- হোম
- একাডেমি
- সাধারণ
- একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি
- মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশ সরকারের কার্যক্রম
পাঠ্যবিষয় ও অধ্যায়ভিত্তিক একাডেমিক প্রস্তুতির জন্য আমাদের উন্মুক্ত শিক্ষায় অংশগ্রহণ করুন।
২৫ মার্চ-এর কালরাত থেকে নয় মাসে পাকবাহিনীর নৃশংস হত্যার সর্বশেষ নজির ছিল ১৪ ডিসেম্বর বাংলার বুদ্ধিজীবীদের হত্যা। মনীষী গোর্কি বলেছিলেন, মাছের যেমন পচন শুরু হয় মাথা থেকে, তেমনি কোনো জাতির অধঃপতনের সূত্রপাত হয় মস্তিষ্ক থেকে। গোর্কির এই উক্তি অনুসরণ করেই সম্ভবত পাকবাহিনী বাংলার বুদ্ধিজীবীদের হত্যার পরিকল্পনা করেছিল, যাতে বাঙালিকে মেধাশূন্য করা যায়। পাকবাহিনীর এই পরিকল্পনায় সহযোগিতা করেছিল এ দেশীয় আলবদর, আলশামস এবং রাজাকার বাহিনী। বেছে বেছে বুদ্ধিজীবীদের তালিকা তৈরি করে তাদের ধরে আনা হয় ঢাকার মিরপুরের শিয়ালবাড়ি, মোহাম্মদপুরের রায়ের বাজার বন্ধ ভূমিসহ বিভিন্ন স্থানে এবং তাদের হত্যা করা হয়। স্বাধীনতার পর লাশের স্তূপে যাদের পাওয়া গিয়েছিল তাদের সকলের হাত-পা, চোখ বাঁধা ছিল। বুদ্ধিজীবীদের আত্মত্যাগ স্মরণ রাখার জন্য স্বাধীনতার পর ১৪ ডিসেম্বর (বুদ্ধিজীবী হত্যার দিনটি) বুদ্ধিজীবী দিবস হিসেবে সরকার ঘোষণা করে। বেসরকারিভাবে শহিদ বুদ্ধিজীবীদের যে তালিকা পাওয়া যায় তাতে ১১০৯ জন বুদ্ধিজীবীর কথা উল্লেখ রয়েছে। এর মধ্যে ৯৮৯ জন শিক্ষাবিদ, ৪১ জন আইনজীবী, ৫০ জন চিকিৎসক, ১৩ জন সাংবাদিক, ১৬ জন কবি-সাহিত্যিক। শিক্ষাবিদদের মধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মুনীর চৌধুরী, মোফাজ্জল হায়দার চৌধুরী, আনোয়ার পাশা, গোবিন্দ চন্দ্র দেব, ফজলুর রহমান, সন্তোষ চন্দ্র ভট্টাচার্যসহ ১৭ জন। চিকিৎসক ফজলে রাব্বী, আলিম চৌধুরী, শামসুদ্দীন প্রমুখ। সাংবাদিক সিরাজুদ্দীন, শহীদুল্লাহ কায়সার, নিজামুদ্দিন আহমদ প্রমুখ। আইনজীবী ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত, নাজমুল হক সরকার, আবদুল জব্বার প্রমুখ। চলচ্চিত্রকার জহির রায়হান। প্রকৌশলী সামসুদ্দিন, নজরুল ইসলাম, সেকান্দার হায়াত চৌধুরী এবং গীতিকার আলতাফ মাহমুদ প্রমুখ বুদ্ধিজীবীদের নির্মমভাবে হত্যা করা হয়।
[তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ সরকারের তথ্য ও বেতার মন্ত্রণালয় এর প্রকাশিত বাংলাদেশ গ্রন্থ।
সম্পর্কিত বহুনির্বচনী প্রশ্ন সমূহ
মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময় সর্বশেষ কতজন বাঙালি শরণার্থী হিসেবে প্রতিবেশী ভারতে আশ্রয় নেয়?
মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময় সর্বশেষ কতজন বাঙালি শরণার্থী হিসেবে প্রতিবেশী ভারতে আশ্রয় নেয়?
প্রায় ২৫ লক্ষ
প্রায় ৫০ লক্ষ
প্রায় ৮০ লক্ষ
প্রায় ১ কোটি
মুক্তিযুদ্ধ বিরোধী নিম্নে কোন সংগঠনটির সর্বপ্রথম জন্ম হয়?
মুক্তিযুদ্ধ বিরোধী নিম্নে কোন সংগঠনটির সর্বপ্রথম জন্ম হয়?
শান্তি কমিটি
রাজাকার বাহিনী
আলবদর বাহিনী
আলশামস
নিম্নে কোন বীরশ্রেষ্ঠ বরিশাল জেলার কৃতিসন্তান?
নিম্নে কোন বীরশ্রেষ্ঠ বরিশাল জেলার কৃতিসন্তান?
ক্যাপ্টেন মহিউদ্দীন জাহাঙ্গীর
সিপাহী নূর নূর মোহাম্মাদ শেখ
নায়েক মুন্সি আবদুর রউফ
ফ্লাইট ল্যাফটেন্যান্ট মতিউর রহমান
মুক্তিযুদ্ধে এমন একটি স্বাধীন বাহিনী ছিল যে বাহিনীর নাম শুনলেই পাক-সেনাদের বুকে কাঁপন ধরত। এখানে কোন স্বাধীন বাহিনীকে বোঝানো হয়েছে?
মুক্তিযুদ্ধে এমন একটি স্বাধীন বাহিনী ছিল যে বাহিনীর নাম শুনলেই পাক-সেনাদের বুকে কাঁপন ধরত। এখানে কোন স্বাধীন বাহিনীকে বোঝানো হয়েছে?
মুজিব বাহিনী
আফসারী বাহিনী
কাদেরিয়া বাহিনী
হেমায়েত বাহিনী
মুজিবনগর সরকারের প্রধানমন্ত্রী কে ছিলেন?
মুজিবনগর সরকারের প্রধানমন্ত্রী কে ছিলেন?
শেখ মুজিবুর রহমান
সৈয়দ নজরুল ইসলাম
তাজউদ্দিন আহমেদ
ক্যাপ্টেন মনসুর আলী
মুক্তিযুদ্ধে এস ফোর্স বলতে কোন ফোর্সকে বোঝায়?
মুক্তিযুদ্ধে এস ফোর্স বলতে কোন ফোর্সকে বোঝায়?
খালেদ মোশাররফের নেতৃত্বে ফোর্স
জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে ফোর্স
শফিউল্লাহর নেতৃত্বে ফোর্স
এম.এ.জি ওসমানীর নেতৃত্বে ফোর্স
১৯৭১ খ্রিষ্টাব্দের কত তারিখ সর্বপ্রথম স্বাধীন বাংলাদেশে মন্ত্রিসভা (মুজিবনগর সরকার) গঠন করা হয়?
১৯৭১ খ্রিষ্টাব্দের কত তারিখ সর্বপ্রথম স্বাধীন বাংলাদেশে মন্ত্রিসভা (মুজিবনগর সরকার) গঠন করা হয়?
৭ এপ্রিল
১০ এপ্রিল
১৭ এপ্রিল
৬ ডিসেম্বর
'স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র' সম্পর্কে পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী কোনো মন্তব্য না করার ক্ষেত্রে যুক্তি হচ্ছে-
'স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র' সম্পর্কে পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী কোনো মন্তব্য না করার ক্ষেত্রে যুক্তি হচ্ছে-
উক্ত বেতারের নাম নিলে বাংলাদেশের স্বাধীনতাকে স্বীকার করা হয়
ভারতের অভ্যন্তরে হওয়ায় কোনো প্রতিক্রিয়া ছিল না
বেতার কেন্দ্রটি এতই শক্তিশালী ছিল যে, মন্তব্য করা যায় না
বেতার কেন্দ্রটি ধরা ছোঁয়ার বাইরে ছিল তাই মন্তব্য করেনি


