুগত্য করব । তাহলেই জাহান্নামের আগুন ও শাস্তি থেকে আমরা রেহাই পাব ।

কাজ : শিক্ষার্থীরা আখিরাতের জীবনের স্তরগুলোর একটি তালিকা তৈরি করবে ।

আকাইদ ও নৈতিক জীবন - অন্যান্য প্রশ্ন
ইসলাম
ইমান
মানবিক মূল্যবোধ বিকাশে ইমানের গুরুত্ব
তাওহিদ
আল্লাহ্ তায়ালার পরিচয়
কুফর
শিরক
নিফাক
রিসালাত
নৈতিক মূল্যবোধ বিকাশে রিসালাত ও নবুয়ত
আসমানি কিতাব
নৈতিক জীবন গঠনে আসমানি কিতাবের ভূমিকা
আখিরাত
আখিরাতের কয়েকটি স্তর
সৎকর্মশীল ও নৈতিকজীবন গঠনে আখিরাতে বিশ্বাসের ভূমিকা
‘আকাইদ’ কোন শব্দের বহুবচন?
আকিদা অর্থ কী?
‘আকাইদ’ শব্দের অর্থ কী?
ইসলামি বিশ্বাসের মূলভিত্তি কী?
ইসলামের মৌলিক বিষয়সমূহের প্রতি দৃঢ় বিশ্বাসকে কী বলা হয়?
আল্লাহ তায়ালার মনোনীত একমাত্র দ্বীন বা জীবনব্যবস্থাকে কী বলা হয়?
আল্লাহ, নবি-রাসুল, ফেরেশতা ইত্যাদি বিষয়গুলো আকাইদের কোন দিক?
ইসলামের বিশ্বাসগত দিকের নামকে কী বলা হয়?
ইসলাম শব্দের অর্থ কী?
ইসলাম কার আনুগত্যের কথা বলে?
শরিয়তের সর্বশেষ ও পূর্ণাঙ্গ রূপ কী?
মানবজাতির জন্য নির্দেশিত সর্বশেষ ও সর্বোত্তম জীবন বিধান কী?
“নিশ্চয় আল্লাহর নিকট ইসলামই একমাত্র মনোনীত জীবনব্যবস্থা।” কুরআনের কোন সূরায় বর্ণিত আছে?
যিনি ইসলাম অনুসারে জীবন পরিচালনা করেন তাকে কী বলা হয়?
ইসলাম শব্দটির মূলধাতু কী?
সিলমুন শব্দের অর্থ কী?
ইসলামকে শান্তির ধর্ম বলা হয় কেন?
ইসলাম কীরূপ জীবনবিধান?
ইসলাম কাদের জন্য?
ইসলাম সম্পর্কে জ্ঞান লাভ করাকে কী বলে?
ইসলাম সম্পর্কে জ্ঞান লাভের প্রধান মাধ্যম কী?
কীসের মাধ্যমে আমরা দুনিয়া ও আখিরাতে শান্তি ও সফলতার দিকনির্দেশনা অর্জন করতে পারি?
‘ইমান’ শব্দটি এসেছে কোন ক্রিয়ামূল থেকে?
‘ইমান’ শব্দের অর্থ কী?
ইসলামের মূল বিষয়গুলোর প্রতি আন্তরিক বিশ্বাস, মৌখিক স্বীকৃতি ও তদনুযায়ী আমলের নাম কী?
যিনি ইসলামের মৌলিক বিষয়ের প্রতি পূর্ণ বিশ্বাস স্থাপন করেন, তাকে কী বলা হয়?
মুখ, অন্তর ও কর্মের মাধ্যমে শরিয়তের কার্য সম্পাদন করাকে কী বলা হয়?
মহান আল্লাহর যাবতীয় আদেশ-নিষেধ বিনা দ্বিধায় মেনে নেওয়ার মাধ্যমে তাঁর প্রতি পূর্ণাঙ্গরূপে আত্মসমর্পণ করাকে কী বলা হয়?
কীসের মাধ্যমে ইমানের বহিঃপ্রকাশ ঘটে?
ইমানের মূল বিষয় কয়টি?
ইমানের সর্বপ্রথম ও সর্বপ্রধান বিষয় কী?
ইমানের মূল কী?
ফেরেশতারা কিসের তৈরি?
আসমানি কিতাবের সংখ্যা মোট কত খানা?
পথভ্রষ্ট মানুষকে সঠিক পথে পরিচালনার জন্য আল্লাহ পাক যুগে যুগে কাদের পাঠিয়েছেন?
তাকদির শব্দের অর্থ কী?
মানুষের মর্যাদা ও শ্রেষ্ঠত্বকে সমুন্নত রাখা যায় কীভাবে?
কুফর, শিরক ও নিফাক কিসের সম্পূর্ণ পরিপন্থি?
মানবিক মূল্যবোধ বিকাশে কীসের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ?
‘তাওহিদ’ শব্দের অর্থ কী?
আল্লাহ তায়ালাকে এক ও অদ্বিতীয় হিসেবে স্বীকার করে নেওয়াকে কী বলে?
“কোনোকিছু তার সদৃশ নয়।” বাণীটি দ্বারা কিসের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে?
ইমানের সর্বপ্রথম ও সর্বপ্রধান বিষয় কী?
ইসলামের সকল শিক্ষা ও আদর্শ কিসের ওপর প্রতিষ্ঠিত?
নবি-রাসুলগণ সারাজীবন মানুষকে কিসের দাওয়াত দিয়েছেন?
তাওহিদ প্রচার করতে গিয়ে কোন নবি অগ্নিকুণ্ডে নিক্ষিপ্ত হয়েছেন?
তাওহিদে বিশ্বাস মানুষের মাঝে কী সৃষ্টি করে?
আল্লাহর একত্ববাদ কোন সূরায় বর্ণিত হয়েছে?
“তিনিই প্রথম, তিনিই শেষ, তিনিই প্রকাশ্য, তিনিই গোপন এবং তিনি সর্ববিষয়ে সম্যক অবহিত।” এটি কোন সূরার আয়াত?
