Uddoyon

নোবেল পুরস্কার (প্রশ্নোত্তর)

​শান্তিতে নোবেল কে পেয়েছেন এবং কেন?

দক্ষিণ আফ্রিকার বিচারক নাভানেথেম "নাভি" পিলে। নরওয়েজিয়ান নোবেল কমিটি বলেছে, শান্তি ও আন্তর্জাতিক আইন এগিয়ে নেওয়ার চেষ্টার জন্য তাঁকে এই সম্মান দেওয়া হয়েছে। তাঁর বয়স ৮৫। তিনি নেলসন ম্যান্ডেলা ও অন্য বর্ণবাদবিরোধীদের পক্ষে আইনজীবী ছিলেন এবং দক্ষিণ আফ্রিকার হাইকোর্টের প্রথম অশ্বেতাঙ্গ নারী বিচারক। কমিটির ভাষ্য, ম্যান্ডেলার পক্ষে লড়াই থেকে শুরু করে আন্তর্জাতিক আদালতের গুরুত্বপূর্ণ মামলায় বিচারকের দায়িত্ব পর্যন্ত তাঁর কাজে একটা সূত্র চলে এসেছে। তিনি জাতিসংঘের মানবাধিকার হাইকমিশনারও ছিলেন। এ বছর ২৮৭টি মনোনয়ন এসেছিল, এর মধ্যে ২০৮টি ব্যক্তি আর ৭৯টি সংস্থা। পুরস্কার হস্তান্তর হবে ১০ ডিসেম্বর, অসলোতে। এটি শান্তি পুরস্কারের ১২৫তম বছর।

১৩ অক্টোবর ২০২৬

সম্পর্কিত প্রশ্ন সমূহ

প্রশ্ন:

সবচেয়ে বেশি বয়সে নোবেল পুরস্কার পান কে?

উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্রের ডান বি গুডেনফ (রসায়নে)।
প্রশ্ন:

এশিয়া থেকে কে সর্বপ্রথম শান্তিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন?

উত্তর:
ভিয়েতনামের লি ডাক থো (১৯৭৩ সালে শান্তিতে নোবেল বিজয়ী তাঁর নাম ঘোষণা করা হয়। কিন্তু তিনি তা প্রত্যাখ্যান করেন)।
প্রশ্ন:

অর্থনীতিতে প্রথম নোবেল পুরস্কার লাভ করেন কে?

উত্তর:
রাগনার ফ্রেশ ও জ্যান টিনবারজেন।
প্রশ্ন:

স্বেচ্ছায় নোবেল পুরস্কার প্রত্যাখ্যান করেন কে কে?

উত্তর:
মোট ২জন স্বেচ্ছায় নোবেল পুরস্কার প্রত্যাখ্যান করেন। তাঁরা হলেন- ফ্রান্সের নাগরিক জাঁ পল সাত্রে (১৯৬৪ সালে সাহিত্য) এবং ভিয়েতনামের লি ডাক থো (১৯৭৩ সালে শান্তিতে)।
প্রশ্ন:

সর্বপ্রথম কোন নারী নোবেল পুরস্কার লাভ করেন?

উত্তর:
পোল্যান্ডের নাগরিক মাদাম কুরী, পদার্থে (১৯০৩ সালে)।
প্রশ্ন:

সর্বপ্রথম কোন নারী দুইবার নোবেল পুরস্কার লাভ করেন?

উত্তর:
মাদাম কুরী (১৯০৩ সালে পদার্থে এবং ১৯১১ সালে রসায়নে)
প্রশ্ন:

শান্তিতে নোবেল বিজয়ী প্রথম নারী কে?

উত্তর:
অস্ট্রিয়ার নাগরিক বার্থাভন সুটনার
প্রশ্ন:

সাহিত্যে নোবেল বিজয়ী প্রথম নারী কে?

উত্তর:
সুইডেনের নাগরিক সেলমা লাগেরলফ।
প্রশ্ন:

অমর্ত্য সেনকে নোবেল প্রাইজ দেয়া হয় কেন?

উত্তর:
তিনি একজন ভারতীয় নাগরিক। দারিদ্র্য ও দুর্ভিক্ষের ওপর গবেষণার জন্য তিনি ১৯৯৮ সালে অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার পান।
প্রশ্ন:

​চিকিৎসাবিজ্ঞানে এবার নোবেল কারা পেয়েছেন এবং কেন?

উত্তর:

কার্ল ডাইসেরোথ, পিটার হেগেমান ও গেওর্গ নাগেল পুরস্কারটি ভাগ করে পেয়েছেন। তাঁদের সম্মান জানানো হয়েছে আলো দিয়ে নিয়ন্ত্রণযোগ্য আয়ন চ্যানেল ও অপটোজেনেটিক্স নিয়ে আবিষ্কারের জন্য, আর প্রত্যেকে পেয়েছেন এক-তৃতীয়াংশ। ঘোষণাটি আসে ৫ অক্টোবর, স্টকহোমের কারোলিনস্কা ইনস্টিটিউট থেকে। সহজ করে বললে, অপটোজেনেটিক্স এমন একটি পদ্ধতি, যেখানে মস্তিষ্কের নির্দিষ্ট স্নায়ুকোষকে জিনগতভাবে আলোর প্রতি সংবেদনশীল করা হয়। তারপর আলো ফেলে সেই কোষগুলো চালু বা বন্ধ করা যায়। এর ভিত্তি হলো শৈবালে পাওয়া আলো-সংবেদী প্রোটিন, যা নিয়ে কাজ করেছেন হেগেমান ও নাগেল। ডাইসেরোথ সেটিকে প্রাণীর মস্তিষ্কে ব্যবহারের উপযোগী হাতিয়ারে পরিণত করেন। সংবাদ সংস্থাগুলো একে বর্ণনা করেছে এমন একটি টুল হিসেবে, যা আলো ব্যবহার করে মস্তিষ্কের কাজ বুঝতে সাহায্য করে। এর ফলে বিজ্ঞানীরা এখন নির্দিষ্ট কোষের সঙ্গে নির্দিষ্ট আচরণের সম্পর্ক সরাসরি পরীক্ষা করতে পারেন।