Uddoyon
  • হোম
  • একাডেমি
  • সাধারণ
  • নবম-দশম শ্রেণি
  • আকাইদ ও নৈতিক জীবন
আকাইদ ও নৈতিক জীবন

পাঠ্যবিষয় ও অধ্যায়ভিত্তিক একাডেমিক প্রস্তুতির জন্য আমাদের উন্মুক্ত শিক্ষায় অংশগ্রহণ করুন।

ফিরে যান
রিসালাত

রিসালাত শব্দের আভিধানিক অর্থ বার্তা, চিঠি পৌঁছানো, পয়গাম, সংবাদ বা কোনো ভালো কাজের দায়িত্ব বহন করা। ইসলামি পরিভাষায়, মহান আল্লাহ তায়ালার পবিত্র বাণী মানুষের নিকট পৌঁছে দেওয়ার দায়িত্বকে রিসালাত বলা হয়। আর যিনি এ দায়িত্ব পালন করেন তাঁকে বলা হয় রাসুল । রাসুল শব্দের বহুবচন রুসুল।

রিসালাতে বিশ্বাসের গুরুত্ব

ইসলামি জীবনদর্শনে রিসালাতে বিশ্বাস স্থাপন করা অপরিহার্য । তাওহিদে বিশ্বাসের সাথে সাথে প্রত্যেক মুমিন ও মুসলিমকেই রিসালাতে বিশ্বাস করতে হয়। ইসলামের মূলবাণী কালিমা তায়্যিবাতে এ বিষয়টি সুন্দরভাবে বিবৃত হয়েছে। এ কালিমার প্রথমাংশ (লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ; অর্থ- আল্লাহ ব্যতীত কোনো মাবুদ নেই) দ্বারা তাওহিদের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। আর সাথে সাথে দ্বিতীয়াংশ (মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ: অর্থ- মুহাম্মদ (স.) আল্লাহর রাসুল) দ্বারা রিসালাতের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে । সুতরাং তাওহিদে বিশ্বাস স্থাপনের ন্যায় রিসালাতেও বিশ্বাস স্থাপন করতে হবে।

বস্তুত রিসালাতে বিশ্বাস না করলে কেউ মুমিন হতে পারে না। কেননা মানুষের জ্ঞান সীমাবদ্ধ। এ স্বল্প জ্ঞান দ্বারা অনন্ত, অসীম আল্লাহ তায়ালার পূর্ণ পরিচয় লাভ করা সম্ভব নয়। তাই নবি-রাসুলগণ মানুষের নিকট আল্লাহ তায়ালার পরিচয় তুলে ধরেছেন । তাঁর পূর্ণাঙ্গ ক্ষমতা ও গুণাবলির বর্ণনা প্রদান করেছেন । তাঁরা ইহকালীন ও পরকালীন কল্যাণের জন্য আল্লাহ তায়ালা প্রদত্ত জীবনবিধান ও দিকনির্দেশনা নিয়ে এসেছেন। হযরত মুহাম্মদ (স.) না আসলে নবি ও রাসুল সম্পর্কে আমরা কিছুই জানতে পারতাম না। এমনকি আল্লাহ তায়ালার সত্তা ও সিফাতের পরিচয়ও লাভ করতে পারতাম না। মূলত নবি-রাসুলগণের আনীত বাণী ও বর্ণনার ফলেই মানুষের পক্ষে তা সম্ভব হয়েছে। সুতরাং নবি-রাসুলগণের এ সমস্ত সংবাদ বা রিসালাতকে বিশ্বাস করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কেননা, রিসালাতকে অস্বীকার করলে মহান আল্লাহকেই প্রকারান্তরে অস্বীকার করা হয়। অতএব, মানবজীবনে রিসালাতে বিশ্বাস করা ইমানের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ হিসেবে নির্ধারিত ।

নবি-রাসুল প্রেরণের উদ্দেশ্য

আল্লাহ তায়ালা যুগে যুগে অসংখ্য-অগণিত নবি-রাসুল প্রেরণ করেছেন। তাঁদের উদ্দেশ্যহীনভাবে দুনিয়ায় প্রেরণ করা হয়নি বরং তাঁরা নবুয়ত ও রিসালাতের দায়িত্ব পালন করেছেন । নবুয়ত ও রিসালাতের দায়িত্ব পালনের জন্য তাঁদের বেশ কিছু কাজ করতে হতো। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য কতিপয় কাজ হলো-

তাঁরা মানুষের নিকট আল্লাহ তায়ালার পরিচয় তুলে ধরতেন । অর্থাৎ আল্লাহ তায়ালার জাত-সিফাত, ক্ষমতা, নিয়ামত ইত্যাদি বিষয়ের কথা মানুষের নিকট প্রকাশ করতেন। সত্য ও সুন্দর জীবনের দিকে আহবান জানাতেন । আল্লাহ তায়ালার ইবাদত ও ধর্মীয় নানা বিধি-বিধান শিক্ষা দিতেন। পরকাল সম্পর্কে ধারণা প্রদান করতেন । পৃথিবীতে আল্লাহ তায়ালার আদেশ-নিষেধ ও বিধি-বিধান বাস্তবায়নের জন্য হাতে-কলমে শিক্ষা দিতেন । নবি-রাসুলগণের গুণাবলি

নবি-রাসুলগণ ছিলেন আল্লাহ তায়ালার মনোনীত বান্দা। আল্লাহ তায়ালা স্বয়ং তাঁদের নবুয়ত ও রিসালাতের দায়িত্ব পালনের জন্য নির্বাচিত করেছেন । আল্লাহ তায়ালা বলেন-

اللهُ يَصْطَفِي مِنَ الْمَلَئِكَةِ رُسُلًا وَمِنَ النَّاسِ إِنَّ اللهَ سَمِيعٌ بَصِيرٌ

অর্থ : “আল্লাহ তায়ালাই ফেরেশতাদের মধ্য থেকে এবং মানুষের মধ্য থেকেও রাসুল মনোনীত করেন; আল্লাহ তো সর্বশ্রোতা, সম্যক দ্রষ্টা।” (সুরা আল-হাজ্জ, আয়াত ৭৫)

সুতরাং মনোনীত বান্দা হিসেবে নবি-রাসুলগণ বিশেষ বৈশিষ্ট্যের অধিকারী ছিলেন । প্রথমত, তাঁরা ছিলেন একনিষ্ঠভাবে আল্লাহ তায়ালার উপর বিশ্বাসী। সবধরনের কথায় ও কাজে তাঁরা আল্লাহ তায়ালার নির্দেশের অনুসরণ করতেন । আল্লাহ তায়ালার পূর্ণ আনুগত্যই ছিল তাঁদের প্রধান বৈশিষ্ট্য ।

নবি-রাসুলগণ ছিলেন অত্যন্ত জ্ঞানী, বুদ্ধিমান, সুবিবেচক ও বিচক্ষণ। তাঁরা ছিলেন নিষ্পাপ। তাঁরা সবধরনের পাপ-পঙ্কিলতা থেকে পবিত্র ছিলেন। স্বয়ং আল্লাহ তায়ালা তাঁদের সকল প্রকার অন্যায় ও অশ্লীলতা থেকে বাঁচিয়ে রাখতেন । হযরত ইউসুফ (আ.) ছিলেন একজন প্রসিদ্ধ নবি। তাঁর সম্পর্কে আল্লাহ তায়ালা বলেন, “আমি তাঁকে মন্দ কাজ ও অশ্লীলতা থেকে বিরত রাখার জন্য এভাবে নিদর্শন দেখিয়েছিলাম। সে তো ছিল আমার বিশুদ্ধচিত্ত বান্দাদের অন্তর্ভুক্ত।” (সূরা ইউসুফ, আয়াত ২৪)

নবি-রাসুলগণ ছিলেন সর্বোত্তম চরিত্রের অধিকারী । সকল সৎগুণ তাঁরা অনুশীলন করতেন। তাঁরা ছিলেন অত্যন্ত সৎ, সত্যবাদী, ন্যায়পরায়ণ। দয়া, ক্ষমা, ধৈর্য ইত্যাদি সব ধরনের মানবিক গুণ তাঁদের চরিত্রে বিদ্যমান ছিল। মিথ্যা, প্রতারণা, পরনিন্দা, হিংসা-বিদ্বেষ ইত্যাদি খারাপ স্বভাবের লেশমাত্র তাঁদের চরিত্রে কখনোই ছিল না। বরং তাঁরা ছিলেন সৎস্বভাবের জন্য মানবজাতির অনুপম আদর্শ।