রাহিম, জাব্বার, গাফফার এগুলো আল্লাহর কী?
জাব্বার শব্দের অর্থ কী?
‘কুফর’ শব্দের অর্থ কী?
যে ব্যক্তি কুফরি কাজে লিপ্ত থাকে, তাকে কী বলে?
মানুষ কয়ভাবে কাফির বা অবিশ্বাসী হতে পারে?
ইচ্ছাকৃতভাবে প্রকাশ্যে কুফরের চিহ্ন ধারণ করা কী কাজ?
কাফির ব্যক্তি হতাশাগ্রস্ত থাকে কেন?
জাহান্নামে কারা চিরকাল থাকবে?
হরতালের সময় পাবলিক বাস ভাংচুরকারী কে?
আল্লাহর সাথে অংশীদার সাব্যস্ত করাকে কী বলে?
‘শিরক’ শব্দের অর্থ কী?
যে ব্যক্তি মহান আল্লাহর সাথে অন্য কাউকে শরিক করে তাকে কী বলা হয়?
শিরক-এর বিপরীত কী?
আল্লাহর সাথে শিরক কত ধরনের হতে পারে?
পৃথিবীর সকল প্রকার জুলুমের মধ্যে সবচেয়ে বড় জুলুম কোনটি?
“নিশ্চয়ই শিরক চরম জুলুম।” কোন সূরার আয়াত?
“নিশ্চয়ই আল্লাহ তাঁর সাথে শিরক করার অপরাধ ক্ষমা করেন না।” কোন সূরার?
‘নিফাক’ শব্দটির অর্থ কী?
নিফাক অর্থ কী?
অন্তরে কুফর ও অবাধ্যতা গোপন রেখে মুখে ইমানদারসুলভ বাক্য উচ্চারণ এবং লোক দেখানো অনুষ্ঠান সম্পন্ন করাকে কী বলে?
কারা বাহ্যিকভাবে ইসলাম ও ইমান স্বীকার করে মুসলমানদের মতো ইবাদত-বন্দেগি করে?
মুনাফিকের বৈশিষ্ট্য কয়টি?
মুনাফিকের প্রথম লক্ষণ কী?
মুনাফিকরা জাহান্নামের সর্বনিম্ন স্তরে অবস্থান করার কারণ কী?
কুরআন মজিদে মুনাফিকদের কী বলে আখ্যায়িত করা হয়?
‘রিসালাত’ শব্দের অর্থ কী?
রিসালাত অর্থ কী?
মহান আল্লাহর পবিত্র বাণী পৌঁছে দেওয়ার দায়িত্বকে কী বলা হয়?
নবি-রাসুলগণের দায়িত্বের নাম কী?
হযরত মুহাম্মদ (স.) দেশ ত্যাগ করেছিলেন কেন?
সর্বপ্রথম নবি কে?
সর্বশেষ নবি কে?
“প্রত্যেক সম্প্রদায়ের জন্য পথপ্রদর্শক রয়েছে।" কোন বিষয়টির গুরুত্ব বোঝানো হয়েছে?
“তোমাদের জন্য তোমাদের দ্বীনকে পূর্ণাঙ্গ করলাম।” এখানে দ্বীন বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
খাতামুন শব্দের অর্থ কী?
‘খাতমে নবুয়ত' অর্থ কী?
'খাতামুন নাবিয়্যিন' কার উপাধি?
'তাওরাত' কোন নবির ওপর নাজিল হয়?
হযরত মুসা (আ.)-এর ওপর কোন কিতাব নাজিল হয়?
হযরত দাউদ (আ.)-এর ওপর কোন কিতাব অবতীর্ণ হয়েছিল?
ইঞ্জিল কিতাব কোন নবির ওপর নাজিল হয়?
সহিফা সংখ্যা কত?
হযরত শিস (আ.)-এর ওপর অবতীর্ণ সহিফা সংখ্যা কয়টি?
সবচেয়ে বেশি সহিফা কার ওপর অবতীর্ণ হয়েছে?
সর্বশেষ ও সর্বশ্রেষ্ঠ আসমানি কিতাবের নাম কী?
হযরত মুহাম্মদ (স.)-এর ওপর কত বছর বয়সে প্রথম কুরআন অবতীর্ণ হয়?
জীবনের সকল সমস্যার সমাধান দেয় বলে কুরআনকে বলা হয়—
আল-কুরআন হিফাজতের দায়িত্ব কার?
সফলতা ও সম্মানের মূল চাবিকাঠী কী?
ফিরাউন, নমরূদ ও কারুনের ঘটনা বর্ণিত হয়েছে কোথায়?
আখিরাত শব্দের অর্থ কী?
মৃত্যুর পরের জীবনকে কী বলে?
আখিরাতের জীবন শুরু হয় কখন থেকে?
“তাঁরা আখিরাতে দৃঢ় বিশ্বাস রাখে” – তাঁরা কারা?
“আর তারা (মুত্তাকিগণ) আখিরাতে দৃঢ় বিশ্বাস রাখে” কোন সূরার আয়াত?
আখিরাতের জীবনের প্রথম স্তর হলো—
“প্রত্যেক প্রাণীকেই মৃত্যুর স্বাদ গ্রহণ করতে হবে।” আয়াতটি কোন সূরার?
বারযাখ জীবন শুরু হয়—
কবরে ফেরেশতারা মৃত ব্যক্তিকে কয়টি প্রশ্ন করবেন?
কিয়ামত বলতে কয়টি অবস্থাকে বোঝানো হয়েছে?
হাশর শব্দের অর্থ কী?
পরকালে মানুষের আমলনামা কখন হাতে দেওয়া হবে?
আখিরাতের জীবনের পঞ্চম স্তর কোনটি?
মিযান শব্দের অর্থ কী?
আল্লাহ তায়ালা বলেন, “আর আমি কিয়ামতের দিন ন্যায়বিচারের মানদণ্ড স্থাপন করব।” এখানে কিয়ামতের দিন বলতে বোঝানো হয়েছে—
সিরাত শব্দের অর্থ কী?
