- হোম
- একাডেমি
- সাধারণ
- নবম-দশম শ্রেণি
- ইংরেজ শাসন আমলে বাংলার স্বাধিকার আন্দোলন
পাঠ্যবিষয় ও অধ্যায়ভিত্তিক একাডেমিক প্রস্তুতির জন্য আমাদের উন্মুক্ত শিক্ষায় অংশগ্রহণ করুন।
১৯২২ সালে মহাত্মা গান্ধী অসহযোগ আন্দোলন প্রত্যাহার করে নিলে কংগ্রেসের অনেক নেতা কারাগার থেকে মুক্তি লাভ করেন। এ সময় মুক্তিপ্রাপ্ত নেতা চিত্তরঞ্জন দাস (সি.আর. দাস) ও মতিলাল নেহরুর সঙ্গে কংগ্রেসের ভবিষ্যৎ আন্দোলনের কর্মপন্থা নিয়ে মতবিরোধ দেখা দেয়। এই অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে ১৯২২ সালে কংগ্রেসের একাংশের সমর্থনে সি. আর. দাসের নেতৃত্বে গঠিত হয় স্বরাজ পার্টি। সি.আর. দাস হন এ দলের সভাপতি। মতিলাল নেহরু হন অন্যতম সম্পাদক।
কংগ্রেসের অভ্যন্তরে যাঁরা স্বরাজ লাভের জন্য স্বরাজ পার্টির সমর্থক ছিলেন, তাঁদেরকে পরিবর্তনপন্থি এবং যাঁরা স্বরাজ পার্টির বিপক্ষে অংশ নেন তাঁদের বলা হয় পরিবর্তনবিরোধী। এই দুই পক্ষের সঙ্গে শুধু আন্দোলনের পন্থা নির্ধারণের ধরন ছাড়া আর কোনো বিষয়ে বিরোধ ছিল না।
স্বরাজ দলের বিরোধীরা অসহযোগ আন্দোলনের ধারা বজায় রেখে আইন বয়কট করার সিদ্ধান্তে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ থাকে। অন্যদিকে স্বরাজ দল গঠনের পরপর বাংলার অনেক বিপ্লবী-সুভাষচন্দ্র বসু, হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীসহ অনেক যুবনেতা এতে যোগদান করেন।
স্বরাজ দলের কর্মসূচি
১. আইনসভায় প্রবেশ করে সরকারি কর্মকাণ্ডের বিরোধিতা করা এবং ১৯১৯ সালে প্রণীত সংস্কার আইন অকার্যকর করে দেওয়া;
২. সরকারি বাজেট প্রত্যাখ্যান করা এবং মন্ত্রিসভার পতন ঘটানো;
৩. বিভিন্ন প্রস্তাব ও বিল উপস্থাপনের মধ্য দিয়ে জাতীয়তাবাদী চেতনা ও কর্মকাণ্ডকে জোরদার করা;
৪. বিদেশি শাসনকে অসম্ভব করে তোলা।
স্বরাজ দলের কার্যাবলি
১৯১৯ সালের ভারত শাসন আইন বা মন্টেগু-চেমসফোর্ড সংস্কার আইন অনুযায়ী, ১৯২৩ সালে দ্বিতীয়বারের মতো নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। স্বরাজ দল তাদের কর্মসূচি অনুযায়ী নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে আশাতীত সাফল্য অর্জন করে। বিশেষ করে বাংলা ও মধ্য প্রদেশে স্বরাজ দল এ নির্বাচনে কেন্দ্রীয় আইনসভায় সংখ্যাগরিষ্ঠ দল হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে।
মুসলমানদের সমর্থন লাভের কারণে আইন সভায় স্বরাজ দলের ভিত শক্ত হয় এবং কর্মসূচি অনুযায়ী সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপে বাধা সৃষ্টি করা সম্ভব হয়। বাংলায় স্বরাজ দলের অভূতপূর্ব বিজয়ের কৃতিত্ব ছিল দলের সভাপতি চিত্তরঞ্জন দাশের। তাঁর অসাম্প্রদায়িক চেতনা, উদারনীতি বাংলার সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলমান জনগণের আস্থা অর্জনে সক্ষম হয়। মুসলিম সম্প্রদায়ের সমর্থন তাঁকে এবং তাঁর দলকে শক্তিশালী করে তোলে।
সম্পর্কিত বহুনির্বচনী প্রশ্ন সমূহ
মাস্টারদা সূর্যসেনের নেতৃত্বে গঠিত বিপ্লবী সংগঠনের কর্মকান্ডের মধ্যে ছিল- i. চট্টগ্রাম বিপ্লবী বাহিনী গঠন ii. স্বাধীন চিটাগাং সরকার-এর ঘোষণা iii. চিটাগাং রিপাবলিকান আর্মি গঠন। নিচের কোনটি সঠিক?
উদ্দীপকে ঐতিহাসিক কোন ঘটনাকে নির্দেশ করা হয়েছে?
কোন ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর 'আমার সোনার বাংলা, আমি তোমায় ভালোবাসি' সংগীতটি রচনা করেন?
পলাশীর যুদ্ধের কত বছর পরে ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রাম শুরু হয়?
সিপাহি বিদ্রোহের তাৎক্ষণিক ফলাফল ছিল- i. কোম্পানি শাসনের অবসান ii. মুঘল শাসনের অবসান iii. ইংল্যান্ডের রানীর ক্ষমতা গ্রহণ। নিচের কোনটি সঠিক?
লর্ড ডালহৌসি স্বত্ববিলোপ নীতি প্রয়োগ করে নিচের যে রাজ্য ব্রিটিশ সাম্রাজ্যভুক্ত করেন- i. সাতারা ii. ঝাঁসি iii. নাগপুর। নিচের কোনটি সঠিক?
বঙ্গভঙ্গের সৃষ্ট নতুন প্রদেশের জনসংখ্যার সংখ্যাগরিষ্ঠ অংশ ছিল কারা?
বঙ্গভঙ্গের ফলে নিচের কোনটি ঘটেছিল?
শ্রমিক নেতা কিরণ কোন ব্যক্তির নীতি দ্বারা প্রভাবিত হয়েছেন?
কোন নীতি অনুযায়ী দত্তক পুত্র সম্পত্তির উত্তরাধিকারী হতে পারত না?
কীভাবে দত্তক পুত্র নানা সাহেবের ভাতা বন্ধ করে দেওয়া হয়?
ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি ক্ষমতায় এসে সর্বপ্রথম কোন কাজটি করেন?
ভারতের প্রথম স্বাধীনতা সংগ্রাম কীভাবে শেষ হয়েছিল?
সিপাহি বিদ্রোহের অন্যতম রাজনৈতিক কারণ কোনটি?
সিপাহি বিদ্রোহের অন্যতম রাজনৈতিক কারণ কোনটি?