কর্তব্যনিষ্ঠা ও দায়িত্বপালনে নবি-রাসুলগণ ছিলেন অতুলনীয়। নবুয়ত ও রিসালাতের দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে তাঁরা বিন্দুমাত্র অলসতা ও উদাসীনতা প্রদর্শন করেননি। বরং এজন্য কাফিরদের বহু অত্যাচার ও নিপীড়ন ধৈর্যসহকারে সহ্য করেছেন। কিন্তু তারপরও তাঁরা যথাযথভাবে মানুষের নিকট আল্লাহ তায়ালার বাণী পৌঁছিয়েছেন । তাঁরা ছিলেন নির্লোভ ও নিঃস্বার্থ। পার্থিব কোনো লাভের আশায় তাঁরা তাঁদের দায়িত্ব থেকে কখনো পিছপা হননি। কাফিররা ইসলামের দাওয়াত প্রচার বন্ধ করার জন্য তাঁদের নানা প্রলোভন দেখাত । কিন্তু তাঁরা পার্থিব স্বার্থের কাছে মাথা নত করেননি ।

দীন প্রচারে নবি-রাসুলগণ ছিলেন ত্যাগের মূর্ত প্রতীক। বিনা দ্বিধায় পার্থিব আরাম-আয়েশ, ভোগ-বিলাস, ধন-সম্পদ তাঁরা আল্লাহর নির্দেশে ত্যাগ করতেন। দীন প্রচারের স্বার্থে প্রিয়নবি (স.) বাড়ি-ঘর, আত্মীয়- স্বজন, এমনকি নিজ দেশ মক্কা ত্যাগ করে মদিনায় হিজরত করেছিলেন। নবি-রাসুলগণের জীবনীতে ত্যাগের এরকম আরও অসংখ্য উদাহরণ দেখতে পাওয়া যায় ।

নবুয়তের ধারা

আল্লাহ তায়ালা যুগে যুগে অসংখ্য নবি-রাসুল প্রেরণ করেছেন। সর্বপ্রথম নবি ছিলেন হযরত আদম (আ.), আর সর্বশেষ নবি ও রাসুল হলেন হযরত মুহাম্মদ (স.)। এঁদের মাঝখানে আল্লাহ তায়ালা আরও বহু নবি-রাসুল প্রেরণ করেছেন। নবি-রাসুলদের আগমনের এই ধারাবাহিকতাকেই নবুয়তের ক্রমধারা বলা হয় । দুনিয়াতে আগত সকল গোষ্ঠী বা জাতির জন্যই আল্লাহ তায়ালা নবি-রাসুল বা পথপ্রদর্শনকারী পাঠিয়েছেন। আল্লাহ্ তায়ালা বলেন-

وَلِكُلِّ قَوْمٍ هَادٍه

অর্থ : “আর প্রত্যেক সম্প্রদায়ের জন্যই পথপ্রদর্শক রয়েছে।” (সুরা আর-রাদ, আয়াত ৭)

তাঁরা মানুষকে এক আল্লাহ তায়ালার দিকে ডাকতেন। সত্য ও সুন্দর জীবনবিধান তথা আল্লাহর দীন অনুসরণের নির্দেশ দিতেন। সৃষ্টির শুরু থেকে আজ পর্যন্ত শরিয়ত তথা দীনের বিধি-বিধান এক রকম ছিল না। বরং মানবজাতির পরিবেশ, পরিস্থিতি, সভ্যতা-সংস্কৃতি ইত্যাদির উপর ভিত্তি করে ভিন্ন ভিন্ন শরিয়ত দেওয়া হতো । নবি-রাসুলগণ তা মানবসমাজে বাস্তবায়ন করতেন। তবে সব নবি-রাসুলের দীনের মৌলিক কাঠামো ছিল এক ও অভিন্ন । আল্লাহ তায়ালার একত্ববাদ বা তাওহিদ ছিল সবারই প্রচারিত দীনের মূলকথা। হযরত আদম (আ.) থেকে শুরু করে আগত সকল নবি-রাসুলই এ দীন প্রচার করেছেন। হযরত নূহ (আ.), হযরত ইবরাহিম (আ.), হযরত মুসা (আ.), হযরত দাউদ (আ.), হযরত ঈসা (আ.) সকলেই এই একই দীন ও শিক্ষা প্রচার করেছেন। আমাদের প্রিয়নবি হযরত মুহাম্মদ (স.) ছিলেন নবুয়তের ধারার সর্বশেষ নবি। তাঁর পরে আর কোনো নবি আসেননি, আসবেনও না। সুতরাং আল্লাহ তায়ালা তাঁর মাধ্যমে দীনের পূর্ণতা প্রদান করেন । আল্লাহ তায়ালা ঘোষণা করেন-

الْيَوْمَ أَكْمَلْتُ لَكُمْ دِينَكُمْ وَأَتْمَمْتُ عَلَيْكُمْ نِعْمَتِي وَرَضِيتُ لَكُمُ الْإِسْلَامَ دِينًا

অর্থ : “আজ আমি তোমাদের জন্য তোমাদের দ্বীনকে পূর্ণাঙ্গ করলাম, তোমাদের উপর আমার নিয়ামত পরিপূর্ণ করলাম এবং তোমাদের জন্য ইসলামকে জীবনবিধান হিসেবে মনোনীত করলাম।” (সূরা আল-মায়িদা, আয়াত ৩)

এভাবে দ্বীনের বিধি-বিধান পূর্ণতা প্রাপ্তির ফলে নবি-রাসুলগণের আগমনের ধারাও বন্ধ হয়ে যায় । ফলে নবুয়তের ধারাও পূর্ণতাপ্রাপ্ত হয়। মানুষের হিদায়াতের জন্য আগমনকারী এসব নবি-রাসুল সকলেই ছিলেন আল্লাহ তায়ালার মনোনীত বান্দা। তাঁদের সকলের উপর বিশ্বাস স্থাপন করা অপরিহার্য । আল্লাহ তায়ালা বলেন-

امَنَ الرَّسُولُ بِمَا أُنْزِلَ إِلَيْهِ مِنْ رَّبِّهِ وَالْمُؤْمِنُونَ كُلٌّ آمَنَ بِاللهِ وَمَلَيْكَتِهِ وَكُتُبِهِ وَرُسُلِهِ لَا نُفَرِّقُ بَيْنَ
احد من رسله م

অর্থ : : “রাসুল, তাঁর প্রতি তাঁর প্রতিপালকের পক্ষ থেকে যা অবতীর্ণ হয়েছে তাতে ইমান এনেছেন এবং মুমিনগণও। তাদের সবাই আল্লাহ, তাঁর ফেরেশতাগণ, তাঁর কিতাবসমূহ এবং তাঁর রাসুলগণে ইমান এনেছে । তারা বলে, আমরা তাঁর রাসুলগণের মধ্যে কোনো তারতম্য করি না।” (সুরা আল-বাকারা, আয়াত ২৮৫)

নবুয়তের ধারায় আগমনকারী সব নবি-রাসুলকে বিশ্বাস করা ইমানের অপরিহার্য শর্ত । এঁদের কাউকে বিশ্বাস এবং কাউকে অবিশ্বাস করা যাবে না। বরং সকলকেই আল্লাহ তায়ালার প্রেরিত নবি-রাসুল হিসেবে বিশ্বাস করতে হবে। নবি-রাসুল হিসেবে যথাযথ সম্মান ও মর্যাদা দিতে হবে। কারও প্রতিই কোনোরূপ ঠাট্টা-বিদ্রূপ বা কটাক্ষ করা যাবে না।

সর্বশেষ ও সর্বশ্রেষ্ঠ নবি

নবুয়তের ধারার সর্বশেষ ও সর্বশ্রেষ্ঠ নবি ছিলেন আমাদের প্রিয়নবি হযরত মুহাম্মদ (স.)। তিনি ছিলেন অনন্য বৈশিষ্ট্যের অধিকারী । দুনিয়াতে আগমনকারী সব নবি-রাসুলই কোনো বিশেষ গোত্র, বিশেষ দেশ, নির্দিষ্ট সময়ের জন্য দায়িত্ব নিয়ে এসেছিলেন। কিন্তু হযরত মুহাম্মদ (স.) ছিলেন সারা বিশ্বের সকল স্থানের সকল মানুষের নবি। তিনি বিশ্বনবি ।
আল্লাহ তায়ালা বলেন-