“তোমাদের প্রত্যেকেই তা অতিক্রম করবে, এটা তোমাদের প্রতিপালকের অনিবার্য সিদ্ধান্ত।” এ বাণী দ্বারা কী বোঝানো হয়েছে?
শাফাআত অর্থ কী?
জান্নাতের একটি নাম কী?
জাহান্নাম (নার)-এর শাব্দিক অর্থ কী?
দোযখের স্তর কয়টি?
'মাযরাআতুন' শব্দের অর্থ কী?
“দুনিয়া আখিরাতের শস্যক্ষেত্র"- এটি কার বাণী?
ব্যক্তি যদি সৎ কাজ করে, তাহলে তার প্রাপ্তি হবে—
আকাইদ শব্দটি কোন শব্দের বহুবচন?
আকাইদ অর্থ কী?
আকাইদ কাকে বলে? অথবা, আকাইদ কী?
ইসলামের কয়টি দিক রয়েছে?
আকাইদের অন্তর্ভুক্ত বিষয় কী?
বস্তুত একজন মানুষ কীভাবে ইসলামে প্রবেশ করে?
ইসলাম কী?
ব্যবহারিক অর্থে ইসলাম কী?
“নিশ্চয়ই আল্লাহর নিকট ইসলামই একমাত্র মনোনীত জীবনব্যবস্থা।” —উক্তিটি কোন সূরার কত নম্বর আয়াত?
কোন সূরায় ইসলামকে পূর্ণাঙ্গ জীবনব্যবস্থা হিসেবে ঘোষণা দেওয়া হয়েছে?
মুসলিম কে?
আরবি ইসলাম শব্দটি কোন ধাতু হতে নির্গত ?
ইসলাম শিক্ষা কী?
ইমান শব্দটি কোন ধাতু থেকে নির্গত?
জান্নাত বলতে কী বোঝায়?
জাহান্নাম বলতে কী বোঝায়?
পাপীদের শাস্তির জন্য আল্লাহ তায়ালা কয়টি দোযখ তৈরি রেখেছেন?
নৈতিক জীবন গঠনে আখিরাতে বিশ্বাস গুরুত্বপূর্ণ কেন?
আখিরাতে পুণ্যবানকে কোথায় প্রবিষ্ট করানো হবে?
কোন শাস্তির ভয় মানুষকে পাপ কাজ থেকে বিরত রাখে?
আকাইদ শব্দটি ব্যাখ্যা কর।
ইসলামের বিশ্বাসগত দিককে কী বলা হয়?
ইসলামের কোন বিষয়গুলো আকাইদের অন্তর্ভুক্ত?
ইসলামের প্রায়োগিক দিক সম্পর্কে কী জান?
ব্যবহারিক অর্থে ইসলাম বলতে কী বোঝ?
শরিয়তের পরিভাষায় ইসলাম কী? সংক্ষেপে লেখ।
ইসলামের পরিচয় সম্পর্কে মহানবি (স.) কী বলেছেন?
ইসলাম কী? সংক্ষেপে লেখ।
ইসলামকে শান্তির ধর্ম বলা হয় কেন?
ইসলামকে ইসলাম নামকরণ করার কারণ সংক্ষেপে লেখ।
ইসলাম শিক্ষার মাধ্যমে আমরা কী অর্জন করতে পারি?
ইমান শব্দটির শাব্দিক অর্থ লেখ।
ইমান বলতে কী বোঝায়?
ইমানের পরিচয় সম্পর্কে মহানবি (স.)-এর বাণীটি উল্লেখ কর।
ইমানে মুফাস্স্সাল-এর বাংলা অনুবাদ লেখ।
ইমান ও ইসলামের সম্পর্ক সংক্ষেপে লেখ।
ইমানের সর্বপ্রথম ও সর্বপ্রধান বিষয় কী? সংক্ষেপে লেখ।
ইমানের সর্বশেষ বিষয় কোনটি? সংক্ষেপে লেখ।
ইমান মানুষকে কোন পথে পরিচালিত করে?
ইমান কীভাবে মানুষকে নৈতিক মূল্যবোধে উদ্বুদ্ধ করে?
তাওহিদের মূলকথা কী? সংক্ষেপে লেখ।
মানবজীবনে তাওহিদে বিশ্বাসের প্রভাব কেমন?
তাওহিদ বিশ্বাস মানুষকে কীভাবে মর্যাদাবান করে তোলে?
তাওহিদে বিশ্বাস মানুষকে কীসে উৎসাহিত করে?
আল্লাহ তায়ালার পরিচয় সংক্ষেপে লেখ।
সূরা আল-ইখলাস এর বাংলা অর্থ লেখ।
আল্লাহর তায়ালার গুণাবলি সংক্ষেপে লেখ।
আল্লাহ তায়ালার কয়েকটি গুণবাচক নাম লেখ।
কুফর বলতে কী বোঝায়?
কাফির হওয়ার দুটি দিক লেখ।
কাফির কে? সংক্ষেপে লেখ।
কুফরের পরিণতি সংক্ষেপে লেখ।
কাফিররা হতাশ হয় কেন?
কুফরের কারণে অনৈতিকতার প্রসার কেন ঘটে?
কুফরের শাস্তি সম্পর্কে আল্লাহ তায়ালা কী বলেছেন?
শিরক বলতে কী বোঝায়?
মুশরিক ব্যক্তির সংক্ষিপ্ত পরিচয় দাও।
শিরকের ধরনগুলো সংক্ষেপে উল্লেখ কর।
শিরকের কুফল সম্পর্কে আল্লাহ তায়ালা কী বলেছেন?
আমরা শিরক পরিহার করব কেন?
নিফাক বলতে কী বোঝায়?
মুনাফিক ব্যক্তির সংক্ষিপ্ত পরিচয় দাও।
মুনাফিকের চিহ্নগুলো লেখ।
নিফাককে মারাত্মক পাপ বলা হয় কেন?
ইসলাম ও মুসলমানদের জন্য মুনাফিকরা ক্ষতিকর কেন?
নিফাক থেকে বেঁচে থাকার উপায় সংক্ষেপে লেখ।
আমরা নিফাক পরিহার করব কেন?
মুনাফিকদের পরিণতি ভয়াবহ কেন?