قل يأيها النَّاسُ إِنِّي رَسُولُ اللَّهِ إِلَيْكُمْ جَمِيعًا

অর্থ : “(হে নবি!) আপনি বলুন, হে মানবমণ্ডলী! আমি তোমাদের সকলের জন্যই আল্লাহর রাসুল হিসেবে প্রেরিত।” (সূরা আল-আরাফ, আয়াত ১৫৮)

রাসুলুল্লাহ (স.) ছিলেন সর্বকালের নবি। কিয়ামত পর্যন্ত যত মানুষ আগমন করবে সকলের নবি তিনিই । তাঁর শিক্ষা, আদর্শ ও আনীত কিতাব আল-কুরআন সকলকেই অনুসরণ করতে হবে । তিনি রহমতের নবি । মানবজাতির জন্য তিনি আল্লাহ তায়ালার বিশেষ নিয়ামত ও অনুগ্রহস্বরূপ । আল্লাহ তায়ালা বলেন-

وَمَا أَرْسَلْنَكَ إِلَّا رَحْمَةً لِلْعَلَمِينَ

অর্থ : “আর (হে নবি!) আমি তো আপনাকে বিশ্বজগতের প্রতি কেবল রহমতরূপেই প্রেরণ করেছি।” (সূরা আল-আম্বিয়া, আয়াত ১০৭ )

অতএব, আমাদের প্রিয় নবি হযরত মুহাম্মদ (স.) ছিলেন সর্বশেষ ও সর্বশ্রেষ্ঠ নবি। হযরত মুহাম্মদ (স.)- কে সর্বশেষ ও সর্বশ্রেষ্ঠ নবি হিসেবে বিশ্বাস করা প্রত্যেক মুসলমানের ইমানি কর্তব্য ।

খতমে নবুয়তের অর্থ ও এতে বিশ্বাসের গুরুত্ব

হযরত মুহাম্মদ (স.) ছিলেন সর্বশেষ নবি। তাঁর মাধ্যমে দীনের পুর্ণতা ঘোষিত হয় এবং নবুয়তের ধারা সমাপ্ত হয়। তিনি নবি-রাসুলগণের ধারায় সর্বশেষে আগমন করেছেন। আল্লাহ তায়ালা স্বয়ং তাঁকে 'খাতামুন নাবিয়্যিন' তথা সর্বশেষ নবি বলে অভিহিত করেছেন ।

খাতামুন অর্থ শেষ, সমাপ্তি। আর নবুয়ত হলো নবিগণের দায়িত্ব। সুতরাং খতমে নবুয়তের অর্থ নবুয়তের সমাপ্তি । আর যার মাধ্যমে নবুয়তের ধারার সমাপ্তি ঘটে তিনি হলেন খাতামুন নাবিয়্যিন বা সর্বশেষ নবি ।

আল্লাহ তায়ালা যুগে যুগে অসংখ্য নবি-রাসুল প্রেরণ করেছেন। এঁদের মধ্যে সর্বপ্রথম ছিলেন হযরত আদম (আ.)। আর সর্বশেষ ছিলেন হযরত মুহাম্মদ (স.)। হযরত মুহাম্মদ (স.)-এর মাধ্যমে নবি-রাসুলগণের আগমনের ধারা শেষ বা বন্ধ হয়ে যায় । সুতরাং তিনিই সর্বশেষ নবি বা খাতামুন নাবিয়্যিন | আল্লাহ তায়ালা বলেন-

مَا كَانَ مُحَمَّدٌ أَبَا أَحَدٍ مِنْ رِجَالِكُمْ وَلَكِن رَّسُولَ اللهِ وَخَاتَمَ النَّبِيِّنَ

অর্থ : “মুহাম্মদ তোমাদের মধ্যে কোনো পুরুষের পিতা নন; বরং তিনি আল্লাহর রাসুল এবং শেষ নবি।” (সূরা আল-আহযাব, আয়াত ৪০ )

খাতামুন শব্দের অন্যতম অর্থ সিলমোহর। কোনো কিছুতে সিলমোহর তখন অঙ্কিত করা হয় যখন তা পূর্ণ হয়ে যায় । সিলমোহর লাগানোর পর তাতে কোনো কিছু প্রবেশ করানো যায় না। নবুয়তের সিলমোহর হলো নবুয়তের পরিসমাপ্তির ঘোষণা। নবুয়তের দায়িত্বের পরিসমাপ্তি ঘোষণা। অর্থাৎ নতুনভাবে কোনো ব্যক্তি নবি হতে পারবে না এবং নবুয়তের ধারায় প্রবেশ করতে পারবে না । এটাই হলো খতমে নবুয়তের মূল কথা । আমাদের প্রিয় নবি (স.) হলেন খাতামুন নাবিয়্যিন । তিনি সর্বশেষ নবি। তাঁর পরে আর কোনো নবি নেই । তাঁর পরে আজ পর্যন্ত কোনো নবি আসেননি । কিয়ামত পর্যন্ত আসবেনও না। তাঁর পরবর্তীতে যারা নবুয়ত দাবি করেছে তারা সবাই ভণ্ড, মিথ্যাবাদী ও প্রতারক । কেননা মহানবি (স.) বলেছেন,

أَنَا خَاتَمُ النَّبِينَ لَا نَبِيَّ بَعْدِي

অর্থ : “আমি শেষ নবি। আমার পরে কোনো নবি নেই।” (সহিহ মুসলিম)

অন্য একটি হাদিসে মহানবি (স.) বলেছেন- “অচিরেই আমার উম্মতের মধ্যে মিথ্যাবাদীর আবির্ভাব হবে। তারা প্রত্যেকেই নবি হওয়ার দাবি করবে। অথচ আমিই সর্বশেষ নবি। আমার পর আর কোনো নবি আসবে না।” (আবু দাউদ)

হযরত মুহাম্মদ (স.)-কে খাতামুন নাবিয়্যিন হিসেবে বিশ্বাস করা ইমানের অন্যতম অঙ্গ । তাঁর পরবর্তীতে যারা নবি বলে দাবি করেছে সবাই মিথ্যাবাদী। আমরা এসব মিথ্যাবাদীকে নবি হিসেবে বিশ্বাস করব না । তাদের শিক্ষা, আদর্শ বর্জন করব।

আমরা জীবনের সর্বাবস্থায় মহানবি হযরত মুহাম্মদ (স.)-এর আদর্শ ও শিক্ষা অনুসরণ করে চলব ।

কাজ :

ক. শিক্ষার্থীরা রিসালাতের গুরুত্ব সম্পর্কে ১০টি বাক্য নিজ খাতার লিখবে।
খ. শিক্ষার্থীরা নবি-রাসুলগণের গুণাবলি সম্পর্কে ১০টি বাক্য লিখে একটি পোস্টার তৈরি করবে ।

আকাইদ ও নৈতিক জীবন - অন্যান্য প্রশ্ন
ইসলাম
ইমান
মানবিক মূল্যবোধ বিকাশে ইমানের গুরুত্ব
তাওহিদ
আল্লাহ্ তায়ালার পরিচয়
কুফর
শিরক
নিফাক
রিসালাত
নৈতিক মূল্যবোধ বিকাশে রিসালাত ও নবুয়ত
আসমানি কিতাব
নৈতিক জীবন গঠনে আসমানি কিতাবের ভূমিকা
আখিরাত
আখিরাতের কয়েকটি স্তর
সৎকর্মশীল ও নৈতিকজীবন গঠনে আখিরাতে বিশ্বাসের ভূমিকা
‘আকাইদ’ কোন শব্দের বহুবচন?
আকিদা অর্থ কী?
‘আকাইদ’ শব্দের অর্থ কী?
ইসলামি বিশ্বাসের মূলভিত্তি কী?
ইসলামের মৌলিক বিষয়সমূহের প্রতি দৃঢ় বিশ্বাসকে কী বলা হয়?
আল্লাহ তায়ালার মনোনীত একমাত্র দ্বীন বা জীবনব্যবস্থাকে কী বলা হয়?
আল্লাহ, নবি-রাসুল, ফেরেশতা ইত্যাদি বিষয়গুলো আকাইদের কোন দিক?
ইসলামের বিশ্বাসগত দিকের নামকে কী বলা হয়?
ইসলাম শব্দের অর্থ কী?
ইসলাম কার আনুগত্যের কথা বলে?
শরিয়তের সর্বশেষ ও পূর্ণাঙ্গ রূপ কী?
মানবজাতির জন্য নির্দেশিত সর্বশেষ ও সর্বোত্তম জীবন বিধান কী?
“নিশ্চয় আল্লাহর নিকট ইসলামই একমাত্র মনোনীত জীবনব্যবস্থা।” কুরআনের কোন সূরায় বর্ণিত আছে?
যিনি ইসলাম অনুসারে জীবন পরিচালনা করেন তাকে কী বলা হয়?
ইসলাম শব্দটির মূলধাতু কী?
সিলমুন শব্দের অর্থ কী?
ইসলামকে শান্তির ধর্ম বলা হয় কেন?
ইসলাম কীরূপ জীবনবিধান?
ইসলাম কাদের জন্য?
ইসলাম সম্পর্কে জ্ঞান লাভ করাকে কী বলে?
ইসলাম সম্পর্কে জ্ঞান লাভের প্রধান মাধ্যম কী?
কীসের মাধ্যমে আমরা দুনিয়া ও আখিরাতে শান্তি ও সফলতার দিকনির্দেশনা অর্জন করতে পারি?
‘ইমান’ শব্দটি এসেছে কোন ক্রিয়ামূল থেকে?
‘ইমান’ শব্দের অর্থ কী?
ইসলামের মূল বিষয়গুলোর প্রতি আন্তরিক বিশ্বাস, মৌখিক স্বীকৃতি ও তদনুযায়ী আমলের নাম কী?
যিনি ইসলামের মৌলিক বিষয়ের প্রতি পূর্ণ বিশ্বাস স্থাপন করেন, তাকে কী বলা হয়?
মুখ, অন্তর ও কর্মের মাধ্যমে শরিয়তের কার্য সম্পাদন করাকে কী বলা হয়?
মহান আল্লাহর যাবতীয় আদেশ-নিষেধ বিনা দ্বিধায় মেনে নেওয়ার মাধ্যমে তাঁর প্রতি পূর্ণাঙ্গরূপে আত্মসমর্পণ করাকে কী বলা হয়?
কীসের মাধ্যমে ইমানের বহিঃপ্রকাশ ঘটে?
ইমানের মূল বিষয় কয়টি?
ইমানের সর্বপ্রথম ও সর্বপ্রধান বিষয় কী?
ইমানের মূল কী?
ফেরেশতারা কিসের তৈরি?
আসমানি কিতাবের সংখ্যা মোট কত খানা?
পথভ্রষ্ট মানুষকে সঠিক পথে পরিচালনার জন্য আল্লাহ পাক যুগে যুগে কাদের পাঠিয়েছেন?
তাকদির শব্দের অর্থ কী?
মানুষের মর্যাদা ও শ্রেষ্ঠত্বকে সমুন্নত রাখা যায় কীভাবে?
কুফর, শিরক ও নিফাক কিসের সম্পূর্ণ পরিপন্থি?
মানবিক মূল্যবোধ বিকাশে কীসের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ?
‘তাওহিদ’ শব্দের অর্থ কী?
আল্লাহ তায়ালাকে এক ও অদ্বিতীয় হিসেবে স্বীকার করে নেওয়াকে কী বলে?
“কোনোকিছু তার সদৃশ নয়।” বাণীটি দ্বারা কিসের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে?
ইমানের সর্বপ্রথম ও সর্বপ্রধান বিষয় কী?
ইসলামের সকল শিক্ষা ও আদর্শ কিসের ওপর প্রতিষ্ঠিত?
নবি-রাসুলগণ সারাজীবন মানুষকে কিসের দাওয়াত দিয়েছেন?
তাওহিদ প্রচার করতে গিয়ে কোন নবি অগ্নিকুণ্ডে নিক্ষিপ্ত হয়েছেন?
তাওহিদে বিশ্বাস মানুষের মাঝে কী সৃষ্টি করে?
আল্লাহর একত্ববাদ কোন সূরায় বর্ণিত হয়েছে?
“তিনিই প্রথম, তিনিই শেষ, তিনিই প্রকাশ্য, তিনিই গোপন এবং তিনি সর্ববিষয়ে সম্যক অবহিত।” এটি কোন সূরার আয়াত?
রাহিম, জাব্বার, গাফফার এগুলো আল্লাহর কী?
জাব্বার শব্দের অর্থ কী?
‘কুফর’ শব্দের অর্থ কী?
যে ব্যক্তি কুফরি কাজে লিপ্ত থাকে, তাকে কী বলে?
মানুষ কয়ভাবে কাফির বা অবিশ্বাসী হতে পারে?
ইচ্ছাকৃতভাবে প্রকাশ্যে কুফরের চিহ্ন ধারণ করা কী কাজ?
কাফির ব্যক্তি হতাশাগ্রস্ত থাকে কেন?
জাহান্নামে কারা চিরকাল থাকবে?
হরতালের সময় পাবলিক বাস ভাংচুরকারী কে?
আল্লাহর সাথে অংশীদার সাব্যস্ত করাকে কী বলে?
‘শিরক’ শব্দের অর্থ কী?
যে ব্যক্তি মহান আল্লাহর সাথে অন্য কাউকে শরিক করে তাকে কী বলা হয়?
শিরক-এর বিপরীত কী?
আল্লাহর সাথে শিরক কত ধরনের হতে পারে?
পৃথিবীর সকল প্রকার জুলুমের মধ্যে সবচেয়ে বড় জুলুম কোনটি?
“নিশ্চয়ই শিরক চরম জুলুম।” কোন সূরার আয়াত?
“নিশ্চয়ই আল্লাহ তাঁর সাথে শিরক করার অপরাধ ক্ষমা করেন না।” কোন সূরার?
‘নিফাক’ শব্দটির অর্থ কী?
নিফাক অর্থ কী?
অন্তরে কুফর ও অবাধ্যতা গোপন রেখে মুখে ইমানদারসুলভ বাক্য উচ্চারণ এবং লোক দেখানো অনুষ্ঠান সম্পন্ন করাকে কী বলে?
কারা বাহ্যিকভাবে ইসলাম ও ইমান স্বীকার করে মুসলমানদের মতো ইবাদত-বন্দেগি করে?
মুনাফিকের বৈশিষ্ট্য কয়টি?
মুনাফিকের প্রথম লক্ষণ কী?
মুনাফিকরা জাহান্নামের সর্বনিম্ন স্তরে অবস্থান করার কারণ কী?
কুরআন মজিদে মুনাফিকদের কী বলে আখ্যায়িত করা হয়?
‘রিসালাত’ শব্দের অর্থ কী?
রিসালাত অর্থ কী?
মহান আল্লাহর পবিত্র বাণী পৌঁছে দেওয়ার দায়িত্বকে কী বলা হয়?
নবি-রাসুলগণের দায়িত্বের নাম কী?
হযরত মুহাম্মদ (স.) দেশ ত্যাগ করেছিলেন কেন?
সর্বপ্রথম নবি কে?
সর্বশেষ নবি কে?
“প্রত্যেক সম্প্রদায়ের জন্য পথপ্রদর্শক রয়েছে।" কোন বিষয়টির গুরুত্ব বোঝানো হয়েছে?
“তোমাদের জন্য তোমাদের দ্বীনকে পূর্ণাঙ্গ করলাম।” এখানে দ্বীন বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
খাতামুন শব্দের অর্থ কী?
‘খাতমে নবুয়ত' অর্থ কী?
'খাতামুন নাবিয়্যিন' কার উপাধি?
'তাওরাত' কোন নবির ওপর নাজিল হয়?
হযরত মুসা (আ.)-এর ওপর কোন কিতাব নাজিল হয়?
হযরত দাউদ (আ.)-এর ওপর কোন কিতাব অবতীর্ণ হয়েছিল?
ইঞ্জিল কিতাব কোন নবির ওপর নাজিল হয়?
সহিফা সংখ্যা কত?
হযরত শিস (আ.)-এর ওপর অবতীর্ণ সহিফা সংখ্যা কয়টি?
সবচেয়ে বেশি সহিফা কার ওপর অবতীর্ণ হয়েছে?
সর্বশেষ ও সর্বশ্রেষ্ঠ আসমানি কিতাবের নাম কী?
হযরত মুহাম্মদ (স.)-এর ওপর কত বছর বয়সে প্রথম কুরআন অবতীর্ণ হয়?
জীবনের সকল সমস্যার সমাধান দেয় বলে কুরআনকে বলা হয়—
আল-কুরআন হিফাজতের দায়িত্ব কার?
সফলতা ও সম্মানের মূল চাবিকাঠী কী?
ফিরাউন, নমরূদ ও কারুনের ঘটনা বর্ণিত হয়েছে কোথায়?
আখিরাত শব্দের অর্থ কী?
মৃত্যুর পরের জীবনকে কী বলে?
আখিরাতের জীবন শুরু হয় কখন থেকে?