কালিমা তায়্যিবার দ্বারা কয়টি বিষয়ের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে?
নবি-রাসুল প্রেরণের দুটি উদ্দেশ্য লেখ।
নবি-রাসুলগণের চরিত্র কেমন ছিল?
নবি-রাসুলগণ কীসের মূর্ত প্রতীক ছিলেন?
নবুয়তের ক্রমধারা বলতে কী বোঝায়?
হযরত মুহাম্মদ (স.)-কে বিশ্বনবি বলা হয় কেন?
বিশ্বজগতে কাকে রহমতরূপে প্রেরণ করা হয়েছে?
খতমে নবুয়ত বলতে কী বোঝায়?
খতমে নবুয়তের মূলকথা কী? সংক্ষেপে লেখ।
আমরা খতমে নবুয়তে বিশ্বাস করব কেন?
নবুয়ত ও রিসালাতের উদ্দেশ্য কী?
মানুষের নৈতিক ও মানবিক মূল্যবোধ অনুপ্রাণিত হয় কীভাবে?
নবি-রাসুলগণ কেমন গুণের অধিকারী ছিলেন?
মহানবি (সা.)-কে মানবতার মহান শিক্ষক বলা হয় কেন?
নবুয়ত ও রিসালাতে বিশ্বাসের মাধ্যমে আমরা কোথায় প্রবেশ করি?
আসমানি কিতাব কী? সংক্ষেপে লেখ।
আসমানি কিতাবের কয়েকটি বিষয়বস্তু লেখ।
আসমানি কিতাবে বিশ্বাসের গুরুত্ব কেমন?
সর্বশেষ আসমানি কিতাবের পরিচয় দাও।
কুরআনের নামকরণ সম্পর্কে সংক্ষেপে লেখ।
আল-কুরআনের কয়েকটি নাম লেখ।
সর্বজনীন কিতাব হিসেবে আল-কুরআনের মর্যাদা কেমন?
জ্ঞানের সর্বোত্তম উৎস কী? সংক্ষেপে লেখ।
আল-কুরআনকে সকল জ্ঞানের আধার বলা হয় কেন?
আখিরাত বলতে কী বোঝায়?
আখিরাতে বিশ্বাস মানুষকে কোন বিষয় থেকে বিরত রাখে?
পরকালের প্রবেশদ্বার সম্পর্কে কী জান?
কবরের জীবন সম্পর্কে কী জান?
কবরে মৃত ব্যক্তিকে কয়টি প্রশ্ন করা হয় ও কী কী?
কিয়ামত বলতে কী বোঝ?
হাশর বলতে কী বোঝায়?
মিযান বলতে কী বোঝ?
সিরাত বলতে কী বোঝ?
শাফাআত কী? সংক্ষেপে লেখ।
কিয়ামতের দিন কারা সুপারিশ করবেন?
ইমান শব্দের অর্থ কী?
ইমান কী?
প্রকৃতপক্ষে ইমান কী?
ইমানে মুফাস্সালে ইমানের কয়টি মৌলিক বিষয়ের কথা বলা হয়েছে?
ইমান ও ইসলামের সম্পর্ক কেমন?
ফেরেশতাগণ কিসের তৈরি?
দুনিয়াতে সর্বমোট কতখানা আসমানি কিতাব নাজিল করা হয়েছে?
তাকদিরের নিয়ন্ত্রক কে?
মানবিক মূল্যবোধ কী?
কারা সৃষ্টির সেরা জীব?
মানবিক মূল্যবোধ বিকাশে কিসের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ?
ইমানের মূলকথা কী?
তাওহিদ অর্থ কী?
তাওহিদ বলতে কী বোঝায়?
তাওহিদ' কী?
কোনোকিছুই তাঁর সদৃশ নয়।- আয়াতটি কোন সূরার?
মুমিন বা মুসলিম হতে হলে একজন মানুষকে সর্বপ্রথম কী করতে হয়?
ইসলামের সকল শিক্ষা ও আদর্শ কিসের ওপর প্রতিষ্ঠিত?
দুনিয়াতে যত নবি-রাসুল এসেছেন তাঁরা কিসের দাওয়াত দিয়েছেন?
নবি-রাসুলগণের দাওয়াত্বের মূলকথা কী ছিল?
কোন নবি অগ্নিকুণ্ডে নিক্ষিপ্ত হয়েছিলেন?
ইমানের মূল কী?
বিশ্বজগতের মালিক কে?
আল্লাহ কোন ভাষার শব্দ?
কোন সূরায় তাওহিদের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে?
সকল গুণের আধার কে?
রাহিম শব্দের অর্থ কী?
জাব্বার শব্দের অর্থ কী?
গাফ্ফার শব্দের অর্থ কী?
বাসির শব্দের অর্থ কী?
সামিউন শব্দের অর্থ কী?
হাফিয শব্দের অর্থ কী?
'কুফর' শব্দের অর্থ কী?
'কুফর' কী?
ইমানের বিপরীত কী?
কাফির কে?
কোনো ব্যক্তিকে কখন কাফির বলা যাবে?
কাফির অর্থ কী?
ইসলামের মৌলিক ইবাদতগুলো অস্বীকার করা কিসের শামিল?
ইচ্ছাকৃতভাবে কাফিরদের অনুকরণকারী কী হিসেবে গণ্য হবে?
মহানবি (স.) কিংবা কুরআনকে নিয়ে ঠাট্টা-উপহাস করা কী?
অবাধ্যতা ও অকৃতজ্ঞতা কিসের পরিণতি?
যারা কুফরি করবে এবং আমার নিদর্শনগুলোকে অস্বীকার করবে তারাই জাহান্নামের অধিবাসী। যেথায় তারা চিরদিন থাকবে।-আয়াতটি পবিত্র কুরআনের কোথায় রয়েছে?
অংশীদার শব্দের আরবি প্রতিশব্দ কী?
শিরক কী? অথবা, শিরক কাকে বলে?
মুশরিক কে?