“তাঁরা আখিরাতে দৃঢ় বিশ্বাস রাখে” – তাঁরা কারা?
“আর তারা (মুত্তাকিগণ) আখিরাতে দৃঢ় বিশ্বাস রাখে” কোন সূরার আয়াত?
আখিরাতের জীবনের প্রথম স্তর হলো—
“প্রত্যেক প্রাণীকেই মৃত্যুর স্বাদ গ্রহণ করতে হবে।” আয়াতটি কোন সূরার?
বারযাখ জীবন শুরু হয়—
কবরে ফেরেশতারা মৃত ব্যক্তিকে কয়টি প্রশ্ন করবেন?
কিয়ামত বলতে কয়টি অবস্থাকে বোঝানো হয়েছে?
হাশর শব্দের অর্থ কী?
পরকালে মানুষের আমলনামা কখন হাতে দেওয়া হবে?
আখিরাতের জীবনের পঞ্চম স্তর কোনটি?
মিযান শব্দের অর্থ কী?
আল্লাহ তায়ালা বলেন, “আর আমি কিয়ামতের দিন ন্যায়বিচারের মানদণ্ড স্থাপন করব।” এখানে কিয়ামতের দিন বলতে বোঝানো হয়েছে—
সিরাত শব্দের অর্থ কী?
“তোমাদের প্রত্যেকেই তা অতিক্রম করবে, এটা তোমাদের প্রতিপালকের অনিবার্য সিদ্ধান্ত।” এ বাণী দ্বারা কী বোঝানো হয়েছে?
শাফাআত অর্থ কী?
জান্নাতের একটি নাম কী?
জাহান্নাম (নার)-এর শাব্দিক অর্থ কী?
দোযখের স্তর কয়টি?
'মাযরাআতুন' শব্দের অর্থ কী?
“দুনিয়া আখিরাতের শস্যক্ষেত্র"- এটি কার বাণী?
ব্যক্তি যদি সৎ কাজ করে, তাহলে তার প্রাপ্তি হবে—
আকাইদ শব্দটি কোন শব্দের বহুবচন?
আকাইদ অর্থ কী?
আকাইদ কাকে বলে? অথবা, আকাইদ কী?
ইসলামের কয়টি দিক রয়েছে?
আকাইদের অন্তর্ভুক্ত বিষয় কী?
বস্তুত একজন মানুষ কীভাবে ইসলামে প্রবেশ করে?
ইসলাম কী?
ব্যবহারিক অর্থে ইসলাম কী?
“নিশ্চয়ই আল্লাহর নিকট ইসলামই একমাত্র মনোনীত জীবনব্যবস্থা।” —উক্তিটি কোন সূরার কত নম্বর আয়াত?
কোন সূরায় ইসলামকে পূর্ণাঙ্গ জীবনব্যবস্থা হিসেবে ঘোষণা দেওয়া হয়েছে?
মুসলিম কে?
আরবি ইসলাম শব্দটি কোন ধাতু হতে নির্গত ?
ইসলাম শিক্ষা কী?
ইমান শব্দটি কোন ধাতু থেকে নির্গত?
জান্নাত বলতে কী বোঝায়?
জাহান্নাম বলতে কী বোঝায়?
পাপীদের শাস্তির জন্য আল্লাহ তায়ালা কয়টি দোযখ তৈরি রেখেছেন?
নৈতিক জীবন গঠনে আখিরাতে বিশ্বাস গুরুত্বপূর্ণ কেন?
আখিরাতে পুণ্যবানকে কোথায় প্রবিষ্ট করানো হবে?
কোন শাস্তির ভয় মানুষকে পাপ কাজ থেকে বিরত রাখে?
আকাইদ শব্দটি ব্যাখ্যা কর।
ইসলামের বিশ্বাসগত দিককে কী বলা হয়?
ইসলামের কোন বিষয়গুলো আকাইদের অন্তর্ভুক্ত?
ইসলামের প্রায়োগিক দিক সম্পর্কে কী জান?
ব্যবহারিক অর্থে ইসলাম বলতে কী বোঝ?
শরিয়তের পরিভাষায় ইসলাম কী? সংক্ষেপে লেখ।
ইসলামের পরিচয় সম্পর্কে মহানবি (স.) কী বলেছেন?
ইসলাম কী? সংক্ষেপে লেখ।
ইসলামকে শান্তির ধর্ম বলা হয় কেন?
ইসলামকে ইসলাম নামকরণ করার কারণ সংক্ষেপে লেখ।
ইসলাম শিক্ষার মাধ্যমে আমরা কী অর্জন করতে পারি?
ইমান শব্দটির শাব্দিক অর্থ লেখ।
ইমান বলতে কী বোঝায়?
ইমানের পরিচয় সম্পর্কে মহানবি (স.)-এর বাণীটি উল্লেখ কর।
ইমানে মুফাস্স্সাল-এর বাংলা অনুবাদ লেখ।
ইমান ও ইসলামের সম্পর্ক সংক্ষেপে লেখ।
ইমানের সর্বপ্রথম ও সর্বপ্রধান বিষয় কী? সংক্ষেপে লেখ।
ইমানের সর্বশেষ বিষয় কোনটি? সংক্ষেপে লেখ।
ইমান মানুষকে কোন পথে পরিচালিত করে?
ইমান কীভাবে মানুষকে নৈতিক মূল্যবোধে উদ্বুদ্ধ করে?
তাওহিদের মূলকথা কী? সংক্ষেপে লেখ।
মানবজীবনে তাওহিদে বিশ্বাসের প্রভাব কেমন?
তাওহিদ বিশ্বাস মানুষকে কীভাবে মর্যাদাবান করে তোলে?
তাওহিদে বিশ্বাস মানুষকে কীসে উৎসাহিত করে?
আল্লাহ তায়ালার পরিচয় সংক্ষেপে লেখ।
সূরা আল-ইখলাস এর বাংলা অর্থ লেখ।
আল্লাহর তায়ালার গুণাবলি সংক্ষেপে লেখ।
আল্লাহ তায়ালার কয়েকটি গুণবাচক নাম লেখ।
কুফর বলতে কী বোঝায়?
কাফির হওয়ার দুটি দিক লেখ।
কাফির কে? সংক্ষেপে লেখ।
কুফরের পরিণতি সংক্ষেপে লেখ।
কাফিররা হতাশ হয় কেন?
কুফরের কারণে অনৈতিকতার প্রসার কেন ঘটে?
কুফরের শাস্তি সম্পর্কে আল্লাহ তায়ালা কী বলেছেন?
শিরক বলতে কী বোঝায়?
মুশরিক ব্যক্তির সংক্ষিপ্ত পরিচয় দাও।
শিরকের ধরনগুলো সংক্ষেপে উল্লেখ কর।
শিরকের কুফল সম্পর্কে আল্লাহ তায়ালা কী বলেছেন?
আমরা শিরক পরিহার করব কেন?
নিফাক বলতে কী বোঝায়?
মুনাফিক ব্যক্তির সংক্ষিপ্ত পরিচয় দাও।
মুনাফিকের চিহ্নগুলো লেখ।
নিফাককে মারাত্মক পাপ বলা হয় কেন?
ইসলাম ও মুসলমানদের জন্য মুনাফিকরা ক্ষতিকর কেন?
নিফাক থেকে বেঁচে থাকার উপায় সংক্ষেপে লেখ।
আমরা নিফাক পরিহার করব কেন?
মুনাফিকদের পরিণতি ভয়াবহ কেন?
কালিমা তায়্যিবার দ্বারা কয়টি বিষয়ের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে?
নবি-রাসুল প্রেরণের দুটি উদ্দেশ্য লেখ।
নবি-রাসুলগণের চরিত্র কেমন ছিল?
নবি-রাসুলগণ কীসের মূর্ত প্রতীক ছিলেন?
নবুয়তের ক্রমধারা বলতে কী বোঝায়?
হযরত মুহাম্মদ (স.)-কে বিশ্বনবি বলা হয় কেন?
বিশ্বজগতে কাকে রহমতরূপে প্রেরণ করা হয়েছে?
খতমে নবুয়ত বলতে কী বোঝায়?
খতমে নবুয়তের মূলকথা কী? সংক্ষেপে লেখ।
আমরা খতমে নবুয়তে বিশ্বাস করব কেন?
নবুয়ত ও রিসালাতের উদ্দেশ্য কী?
মানুষের নৈতিক ও মানবিক মূল্যবোধ অনুপ্রাণিত হয় কীভাবে?
নবি-রাসুলগণ কেমন গুণের অধিকারী ছিলেন?
মহানবি (সা.)-কে মানবতার মহান শিক্ষক বলা হয় কেন?
নবুয়ত ও রিসালাতে বিশ্বাসের মাধ্যমে আমরা কোথায় প্রবেশ করি?
আসমানি কিতাব কী? সংক্ষেপে লেখ।
আসমানি কিতাবের কয়েকটি বিষয়বস্তু লেখ।
আসমানি কিতাবে বিশ্বাসের গুরুত্ব কেমন?
সর্বশেষ আসমানি কিতাবের পরিচয় দাও।
কুরআনের নামকরণ সম্পর্কে সংক্ষেপে লেখ।
আল-কুরআনের কয়েকটি নাম লেখ।
সর্বজনীন কিতাব হিসেবে আল-কুরআনের মর্যাদা কেমন?
জ্ঞানের সর্বোত্তম উৎস কী? সংক্ষেপে লেখ।
আল-কুরআনকে সকল জ্ঞানের আধার বলা হয় কেন?
আখিরাত বলতে কী বোঝায়?
আখিরাতে বিশ্বাস মানুষকে কোন বিষয় থেকে বিরত রাখে?
পরকালের প্রবেশদ্বার সম্পর্কে কী জান?
কবরের জীবন সম্পর্কে কী জান?
কবরে মৃত ব্যক্তিকে কয়টি প্রশ্ন করা হয় ও কী কী?
কিয়ামত বলতে কী বোঝ?
হাশর বলতে কী বোঝায়?
মিযান বলতে কী বোঝ?
সিরাত বলতে কী বোঝ?
শাফাআত কী? সংক্ষেপে লেখ।
কিয়ামতের দিন কারা সুপারিশ করবেন?
ইমান শব্দের অর্থ কী?
ইমান কী?
প্রকৃতপক্ষে ইমান কী?
ইমানে মুফাস্সালে ইমানের কয়টি মৌলিক বিষয়ের কথা বলা হয়েছে?
ইমান ও ইসলামের সম্পর্ক কেমন?
ফেরেশতাগণ কিসের তৈরি?
দুনিয়াতে সর্বমোট কতখানা আসমানি কিতাব নাজিল করা হয়েছে?