শিরক শব্দের বিপরীত শব্দ কী?
তাওহিদের বিপরীত শব্দ কী?
আয়াতটিতে কিসের ধারণা খণ্ডন করা হয়েছে?
ঈসা (আ.)-কে আল্লাহর পুত্র মনে করা কিসের অন্তর্ভুক্ত?
আল্লাহ ব্যতীত কাউকে সেজদা করা, কারও নামে পশু জবেহ করা ইত্যাদি কিসের উদাহরণ?
শিরক কীরূপ অপরাধ?
পৃথিবীর সবচেয়ে বড় জুলুম কোনটি?
নিশ্চয়ই শিরক চরম জুলুম.-কোন সূরার আয়াত?
আল্লাহ তায়ালা কোন গুনাহ ক্ষমা করবেন না?
নিশ্চয়ই আল্লাহ তাঁর সাথে শিরক করার অপরাধ ক্ষমা করেন না। এতদ্ব্যতীত যেকোনো পাপ যাকে ইচ্ছা ক্ষমা করেন.-উদ্ধৃতিটি কোন সূরার?
নিফাক শব্দের অর্থ কী?
নিফাক কী? অথবা, নিফাক কাকে বলে?
মুনাফিক কে?
মুনাফিকের বৈশিষ্ট্য সম্পর্কিত হাদিসটিতে কী বলা হয়েছে?
মুনাফিকের বৈশিষ্ট্য সম্পর্কিত হাদিসটি কোন হাদিস গ্রন্থের?
আর আল্লাহ সাক্ষ্য দিচ্ছেন যে, নিঃসন্দেহে মুনাফিকরা মিথ্যাবাদী.-কার বাণী?
আয়াতটিতে কাদের কথা বলা হয়েছে?
আর আল্লাহ সাক্ষ্য দিচ্ছেন যে মুনাফিকরা নিঃসন্দেহে মিথ্যাবাদী.-আয়াতটি কোন সূরার?
নিশ্চয়ই মুনাফিকরা জাহান্নামের সর্ব নিম্নস্তরে থাকবে-আয়াতটির বাংলা অর্থ কোন সূরার?
রিসালাত শব্দের অর্থ কী?
রিসালাত কী? অথবা, রিসালাত কাকে বলে?
কালিমা তায়্যিবার প্রথমাংশ দ্বারা কিসের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে?
আল্লাহ তায়ালাই ফেরেশতাদের মধ্য থেকে এবং মানুষের মধ্য থেকেও রাসুল মনোনীত করেন; আল্লাহতো সর্বশ্রোতা
হযরত ইউসুফ কে ছিলেন?
সর্বপ্রথম নবি কে ছিলেন?
সর্বশেষ নবি কে?
আর প্রত্যেক সম্প্রদায়ের জন্যই পথপ্রদর্শক রয়েছে। আয়াতটি কোন সূরার?
সব নবি-রাসুলের দীনের মৌলিক কাঠামো কেমন ছিল?
সকল নবি-রাসুলদের প্রচারিত দীনের মূলকথা কী ছিল?
কোন সূরায় দীনের পূর্ণাঙ্গতার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে?
হযরত মুহাম্মদ কাদের নবি?
আমি তো আপনাকে বিশ্বজগতের প্রতি কেবল রহমতরূপেই প্রেরণ করেছি। কোন সূরার আয়াত?
কার মাধ্যমে দীনের পূর্ণতার ঘোষণা দেওয়া হয়?
'খাতামুন' শব্দের অর্থ কী?
নবুয়ত কী?
খতমে নবুয়ত কী?
খাতামুন নাবিয়ি‍্যন কাকে বলে?
আল্লাহ তায়ালা কাকে 'খাতামুন নাবিয়ি‍্যন' বলে অভিহিত করেছেন?
মুহাম্মদ তোমাদের মধ্যে কোনো পুরুষের পিতা নন; বরং তিনি আল্লাহর রাসুল এবং শেষ নবি। কোন সূরার আয়াত?
নবুয়তের সিলমোহর কী?
খতমে নবুয়তের মূলকথা কী?
আমিই শেষ নবি। আমার পরে কোনো নবি নেই। কোন হাদিস গ্রন্থের বাণী?
নবুয়ত ও রিসালাত কী?
নবুয়ত ও রিসালাত কাকে বলে?
মানবজীবনে নৈতিক মূল্যবোধের প্রচার ও প্রসারে নবুয়ত ও রিসালাত প্রধানত কয়ভাবে ভূমিকা রাখতে পারে?
তোমাদের জন্য আল্লাহর রাসুলের জীবনে রয়েছে উত্তম আদর্শ।- আয়াতটি কোন সূরার?
মানবতার মহান শিক্ষক কে?
উত্তম গুণাবলির পরিপূর্ণতাদানের জন্য আমি প্রেরিত হয়েছি।- কার বাণী?
কিতাব শব্দের অর্থ কী?
কিতাব শব্দের প্রতিশব্দ কী?
'আসমানি কিতাব' কী?
আল্লাহ তায়ালা কার মাধ্যমে তাঁর বাণী রাসুলগণের নিকট প্রেরণ করেছেন?
আল্লাহ তায়ালা সর্বমোট কয়খানা আসমানি কিতাব নাজিল করেছেন?
বড় আসমানি কিতাবের সংখ্যা কত?
সহিফা কী?
তাওরাত কার ওপর নাজিল হয়েছে?
যাবুর কার ওপর নাজিল হয়েছে?
ইনজিল কার ওপর নাজিল হয়েছে?
হযরত আদম (আ.)-এর ওপর কয় খানা সহিফা নাজিল হয়েছে?
হযরত শিস (আ.)-এর ওপর কয় খানা সহিফা নাজিল হয়েছে?
হযরত ইবরাহিম (আ.)-এর ওপর কয় খানা সহিফা নাজিল হয়েছে?
হযরত ইদরিস (আ.)-এর ওপর কয় খানা সহিফা নাজিল হয়েছে?
কত বছর বয়সে হযরত মুহাম্মদ (স.) নবুয়ত লাভ করেন?
নবুয়ত লাভকালে হযরত মুহাম্মদ (স.) কোন গুহায় ধ্যানমগ্ন ছিলেন?
নবি (স.)-এর ওপর সর্বপ্রথম নাজিলকৃত আয়াত কোনগুলো?
মোট কত বছরে পবিত্র কুরআন নাজিল হয়েছিল?
আল কুরআন কতটি খন্ডে বিভক্ত?
পারা কী?
পবিত্র কুরআনে সূরা সংখ্যা কতটি?
পবিত্র কুরআনে রুকু সংখ্যা কতটি?
কুরআন অর্থ কী?
পৃথিব্যের সবচেয়ে বেশি পঠিত গ্রন্থ কোনটি?
কুরআনকে কুরআন নামকরণ করা হয়েছে কেন?
আল-কিতাব অর্থ কী?
আল-ফুরকান অর্থ কী?
আল-হিকমা অর্থ কী?
আল-বুরহান অর্থ কী?
আল-হক অর্থ কী?
আন-নূর অর্থ কী?
আয-যিকর অর্থ কী?
আশ-শিফা অর্থ কী?
আল-মাজিদ অর্থ কী?
আর-রাহমাহ অর্থ কী?
আমি এ কিতাবে কোনোকিছুই বাদ দিইনি। আয়াতটি কোন সূরার?
আমিই কুরআন অবতীর্ণ করেছি এবং অবশ্য আমিই উহার সংরক্ষক।- আয়াতটি কোথায় রয়েছে?
জ্ঞান কী?
জ্ঞানের সর্বোত্তম উৎস কী?
এটি সেই কিতাব যাতে কোনো সন্দেহ নেই। এটি মুত্তাকিদের জন্য পথনির্দেশক।- কার বাণী?
এটি সেই কিতাব যাতে কোনো সন্দেহ নেই। এটি মুত্তাকিদের জন্য পথনির্দেশক।- আয়াতটি কোন সূরার?
মানবজীবনের প্রয়োজনীয় সকল জ্ঞান-বিজ্ঞানের মূলনীতি ও সারকথা কোন গ্রন্থে বর্ণিত হয়েছে?
আখিরাত শব্দের অর্থ কী?
আখিরাত কী?
আখিরাতে ভালো কাজের জন্য মানুষ কী লাভ করবে?
আখিরাতে মন্দকাজের জন্য মানুষ কী লাভ করবে?
আখিরাতে বিশ্বাস ছাড়া কী হওয়া যায় না?
আর তারা (মুত্তাকিগণ) আখিরাতে দৃঢ় বিশ্বাস রাখে।-কোন সূরার আয়াত?
আখিরাতের জীবনের শুরু হয় কিসের মাধ্যমে?
পরকালের প্রবেশদ্বার কী?
কবর কী?
বারযাখ কী?
কবরে কোন ফেরেশতা আসেন?
মুনকার-নাকির নামক দুজন ফেরেশতা কবরে কয়টি প্রশ্ন করবেন?
مَنْ رَبُّكَ অর্থ কী?
কবরের দ্বিতীয় প্রশ্নটি কী?
কিয়ামত অর্থ কী?
আল্লাহর নির্দেশে কে শিঙ্গায় ফুঁক দিবেন?
'ইয়াওমূল বা' আছ কী?
কয় শ্রেণির লোক হাশরের দিন আরশের ছায়াতলে স্থান পাবে?
হাশরের ময়দানে কে কাকে হাউজে কাউছার হতে পানি পান করাবেন?
মিযান অর্থ কী?
মিযান কী?
আর আমি কিয়ামতের দিন ন্যায়বিচারের মানদণ্ড স্থাপন করব। - আয়াতটি কোন সূরার?
সিরাত-এর শাব্দিক অর্থ কী?
সিরাত কী?
কাদেরকে সিরাত অতিক্রম করতে হবে?
শাফায়াত কী?
কিয়ামত দিবসে কারা শাফাআতের সুযোগ পাবেন?
জান্নাত অর্থ কী?
জান্নাত কী?
জান্নাতের সংখ্যা কতটি?
কোন জীবনকে আখিরাতের প্রস্তুতি গ্রহণের ক্ষেত্র বলা হয়?
নিশ্চয়ই যারা ইমান আনে ও সৎকর্ম করে তাদের জন্য রয়েছে জান্নাত যার পাদদেশে নহরসমূহ প্রবাহিত। এটাই মহাসাফল্য। - আয়াতটি কোন সূরার?
অনন্তর যে সীমালঙ্ঘন করে এবং পার্থির জীবনকে অগ্রাধিকার দেয় জাহান্নামই হবে তার আবাসস্থল।- আয়াতটি কোন সূরার?
হাদিসের আলোকে ইসলামের পরিচয় বুঝিয়ে লেখ।
নিশ্চয়ই আল্লাহর নিকট ইসলামই একমাত্র মনোনীত ধর্ম বা জীবন ব্যবস্থা।- ব্যাখ্যা কর।
শরিয়তের সর্বশেষ ও পূর্ণাঙ্গ রূপ ইসলাম। ব্যাখ্যা কর।
ইসলাম একটি পরিপূর্ণ জীবনব্যবস্থা- বুঝিয়ে লেখ।
সুস্থ ও সুন্দরভাবে জীবন পরিচালনার জন্য ইসলামের বিকল্প নেই। বুঝিয়ে লেখ।
الْيَوْمَ أَكْمَلْتُ لَكُمْ دِينَكُمْ وَأَتْمَمْتُ عَلَيْكُمْ نِعْمَتِي وَرَضِيتُ لَكُمُ ان الْإِسْلَامَ دِينًاط -এ আয়াতটিতে কিসের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে?
ইসলামকে শান্তির ধর্ম বলা হয় কেন?
ইসলাম সর্বজনীন ধর্ম- ব্যাখ্যা কর।
ইসলাম শিক্ষা গুরুত্বপূর্ণ কেন? ব্যাখ্যা কর।
দুনিয়া ও আখিরাতের শান্তি ও সফলতায় ইসলাম শিক্ষার উপযোগিতা ব্যাখ্যা কর।