তাকদিরের নিয়ন্ত্রক কে?
মানবিক মূল্যবোধ কী?
কারা সৃষ্টির সেরা জীব?
মানবিক মূল্যবোধ বিকাশে কিসের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ?
ইমানের মূলকথা কী?
তাওহিদ অর্থ কী?
তাওহিদ বলতে কী বোঝায়?
তাওহিদ' কী?
কোনোকিছুই তাঁর সদৃশ নয়।- আয়াতটি কোন সূরার?
মুমিন বা মুসলিম হতে হলে একজন মানুষকে সর্বপ্রথম কী করতে হয়?
ইসলামের সকল শিক্ষা ও আদর্শ কিসের ওপর প্রতিষ্ঠিত?
দুনিয়াতে যত নবি-রাসুল এসেছেন তাঁরা কিসের দাওয়াত দিয়েছেন?
নবি-রাসুলগণের দাওয়াত্বের মূলকথা কী ছিল?
কোন নবি অগ্নিকুণ্ডে নিক্ষিপ্ত হয়েছিলেন?
ইমানের মূল কী?
বিশ্বজগতের মালিক কে?
আল্লাহ কোন ভাষার শব্দ?
কোন সূরায় তাওহিদের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে?
সকল গুণের আধার কে?
রাহিম শব্দের অর্থ কী?
জাব্বার শব্দের অর্থ কী?
গাফ্ফার শব্দের অর্থ কী?
বাসির শব্দের অর্থ কী?
সামিউন শব্দের অর্থ কী?
হাফিয শব্দের অর্থ কী?
'কুফর' শব্দের অর্থ কী?
'কুফর' কী?
ইমানের বিপরীত কী?
কাফির কে?
কোনো ব্যক্তিকে কখন কাফির বলা যাবে?
কাফির অর্থ কী?
ইসলামের মৌলিক ইবাদতগুলো অস্বীকার করা কিসের শামিল?
ইচ্ছাকৃতভাবে কাফিরদের অনুকরণকারী কী হিসেবে গণ্য হবে?
মহানবি (স.) কিংবা কুরআনকে নিয়ে ঠাট্টা-উপহাস করা কী?
অবাধ্যতা ও অকৃতজ্ঞতা কিসের পরিণতি?
যারা কুফরি করবে এবং আমার নিদর্শনগুলোকে অস্বীকার করবে তারাই জাহান্নামের অধিবাসী। যেথায় তারা চিরদিন থাকবে।-আয়াতটি পবিত্র কুরআনের কোথায় রয়েছে?
অংশীদার শব্দের আরবি প্রতিশব্দ কী?
শিরক কী? অথবা, শিরক কাকে বলে?
মুশরিক কে?
শিরক শব্দের বিপরীত শব্দ কী?
তাওহিদের বিপরীত শব্দ কী?
আয়াতটিতে কিসের ধারণা খণ্ডন করা হয়েছে?
ঈসা (আ.)-কে আল্লাহর পুত্র মনে করা কিসের অন্তর্ভুক্ত?
আল্লাহ ব্যতীত কাউকে সেজদা করা, কারও নামে পশু জবেহ করা ইত্যাদি কিসের উদাহরণ?
শিরক কীরূপ অপরাধ?
পৃথিবীর সবচেয়ে বড় জুলুম কোনটি?
নিশ্চয়ই শিরক চরম জুলুম.-কোন সূরার আয়াত?
আল্লাহ তায়ালা কোন গুনাহ ক্ষমা করবেন না?
নিশ্চয়ই আল্লাহ তাঁর সাথে শিরক করার অপরাধ ক্ষমা করেন না। এতদ্ব্যতীত যেকোনো পাপ যাকে ইচ্ছা ক্ষমা করেন.-উদ্ধৃতিটি কোন সূরার?
নিফাক শব্দের অর্থ কী?
নিফাক কী? অথবা, নিফাক কাকে বলে?
মুনাফিক কে?
মুনাফিকের বৈশিষ্ট্য সম্পর্কিত হাদিসটিতে কী বলা হয়েছে?
মুনাফিকের বৈশিষ্ট্য সম্পর্কিত হাদিসটি কোন হাদিস গ্রন্থের?
আর আল্লাহ সাক্ষ্য দিচ্ছেন যে, নিঃসন্দেহে মুনাফিকরা মিথ্যাবাদী.-কার বাণী?
আয়াতটিতে কাদের কথা বলা হয়েছে?
আর আল্লাহ সাক্ষ্য দিচ্ছেন যে মুনাফিকরা নিঃসন্দেহে মিথ্যাবাদী.-আয়াতটি কোন সূরার?
নিশ্চয়ই মুনাফিকরা জাহান্নামের সর্ব নিম্নস্তরে থাকবে-আয়াতটির বাংলা অর্থ কোন সূরার?
রিসালাত শব্দের অর্থ কী?
রিসালাত কী? অথবা, রিসালাত কাকে বলে?
কালিমা তায়্যিবার প্রথমাংশ দ্বারা কিসের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে?
আল্লাহ তায়ালাই ফেরেশতাদের মধ্য থেকে এবং মানুষের মধ্য থেকেও রাসুল মনোনীত করেন; আল্লাহতো সর্বশ্রোতা
হযরত ইউসুফ কে ছিলেন?
সর্বপ্রথম নবি কে ছিলেন?
সর্বশেষ নবি কে?
আর প্রত্যেক সম্প্রদায়ের জন্যই পথপ্রদর্শক রয়েছে। আয়াতটি কোন সূরার?
সব নবি-রাসুলের দীনের মৌলিক কাঠামো কেমন ছিল?
সকল নবি-রাসুলদের প্রচারিত দীনের মূলকথা কী ছিল?
কোন সূরায় দীনের পূর্ণাঙ্গতার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে?
হযরত মুহাম্মদ কাদের নবি?
আমি তো আপনাকে বিশ্বজগতের প্রতি কেবল রহমতরূপেই প্রেরণ করেছি। কোন সূরার আয়াত?
কার মাধ্যমে দীনের পূর্ণতার ঘোষণা দেওয়া হয়?
'খাতামুন' শব্দের অর্থ কী?
নবুয়ত কী?
খতমে নবুয়ত কী?
খাতামুন নাবিয়ি‍্যন কাকে বলে?
আল্লাহ তায়ালা কাকে 'খাতামুন নাবিয়ি‍্যন' বলে অভিহিত করেছেন?
মুহাম্মদ তোমাদের মধ্যে কোনো পুরুষের পিতা নন; বরং তিনি আল্লাহর রাসুল এবং শেষ নবি। কোন সূরার আয়াত?
নবুয়তের সিলমোহর কী?
খতমে নবুয়তের মূলকথা কী?
আমিই শেষ নবি। আমার পরে কোনো নবি নেই। কোন হাদিস গ্রন্থের বাণী?
নবুয়ত ও রিসালাত কী?
নবুয়ত ও রিসালাত কাকে বলে?
মানবজীবনে নৈতিক মূল্যবোধের প্রচার ও প্রসারে নবুয়ত ও রিসালাত প্রধানত কয়ভাবে ভূমিকা রাখতে পারে?
তোমাদের জন্য আল্লাহর রাসুলের জীবনে রয়েছে উত্তম আদর্শ।- আয়াতটি কোন সূরার?
মানবতার মহান শিক্ষক কে?
উত্তম গুণাবলির পরিপূর্ণতাদানের জন্য আমি প্রেরিত হয়েছি।- কার বাণী?
কিতাব শব্দের অর্থ কী?
কিতাব শব্দের প্রতিশব্দ কী?
'আসমানি কিতাব' কী?
আল্লাহ তায়ালা কার মাধ্যমে তাঁর বাণী রাসুলগণের নিকট প্রেরণ করেছেন?
আল্লাহ তায়ালা সর্বমোট কয়খানা আসমানি কিতাব নাজিল করেছেন?
বড় আসমানি কিতাবের সংখ্যা কত?
সহিফা কী?
তাওরাত কার ওপর নাজিল হয়েছে?
যাবুর কার ওপর নাজিল হয়েছে?
ইনজিল কার ওপর নাজিল হয়েছে?
হযরত আদম (আ.)-এর ওপর কয় খানা সহিফা নাজিল হয়েছে?
হযরত শিস (আ.)-এর ওপর কয় খানা সহিফা নাজিল হয়েছে?
হযরত ইবরাহিম (আ.)-এর ওপর কয় খানা সহিফা নাজিল হয়েছে?
হযরত ইদরিস (আ.)-এর ওপর কয় খানা সহিফা নাজিল হয়েছে?
কত বছর বয়সে হযরত মুহাম্মদ (স.) নবুয়ত লাভ করেন?
নবুয়ত লাভকালে হযরত মুহাম্মদ (স.) কোন গুহায় ধ্যানমগ্ন ছিলেন?
নবি (স.)-এর ওপর সর্বপ্রথম নাজিলকৃত আয়াত কোনগুলো?
মোট কত বছরে পবিত্র কুরআন নাজিল হয়েছিল?
আল কুরআন কতটি খন্ডে বিভক্ত?
পারা কী?
পবিত্র কুরআনে সূরা সংখ্যা কতটি?
পবিত্র কুরআনে রুকু সংখ্যা কতটি?
কুরআন অর্থ কী?
পৃথিব্যের সবচেয়ে বেশি পঠিত গ্রন্থ কোনটি?
কুরআনকে কুরআন নামকরণ করা হয়েছে কেন?
আল-কিতাব অর্থ কী?
আল-ফুরকান অর্থ কী?
আল-হিকমা অর্থ কী?
আল-বুরহান অর্থ কী?
আল-হক অর্থ কী?
আন-নূর অর্থ কী?
আয-যিকর অর্থ কী?
আশ-শিফা অর্থ কী?
আল-মাজিদ অর্থ কী?
আর-রাহমাহ অর্থ কী?
আমি এ কিতাবে কোনোকিছুই বাদ দিইনি। আয়াতটি কোন সূরার?
আমিই কুরআন অবতীর্ণ করেছি এবং অবশ্য আমিই উহার সংরক্ষক।- আয়াতটি কোথায় রয়েছে?
জ্ঞান কী?
জ্ঞানের সর্বোত্তম উৎস কী?