ইমান ও ইসলাম পরস্পর সম্পর্কযুক্ত- বুঝিয়ে লেখ।
'ইমান ও ইসলাম পরস্পর পরিপূরক'- ব্যাখ্যা কর।
ইসলাম হলো ইমানের বহিঃপ্রকাশ।- ব্যাখ্যা কর।
ইমানের সর্বপ্রথম ও সর্বপ্রধান বিষয় ব্যাখ্যা কর।
তাকদিরে বিশ্বাস গুরুত্বপূর্ণ কেন? ব্যাখ্যা কর।
তকদিরে বিশ্বাস ইয়ানের অংশ। বুঝিয়ে লেখ।
ইমানের সর্বশেষ মূল বিষয়টি বর্ণনা কর।
মানবিক মূল্যবোধ বলতে কী বোঝায়?
মানবিক মূল্যবোধ বিকাশে ইমানের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বুঝিয়ে লেখ।
ইমান মানুষকে সত্য ও সুন্দরের পথে পরিচালিত করে। বুঝিয়ে লেখ।
মুমিন ব্যক্তি সব ধরনের অমানবিক ও অনৈতিক কার্যকলাপ হতে দূরে থাকে কেন?
তাওহিদের স্বরূপ ব্যাখ্যা কর।
'কোনো কিছুই তাঁর সদৃশ নয়'- ব্যাখ্যা কর।
তাওহিদের মূলকথা ব্যাখ্যা কর।
তাওহিদে বিশ্বাস জরুরি কেন? ব্যাখ্যা কর।
তাওহিদে বিশ্বাস মানুষকে কী করে তোলে?
মানুষ সৃষ্টির সেরা জীব. -ব্যাখ্যা কর।
'তাওহিদ মানব মনে ঐক্যের চেতনা জাগ্রত করে।' ব্যাখ্যা কর।
মানবজীবনে তাওহিদে বিশ্বাসের প্রভাব অত্যন্ত ব্যাপক। বুঝিয়ে লেখ।
আল্লাহ তায়ালা সকল গুণের আধার। বুঝিয়ে লেখ।
কুফর কীভাবে হতাশার সৃষ্টি করে? ব্যাখ্যা কর।
ইসলামের মৌলিক বিষয়গুলো অধীকারকারী অনৈতিক কাজ সম্পাদনে দ্বিধা করে না।- উক্তিটি ব্যাখ্যা কর।
কুফর মানব সমাজে অনৈতিকতার প্রসার ঘটায়।-ব্যাখ্যা কর।
নিশ্চয়ই শিরক চরম জুলুম।- বাণীটির ব্যাখ্যা কর।
শিরকের গুনাহ আল্লাহ তায়ালা ক্ষমা করবেন না কেন?
আমরা শিরক পরিহার করব কেন?
আমরা নিফাক পরিহার করব কেন?
মুনাফিকরা কাফিরের চেয়েও ক্ষতিকর- ব্যাখ্যা কর।
ইসলাম ও মুসলমানদের জন্য মুনাফিকরা ক্ষতিকর কেন?
মুনাফিকদের পরিণতি ভয়াবহ কেন?
রিসালাত বলতে কী বোঝ?
রাসুল বলতে কী বোঝায়? ব্যাখ্যা কর।
রিসালাতে বিশ্বাসের গুরুত্ব ব্যাখ্যা কর।
আমরা নবি-রাসুলগণের প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করব কেন?
নবি-রাসুল প্রেরণের কারণ ব্যাখ্যা কর।
হযরত মুহাম্মদ (স.)-কে কেন 'খাতামুন নাবিয়িন' বলা হয়? ব্যাখ্যা কর।
উত্তম গুণাবলির পরিপূর্ণতা দানের জন্যই আমি প্রেরিত হয়েছি। ব্যাখ্যা কর।
আমরা উত্তম গুণাবলি ও আদর্শ অনুশীলন করব কেন?
আমরা নবি-রাসুলগণের চরিত্র অনুসরণ করব কেন?
রাসুলুল্লাহ (স.)-কে মানবতার মহান শিক্ষক হিসেবে বিবেচনা করা হয় কেন?
আসমানি কিতাবে বিশ্বাস করতে হবে কেন?
কুরআনকে 'কুরআন' বলা হয় কেন?
আমি এ কিতাবে কোনো কিছুই বাদ দিইনি। আল্লাহর এই বাণীটি ব্যাখ্যা কর।
এটি সেই কিতাব যাতে কোনো সন্দেহ নেই। - ব্যাখ্যা কর।
আখিরাত বলতে কী বোঝায়?
আখিরাতে বিশ্বাস করা অপরিহার্য কেন? ব্যাখ্যা কর।
আখিরাতে বিশ্বাসের গুরুত্ব বুঝিয়ে লেখ।
আখিরাতের বিশ্বাস মানুষকে সৎকাজে উদ্বুদ্ধ করে। - বুঝিয়ে লেখ।
আর তাদের সামনে বারযাখ থাকবে পুনরুত্থান দিবস পর্যন্ত। - আয়াতটি ব্যাখ্যা কর।
আল্লাহ তায়ালা পৃথিবী ধ্বংস করে দেবেন কেন?
হাশর শব্দটির নামকরণের যথার্থতা ব্যাখ্যা কর।
জাহান্নামের উপর সিরাত স্থাপিত হবে। - ব্যাখ্যা কর।
সিরাত অতিক্রম না করে কেউ জান্নাতে যেতে পারবে না - উক্তিটি ব্যাখ্যা কর।
শাফায়াত বলতে কী বোঝায়?
'শাফাআতে উযমা' বলতে কী বোঝ?
আমাকে শাফাআত করার অধিকার দেওয়া হয়েছে। ব্যাখ্যা কর।
জাহান্নাম বলতে কী বোঝায়?
দুনিয়া হলো আখিরাতের শস্যক্ষেত্র- ব্যাখ্যা কর। অথবা
ক্ষণস্থায়ী জীবনের চাষাবাদ অনুযায়ী অনন্ত জীবনে সকলে ফল ভোগ করবে উক্তিটি ব্যাখ্যা কর।