এটি সেই কিতাব যাতে কোনো সন্দেহ নেই। এটি মুত্তাকিদের জন্য পথনির্দেশক।- কার বাণী?
এটি সেই কিতাব যাতে কোনো সন্দেহ নেই। এটি মুত্তাকিদের জন্য পথনির্দেশক।- আয়াতটি কোন সূরার?
মানবজীবনের প্রয়োজনীয় সকল জ্ঞান-বিজ্ঞানের মূলনীতি ও সারকথা কোন গ্রন্থে বর্ণিত হয়েছে?
আখিরাত শব্দের অর্থ কী?
আখিরাত কী?
আখিরাতে ভালো কাজের জন্য মানুষ কী লাভ করবে?
আখিরাতে মন্দকাজের জন্য মানুষ কী লাভ করবে?
আখিরাতে বিশ্বাস ছাড়া কী হওয়া যায় না?
আর তারা (মুত্তাকিগণ) আখিরাতে দৃঢ় বিশ্বাস রাখে।-কোন সূরার আয়াত?
আখিরাতের জীবনের শুরু হয় কিসের মাধ্যমে?
পরকালের প্রবেশদ্বার কী?
কবর কী?
বারযাখ কী?
কবরে কোন ফেরেশতা আসেন?
মুনকার-নাকির নামক দুজন ফেরেশতা কবরে কয়টি প্রশ্ন করবেন?
مَنْ رَبُّكَ অর্থ কী?
কবরের দ্বিতীয় প্রশ্নটি কী?
কিয়ামত অর্থ কী?
আল্লাহর নির্দেশে কে শিঙ্গায় ফুঁক দিবেন?
'ইয়াওমূল বা' আছ কী?
কয় শ্রেণির লোক হাশরের দিন আরশের ছায়াতলে স্থান পাবে?
হাশরের ময়দানে কে কাকে হাউজে কাউছার হতে পানি পান করাবেন?
মিযান অর্থ কী?
মিযান কী?
আর আমি কিয়ামতের দিন ন্যায়বিচারের মানদণ্ড স্থাপন করব। - আয়াতটি কোন সূরার?
সিরাত-এর শাব্দিক অর্থ কী?
সিরাত কী?
কাদেরকে সিরাত অতিক্রম করতে হবে?
শাফায়াত কী?
কিয়ামত দিবসে কারা শাফাআতের সুযোগ পাবেন?
জান্নাত অর্থ কী?
জান্নাত কী?
জান্নাতের সংখ্যা কতটি?
কোন জীবনকে আখিরাতের প্রস্তুতি গ্রহণের ক্ষেত্র বলা হয়?
নিশ্চয়ই যারা ইমান আনে ও সৎকর্ম করে তাদের জন্য রয়েছে জান্নাত যার পাদদেশে নহরসমূহ প্রবাহিত। এটাই মহাসাফল্য। - আয়াতটি কোন সূরার?
অনন্তর যে সীমালঙ্ঘন করে এবং পার্থির জীবনকে অগ্রাধিকার দেয় জাহান্নামই হবে তার আবাসস্থল।- আয়াতটি কোন সূরার?
হাদিসের আলোকে ইসলামের পরিচয় বুঝিয়ে লেখ।
নিশ্চয়ই আল্লাহর নিকট ইসলামই একমাত্র মনোনীত ধর্ম বা জীবন ব্যবস্থা।- ব্যাখ্যা কর।
শরিয়তের সর্বশেষ ও পূর্ণাঙ্গ রূপ ইসলাম। ব্যাখ্যা কর।
ইসলাম একটি পরিপূর্ণ জীবনব্যবস্থা- বুঝিয়ে লেখ।
সুস্থ ও সুন্দরভাবে জীবন পরিচালনার জন্য ইসলামের বিকল্প নেই। বুঝিয়ে লেখ।
الْيَوْمَ أَكْمَلْتُ لَكُمْ دِينَكُمْ وَأَتْمَمْتُ عَلَيْكُمْ نِعْمَتِي وَرَضِيتُ لَكُمُ ان الْإِسْلَامَ دِينًاط -এ আয়াতটিতে কিসের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে?
ইসলামকে শান্তির ধর্ম বলা হয় কেন?
ইসলাম সর্বজনীন ধর্ম- ব্যাখ্যা কর।
ইসলাম শিক্ষা গুরুত্বপূর্ণ কেন? ব্যাখ্যা কর।
দুনিয়া ও আখিরাতের শান্তি ও সফলতায় ইসলাম শিক্ষার উপযোগিতা ব্যাখ্যা কর।
ইমান ও ইসলাম পরস্পর সম্পর্কযুক্ত- বুঝিয়ে লেখ।
'ইমান ও ইসলাম পরস্পর পরিপূরক'- ব্যাখ্যা কর।
ইসলাম হলো ইমানের বহিঃপ্রকাশ।- ব্যাখ্যা কর।
ইমানের সর্বপ্রথম ও সর্বপ্রধান বিষয় ব্যাখ্যা কর।
তাকদিরে বিশ্বাস গুরুত্বপূর্ণ কেন? ব্যাখ্যা কর।
তকদিরে বিশ্বাস ইয়ানের অংশ। বুঝিয়ে লেখ।
ইমানের সর্বশেষ মূল বিষয়টি বর্ণনা কর।
মানবিক মূল্যবোধ বলতে কী বোঝায়?
মানবিক মূল্যবোধ বিকাশে ইমানের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বুঝিয়ে লেখ।
ইমান মানুষকে সত্য ও সুন্দরের পথে পরিচালিত করে। বুঝিয়ে লেখ।
মুমিন ব্যক্তি সব ধরনের অমানবিক ও অনৈতিক কার্যকলাপ হতে দূরে থাকে কেন?
তাওহিদের স্বরূপ ব্যাখ্যা কর।
'কোনো কিছুই তাঁর সদৃশ নয়'- ব্যাখ্যা কর।
তাওহিদের মূলকথা ব্যাখ্যা কর।
তাওহিদে বিশ্বাস জরুরি কেন? ব্যাখ্যা কর।
তাওহিদে বিশ্বাস মানুষকে কী করে তোলে?
মানুষ সৃষ্টির সেরা জীব. -ব্যাখ্যা কর।
'তাওহিদ মানব মনে ঐক্যের চেতনা জাগ্রত করে।' ব্যাখ্যা কর।
মানবজীবনে তাওহিদে বিশ্বাসের প্রভাব অত্যন্ত ব্যাপক। বুঝিয়ে লেখ।
আল্লাহ তায়ালা সকল গুণের আধার। বুঝিয়ে লেখ।
কুফর কীভাবে হতাশার সৃষ্টি করে? ব্যাখ্যা কর।
ইসলামের মৌলিক বিষয়গুলো অধীকারকারী অনৈতিক কাজ সম্পাদনে দ্বিধা করে না।- উক্তিটি ব্যাখ্যা কর।
কুফর মানব সমাজে অনৈতিকতার প্রসার ঘটায়।-ব্যাখ্যা কর।
নিশ্চয়ই শিরক চরম জুলুম।- বাণীটির ব্যাখ্যা কর।
শিরকের গুনাহ আল্লাহ তায়ালা ক্ষমা করবেন না কেন?
আমরা শিরক পরিহার করব কেন?
আমরা নিফাক পরিহার করব কেন?
মুনাফিকরা কাফিরের চেয়েও ক্ষতিকর- ব্যাখ্যা কর।
ইসলাম ও মুসলমানদের জন্য মুনাফিকরা ক্ষতিকর কেন?
মুনাফিকদের পরিণতি ভয়াবহ কেন?
রিসালাত বলতে কী বোঝ?
রাসুল বলতে কী বোঝায়? ব্যাখ্যা কর।
রিসালাতে বিশ্বাসের গুরুত্ব ব্যাখ্যা কর।
আমরা নবি-রাসুলগণের প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করব কেন?
নবি-রাসুল প্রেরণের কারণ ব্যাখ্যা কর।
হযরত মুহাম্মদ (স.)-কে কেন 'খাতামুন নাবিয়িন' বলা হয়? ব্যাখ্যা কর।
উত্তম গুণাবলির পরিপূর্ণতা দানের জন্যই আমি প্রেরিত হয়েছি। ব্যাখ্যা কর।
আমরা উত্তম গুণাবলি ও আদর্শ অনুশীলন করব কেন?
আমরা নবি-রাসুলগণের চরিত্র অনুসরণ করব কেন?
রাসুলুল্লাহ (স.)-কে মানবতার মহান শিক্ষক হিসেবে বিবেচনা করা হয় কেন?
আসমানি কিতাবে বিশ্বাস করতে হবে কেন?
কুরআনকে 'কুরআন' বলা হয় কেন?
আমি এ কিতাবে কোনো কিছুই বাদ দিইনি। আল্লাহর এই বাণীটি ব্যাখ্যা কর।
এটি সেই কিতাব যাতে কোনো সন্দেহ নেই। - ব্যাখ্যা কর।
আখিরাত বলতে কী বোঝায়?
আখিরাতে বিশ্বাস করা অপরিহার্য কেন? ব্যাখ্যা কর।
আখিরাতে বিশ্বাসের গুরুত্ব বুঝিয়ে লেখ।
আখিরাতের বিশ্বাস মানুষকে সৎকাজে উদ্বুদ্ধ করে। - বুঝিয়ে লেখ।
আর তাদের সামনে বারযাখ থাকবে পুনরুত্থান দিবস পর্যন্ত। - আয়াতটি ব্যাখ্যা কর।
আল্লাহ তায়ালা পৃথিবী ধ্বংস করে দেবেন কেন?
হাশর শব্দটির নামকরণের যথার্থতা ব্যাখ্যা কর।
জাহান্নামের উপর সিরাত স্থাপিত হবে। - ব্যাখ্যা কর।
সিরাত অতিক্রম না করে কেউ জান্নাতে যেতে পারবে না - উক্তিটি ব্যাখ্যা কর।
শাফায়াত বলতে কী বোঝায়?
'শাফাআতে উযমা' বলতে কী বোঝ?
আমাকে শাফাআত করার অধিকার দেওয়া হয়েছে। ব্যাখ্যা কর।
জাহান্নাম বলতে কী বোঝায়?
দুনিয়া হলো আখিরাতের শস্যক্ষেত্র- ব্যাখ্যা কর। অথবা
ক্ষণস্থায়ী জীবনের চাষাবাদ অনুযায়ী অনন্ত জীবনে সকলে ফল ভোগ করবে উক্তিটি ব্যাখ্যা কর।

সম্পর্কিত বহুনির্বচনী প্রশ্ন সমূহ

‘আলহিকমাতু’ শব্দের অর্থ কী?

প্রজ্ঞা

ইনসাফ

ইহসান

অনুগ্রহ

ইসলাম কী?

একটি ধর্মমত

একটি মতবাদ

একটি পথ

একটি পূর্ণাঙ্গ জীবনব্যবস্থা

‘আকিদা’ অর্থ কী?

বিশ্বাস

তাওহিদ

কুফর

নিফাক

‘আকাইদ’ বলতে কী বোঝায়?

বিশ্বাসমালা

নৈতিক জীবন

জীবন ব্যবস্থা

আল্লাহর দ্বীন

‘আকাইদ’ শব্দের অর্থ কী?

বিশ্বাস

প্রতিজ্ঞা

বিশ্বাসমালা

আনুগত্য

ইসলামের প্রায়োগিক দিক হচ্ছে—

ইবাদত

নামাজ-রোজা

শরিয়ত

তাসাউফ

আকাইদে আচরণগত দিকে আলোচিত হয়—

জান্নাত-জাহান্নাম

নবি-রাসুল

ফেরেশতা

হজ-যাকাত

আকাইদের বিষয়গুলোর ওপর বিশ্বাসের মাধ্যমে মানুষ—

মুমিন হয়

মুসলিম হয়

মুত্তাকি হয়

ইসলামে প্রবেশ করে

ইমানহীন ইসলাম—

মূল্যবান

গ্রহণযোগ্য

কাম্য

মূল্যহীন