সম্পর্কিত বহুনির্বচনী প্রশ্ন সমূহ

‘আলহিকমাতু’ শব্দের অর্থ কী?

প্রজ্ঞা

ইনসাফ

ইহসান

অনুগ্রহ

ইসলাম কী?

একটি ধর্মমত

একটি মতবাদ

একটি পথ

একটি পূর্ণাঙ্গ জীবনব্যবস্থা

‘আকিদা’ অর্থ কী?

বিশ্বাস

তাওহিদ

কুফর

নিফাক

‘আকাইদ’ বলতে কী বোঝায়?

বিশ্বাসমালা

নৈতিক জীবন

জীবন ব্যবস্থা

আল্লাহর দ্বীন

‘আকাইদ’ শব্দের অর্থ কী?

বিশ্বাস

প্রতিজ্ঞা

বিশ্বাসমালা

আনুগত্য

ইসলামের প্রায়োগিক দিক হচ্ছে—

ইবাদত

নামাজ-রোজা

শরিয়ত

তাসাউফ

আকাইদে আচরণগত দিকে আলোচিত হয়—

জান্নাত-জাহান্নাম

নবি-রাসুল

ফেরেশতা

হজ-যাকাত

আকাইদের বিষয়গুলোর ওপর বিশ্বাসের মাধ্যমে মানুষ—

মুমিন হয়

মুসলিম হয়

মুত্তাকি হয়

ইসলামে প্রবেশ করে

ইমানহীন ইসলাম—

মূল্যবান

গ্রহণযোগ্য

কাম্য

মূল্যহীন